ডেনিস এমারসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ডেনিস এমারসন
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম১৩ মে, ১৯৬০
পার্থ, সুবিয়াকো, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরন-
ভূমিকাব্যাটসম্যান
সম্পর্কআরএম এমারসন (স্বামী), টেরি অল্ডারম্যান (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১০৫)
১৩ ডিসেম্বর ১৯৮৪ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট২১ আগস্ট ১৯৮৭ বনাম ইংল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ২৫)
১০ জানুয়ারি ১৯৮২ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই২৫ জুলাই ১৯৮৭ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ডব্লিউটেস্ট ডব্লিউওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ২১
রানের সংখ্যা ৪৫৪ ৮২০
ব্যাটিং গড় ৪১.২৭ ৪১.০০
১০০/৫০ ১/৩ ০/৮
সর্বোচ্চ রান ১২১ ৮৪
বল করেছে - -
উইকেট - -
বোলিং গড় - -
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - -
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/- ২/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩০ নভেম্বর ২০১৯

ডেনিস এমারসন (ইংরেজি: Denise Emerson; জন্ম: ১৩ মে, ১৯৬০) সুবিয়াকোর পার্থে জন্মগ্রহণকারী সাবেক অস্ট্রেলীয় প্রমিলা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮২ থেকে ১৯৮৭ সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন। এ পর্যায়ে ১৯৮২ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের শিরোপা বিজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন।

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর প্রমিলা ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলস এবং ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটার হিসেবে খেলতেন বিবাহ-পূর্ব সময়ে ডেনিস অল্ডারম্যান নামে পরিচিত ডেনিস এমারসন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে সাতটিমাত্র টেস্ট ও একুশটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন ডেনিস এমারসন। ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে পার্থে ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২১ আগস্ট, ১৯৮৭ তারিখে ওয়েদার্বিতে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৮১-৮২ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক - উভয় ধরনের ক্রিকেটেই ৪১ গড়ে ব্যাটিং করেছিলেন।[১]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

তার ভাই টেরি অল্ডারম্যান অস্ট্রেলীয় পুরুষ দলের পক্ষে টেস্ট পর্যায়ে অংশ নিয়েছেন।[২] রস এমারসন নামীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আম্পায়ারের সাথে পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন তিনি।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Denise Emerson - Australia"ESPNcricinfoESPN Inc.। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৪ 
  2. Phil Derriman (১১ ডিসেম্বর ১৯৮৪)। "This Australian XI are world-beaters"The Sydney Morning HeraldFairfax Media। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৪ 
  3. "An Alderman joins Balmain grads"The Sydney Morning HeraldFairfax Media। ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৪। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০১৪ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]