ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন
ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন.jpg
সোভিয়েত সময়ের মূল পোস্টার
Бронено́сец «Потёмкин»
পরিচালক সের্গেই আইজেনস্টাইন
প্রযোজক ইয়াকব ব্লিওখ
রচয়িতা
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকার
  • এদমুন্দ মেইসেল (১৯২৫-এর সুর)
চিত্রগ্রাহক
  • এদুয়ার্দ তিসে
  • ভ্লাদিমিত পপভ (অনুল্লেখিত)
সম্পাদক
  • অনুল্লেখিত:
  • সের্গেই আইজেনস্টাইন
  • গ্রিগরি আলেক্সান্দ্রভ
প্রযোজনা
কোম্পানি
মসফিল্ম
পরিবেশক গসকিনো
মুক্তি
  • ২১ ডিসেম্বর ১৯২৫ (১৯২৫-১২-২১) (USSR)
দৈর্ঘ্য ৭৫ মিনিট
দেশ সোভিয়েত ইউনিয়ন
ভাষা

ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন (রুশ: Бронено́сец «Потёмкин», বাংলা: রণতরী পটিয়োমকিন) হল ১৯২৫ সালের সোভিয়েত নির্বাক চলচ্চিত্র। এটি পরিচালনা করেছেন সের্গেই আইজেনস্টাইন এবং প্রযোজনা করেছে মসফিল্ম। এতে ১৯০৫ সালের রুশ বিপ্লবের চিত্র তোলে ধরা হয়েছে, যেখানে রুশ রণপোত পটিয়োমকিনের নাবিকেরা তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিপ্লব করে। কিন্তু সেই সময়ে অদেসায় কোন হত্যাকাণ্ড হয় নি এবং বিপ্লবের ফলে পটিয়োমকিনের আরও খারাপ পরিণতি হয়েছিল।[১]

ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন চলচ্চিত্রটিকে ১৯৫৮ সালে ব্রাসেলস বিশ্ব মেলায় সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়।[২][৩][৪] এটি বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী চলচ্চিত্র।[৫] এছাড়া ছবিটি ১৯৬৪ সালে সুইডিশ চলচ্চিত্র সাময়িকী চ্যাপলিনের করা ৫০ জন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বের ভোটে ৩২ ভোট পেয়ে সেরা নির্বাক চলচ্চিত্রের স্বীকৃতি লাভ করে।[৬]

কাহিনী সংক্ষেপ[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্রটি ১৯০৫ সালের জুন মাসের প্রেক্ষাপটে গৃহীত, চলচ্চিত্রের প্রধান চরিত্রাবলী হল সাম্রাজ্যবাদী রুশ নৌবাহিনীর ব্ল্যাক সি ফ্লিটে পটিয়োমকিন রণতরীর সদস্যবৃন্দ। আইজেনস্টাইন চলচ্চিত্রের কাহিনীকে পাঁচটি দৃশ্যপটে ভাগ করেন, এবং প্রতিটি ভাগের পৃথক নাম দেন।

প্রথম দৃশ্যপট: মানুষ ও পোকার ডিম[সম্পাদনা]

প্রথম দৃশ্যে দুজন নাবিক মাতুশেঙ্কো ও ভাকুলিঞ্চুক রাশিয়ায় সংগঠিত বিপ্লব রুখতে পটিয়োমকিনে আরও সদস্যের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে আলোচনা করেন। পটিয়োমকিন তেন্দ্রা দ্বীপে নোঙ্গর ফেলে এবং কর্তব্য থেকে ছুটিরত নাবিকগণ তাদের শয্যায় ঘুমাচ্ছে। একজন কর্মকর্তা পরিদর্শন করতে এসে একজন নাবিকের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। এতে ভাকুলিঞ্চুকের ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং সে অন্যদের উদ্দ্যেশে বলে, "কমরেডগণ! সময় এসেছে আমাদেরও কথা বলতে হবে। কেন অপেক্ষা করব? সমগ্র রাশিয়া জেগে ওঠেছে! আমরাই কি সর্বশেষ?" পরের দৃশ্যে ডেকে নাবিকগণ জাহাজের সদস্যদের জন্য নিম্নমানের মাংসের ব্যাপারে অভিযোগ জানান। মাংস পঁচে গেছে ও পোকায় পরিপূর্ণ হয়েছে, এবং নাবিকেরা বলে "কুকুরও এই মাংস খাবে না!" জাহাজের ক্যাপ্টেন জাহাজের ডাক্তার স্মির্নভকে ডাকেন মাংস পরীক্ষার জন্য। পোকার পরিবর্তে ডাক্তার জানান এগুলো পোকার ডিম, এবং রান্নার পূর্বে ধৌত করলে তা চলে যাবে। নাবিকেরা পরে নিম্নমানের রসদের জন্য অভিযোগ জানান, কিন্তু ডাক্তার বলেন এই মাংস খাবার যোগ্য এবং আলোচনা শেষ করে চলে যান। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জিলিয়ারভ্‌স্কি যেসব নাবিক তখনও পঁচা মাংসের দিকে তাকিয়ে ছিল তাদের সেই স্থান ত্যাগ করতে নির্দেশ দেন এবং পাচক বর্শ্চত রান্না শুরু করেন, যদিও সেও মাংসের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জাহাজের সদস্যগণ সেই বর্শ্চত খাওয়া পরিহার করে রুটি ও পানি এবং ক্যানের ভিতরের খাদ্য গ্রহণ করেন। থালা পরিষ্কার করার সময় একজন নাবিক একটি থালায় খোদাই করে লেখা দেখতে পান, যেখানে লেখা আছে "আমাদের প্রতিদিনের খাবার দাও, প্রতিদিনের রুটি।" এই লেখার অর্থ বুঝতে পেরে নাবিকটি থালাটি ভেঙ্গে ফেলে এবং প্রথম দৃশ্যপট শেষ হয়।

দ্বিতীয় দৃশ্যপট: ডেকে নাট্য[সম্পাদনা]

যারা মাংস পরিহার করেছে তাদের অবাধ্য হওয়ার অপরাধে দোষী সাবস্ত্য করা হয়েছে এবং তাদের ডেকে ডাকা হয় যেখানে তাদের শেষ ধর্মীয় আচার প্রদান করা হয়। নাবিকদের হাটু গেড়ে বসতে বাধ্য করা হয় এবং বন্দুকবাজ দল ডেকে আসলে তাদের একটি পর্দা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। প্রথম কর্মকর্তা গুলি করার নির্দেশ দেয়, কিন্তু ভাকুলিঞ্চুকের আত্মসমর্পণের জবাবে বন্দুকবাজ দল তাদের রাইফেল নিচু করে এবং বিদ্রোহ শুরু হয়। নাবিকেরা অল্পসংখ্যক কর্মকর্তাদের বিপর্যস্ত করে জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নেয়। কর্মকর্তাদের বাইরে ফেলে দেওয়া হয় এবং জাহাজের পূজারী লুকানো অবস্থায় ছুরিবিদ্ধ হয়, এবং ডাক্তারকে সাগরে "মাছের খাদ্য" হিসেবে ছুড়ে ফেলে হয়।

তৃতীয় দৃশ্যপট: মৃত মানুষ ন্যায়বিচার চায়[সম্পাদনা]

বিদ্রোহ সফল হয়, কিন্তু বিদ্রোহের নেতা ভাকুলিঞ্চুককে হত্যা করা হয়। পটিয়োমকিন ওদেসা বন্দরে পৌঁছায়। ভাকুলিঞ্চুকের মৃতদেহ সৈকতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার সঙ্গীরা একটি তাবুতে তার দেহ জনগণকে প্রদর্শন করে। তার বুকে লেখা ছিল "এক চামচ সুপের জন্য।" নাবিকেরা ভাকুলিঞ্চুকের শেষকৃত্যের জন্য এবং তাকে তাদের বীর হিসেবে প্রশংসা করার জমায়েত হয়। ওদেসার জনগণ নাবিকদের স্বাগত জানান, কিন্তু তারা পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

চতুর্থ দৃশ্যপট: ওদেসার সোপান[সম্পাদনা]

বিচ্ছিন কোসাকদের একটি দল ওদেসার সোপানের উপরে সারিবদ্ধ হয় এবং নারী ও শিশুসহ নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ভীড়ের দিকে এগিয়ে আসে। সেনারা ভীড়ের মধ্যে গুলিবর্ষণের জন্য থামে এবং পুনরায় মেশিনের মত অগ্রসর হতে থাকে। সল্পস্থায়ী এই দৃশ্যে মানুষজনকে পালিয়ে যেতে ও পদদলিত হতে, একটি শিশুর খেলনা সিড়ি দিয়ে গড়িয়ে পড়তে, এক নারীর মুখে গুলি লাগতে, ভাঙ্গা চশমা এবং সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সৈন্যদের জুতা দেখা যায়।

প্রতিশোধস্বরূপ পটিয়োমকিনের নাবিকেরা রণতরীর গোলা দিয়ে সেনাবাহিনীর সদর দপ্তরে গোলা বর্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইতোমধ্যে, খবর আসে পটিয়োমকিনের বিপ্লব দমন করতে রাজভক্ত রনপোতের অশ্বারোহী সৈন্যদল আসছে।

পঞ্চম দৃশ্যপট: সকলের বিরুদ্ধে এক[সম্পাদনা]

পটিয়োমকিনের নাবিকেরা সিদ্ধান্ত নেয় তারা সকলে মিলে ওদেসা বন্দর থেকে রণতরীর নেতৃত্ব দিবে এবং জারের জাহাজের বহরের মোকাবেলা করবে। যখন যুদ্ধ অপরিহার্য হয়ে পরে, অবিশ্বাস্যভাবে রাজভক্ত জাহাজের প্রাক্তন নাবিকেরা তাদের কমরেডের উপর গোলা বর্ষণ করতে অস্বীকার করে।

কুশীলব[সম্পাদনা]

  • আলেক্সান্দ্র্‌ আন্তোনভ - গ্রিগরি ভাকুনিঞ্চুক
  • ভ্লাদিমির বার্ক্সি - কমান্ডার গোলিকভ
  • গ্রিগরি আলেক্সান্দ্রভ - প্রধান কর্মকর্তা গিলিয়ারভ্‌স্কি
  • আই. বব্রভ - ঘুমন্ত তরুণ নাবিক
  • মিখাইল গমোরভ - বিদ্রোহী নাবিক
  • আলেক্সান্দ্র্‌ লেভ্‌শিন - পেটি অফিসার
  • এন. পোলতাভ্‌সেভা - পিঞ্চ-নেজ ওয়ালা নারী
  • কনস্তান্তিন ফেল্‌দমান - ছাত্র
  • বিয়াত্রিচ ভিতল্‌দি - শিশুসহ নারী

নির্মাণ[সম্পাদনা]

চিত্রনাট্য উন্নয়ন[সম্পাদনা]

১৯২৫ সালে রুশ বিপ্লবের ২০তম বছর। কমিশন অব দ্য সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় ১৯০৫ সালের বিপ্লবের উপর কয়েকটি কাজ মঞ্চস্থ করবে। পাশাপাশি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে একটি বিশাল চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হবে, যাতে মৌখিক ভূমিকা, সঙ্গীত (একক ও ঐকতান বাদক দল) বিশেষ লিখিত বর্ণনাসহ নাট্যধর্মী উপস্থাপনা থাকবে, এবং চলচ্চিত্রটির নির্মাণ সেই বছরের মধ্যে শেষ হতে হবে।[৭] ফলে চলচ্চিত্রটির প্রস্তুতির সময় ছিল খুবই অল্প, মাত্র নয় মাসের মধ্যে চলচ্চিত্রের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নিনা আগাদঝানোভাকে পাণ্ডুলিপি রচনার জন্য এবং ২৭ বছর বয়সী সের্গেই আইজেনস্টাইনকে পরিচালক হিসেবে নির্বাচন করা হয়।[৮] শুটিং শুরুর পূর্বেও চিত্রনাট্য রচনা শেষ হয় নি। আগাদঝানোভা শুটিং শুরুর পরও চিত্রনাট্য উন্নয়নে কাজ করে যান। আগাদঝানোভা ও আইজেনস্টাইন ছাড়াও আইজেনস্টাইনের অন্যান্য সহকর্মীরা ছবিটির চিত্রনাট্যে সহযোগিতা করেন। আইজেনস্টাইনের সহকারী গ্রিগরি আলেক্সান্দ্রভ শুটিং ও সম্পাদনায় সাহায্য করেন।[৯]

মূল পাণ্ডুলিপিতে ১৯০৫ সালের বিপ্লবের বেশ কিছু ঘটনা ওঠে এসেছে। যেমন রুশ-জাপান যুদ্ধ, আর্মেনীয়-তাতার হত্যাকাণ্ড, সেন্ট পিটার্সবার্গে বিপ্লবী ঘটনাবলী, মস্কো গণঅভ্যুত্থান। চলচ্চিত্রটি সোভিয়েত ইউনিয়নের কয়েকটি শহরে চিত্রায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।[১০]

সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

আধুনিক সমালোচকেরা ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন চলচ্চিত্রটির প্রশংসা করেন। পর্যালোচনা ভিত্তিক ওয়েবসাইট রটেন টম্যাটোস-এ ৪৪টি পর্যালোচনার ভিত্তিতে ৯.১/১০ গড়ে ছবিটির রেটিং স্কোর ১০০, যা দ্বারা মূলত "সতেজ ছাড়পত্র" লাভ বোঝায়। ওয়েবসাইটির পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, "একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠকর্ম, ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন সুন্দরতম সোভিয়েত চলচ্চিত্র, এবং এর মনতাজের সম্পাদনা কৌশল এখনকার সময় পর্যন্ত প্রভাব বিস্তারকারী হিসেবে রয়ে গেছে।"[১১] মুক্তির পর থেকে ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন চলচ্চিত্রটিকে এখন পর্যন্ত নির্মিত সুন্দরতম প্রচারণামূলক চলচ্চিত্র হিসেবে উদ্ধৃত করা হয় এবং সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র হিসেবেও বিবেচিত হয়।[২][১২] চলচ্চিত্রটি ১৯৫৮ সালে ব্রাসেলস বিশ্ব মেলায় ২৬টি দেশের ১১৭ জন বিশেষজ্ঞের ভোটে সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে ঘোষিত হয়।[৩][১৩] ১৯৫২ সালে সাইট অ্যান্ড সাউন্ড ম্যাগাজিনে চলচ্চিত্রটি সেরা দশ চলচ্চিত্র তালিকার চতুর্থ স্থানে অবস্থান করে, প্রতি দশক পরে করা ভোটে পাঁচ দশক সেরা দশে অবস্থানের পর ২০১২ সালের ভোটে ১১তম স্থানে নেমে আসে।[১৪]

২০১০ সালে এম্পায়ার সাময়িকীর "বিশ্ব চলচ্চিত্রের সেরা ১০০ চলচ্চিত্র" তালিকায় চলচ্চিত্রটি তৃতীয় স্থান অধিকার করে।[১৫] ২০১১ সালের এপ্রিল মাসে চলচ্চিত্রটি ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের পরিবেশনায় যুক্তরাজ্যের প্রেক্ষাগৃহে পুনঃমুক্তি দেওয়া হয়। পুনঃমুক্তিতে টোটাল ফিল্ম সাময়িকী চলচ্চিত্রটিকে পাঁচ তারকা প্রদান করে, এবং লেখে, "প্রায় ৯০ বছর হয়ে গেছে, আইজেনস্টাইনের এই শ্রেষ্ঠকর্ম এখনো গ্যারান্টিসহ নাড়ির স্পন্দন ত্বরান্বিত করবে।"[১৬] ১৯৭৯ সালে ৩০ জন ফিনীয় চলচ্চিত্র সমালোচক ও বিশেষজ্ঞের করা সর্বকালের সেরা ১০০ চলচ্চিত্রের তালিকায় ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন চলচ্চিত্রটি ২৩তম স্থান অধিকার করে।[১৭]

পরিচালক অরসন ওয়েলস,[১৮] মাইকেল মান[১৯] এবং পল গ্রিনগ্রাস[২০] ব্রনিয়েনোসেৎস পটিয়োমকিন চলচ্চিত্রটিকে তাদের প্রিয় চলচ্চিত্রের তালিকায় রেখেছেন।

হোম ভিডিও[সম্পাদনা]

২০০৭ সালে এই চলচ্চিত্রের দুই ডিস্ক ওয়ালা সংরক্ষিত সংস্করণের ডিভিডি প্রকাশ করে। টাইম ম্যাগাজিনের রিচার্ড করলিস এই ডিভিডিকে সেই বছরের সেরা দশ ডিভিডির পঞ্চম সেরা বলে উল্লেখ করেন।[২১]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bagh ১৯৯৯, পৃ. 28
  2. "What's the Big Deal?: Battleship Potemkin (1925)"এমটিভি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  3. "Battleship Potemkin by Roger Ebert"ইবার্ট ফেস্ট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  4. "Top Films of All-Time"ফিল্মসাইট (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  5. "Bronenosets Potemkin" (ইংরেজি ভাষায়)। Dunagan, Clyde: Film Reference। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১৭ 
  6. "De bästa filmerna"। চ্যাপলিন (সুইডিশ ভাষায়)। সুইডিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। নভেম্বর ১৯৬৪। পৃষ্ঠা 333–334। 
  7. Наум И. Клейман, К. Б. Левина (সম্পাদকগণ)। Броненосец "Потемкин."। Шедевры советского кино (রুশ ভাষায়)। পৃষ্ঠা 24। 
  8. Seton ১৯৫২, পৃ. ৭৪
  9. Valkola ১৯৮৪, পৃ. ১৪৭
  10. Leyda ১৯৬০, পৃ. ১৯৩-১৯৯
  11. "Battleship Potemkin (1925)" (ইংরেজি ভাষায়)। রটেন টম্যাটোস (Flixster)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  12. "Battleship Potemkin" (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১১-০৩-২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  13. Valkola ১৯৮৪, পৃ. ১৫০
  14. "Sight and Sound Historic Polls" (ইংরেজি ভাষায়)। ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউট। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  15. "The 100 Best Films Of World Cinema – 3. The Battleship Potemkin"এম্পায়ার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  16. "Battleship Potemkin"টোটাল ফিল্ম (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  17. Astala, Erkki: Ne sata tärkeintä, Projektio 2/1980 s. 7.
  18. "Fun Fridays – Director's Favourite Films – Orson Welles - Film Doctor"Film Doctor (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  19. "FUN FRIDAYS – DIRECTOR'S FAVOURITE FILMS – MICHAEL MANN - Film Doctor"Film Doctor (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  20. "Fun Fridays – Director's Favourite Films – Paul Greengrass - Film Doctor"Film Doctor (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  21. Corliss, Richard। "Top 10 DVDs"টাইম (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১৭ 

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

  • Bagh, Peter von : Elämää suuremmat elokuvat. Otava, 1999. ISBN 951-1-16360-4.
  • Bryher (1922). Film Problems Of Soviet Russia. Riant Chateau TERRITET Switzerland.
  • Eisenstein, Sergei (1959). Notes of a film director. Foreign Languages Publishing House.
  • Leyda, Jay (১৯৬০)। Kino: A History of the Russian and Soviet Film। George Allen & Unwin। 
  • Seton, Marie (১৯৬০)। Sergei M. Eisenstein: a biography। Grove Press। 
  • Sedergren, Jari (২০০৬)। Taistelu elokuvasensuurista: valtiollisen elokuvatarkastuksen historia 1946–2006আইএসবিএন 951-746-812-1 
  • Taylor, Richard; Christie, Ian ed. (1994). The Film Factory: Russian and Soviet Cinema in Documents. Routledge.
  • Valkola, Jarmo: Elokuvat kertovat 1. Keski-Suomen läänin elokuvaneuvonta, 1984. ISBN 951-99610-9-7.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]