টেরি অল্ডারম্যান
| ব্যক্তিগত তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| পূর্ণ নাম | টেরেন্স মাইকেল অল্ডারম্যান | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| জন্ম | ১২ জুন, ১৯৫৬ সুবিয়াকো, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| উচ্চতা | ১.৮৭ মি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ব্যাটিংয়ের ধরন | ডানহাতি ব্যাটিং | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| বোলিংয়ের ধরন | ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ভূমিকা | বোলার | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| সম্পর্ক | ডি এমারসন (ভগ্নী) আরএ এমারসন (দুলাভাই) | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| আন্তর্জাতিক তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| জাতীয় দল |
| |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| টেস্ট অভিষেক (ক্যাপ ৩১০) | ১৮ জুন ১৯৮১ বনাম ইংল্যান্ড | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| শেষ টেস্ট | ২৭ এপ্রিল ১৯৯১ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ওডিআই অভিষেক (ক্যাপ ৬৬) | ৬ জুন ১৯৮১ বনাম ইংল্যান্ড | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| শেষ ওডিআই | ১৫ জানুয়ারি ১৯৯১ বনাম নিউজিল্যান্ড | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ঘরোয়া দলের তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| বছর | দল | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ১৯৭৪–১৯৯৩ | ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ১৯৮৪-১৯৮৬ | কেন্ট | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ১৯৮৮ | গ্লুচেস্টারশায়ার | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩ আগস্ট ২০১৪ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
টেরেন্স মাইকেল অল্ডারম্যান (ইংরেজি: Terry Alderman; জন্ম: ১২ জুন, ১৯৫৬) পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সুবিয়াকো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ও বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা।[১] অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতেন।
ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্লুচেস্টারশায়ার ও কেন্টের পক্ষে খেলেছেন। মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শী টেরি অল্ডারম্যান সীমিত আকারের পেস দিয়ে নিখুঁত বোলিং করতেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]অল্ডারম্যান পার্থের অ্যাকুইনাস কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন।[২] ১৯৭৪ সালে শেফিল্ড শিল্ডে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এর মাধ্যমেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। ব্যাটিংয়ে বেশ দুর্বল ছিলেন অল্ডারম্যান। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনি কেবলমাত্র একবারই পঞ্চাশোর্ধ্ব রান সংগ্রহ করতে পেরেছেন। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তার গড় রান মাত্র আট। ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে তিন মৌসুম খেলেন। ১৯৮৪ ও ১৯৮৬ মৌসুমে কেন্ট এবং ১৯৮৮ মৌসুমে গ্লুচেস্টারশায়ার দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।
খেলোয়াড়ী জীবন
[সম্পাদনা]১৯৮১ সালে ইংল্যান্ড সফরের জন্য জাতীয় দলে তার অন্তর্ভুক্তি ঘটে। অভিষেক টেস্টে ৯ উইকেটসহ সমগ্র সিরিজে তিনি ৪২ উইকেট লাভ করেন।[৩] ১৯৫৬ সালে জিম লেকারের ৪৬ উইকেটের পর তা সর্ববৃহৎ অর্জন। সিরিজে সর্বকালের সেরাদের তালিকায় তার অবস্থান চতুর্থ। ৪২ উইকেট লাভ করলেও সিরিজের কোন টেস্টেই তিনি ১০ উইকেট দখল করতে পারেননি।[৪]
১৯৮২ সালে কিম হিউজের নেতৃত্বে পাকিস্তান গমনের জন্য অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্যরূপে তাকে মনোনীত করা হয়।[৫] তৃতীয় টেস্টে তাকে পিটার স্লিপের স্থলাভিষিক্ত করা হয়।[৬] ১৩ নভেম্বর, ১৯৮২ তারিখে পার্থের ওয়াকা গ্রাউন্ডে কাঁধে আঘাতপ্রাপ্তির ফলে তাকে এক বছরের অধিক সময় মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়।[৭] ১৯৮৫-৮৬ ও ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকায় অস্ট্রেলিয়ার অনানুষ্ঠানিক সফরে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় দক্ষিণ আফ্রিকা কমনওয়েলথের বর্ণবাদ বিরোধী নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে টেস্ট ক্রিকেট খেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত দল ছিল। এরফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গন থেকে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত হন তিনি। ফলশ্রুতিতে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৮৫ সালের অ্যাশেজ সিরিজে দল থেকে বাদ পড়েন। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হবার পর অল্ডারম্যান পুনরায় অস্ট্রেলিয়া দলে ফিরে আসেন ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পুনরায় সফলতা পান। ১৯৮৯ সালের অ্যাশেজ সিরিজে ৪১ উইকেট দখল করেন। এরপর তার সর্বশেষ ১৯৯০-৯১ সালের অ্যাশেজ সিরিজে ১৬ উইকেট দখল করেন। কিন্তু অন্যান্য দলের বিপক্ষে তিনি তেমন সফলতা অর্জন করতে পারেননি। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনি তার সর্বশেষ টেস্ট সিরিজে অংশগ্রহণ করেন। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনি ১৭০টি টেস্ট উইকেট পান।
উইজডেন কর্তৃপক্ষ ১৯৮২ সালের জন্য তাকে বর্ষসেরা ক্রিকেটাররূপে ঘোষণা করে।[৮] ২৮ জুলাই, ২০০০ তারিখে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে সর্বকালের সেরা শীর্ষ উইকেট সংগ্রহকারী হওয়ায় অস্ট্রেলিয়ান স্পোর্টস মেডেল লাভ করেন।[৯]
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় রেডিও ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করছেন। তার বোন ডেনিস এমারসন সাবেক টেস্ট আম্পায়ার রস এমারসনের সাথে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হন। ডেনিস নিজেও অস্ট্রেলিয়ার মহিলা ক্রিকেট দলের হয়ে সাত টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Phil Derriman (১১ ডিসেম্বর ১৯৮৪)। "This Australian XI are world-beaters"। The Sydney Morning Herald। Fairfax Media। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ "ICMI Speakers - Terry Alderman"। ২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১৪।
- ↑ "1st Test: England v Australia at Nottingham, Jun 18-21, 1981"। espncricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১১।
- ↑ Walmsley, Keith (২০০৩)। Mosts Without in Test Cricket। Reading, England: Keith Walmsley Publishing Pty Ltd। পৃ. ৪৫৭। আইএসবিএন ০৯৪৭৫৪০০৬৭।
- ↑ "Kim Hughes to lead Pakistan-tour team."। The Canberra Times। ২৬ মার্চ ১৯৮২। পৃ. ২২। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১৪ – National Library of Australia এর মাধ্যমে।
- ↑ "CRICKET Test recall for Terry Alderman."। The Canberra Times। ১৪ অক্টোবর ১৯৮২। পৃ. ২৮। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১৪ – National Library of Australia এর মাধ্যমে।
- ↑ Williamson, Martin (৮ মার্চ ২০০৮)। "A costly tackle"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১১।
- ↑ "Wisden Cricketers of the Year" (English ভাষায়)। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ "Terry Alderman"। Department of the Prime Minister and Cabinet। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১২।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ইএসপিএনক্রিকইনফোতে টেরি অল্ডারম্যান (ইংরেজি)
- ক্রিকেটআর্কাইভে টেরি অল্ডারম্যান (সদস্যতা প্রয়োজনীয়) (ইংরেজি)
গ্রন্থপঞ্জী
[সম্পাদনা]- Benaud, Richie (১৯৯১)। Border & Co: A Tribute To Cricket's World Champions। Hamlyn Australia। আইএসবিএন ০-৯৪৭৩৩৪-৩১-৯।
- ১৯৫৬-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার
- অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ক্রিকেটার
- অস্ট্রেলিয়ার একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার
- অস্ট্রেলীয় ক্রীড়া পদক বিজয়ী
- অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার
- উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার
- ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার
- কেন্টের ক্রিকেটার
- গ্লুচেস্টারশায়ারের ক্রিকেটার
- টেস্ট ক্রিকেট অভিষেকে ৫ উইকেট লাভকারী ক্রিকেটার
- পার্থ, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া থেকে আগত ক্রিকেটার
- পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া থেকে আগত ক্রিকেটার
- বর্ষসেরা ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ান স্পোর্টস স্টার বিজয়ী
- পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ক্রীড়াব্যক্তিত্ব
- ২০শ শতাব্দীর অস্ট্রেলীয় পুরুষ ক্রীড়াবিদ