কয়াপাট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কয়াপাট
গ্রাম
কয়াপাট পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
কয়াপাট
কয়াপাট
কয়াপাট ভারত-এ অবস্থিত
কয়াপাট
কয়াপাট
পশ্চিমবঙ্গ ও ভারতের মানচিত্রে কয়াপাটের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৫৪′১৬″ উত্তর ৮৭°৩২′১৭″ পূর্ব / ২২.৯০৪৫২৩° উত্তর ৮৭.৫৩৮১৭২° পূর্ব / 22.904523; 87.538172স্থানাঙ্ক: ২২°৫৪′১৬″ উত্তর ৮৭°৩২′১৭″ পূর্ব / ২২.৯০৪৫২৩° উত্তর ৮৭.৫৩৮১৭২° পূর্ব / 22.904523; 87.538172
দেশ ভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলাহুগলি
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট৩,৩৫১
ভাষা
 • সরকারিবাংলা, ইংরেজি
সময় অঞ্চলভারতীয় প্রমাণ সময় (ইউটিসি+০৫:৩০)
পিন৭১২১২২
দূরভাষ/এসটিডি কোড০৩২১১
লোকসভা কেন্দ্রআরামবাগ
বিধানসভা কেন্দ্রগোঘাট
ওয়েবসাইটhooghly.gov.in

কয়াপাট হল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার আরামবাগ মহকুমার অন্তর্গত গোঘাট ২ সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের একটি গ্রাম।

ভূগোল[সম্পাদনা]

কয়াপাটের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল যথাক্রমে ২২°৫৪′১৬″ উত্তর ৮৭°৩২′১৭″ পূর্ব / ২২.৯০৪৫২৩° উত্তর ৮৭.৫৩৮১৭২° পূর্ব / 22.904523; 87.538172

জনপরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

২০১১ সালের জনগণনার তথ্য অনুযায়ী, কয়াপাটের মোট জনসংখ্যা ৩,৩৫১। এর মধ্যে ১,৭৩৭ জন (৫২ শতাংশ) পুরুষ এবং ১,৬১৪ জন (৪৮ শতাংশ) মহিলা। অনূর্ধ্ব ছয় বছর বয়সীদের মোট সংখ্যা ৩৪০। কয়াপাটের মোট সাক্ষর জনসংখ্যা ২,৫৭৮ (অন্যূন ছয় বছর বয়সী জনসংখ্যার ৮৫.৬২ শতাংশ)।[১]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

১৮০৭ সালে স্থানীয় মন্ডল পরিবার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শ্রীধর মন্দিরটির কথা ডেভিড জে. ম্যাককাশন উল্লেখ করেছেন। এই নবরত্ন নবরত্ন মন্দিরটি পরিমাপে সাড়ে ১৫ বর্গফুট এবং খাঁজকাটা শিখর ও তিনটি খিলানযুক্ত প্রবেশপথ বিশিষ্ট। মন্দিরের সম্মুখভাগে মৃৎফলকের উপর দেবদেবীর মূর্তি, রাজসভার দৃশ্য, পশুপাখি ও লতাপাতার অলংকরণ উৎকীর্ণ রয়েছে। কয়াপাটে আরও একটি পঞ্চরত্ন মন্দির বিদ্যমান। এই মন্দিরটিতেও খাঁজকাটা শিখর, তিনটি খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বার ও সম্মুখভাগের মৃৎফলকে কারুকার্য লক্ষিত হয়।[২] এছাড়া তিনি এই গ্রামে অবস্থিত এবং টেরাকোটার অলংকরণ সমৃদ্ধ একটি পঞ্চরত্ন মন্দিরের কথাও উল্লেখ করেছেন।[৩]

কয়াপাট চিত্রকক্ষ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "2011 Census – Primary Census Abstract Data Tables"West Bengal – District-wise। Registrar General and Census Commissioner, India। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  2. নরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, সম্পাদনা: দেবলা মিত্র, হুগলী জেলার পুরাকীর্তি, প্রত্নতত্ত্ব অধিকার (তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ), পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ১৯৯৩ সংস্করণ, পৃ. ৪৬-৪৭
  3. McCutchion, David J., Late Mediaeval Temples of Bengal, first published 1972, reprinted 2017, pages 46, 52. The Asiatic Society, Kolkata, আইএসবিএন ৯৭৮-৯৩-৮১৫৭৪-৬৫-২