তিতে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
তিতে
20180610 FIFA Friendly Match Austria vs. Brazil Tite 850 0231.jpg
২০১৬ সালে তিতে
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম আদেনর লিওনার্দো বাচ্চি
জন্ম (1961-05-25) ২৫ মে ১৯৬১ (বয়স ৬০)
জন্ম স্থান কাক্সিয়াস দো সাল, ব্রাজিল
উচ্চতা ১.৮৪ মিটার (৬ ফুট  ইঞ্চি)
মাঠে অবস্থান মধ্যমাঠের খেলোয়াড়
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব
ব্রাজিল (কোচ)
জ্যেষ্ঠ পর্যায়*
বছর দল ম্যাচ (গোল)
১৯৭৮-১৯৮৪ কাক্সিয়াস
১৯৮৪-১৯৮৫ এস্পোর্তিভো-আরএস ১৫ (১)
১৯৮৫-১৯৮৬ পর্তুগুইসা ১৮ (৫)
১৯৮৬-১৯৮৯ গুয়ারানি
পরিচালিত দল
১৯৯০-১৯৯১ গুয়ারানি দ্য গরিবল্ডি
১৯৯১-১৯৯২ কাক্সিয়াস
১৯৯২-১৯৯৫ ভেরানোপলিস
১৯৯৬-১৯৯৭ ইপিরাঙ্গা দে ইরেচিম
১৯৯৭-১৯৯৮ জুভেনতুদ
১৯৯৯-২০০০ কাক্সিয়াস
২০০১-২০০৩ গ্রিমিও
২০০৩-২০০৪ সাও কায়েতানো
২০০৪-২০০৫ করিন্থিয়ান্স
২০০৫ অ্যাটলেটিকো মাইনেইরো
২০০৬ পালমেইরাস
২০০৭ আল আইন
২০০৮-২০০৯ ইন্তারনেশিওনাল
২০১০ আল-ওয়াহদা
২০১০-২০১৩ করিন্থিয়ান্স
২০১৫-২০১৬ করিন্থিয়ান্স
২০১৬- ব্রাজিল
* শুধুমাত্র ঘরোয়া লীগে ক্লাবের হয়ে ম্যাচ ও গোলসংখ্যা গণনা করা হয়েছে এবং ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ তারিখ অনুযায়ী সকল তথ্য সঠিক।

আদেনর লিওনার্দো বাচ্চি (পর্তুগিজ উচ্চারণ: [ˈtiti]; জন্ম: ২৫ মে, ১৯৬১) রিও গ্রান্দে দো সাল এলাকার কাক্সিয়াস দো সালে জন্মগ্রহণকারী সাবেক ব্রাজিলীয় ফুটবলার ও ম্যানেজার। বর্তমানে তিনি জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। এরপূর্বে বেশ কয়েকটি ক্লাবে খেলাসহ ম্যানেজারের দায়িত্বে ছিলেন। করিন্থিয়ান্সের সাফল্য লাভে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন তিতে। দলটিকে ২০০৪ থেকে ২০০৫ এবং ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যস্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। এ সময়ে দলটি প্রথমবারের মতো কোপা লিবার্তাদোরেস ও দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করতে সক্ষম হয়। এরপর ২০১৫ থেকে ২০১৬ সালের জুনের পূর্বে কোচের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত আধুনিক ফুটবল নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৭৮ সালে কাক্সিয়াস ক্লাবের মাধ্যমে খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত ঘটে তার। ১৯৮৪ সালে এস্পোর্তিভো দে বেন্তো গঙ্কালভেসে চলে যান। ১৯৮৫ সালে পর্তুগুইসায় স্থানান্তরিত হন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ মেয়াদে গুয়ারানিতে চলে যান। এ সময়েই তিনি তার খেলোয়াড়ী জীবনের সেরা সফলতা লাভ করেন। ১৯৮৬ সালের ক্যাম্পিওনাতো ব্রাসিলেইরো সিরিএ, ১৯৮৭ সালের কোপা ইউনিয়াও এবং ১৯৮৮ সালের সাঁও পাওলো স্টেট চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা জয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। কিন্তু ২৭ বছর বয়সে হাঁটুর আঘাতপ্রাপ্তিতে তার খেলোয়াড়ী জীবনের অকাল সমাপ্তি ঘটে। এরফলে তিনি তার পায়ের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন।[১]

কোচিং[সম্পাদনা]

তিতের প্রথম ম্যানেজারের চাকুরী ছিল ১৯৯০ সালে গারিবল্ডি শহরের গুয়ারানিতে। এরপর তিনি ভেরানোপোলইস, ইপিরাঙ্গা দে এরিচিম এবং জুভেন্তাদে এ দায়িত্বে ছিলেন।

করিন্থিয়ান্স থেকে চলে আসার পর আধুনিক ফুটবলকে ঘিরে অগ্রসর হন। এ সময়ে তিনি আমন্ত্রণ পেলেও প্রত্যাখ্যান করেন। ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপসহ বেশ কিছুসংখ্যক খেলা পর্যবেক্ষণ করেন। এছাড়াও আর্সেনালসহ বেশ কয়েকটি ক্লাবও পরিদর্শন করেন[২] এবং কার্লো অ্যান্সেলত্তি'র রিয়াল মাদ্রিদে যান।[৩] তাকে ব্রাজিলের নতুন কোচের মর্যাদার বিষয়টি কেবলমাত্র সময়ের ব্যাপার ছিল। এসময়ে জাপান দলেরও আমন্ত্রণ পান তিনি। কিন্তু দুঙ্গাকে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়। এমনকি জাপান দলের সাথেও কোন আলাপ-আলোচনায় বসেননি তিনি।[৪] ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৪ তারিখে করিন্থিয়ান্সের ম্যানেজার হিসেবে ফিরে আসার ঘোষণা দেন তিনি।[৫] ২০১৫ সালে ক্যাম্পিওনাতো ব্রাসিলেইরো সিরিএ প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সেরা সাফল্য লাভে সক্ষম হন তিনি।

ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল[সম্পাদনা]

২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার শতবার্ষিকী প্রতিযোগিতায় দলের বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে দুঙ্গা'র উপর ফেডারেশনের ক্ষোভ পরিলক্ষিত হয়। এরফলে তার পরিবর্তে জুন, ২০১৬ সালে তিতেকে ব্রাজিল দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।[৬][৭]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

তিতের বিয়ে হয়েছিল রোজমারির সাথে। [৮]তার একটি কন্যা আছে এবং পুত্র ম্যাথিউস,যিনি কারসন – নিউম্যান বিশ্ববিদ্যালয়এ এনসিএএ ডিভিশন ২ সকার ফুটবল খেলেন।[৯] তিতে রোমান ক্যাথলিক অনুশীলন করেন।[১০][১১][১২]

যৌবনে তিনি স্কুলে লুইজ ফিলিপ স্কোলারির অধীনে শারীরিক শিক্ষা অধ্যয়ন করেছিলেন, যিনি তাঁর পরামর্শদাতা ছিলেন এবং তারপরে তিনি কোচ হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছিলেন।[১৩] তিনি [[[ক্যাম্পিনাসের পন্টিফিক্যাল ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে শারীরিক শিক্ষায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।[১৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Por Carlos Augusto FerrariSão Paulo। "Pai coruja e marido dedicado, Tite apresenta família e vida fora do Timão :: Marketing esportivo"। Velozindosports.com। ২০১৩-০২-০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০২-২২ 
  2. "O estudioso Tite: livros em três idiomas, viagens e fissura por tática"esporte.uol.com.br। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  3. "Tite volta da Espanha entusiasmado com métodos de Ancelotti"globoesporte.globo.com/blogs/especial-blog/bastidores-fc/1.html। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  4. "Tite admite frustração com Seleção Brasileira e explica recusa ao Japão"diariocatarinense.clicrbs.com.br। ২০ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  5. "Tite está de volta ao Corinthians"Corinthians। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০১৪ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  6. "É oficial: Tite aceita convite da CBF e assume a seleção no lugar de Dunga"UOL Esportes (Portuguese ভাষায়)। São Paulo: Grupo Folha। ১৫ জুন ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৬ 
  7. http://www.goal.com/brasilglobaltour/en/news/5457/brasil-global-tour/2016/06/16/24677112/the-wait-is-over-meet-new-brazil-boss-tite?ICID=HP_BN_4
  8. "Archived copy"। ২৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৪ 
  9. "Matheus Bachi"Carson-Newman 
  10. "Religioso, Tite vai à igreja no Japão com Gobbi e reza antes de semi" 
  11. "Religioso, Tite visita santuário de Bogotá antes de duelo pela Liberta | Notícias do Dia Florianópolis"। Ndonline.com.br। ৪ ডিসেম্বর ২০১৩। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০১৮ 
  12. "O mundo de Tite" 
  13. Por GLOBOESPORTE.COM Caxias do Sul, RS। "Felipão foi professor de Tite em uma escola no RS na década de 70 | globoesporte.com"। Globoesporte.globo.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 
  14. "COLUNA DOMINICAL | Blog André Kfouri"। Blogs.lancenet.com.br। ৬ মার্চ ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]