কুষ্টিয়া সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
প্রধান ফটক | |
| ধরন | সরকারি |
|---|---|
| স্থাপিত | ১৯৬৪ |
| ইআইআইএন | ১৩৩১৮৬ |
| অধ্যক্ষ | প্রকৌশলী মোঃ রুহুল আমিন |
| শিক্ষার্থী | ৩৬০০+ |
| অবস্থান | , ২৩°৫৪′০৬″ উত্তর ৮৯°০৮′০২″ পূর্ব / ২৩.৯০১৭২৫° উত্তর ৮৯.১৩৪০১৩° পূর্ব |
| শিক্ষাঙ্গন | শহুরে, ১৩ একর |
| সংক্ষিপ্ত নাম | পলিটেকনিক কলেজ, কুষ্টিয়া। |
| ওয়েবসাইট | kushtiapolytech |
![]() | |
কুষ্টিয়া সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের একটি বৃহৎ কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি একটি সরকারি শিক্ষালয়। এখানে সাতটি শাখায় ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু রয়েছে এটি হাতে-কলমে কাজ শেখার উপযুক্ত কর্মশালা। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে চার বছর অধ্যয়ন শেষে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।[১]
অবস্থান
[সম্পাদনা]এটি কুষ্টিয়া শহরের মির মোশাররফ হোসেন রোড সংলগ্ন কাটায়খানা মোড়ে অবস্থিত।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]এটি ১৯৬৪ সালে খ্রিষ্টাব্দে সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ২৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং চারটি টেকনোলজি (সিভিল, ইলেট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল ও পাওয়ার) নিয়ে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়। অত্র প্রতিষ্ঠানে চার বছর মেয়াদী এই কোর্সে ৬টি বিভাগ চলমান রয়েছে।[১]
ক্যাম্পাস
[সম্পাদনা]মূল ক্যাম্পাসে তিনতলা ভবন বিশিষ্ট একটি একাডেমিক ভবন, একাডেমিক ভবনের পাশেই রয়েছে প্রশাসনিক ভবন। তিনটি বড় ওয়ার্কশপ ভবন, অফিস, লাইব্রেরী, ওয়ার্কশপ এবং ল্যবরেটরী এবং একটি ৫০০ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন অডিটোরিয়াম। ৪০ একর জায়গায় প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। এছাড়া মূল ভবনের উত্তর পাশে রয়েছে অডিটোরিয়াম সংলগ্ন শহীদ মিনার। এছাড়াও রয়েছে একটি মসজিদ।
টেকনোলজি
[সম্পাদনা]একাডেমিক টেকনোলজি সমূহের মধ্যে রয়েছে-
আবাসিক হল
[সম্পাদনা]- ছাত্রদের জন্য ২টি ছাত্রাবাস। একটি লালন শাহ ছাত্রাবাস এবং অপরটি মীর মশাররফ হোসেন ছাত্রাবাস।
- ছাত্রীদের জন্য ১টি ছাত্রীনিবাস রয়েছে। নাম- তাপসী রাবেয়া ছাত্রীনিবাস।
চিত্রশালা
[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Welcome to Kushtia Polytechnic Institute, Kushtia"। ৯ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ডিসেম্বর ২০১৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
| বাংলাদেশের বিদ্যালয় বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
