ফেনী জংশন রেলওয়ে স্টেশন
ফেনী জংশন রেলওয়ে স্টেশন | |
|---|---|
| বাংলাদেশের রেলওয়ে স্টেশন | |
| অবস্থান | ফেনী সদর উপজেলা ফেনী জেলা, চট্টগ্রাম বিভাগ |
| স্থানাঙ্ক | ২৩°০০′৪৮″ উত্তর ৯১°২৪′১৩″ পূর্ব / ২৩.০১৩৩৩৯৮° উত্তর ৯১.৪০৩৫৩৬৫° পূর্ব |
| মালিকানাধীন | বাংলাদেশ রেলওয়ে |
| পরিচালিত | বাংলাদেশ রেলওয়ে |
| লাইন |
|
| ট্রেন পরিচালক | পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে |
| নির্মাণ | |
| গঠনের ধরন | মানক |
| পার্কিং | আছে |
| সাইকেলের সুবিধা | আছে |
| প্রতিবন্ধী প্রবেশাধিকার | আছে |
| ইতিহাস | |
| চালু | ১ জুলাই ১৮৯৫ |
| অবস্থান | |
![]() | |
ফেনী জংশন রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলার ফেনী সদর উপজেলায় অবস্থিত একটি রেলওয়ে স্টেশন।[১][২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৮৯২ সালে ইংল্যান্ডে গঠিত আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি এদেশে রেলপথ নির্মাণের দায়িত্ব নেয়। ১৮৯৫ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা ১৫০ কিমি মিটারগেজ লাইন এবং লাকসাম থেকে চাঁদপুর পর্যন্ত ৬৯ কিমি রেললাইন জনসাধারণের জন্য খোলা হয়।[৩] চট্টগ্রাম-কুমিল্লা লাইনের স্টেশন হিসেবে ফেনী রেলওয়ে স্টেশন তৈরি করা হয়। ১৯২৯ সালে ফেনী থেকে বিলোনিয়া হয়ে আগরতলা রেলপথ তৈরি হলে ফেনী জংশন স্টেশনে পরিণত হয়।[৪]
পরিষেবা
[সম্পাদনা]ফেনী রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে চলাচলকারী ট্রেনের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:[৫]
- সূবর্ণ এক্সপ্রেস
- পাহাড়িকা এক্সপ্রেস
- মহানগর প্রভাতী\গোধুলী এক্সপ্রেস
- উদয়ন এক্সপ্রেস
- মেঘনা এক্সপ্রেস
- মহানগর এক্সপ্রেস
- তূর্ণা এক্সপ্রেস
- বিজয় এক্সপ্রেস
- সোনার বাংলা এক্সপ্রেস
- ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস
- কর্ণফুলী এক্সপ্রেস
- ঢাকা\চট্টগ্রাম মেইল
- সাগরিকা এক্সপ্রেস
- চট্টলা এক্সপ্রেস
- লাকসাম কমিউটার
- জালালাবাদ এক্সপ্রেস ও
- লোকাল ট্রেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "ফেনী রেলওয়ে স্টেশন পরিনত হয়েছে পকেটমার ও নেশাখোরদের অভয়ারণ্যে"। বাংলাদেশ প্রতিদিন। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২০।
- ↑ "তীব্র পানির সংকটে ফেনী রেলওয়ে স্টেশন: যাত্রীদের দুর্ভোগ"। আমাদের কন্ঠ। ২২ অক্টোবর ২০১৯। ৬ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২০।
- ↑ "রেলওয়ে - বাংলাপিডিয়া"। bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০২০।
- ↑ থেকে, মো: ওমর ফারুক, ফেনী। "ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ ২৩ বছর পর চালু হচ্ছে"। DailyInqilabOnline। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২০।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ রিপোর্টার, স্টাফ (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯)। "ফেনী ট্রেনের নাম ও সময়সূচি | MorningRinger"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০২০।
ফেনী-বিলোনিয়া লাইন বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি মিটারগেজ রেলপথ। এই রেলপথটি ১৯৯৭ সাল থেকে অব্যবহৃত রয়েছে।
ইতিহাস, ফেনী জেলার পিছিয়ে পড়া উত্তরাঞ্চলের জনগোষ্ঠির জেলা সদরের সাথে যাতায়াতের পাশাপাশি ত্রিপুরার বিলোনিয়া হয়ে বাংলাদেশের বিলোনিয়া দিয়ে ফেনী থেকে আসামের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ১৯২৯ সালে এ রেলপথ চালু করে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের অর্থায়নে এ রেললাইনের কাজ সম্পন্ন হয়। প্রথমদিকে এ লাইনে মালবাহী ট্রেন চলাচল করলেও ১৯৪৭ সালে ভারত বাংলাদেশ বিভাগের পর দুটি লাইন আলাদা হয়ে যায়। ভারতের অংশে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশ অংশে বিলোনিয়া থেকে ফেনী মহকুমা শহরের সাথে যোগাযোগের জন্য একটি ট্রেন চালু করা হয়। সে সময় ফেনীর উত্তরাঞ্চলের মানুষের জেলা শহরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল এ রেলপথ। সকাল ৭টায় ফেনী থেকে বিলোনিয়া আবার ৮টায় বিলোনিয়া হতে ফেনী রুটে চলাচল করতো ট্রেন। আবার বিকাল ৪ টায় ফেনী থেকে রওনা হয়ে ৫টায় ফেনী ফিরে আসতো বিলোনিয়ার ট্রেন।[২] ১৯৭১ সালের পর রেল যোগাযোগের পাশাপাশি সড়ক যোগাযোগের উন্নতি হওয়ায় কদর কমে যায় এ রেলপথের। ব্যাপক লোকসানের কারণে ১৯৯৭ সালের ১৭ আগস্ট কর্তৃপক্ষ ফেনী-বিলোনিয়া রেলপথ বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
