বেঙ্কটেশ্বর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ভেঙ্কটেশ্বর থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বেঙ্কটেশ্বর
Venkateswara BNC.jpg
দেবনাগরীवेङ्कटेश्वर
সংস্কৃত লিপ্যন্তরVeṅkaṭēśvara
অন্তর্ভুক্তিবিষ্ণুর রূপভেদ
আবাসবৈকুণ্ঠ
মন্ত্রওঁ নমো বেঙ্কটেশায়
অস্ত্রশঙ্খ, চক্র
প্রতীকসমূহনামম
বাহনগরুড়
অঞ্চলদক্ষিণ ভারত
সঙ্গীপদ্মাবতী

বেঙ্কটেশ্বর (IAST: Veṅkaṭēśvara) হলেন হিন্দু দেবতা বিষ্ণুর একটি রূপভেদ। তিনি শ্রীনিবাস, বালাজি, বেঙ্কটাবেঙ্কটাচলপতি নামেও পরিচিত। বেঙ্কটেশ্বরের প্রধান মন্দিরটি হল দক্ষিণ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের তিরুপতি শহরের তিরুমালা বেঙ্কটেশ্বর মন্দির

নামকরণ[সম্পাদনা]

বেঙ্কটেশ্বর কথাটির আক্ষরিক অর্থ "বেঙ্কটের ঈশ্বর"।[১][২] "বেঙ্কট" (দক্ষিণ ভারতের একটি পর্বত) ও "ঈশ্বর"—এই শব্দ দু-টি নিয়ে বেঙ্কটেশ্বর শব্দটি গঠিত।[৩]

কিংবদন্তি[সম্পাদনা]

বেঙ্কটেশ্বরের একটি প্রস্তর বিগ্রহ।
বেঙ্কটেশ্বরের মূর্তি, পরাশক্তি মন্দির, পন্টিয়াক, মিচিগান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

তিরুমালা স্থলপুরাণ অনুসারে, বিষ্ণুর বেঙ্কটেশ্বর অবতারের কিংবদন্তিটি এইরূপ: একবার কাশ্যপের পৌরোহিত্যে কয়েক জন ঋষি গঙ্গার তীরে যজ্ঞ শুরু করেন। দেবর্ষি নারদ তাঁদের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করেন, “কেন আপনারা এই যজ্ঞ করছেন? এই যজ্ঞ করলে কে তুষ্ট হবেন?” ঋষিরা এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলেন না। বেদে আছে, ঋষি ভৃগুর পায়ের পাতায় একটি অতিরিক্ত চোখ ছিল। ঋষিরা উত্তরের আশায় তাঁর কাছেই উপস্থিত হন। সত্যের প্রত্যক্ষ জ্ঞান লাভ করতে তখন ভৃগু প্রথমে ব্রহ্মার নিবাস সত্যলোকে গেলেন। সেখানে গিয়ে তিনি দেখলেন, ব্রহ্মা সরস্বতীর উপস্থিতিতে নারায়ণের স্তুতি করছেন তাঁর চার মুখে চার বেদ আবৃত্তি করতে করতে। ভৃগু ব্রহ্মাকে প্রণাম করলেও ব্রহ্মা তাঁর দিকে দৃকপাতও করলেন না। ভৃগু সত্যলোক ত্যাগ করে শিবের নিবাস কৈলাসে উপস্থিত হলেন। সেখানে তিনি দেখলেন শিব পার্বতীকে পাশে নিয়ে গভীর ধ্যানে মগ্ন। ভৃগু শিবকে ডাক দিলেন। কিন্তু শিব কোনো সাড়া দিলেন না। তখন ভৃগু বিষ্ণুর আবাসস্থল বৈকুণ্ঠে এসে উপস্থিত হলেন।

বৈকুণ্ঠে বিষ্ণু আদিশেষের শয্যায় শুয়ে ছিলেন। মহালক্ষ্মী তাঁর পদসেবা করছিলেন। বিষ্ণুও ভৃগুর ডাকে সাড়া দিলেন না দেখে ভৃগু রেগে বিষ্ণুর বুকে যেখানে মহালক্ষ্মী বাস করেন, সেখানে লাথি মারলেন। ঋষিকে শান্ত করার জন্য বিষ্ণু তাঁর পা ধরলেন এবং এমনভাবে হাত বুলাতে লাগলেন, যাতে ঋষির আরাম বোধ হয়। এই কাজ করার সময় বিষ্ণু ঋষির অতিরিক্ত চোখটিতে চাপ দিলেন। কথিত আছে, ঋষির এই অতিরিক্ত চোখটি ছিল তাঁর অহংকারের প্রতীক। ঋষি তাঁর ভুল বুঝতে পেরে বিষ্ণুর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন। সেই থেকে তাঁর বোধ হল ত্রিমূর্তির মধ্যে বিষ্ণুই শ্রেষ্ঠতম। সেই কথাই তিনি ঋষিদের বললেন।

এদিকে ভৃগুর অপরাধ ক্ষমা করলেন দেখে বিষ্ণুর পত্নী মহালক্ষ্মী রেগে গেলেন। রাগের বশে তিনি বৈকুণ্ঠ ত্যাগ করে করবীরপুর (অধুনা কোলহাপুর) নামে এক স্থানে চলে গেলেন। মহালক্ষ্মী চলে গেলে একাকী বিষ্ণুও বৈকুণ্ঠ ত্যাগ করে মর্ত্যে নেমে এলেন। তিনি বেঙ্কট পর্বতের উপর একটি পুষ্করিণীর ধারে একটি তেঁতুল গাছের তলায় একটি পিঁপড়ের ঢিপিতে আশ্রয় নিলেন এবং আহার ও নিদ্রা ত্যাগ করে মহালক্ষ্মীকে ফিরিয়ে আনার জন্য ধ্যান করতে লাগলেন।

বিষ্ণুর প্রতি দয়াপরবশ হয়ে ব্রহ্মা ও শিব স্থির করলেন তাঁরা যথাক্রমে একটি গাভী ও একটি বাছুরের রূপ ধরে তাঁর সেবা করবেন। সূর্য মহালক্ষ্মীকে একথা জানিয়ে অনুরোধ করলেন, তিনি যেন গোয়ালিনীর বেশ ধরে সেই গাভী ও বাছুর দুটিকে চোল দেশের রাজার কাছে বিক্রি করে দেন। চোলরাজা সেই গাভী ও বাছুর দুটিকে কিনে নিয়ে তাঁর গরুর পালের সঙ্গে বেঙ্কট পর্বতে চরতে পাঠালেন। বিষ্ণুকে পিঁপড়ের ঢিপিতে খুঁজে পেয়ে গাভীটি তাঁকে দুধ খাওয়াতে শুরু করল। এদিকে প্রাসাদে গাভীটি যথেষ্ট পরিমাণে দুধ দিতে পারছিল না। তাই চোলরানি রাখালকে খুবই তিরস্কার করতে লাগলেন। দুধের অভাবের কারণ খুঁজতে গিয়ে রাখাল গাভীর পিছু নিল। একটি ঝোপের আড়াল থেকে লুকিয়ে সে দেখতে পেল, গাভীটি একটি পিঁপড়ের স্তুপের উপর তার বাঁট থেকে দুধ ঝরিয়ে দিচ্ছে। তা দেখে রেগে গিয়ে রাখাল নিজের কুঠার নিয়ে গাভীটির মাথায় এক কোপ বসাতে গেল। তখন বিষ্ণু পিঁপড়ের স্তুপ থেকে বেরিয়ে এসে সেই আঘাতটি নিজের উপর গ্রহণ করে গাভীটিকে রক্ষা করলেন। রাখাল যখন দেখল বিষ্ণু তার কুঠারের আঘাতে রক্তাক্ত হয়েছেন, তখন সে ভয়ে পেয়ে পড়ে গেল আর সেখানেই প্রাণত্যাগ করল।

ভয়ে চিৎকার করতে করতে গাভীটি চোলরাজের কাছে ফিরে এল। রাজা দেখলেন, তার সারা গায়ে রক্তের ছিটে। গাভীটি কী দেখে ভয় পেয়েছে, তা জানার জন্য রাজা গাভীটিকে অনুসরণ করে অকুস্থলে গেলেন। সেখানে গিয়ে রাজা দেখলেন, রাখাল পিঁপড়ের স্তুপটির কাছে মাটিতে মরে পড়ে আছে। তিনি তিনি দাঁড়িয়ে ভাবছেন, কিভাবে এই ঘটনা ঘটল; এমন সময় বিষ্ণু পিঁপড়ের স্তুপ থেকে বেরিয়ে এসে রাজাকে অভিশাপ দিয়ে বললেন, তাঁর ভৃত্যের এহেন আচরণের জন্য তিনি এক অসুরে পরিণত হবেন। রাজা মিনতি করে বললেন যে, তিনি নিরাপরাধ। তখন বিষ্ণু তাঁকে আশীর্বাদ করে বললেন, তিনি আকাশ রাজা রূপে পুনরায় জন্মগ্রহণ করবেন এবং যখন আকাশ রাজার কন্যা পদ্মাবতীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ উপলক্ষে তিনি বিষ্ণুকে একটি মুকুট উপহার দেবেন, তখনই তিনি শাপমুক্ত হবেন। এই বলে বিষ্ণু একটি প্রস্তরে পরিণত হলেন।

এরপর শ্রীনিবাস নামে পরিচিত বিষ্ণু বরাহক্ষেত্রে অবস্থান করবেন বলে স্থির করলেন এবং বরাহকে অনুরোধ করলেন, তাঁর থাকার জন্য একটি জায়গা দিতে। বরাহ সাগ্রহে তাঁর অনুরোধ রাখলেন। বিষ্ণু নির্দেশ দিলেন, তাঁর মন্দিরে তীর্থযাত্রা সম্পূর্ণ হবে না, যদি না তীর্থযাত্রী প্রথমে বরাহক্ষেত্রের পুষ্করিণীতে স্নান করে বরাহকে দর্শন করে আগে তাঁকে পূজা ও নৈবেদ্য নিবেদন না করেন। বিষ্ণু সেখানে একটি আশ্রম নির্মাণ করলেন। সেই আশ্রমে বকুলা দেবী মাতৃবৎ তাঁর যত্ন করতে লাগলেন।

পরে চন্দ্রবংশে আকাশ রাজার জন্ম হলে। তিনি তোন্ডামণ্ডলমের রাজা হলেন। আকাশ রাজার কোন সন্তান ছিল না। তাই তিনি একটি যজ্ঞ করতে চাইলেন। যক্ষের জন্য ভূমিকর্ষণ করতে গিয়ে তাঁর লাঙলটি একটি পদ্ম ফুলে পরিণত হল। পদ্ম ফুলটির মধ্যে রাজা একটি শুইশু কন্যাকে পেলেন। যজ্ঞের আগেই কন্যালাভ করে রাজা আনন্দিত হলেন। তিনি শিশুটিকে নিয়ে প্রাসাদে ফিরে এলেন। তাকে দেখাশোনার জন্য তুলে দিলেন রানির হাতে। এমন সময় দৈববাণী শোনা গেল, “হে রাজা! একে নিজের সন্তান রূপে পালন করত। তোমার ভাগ্য পরিবর্তিত হবে।” পদ্মের মধ্যে শিশুটিকে পেয়েছিলেন বলে রাজা শিশুটির নাম রাখলেন পদ্মাবতী। বড়ো হলে পদ্মাবতী অপরূপা সুন্দরী হলেন। তাঁর একাধিক সখী ছিল।

একদিন পর্বতের আশেপাশের বনে শ্রীনিবাস বুনো হাতি শিকার করতে বের হলেন। হাতির পিছনে ছুটতে ছুটতে তিনি উপস্থিত হলেন একটি উদ্যানে। সেই উদ্যানে রাজকুমারী পদ্মাবতী তাঁর সখীদের নিয়ে ফুল তুলছিলেন। হাতি দেখে রাজকুমারী ও তাঁর সখীরা ভয় পেয়ে গেলেন। কিন্তু মুহুর্তের মধ্যে হাতিটি পিছন ফিরে বিষ্ণুকে প্রণাম করে বনের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে গেল। ঘোড়ার পিঠে বসে শ্রীনিবাসও ভীত সখীদের দেখতে পেলেন। সখীরা তাঁর দিকে পাথর ছুঁড়তে শুরু করলে তিনিও ঘোড়াটিকে পিছনে ফেলে রেখে তাড়াতাড়ি পর্বতে ফিরে গেলেন। বাকুলা দেবীকে তিনি বললেন, পদ্মাবতীকে বিবাহ না করা অবধি তিনি শান্ত হবেন না।

শ্রীনিবাস বিষ্ণু পদ্মাবতীর পূর্বজন্মের কাহিনি বর্ণনা করে বললেন, সেই জন্মে তিনি বেদবতীকে বলেছিলেন, পরজন্মে তিনিই হবেন পদ্মাবতী এবং পদ্মাবতীকে শ্রীনিবাস বিবাহ করবেন। এই কথা শুনে বাকুলা দেবী বুঝতে পারলেন, পদ্মাবতীকে বিবাহ না করলে শ্রীনিবাস তুষ্ট হবেন না। তাই তিনি আকাশ রাজা ও তাঁর রানির কাছে বিবাহ প্রস্তাব নিয়ে চললেন। পথে তিনি দেখলেন পদ্মাবতীর সখীরা একটি শিব মন্দির থেকে ফিরে আসছেন। তাঁদের থেকে তিনি জানতে পারলেন যে, পদ্মাবতীও শ্রীনিবাসকে চাইছেন। তাঁদের নিয়ে বাকুলা দেবী গেলেন রানির কাছে।

এদিকে আকাশ রাজা ও তাঁর রানি ধরণীদেবী তাঁদের কন্যার স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। তাঁরা যখন বেঙ্কট পর্বতবাসী শ্রীনিবাসের প্রতি তাঁদের কন্যার প্রেমের কথা জানতে পারলেন, তখন আকাশ রাজা বৃহস্পতির সঙ্গে সেই বিবাহের ব্যাপারে পরামর্শ করতে গেলেন। বৃহস্পতি জানালেন, এই বিবাহ হলে উভয় পক্ষেরই কল্যাণ হবে। বিবাহের খরচ মেটানোর জন্য কুবের শ্রীনিবাসকে অর্থ ধার দিলেন। ব্রহ্মা ও শিব এই বিবাহ উপলক্ষে আকাশ রাজার প্রাসাদে উপস্থিত হলেন। প্রাসাদের প্রবেশ দ্বারে আকাশ রাজা শ্রীনিবাসকে পূর্ণ সম্মান জানালেন। তারপর হাতির পিঠে চাপিয়ে শোভাযাত্রা সহকারে নিয়ে গেলেন প্রাসাদে। সেখানে সকল দেবতার উপস্থিতিতে শ্রীনিবাস রাজকুমারী পদ্মাবতীকে বিবাহ করলেন। এইভাবে আকাশ রাজার শাপমোচন ঘটল। সেই থেকে শ্রীনিবাস ও পদ্মাবতী চিরকালের জন্য একসঙ্গে বাস করতে লাগলেন। মহালক্ষ্মী পদ্মাবতীর প্রতি বিষ্ণুর প্রেমের কথা বুঝতে পেরে বিষ্ণুর হৃদয়ে চিরকাল বাস করবেন বলে স্থির করলেন।

বর্তমানে বেঙ্কটেশ্বরের মন্দিরটি তিরুমালার সাতটি পর্বতের চূড়ায় অবস্থিত। এটি বিরাট অঞ্চল নিয়ে প্রসারিত এবং শ্রীনিবাস ও পদ্মাবতীর বিবাহের স্মারক রূপে বিরাজমান। উভয়ের মিলনের স্মরণে প্রতিদিন কল্যাণ উৎসব আয়োজিত হয়। এখনও ব্রহ্মোৎসবম্‌ উপলক্ষে পদ্মাবতীর আবাস আলামেলু মঙ্গপুরমে তিরুমালা বেঙ্কটেশ্বর মন্দির থেকে সিঁদুর, কুমকুম ও একটি শাড়ি পাঠানো হয়।

কুবের কাছে বেঙ্কটেশ্বরের ঋণ[সম্পাদনা]

কথিত আছে, পদ্মাবতীর পিতা বিবাহ উপলক্ষে বিষ্ণুর কাছ থেকে প্রচুর অর্থ পণ চেয়েছিলেন। সেই অর্থ দিতে বিষ্ণুকে কুবেরের কাছ থেকে অর্থ ঋণ করতে হয়েছিল। হিন্দু দেবতা কুবের ছিলেন ঐশ্বর্যের কোষাধ্যক্ষ। কুবের একটিই শর্তে বিষ্ণুকে ঋণ দিয়েছিলেন, ধার শোধ না করে বিষ্ণু বৈকুণ্ঠে ফিরতে পারবেন না। সেই থেকে বিষ্ণু তিরুমালায় তিরুপতি বেঙ্কটেশ্বর রূপে বাস করছেন। যতক্ষণ না ধার শোধ হয়, তিনি সেখানেই থাকবেন বলে হিন্দুরা বিশ্বাস করে। তাঁর ঋণ শোধ করার জন্য ভক্তেরা বিষ্ণুকে ধনসম্পত্তি দান করেন এবং পরিবর্তে তাঁর আশীর্বাদ প্রার্থনা করে।

বেঙ্গালুরু নরসিংহ মূর্তি একটি আরটিআই আপিল দাখিল করে জিজ্ঞাসা করেছিলেন,[৪] an RTI activist [৪] "কুবেরের কাছ থেকে বেঙ্কটেশ্বর কত অর্থ ঋণ করেছিলেন, এবং আরও কত বছর ধরে ভক্তেরা সেই ঋণ শোধ করার জন্য অর্থ সাহায্য করবেন?"[৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Daniel C. Maguire; Harold Coward (২০০০)। Visions of a New EarthSUNY Press। পৃষ্ঠা 115। 
  2. William Schweiker (২০০৮)। The Blackwell Companion to Religious EthicsJohn Wiley & Sons। পৃষ্ঠা 474। 
  3. John Stratton Hawley and Vasudha Narayanan (২০০৬)। The Life of Hinduism। University of California Press। পৃষ্ঠা 233। 
  4. http://www.bangaloremirror.com/bangalore/crime/He-seeks-answers-from-the-god-of-big-things/articleshow/45461478.cms

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]