ব্রুস রিড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ব্রুস রিড
Bruce Reid.jpg
১৯৮৮ সালে হংকংয়ে ব্রুস রিড
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামব্রুস অ্যান্থনি রিড
জন্ম (1963-03-14) ১৪ মার্চ ১৯৬৩ (বয়স ৫৬)
পার্থ, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া
উচ্চতা২.০৩ মিটার (৬ ফুট ৮ ইঞ্চি)
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনবামহাতি ফাস্ট মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
সম্পর্কজেএফ রিড (কাকাতো ভাই)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৩৩৪)
ডিসেম্বর ১৯৮৫ বনাম ভারত
শেষ টেস্টনভেম্বর ১৯৯২ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৮৯)
৯ জানুয়ারি ১৯৮৬ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই১৮ মার্চ ১৯৯২ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮৪-১৯৯৬ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২৭ ৬১ ৯৬ ৯৬
রানের সংখ্যা ৯৩ ৪৯ ৫০৩ ১০৪
ব্যাটিং গড় ৪.৬৫ ৩.৭৬
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ১৩ ১০
বল করেছে ৬২৪৪ ৩২৫০
উইকেট ১১৩ ৬৩ ৩৫০ ১০৬
বোলিং গড় ২৪.৬৩ ৩৪.৯৬
ইনিংসে ৫ উইকেট ১২
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৭/৫১ ৫/৫৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫/- ৬/-
উৎস: Cricinfo, ১৯ মার্চ ২০১৫

ব্রুস অ্যান্থনি রিড (ইংরেজি: Bruce Reid; জন্ম: ১৪ মার্চ, ১৯৬৩) পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থে জন্মগ্রহণকারী সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ১৯৮৫ থেকে ১৯৯২ মেয়াদকালে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেন। এছাড়াও ব্রুস রিড ভারত দলের পক্ষে বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করেন। ঘরোয়া ক্রিকেটের শেফিল্ড শীল্ডে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার সদস্য ছিলেন তিনি।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

৬ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী রিডের দৈহিক উচ্চতা সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিখ্যাত ফাস্ট বোলার জোয়েল গার্নারের সমতুল্য। উভয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উচ্চতার অধিকারী ক্রিকেটার ছিলেন যা পরবর্তীকালে পাকিস্তানী ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ ইরফানের আবির্ভাবে রেকর্ড ভেঙ্গে যায়।

ডিসেম্বর, ১৯৮৫ থেকে ডিসেম্বর, ১৯৯২ সাল পর্যন্ত টেস্টে ও জানুয়ারি, ১৯৮৬ থেকে মার্চ, ১৯৯২ পর্যন্ত একদিনের আন্তর্জাতিকে সক্রিয় ছিলেন তিনি। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ২৭ টেস্টে ২৪.৬৩ গড়ে ১১৩ উইকেট এবং ৬৩ একদিনের আন্তর্জাতিকে ৬১ উইকেট তুলে নেন।

বামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ে সহজাত সুইং করতে দক্ষ ছিলেন তিনি। তাঁর বিরাট উচ্চতা বলের নিখুঁত লক্ষ্যে হানতে সহযোগিতা করেছে। প্রায়শঃই তিনি আঘাতে জর্জরিত থাকতেন ও খুব কম সময়ই পরিপূর্ণভাবে সুস্থদেহে মাঠে নামতেন। তারপরও তিনি ১৯৯০-৯১ মৌসুমে অ্যাশেজ সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অংশগ্রহণ করে পাঁচ টেস্টে ২৭ উইকেট দখল করেছিলেন।

কীর্তিগাঁথা[সম্পাদনা]

জালালউদ্দিনের পর একদিনের আন্তর্জাতিকের ইতিহাসে দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তিনি হ্যাট্রিক করার গৌরব অর্জন করেন। ২৯ জানুয়ারি, ১৯৮৬ তারিখে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত একদিনের আন্তর্জাতিকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এ কীর্তিগাঁথা রচনা করেন।[১] খেলায় তিনি ধারাবাহিকভাবে ব্রুস ব্লেয়ার, আরিভন ম্যাকসুইনেস্টুয়ার্ট গিলেপ্সিকে আউট করেন।

অবসর[সম্পাদনা]

খেলোয়াড় জীবন থেকে অবসর নেয়ার পর বোলিং কোচ হিসেবে নিজেকে জড়িত করেন। ভারত ও জিম্বাবুয়ের বোলিং কোচের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি কাউন্টি ক্রিকেটে হ্যাম্পশায়ার দলেরও কোচ ছিলেন তিনি। এছাড়াও অস্ট্রেলীয় ফাস্ট বোলার নাথান ব্র্যাকেনের বোলার হিসেবে গড়ে তুলতেও সহায়তা করেন।[২] নিউজিল্যান্ডীয় ব্যাটসম্যান জন রিড তাঁর কাকাতো ভাই।

ব্রুস রিডের টেস্ট ক্রিকেট ব্যাটিং ছক।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "13th Match: Australia v New Zealand at Sydney, Jan 29, 1986"ক্রিকইনফো। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০০৯ 
  2. "Reid tipped to be bowling coach"The Times Of India। ২৭ নভেম্বর ২০০৩। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]