টেকনাফ উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২০°৫২′০০″উত্তর ৯২°১৮′০০″পূর্ব / ২০.৮৬৬৭° উত্তর ৯২.৩০০০° পূর্ব / 20.8667; 92.3000

টেকনাফ উপজেলা
টেকনাফ, বাংলাদেশের স্কাইলাইন।
টেকনাফ লঞ্চ স্টেশন
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
টেকনাফ
বিভাগ
 - জেলা
চট্টগ্রাম বিভাগ
 - কক্সবাজার জেলা
স্থানাঙ্ক ২০°৫২′০০″উত্তর ৯২°১৮′০০″পূর্ব / ২০.৮৬৬৭° উত্তর ৯২.৩০০০° পূর্ব / 20.8667; 92.3000
আয়তন ৩৮৮.৬৮ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০০১)
 - ঘনত্ব
২০০,৬০৭
 - ৫১৬ বর্গকিমি
মানচিত্র সংযোগ: টেকনাফ উপজেলার মানচিত্র

টেকনাফ বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ-পূর্ব কোনায় অবস্থিত। কক্সবাজার জেলাসদর থেকে এর দূরত্ব ৮৬ কিলোমিটার।[১] টেকনাফ উপজেলার পূর্ব প্রান্ত দিয়ে বয়ে গেছে নাফ নদ; এই নাফ নদের থেকেই এই অঞ্চলটির নামকরণ হয়েছে।

টেকনাফ ঘাট

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

টেকনাফের অবস্থান ২০.৮৬৬৭° উত্তর এবং ৯২.৩০০০° পূর্ব। এটি কক্সবাজার সদর থেকে প্রায় ৮৬ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। মোট আয়তন ৩৮৮.৬৮ বর্গ কিলোমিটার। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডের সর্বদক্ষিণ প্রান্তসীমা এবং এ উপজেলার সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ প্রান্ত। টেকনাফ উপজেলার উত্তরে উখিয়া উপজেলা, পূর্বে নাফ নদ ও মায়ানমার সীমান্ত এবং দক্ষিণ ও পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর।[১]

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

টেকনাফ উপজেলায় ৬ টি ইউনিয়ন আছে । ইউনিয়ন গুলো হলঃ বাহারছড়া, হ্নীলা, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, সাবরাং, টেকনাফ, হোয়াইক্যং[২] এ উপজেলায় ১২টি মৌজা এবং ১৩৩টি গ্রাম রয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

টেকনাফ পূর্বে কক্সবাজার জেলার একটি থানা ছিল। ১৯৮৩ সালে এটিকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।[১]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

টেকনাফ উপজেলার একটি বড় অংশ বনাঞ্চল বিধায় বাংলাদেশের অন্যান্য এলাকা থেকে এ উপজেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব তুলনামূলক কম। ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এ উপজেলার মোট জনসংখ্যা ২০০,৬০৭ জন এবং প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ৫১৬ জন। জনসংখ্যার ৫২.৪% পুরুষ এবং ৪৭.৬% মহিলা।[৩]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

এখানকার অর্থনীতি বেশ ভাল। দেশ-বিদেশ থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-টেকনাফ রুটে এই উপজেলার সীমান্তে সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রতি বছর প্রচুর পর্যটকের আগমন, টেকনাফ বন্দর, নাফ নদী-বঙ্গোপসাগর থেকে মুল্যবান মাছ আহরণ, খনিজ লবন, পান সুপারীর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন। পাহাড় ও নদী-সাগর ঘেরা টেকনাফে সুন্দর লবন মাঠ এবং বড় বড় মৎস্য প্রজেক্ট আছে। এই স্থান কৃষি কাজ, লবন চাষ ও মাছ চাষ করার জন্য বেশ ভাল।

Teknaf port

শিক্ষা[সম্পাদনা]

স্কুল সমূহঃ-

  • প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহঃ
  1. নোয়াপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
  2. কমিউনিটি সেন্টার প্রাথমিক বিদ্যালয়
  3. সাবরাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহঃ
    • টেকনাফ ইউনিয়নঃ ৩ টি
  1. টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
  2. টেকনাফ এজাহার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
  3. লম্বরী মল্কা বানু উচ্চ বিদ্যালয়
    • সাবরাং ইউনিয়নঃ ৩ টি
  1. সাবরাং উচ্চ বিদ্যালয়
  2. নোয়াপাড়া আলহ্বাজ নবী হোসাইন উচ্চ বিদ্যালয়
  3. শাহপরীরদ্বীপ হাজী বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়
    • বাহাছড়া ইউনিয়নঃ ২ টি
  1. শাম্লাপুর উচ্চ বিদ্যালয়
  2. মারিশখালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
    • হ্নীলা ইউনিয়নঃ ৪ টি
  1. হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়
  2. হ্নীলা বালিকা বিদ্যালয়
  3. লেদা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
  4. আল-ফালা একাডেমী
    • হোয়াইকং ইউনিয়নঃ ৩ টি
  1. আল-আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়
  2. নয়া বাজার উচ্চ বিদ্যালয়
  3. হানজর পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়
    • সেন্টমারটিন ইউনিয়নঃ ১ টি
  1. সেন্টমারটিন বি এন উচ্চ বিদ্যালয়
  • মাদ্রাসা সমূহ --
  1. রঙ্গীখালী দারুল উলুম ফাজিল মাদরাসা
  2. রঙ্গীখালী খাদিজাতুল কোবরা মহিলা দাখিল মাদরাসা
  • কলেজ সমূহ --
  1. টেকনাফ কলেজ
  2. হ্নীলা কলেজ

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  1. ডঃ গাজী কামরুল ইসলাম (জঙ্গলী ফকির)। তিনি আধ্যাত্নিক সাধক। হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালির পাহাড়ের ২ কিলোঃ গভীরে আল্লাহর স্বান্নিধ্য লাভে রত থাকার পর শিক্ষা-দীক্ষাহীন অজয়পাড়া গাঁ, রঙ্গীখালিতে ইসলামীক সেন্টার, এতিমখানা ও ২টি বড় মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ১টি নার্সিং মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার জায়গা গ্রহন করেন।
  2. মাওলানা ইসহাক (ছদর সাব হুজুর রহঃ)

বিবিধ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]