কেন ম্যাকলি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কেন ম্যাকলি
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম (1959-04-02) ২ এপ্রিল ১৯৫৯ (বয়স ৬০)
ব্রাডফোর্ড-অন-অ্যাভন, উইল্টশায়ার, ইংল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৭৪)
৩১ জানুয়ারি ১৯৮৩ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই২৬ জানুয়ারি ১৯৮৭ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮১–১৯৯১পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া
১৯৯১–১৯৯২সমারসেট
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা - ১৬
রানের সংখ্যা - ১৩৯
ব্যাটিং গড় - ১২.৬৩
১০০/৫০ -/- ০/০
সর্বোচ্চ রান - ৪১
বল করেছে - ৮৫৭
উইকেট - ১৫
বোলিং গড় - ৪১.৭৩
ইনিংসে ৫ উইকেট -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - ৬/৩৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- ২/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২১ মে ২০১৭

কেনেথ হার্ভে ম্যাকলি (ইংরেজি: Ken MacLeay; জন্ম: ২ এপ্রিল, ১৯৫৯) উইল্টশায়ারের ব্রাডফোর্ড-অন-অ্যাভন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ইংরেজ বংশোদ্ভূত প্রথিতযশা ও সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৭ সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ১৬টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া এবং ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সমারসেটের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার ছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি মিডিয়াম পেস বোলিংয়ে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন কেন ম্যাকলি। ২০০১ সালে ক্রিকেটে অসামান্য অবদান রাখায় পার্থের ওয়াকা গ্রাউন্ড কর্তৃপক্ষ তাকে আজীবন সদস্যরূপে অন্তর্ভূক্ত করে।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ১৯৮১ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নেন। ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে ২১ বলের ব্যবধানে ৭ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট দখল করে সকলের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন।[১] ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে ১১৪ রান তুলেন।[২] শক্তিশালী ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া দলকে চারবার শেফিল্ড শিল্ডের শিরোপা বিজয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। এছাড়াও, ১৯৯১ থেকে ১৯৯২ সময়কালে সমারসেটের পক্ষে খেলেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৮২-৮৩ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার ওডিআই অভিষেক ঘটে। খেলায় তিনি বল হাতে নিয়ে ১/৩৯ ও ব্যাট হাতে ৩ রান তুলেন।[৩] পরের খেলাটি দ্বিতীয় চূড়ান্ত খেলা ছিল। ১০ রানের পাশাপাশি ১/৫৬ পান।[৪] মার্চ, ১৯৮৩ সালে বুশফায়ারে আক্রান্তদের সহায়তায় আর্থিক তহবিল বৃদ্ধির বিশেষ একদিনের খেলায় নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলেন। খেলায় তিনি ১/৪২ পান এবং অস্ট্রেলিয়ার ব্যর্থ হওয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণের খেলায় দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রান তুলেন ৩৭ বল মোকাবেলা করে।[৫][৬]

ক্রিকেট বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপের শুরুতে দল নির্বাচকমণ্ডলী তাকে বাদ দিয়েই দল ঘোষণা করে।[৭] পরবর্তীতে স্থলাভিষিক্ত খেলোয়াড়রূপে দলে যোগ দেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১/৩১ ও ১ রান তুলেন।[৮] ১৯৮৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে গ্রুপ-পর্বের খেলায় ভারতের বিপক্ষে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেন। ১৩ জুন, ১৯৮৩ তারিখে নটিংহামে প্রতিযোগিতার ১১শ খেলায় তিনি ৬/৩৯ লাভ করেন।[৯] তিনি একে-একে দিলীপ বেঙ্গসরকার, সন্দ্বীপ পাতিল, যশপাল শর্মা, মদন লালসৈয়দ কিরমানিকে আউট করে এ সফলতা পান। ঐ খেলায় অস্ট্রেলিয়া ১৬২ রানে বিজয়ী হয়। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯ ও ০/৪৫ পান।[১০] গ্রুপ-পর্বের দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের বিপক্ষে খেলতে নেমে ১/৪৮ ও ৫ রান তুলেন।[১১]

অবসর[সম্পাদনা]

১৯৮৩-৮৪ মৌসুমেও নির্বাচকমণ্ডলী একদিনের দলে তাকে রাখেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ০/৩৯ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান।[১২] ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ০/৪৭ ও ১৫ রান তুলেন। এরপর তাকে দল থেকে বাদ দেয়া হয়।[১৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Macleay adds to Victoria's rout"The Canberra Times57, (17,200)। Australian Capital Territory, Australia। ৩১ অক্টোবর ১৯৮২। পৃষ্ঠা 27। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৭ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  2. "Unbeaten MacLeay superb for WA"The Canberra Times61, (18,657)। Australian Capital Territory, Australia। ৩১ অক্টোবর ১৯৮৬। পৃষ্ঠা 24। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৭ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  3. http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/65350.html
  4. http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/65354.html
  5. http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/64206.html
  6. "CRICKET NZ avenges Cup defeat"The Canberra Times57, (17,337)। Australian Capital Territory, Australia। ১৮ মার্চ ১৯৮৩। পৃষ্ঠা 20। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৭ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  7. "Trevor Chappell only surprise for Cup"The Canberra Times57, (17,386)। Australian Capital Territory, Australia। ৬ মে ১৯৮৩। পৃষ্ঠা 22। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৭ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  8. http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/65070.html
  9. "11th Match: Australia v India at Nottingham, Jun 13, 1983 | Cricket Scorecard". ESPNcricinfo. Retrieved 2013-11-19.
  10. http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/65079.html
  11. http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/65086.html
  12. http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/65359.html
  13. http://www.espncricinfo.com/ci/engine/match/65360.html

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]