জ্যাক হিল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জ্যাক হিল
Jack Hill (cricketer) 1953.jpg
১৯৫৩ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে জ্যাক হিল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজন চার্লস হিল
জন্ম২৫ জুন, ১৯২৩
মুরুম্বিনা, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া
মৃত্যু১১ আগস্ট, ১৯৭৪
কলফিল্ড, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনলেগ ব্রেক, গুগলি
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক১১ জুন ১৯৫৩ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৪ মে ১৯৫৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৬৯
রানের সংখ্যা ২১ ৮৬৭
ব্যাটিং গড় ৭.০০ ১৬.০৫
১০০/৫০ ০/০ ০/১
সর্বোচ্চ রান ৮* ৫১*
বল করেছে ৬০৬ ১৩৭১৮
উইকেট ২১৮
বোলিং গড় ৩৪.১২ ২৩.১১
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৩/৩৫ ৭/৫১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/০ ৬৩/০
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৪ মে ২০২০

জন চার্লস জ্যাক হিল (ইংরেজি: Jack Hill; জন্ম: ২৫ জুন, ১৯২৩ - মৃত্যু: ১১ আগস্ট, ১৯৭৪) ভিক্টোরিয়ার মুরুম্বিনা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবলার ছিলেন। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৫ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ লেগ ব্রেক কিংবা গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন জ্যাক হিল

শৈশবকাল[সম্পাদনা]

জ্যাক হিলের পিতা অ্যালেক হিল স্টাইপেন্ডিয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।[১] জ্যাক হিল বলারাতের সেন্ট প্যাট্রিক্স কলেজে মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপণ করেন। ১৯৪১ সালে মেলবোর্নে চলে যান। নাভাল বোর্ডে কাজ করেন।[২] ১৯৪২ থেকে ১৯৪৬ সময়কালে রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্সে সক্রিয় দায়িত্ব থেকে পর্যবেক্ষণ করেন।[৩]

সেন্ট প্যাট্রিক্স কলেজে অধ্যয়নকালীন অসাধারণ বিদ্যালয় ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে পরিচিত করে তুলেছিলেন। চার বছর ১১৮ উইকেট লাভ করেন। ঐ সময়ে কলেজের দলটি বছরে মাত্র চারটি খেলায় অংশ নিতো।[৪] ১৫ বছর বয়সে বলারাত ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের বড়দের দলে খেলার জন্যে তাকে মনোনীত করা হয়। মার্চ, ১৯৩৯ সালে মেলবোর্নে কান্ট্রি সপ্তাহ উৎসবের প্রাদেশিক বিভাগে অংশ নেন। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ঐ খেলাগুলোর কমপক্ষে একটিতে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।[৫]

১৯৪১-৪২ মৌসুমের শুরুতে মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাবের সদস্যরূপে ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেটে অংশ নেন।[৬][৭]

মেলবোর্নের পক্ষে নিজস্ব প্রথম খেলায় এসেনডনের বিপক্ষে খেলেন। চাবিরতির পর ব্যতিক্রমধর্মী অবদান রাখেন। বিস্ময়কর বোলিংশৈলী উপস্থাপন করেন জ্যাক হিল। তার অপূর্ব ক্রীড়ানৈপুণ্যে এসেনডন ১৬৭ রানে গুটিয়ে যায়। চাবিরতির পূর্বে তার বোলিং ছিল ০/২৪। কিন্তু, খেলা শেষে তার বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড়ায় ১৫.১ ওভারে ৬/৩৬। স্বাভাবিকের তুলনায় কিঞ্চিৎ দ্রুতলয়ে লেগ ব্রেক বোলিং করেন। বড়দের প্রথম খেলায় নিজেকে বেশ সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সমর্থ হয়েছিলেন।[৮]
এসেনডন হিলে এমসিসি’র নতুন বোলার ৬/৩[৬] লাভ করেন। তিনি বেশ নিখুঁত নিশানায় টপ স্পিন সহযোগে পিচে পেসের সহযোগিতা নিয়ে উইকেটগুলো পেয়েছেন।[৯]

আরএএএফে চাকুরীরত অবস্থায় সিডনিতে অবস্থান করতেন। সেখানে থাকাকালে মোসম্যান ক্রিকেট ক্লাবে মাঝে-মধ্যে খেলতেন।[১০][১১][১২] ১৯৪৫ সালে সেন্ট কিল্ডা ক্রিকেট ক্লাবে চলে যান।[১৩]

অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে মেলবোর্ন থেকে চলে আসার পর সেন্ট কিল্ডায় তার অভিষেক প্রসঙ্গে দি আর্গাসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে,

মেলবোর্ন থেকে স্থানান্তরিত হয়ে সেন্ট কিল্ডা দলের পক্ষে জ্যাক হিলের স্মরণীয় অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। শনিবার নর্থ মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত খেলায় ৬.৩ ওভারে ৪/৫ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন তিনি। এ পর্যায়ে উইকেটে বেশ পেস আনয়ণ করেন ও কিঞ্চিৎ লেগের দিক থেকে বলকে বাঁক খাওয়ান। আরএএএফে থাকাকালীন তার বোলিং কিছুটা বিল ও’রিলি’র ন্যায় ছিল। তবে, বাহু ও পায়ের কারুকাজে এক ছিল না।[১৪]

অস্ট্রেলীয় রুলস ফুটবলে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

সেন্ট প্যাট্রিক্স কলেজে হাফ-ফরোয়ার্ড অবস্থানে তারকা খেলোয়াড় ছিলেন। ১৯৪৩ সালের প্রাক-মৌসুমে রিচমন্ড ফুটবল ক্লাবের সাথে প্রশিক্ষণে অংশ নেন।[১৫][১৬] ফলশ্রুতিতে, ১৯৪৩ সালের শুরুতে দলের সহায়ক তালিকায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।[১৭] রিচমন্ডের দ্বিতীয় অষ্টাদশ দলের পক্ষে খেলেন।[১৮][১৯][২০] ১৯৪৬ সালে রিচমন্ড থেকে অব্যহতি পান ও মাউন্টেইন ডিস্ট্রিক্ট ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনে বেলগ্রাভ ফুটবল ক্লাবে যোগ দেন।[২১]

১৯৪৯ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর তারিখে অনুষ্ঠিত সেমি-ফাইনাল খেলায় বেলগ্রাভের পক্ষে কিকে নয় গোল করেন।[২২] খেলায় তিনি ধাক্কা লেগে পড়ে যান। শুরুতে তিনি ভেবেছিলেন যে, তেমন আঘাত পাননি ও সুস্থ হয়ে যাবেন। কোন চিকিৎসা লাভের কথা ভাবেননি। ৪ অক্টোবর তারিখে কাজ করাকালে পড়ে যান ও হাসপাতালে নীত হন। সেখানে তার মাথার খুলিতে ফাটলের কথা জানা যায়। এটি তার ফুটবল খেলোয়াড়ী জীবনে খুলিতে দ্বিতীয়বারের মতো ফাটল ছিল।[২৩][২৪][২৫] তাৎক্ষণিকভাবে ফুটবল খেলা থেকে তার অবসর কথা জানান। এ পর্যায়ে এক মৌসুমে গোল-কিকে ১৫২ গোলের নতুন রেকর্ড গড়েন।[২৬]

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৪৫-৪৬ মৌসুম থেকে ১৯৫৫-৫৬ মৌসুম পর্যন্ত জ্যাক হিলের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ভিক্টোরিয়ার সদস্যরূপে শেফিল্ড শিল্ডে ৬৯টি খেলায় অংশ নিয়েছেন।[২৭] এ পর্যায়ে ৮৬৭ রান ও ২১৮টি উইকেটের সন্ধান পেয়েছেন তিনি। ভিক্টোরিয়ার পক্ষে প্রথমবারের মতো বল হাতে নিয়ে প্রথম বলেই সাউথ অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান টমাস এলিয়ট ক্লোজকে আউট করে প্রথম উইকেট লাভ করেন।[২৮][২৯][৩০][৩১] এছাড়াও, শেফিল্ড শিল্ডের ক্রিকেটে সবচেয়ে সহজ রান তোলার সুযোগ পেয়েও রান নিতে না পারার কারণে পরিচিতি পেয়েছেন। ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ তারিখ শনিবার সেন্ট কিল্ডা ক্রিকেট মাঠে নিউ সাউথ ওয়েলসের বিপক্ষে ভিক্টোরিয়ার প্রথম ইনিংসে তিনি এ সুযোগ হাতছাড়া করেন।

২৯ অক্টোবর, ১৯৪৯ তারিখের পূর্ব-পর্যন্ত ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণের পূর্ণাঙ্গ শারীরিক সক্ষমতা ছিল না।[৩২] এ জাতীয় মাথায় আঘাতের কারণে সময়ে সময়ে মাথা ব্যথার সৃষ্টি হতো ও জীবনের বাদ-বাকী সময় ভোগ করতে থাকেন। প্রায়শঃই ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণে বিশেষ ধরনের মাথা ব্যথার পাউডার তাকে ব্যবহার করতে হতো।[৩৩]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

"১৭ বছর বয়সী জ্যাক হিলকে বিস্ময়করভাবে দলে নেয়া হয়। অর্থোডক্স লেগ স্পিনারদের তুলনায় অধিক গতিতে বোলিং করেন। কিন্তু, আমাদের পিচে এ ধরনের বল বাঁক খায় না। তার ভূমিকা অনবদ্য ও তার অন্তর্ভুক্তির ফলে কোন কারণে অপর লেগ স্পিনার - ডগ রিংরিচি বেনো ব্যর্থ হলে তিনি সঞ্চিত শক্তি প্রয়োগ করবেন। তবে, নিজ গুণে একাদশে অন্তর্ভুক্তির দাবীদার হতে পারেন।"
স্যার ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যান (ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩)[৩৪]"

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন জ্যাক হিল। ১১ জুন, ১৯৫৩ তারিখে নটিংহামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৪ মে, ১৯৫৫ তারিখে ব্রিজটাউনে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

নিয়মিতভাবে তিনি উপেক্ষার শিকার হতেন ও অস্ট্রেলিয়ার হারিয়ে যেতে থাকা ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত হন।[৩৫] অতঃপর ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার দল নির্বাচকমণ্ডলী আসন্ন ইংল্যান্ড সফরে অ্যাশেজ সিরিজ খেলার উদ্দেশ্যে তাকে দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত করে।[৩৬][৩৭][৩৮][৩৯] তবে, ক্রিকেট লেখক টম গুডম্যানের মতে, হিলের অন্তর্ভুক্তি অনেকাংশেই বিস্ময়কর ও জুয়া ধাঁচের ছিল।[৪০] সাবেক অস্ট্রেলীয় তারকা ক্রিকেটার ও স্পিন বোলার বিল টাইগার ও’রিলি অস্ট্রেলীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীকে দলের স্পিন আক্রমণ সঙ্কুচিত করার বিষয়ে উল্লেখ করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, যদি জ্যাক হিল নিজেকে ইংরেজ পরিবেশে মানিয়ে নিতে সক্ষম হন, তাহলে সফরে টেস্ট আক্রমণেও তাকে নিশ্চিতভাবেই নেয়া হবে।[৪১]

১৯৫৩ সালের টেস্ট দল নির্বাচনের বিষয়শে একটি সংবাদপত্রে তার বোলিং ভঙ্গীমা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়:

জ্যাক হিল কিছুটা ভিন্ন ধাঁচের বোলার। বলে গ্রিপ করাকালে তিনি লেগ ব্রেকের ভঙ্গীমায় অগ্রসর হন। লেগ ব্রেক বোলিং করলেও তিনি প্রকৃতই টপ স্পিনার। উইকেটে বলকে যথেষ্ট পেস প্রদান করেন। বিস্ময়করভবেই তিনি অনেক ভালোমানের ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করেছেন। কেননা, প্রত্যাশার তুলনায় উইকেটে তার বল বেশ দ্রুত যায়।[৪২]

ইংল্যান্ড গমন[সম্পাদনা]

ইংল্যান্ড গমনের পূর্বে মার্চ, ১৯৭৩ সালে হোবার্টে জ্যাক হিল অস্ট্রেলিয়া একাদশের সদস্যরূপে তাসমানিয়া দলের মুখোমুখি হন।[৪৩] প্রথম দিন শেষে অস্ট্রেলীয় একাদশ ৫০৫/৯ তুলে।[৪৪] দ্বিতীয় দিন শেষে তাসমানিয়া দল তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২১/২ তুলে। এ পর্যায়ে দলটি ২০২ রানে গুটিয়ে যায় ও ফলো-অনের মুখোমুখি হয়। হিল এগারো ওভার বোলিং করে তিন মেইডেন সহযোগে ০/২৪ লাভ করেন।[৪৫] তাসমানিয়া দল দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩৪ রান তুলে গুটিয়ে যায়। হিল ১১ ওভারে তিন মেইডেন সহযোগে ২/২৮ পান।[৪৬]

দলটি লঞ্চেস্টনে যায়। সেখানে সম্মিলিত নর্দার্ন তাসমানিয়া দলের বিপক্ষে একটি খেলায় অংশ নেয়। অস্ট্রেলিয়া একাদশ দলে লিন্ডসে হ্যাসেট (অধিনায়ক), আর্থার মরিস (সহঃ অধিনায়ক), রন আর্চার, রিচি বেনো, অ্যালান ডেভিডসন, জিম ডি কার্সি, জ্যাক হিল, গ্রেইম হোল, বিল জনস্টন, গিল ল্যাংলিকলিন ম্যাকডোনাল্ডকে নিয়ে গঠন করা হয়। হিলকে দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়েছিল। তবে, খেলা পূর্বদিন দাঁতের ব্যথায় কাতর হয়ে পড়া রে লিন্ডওয়ালের স্থলাভিষিক্ত হন। দলের বাদ-বাকী সদস্যরা শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সদস্য হন। ইয়ান ক্রেগ, কিথ মিলার, নীল হার্ভে, ডগ রিংডন টলন সম্মিলিত নর্দার্ন তাসমানিয়া দলের পক্ষে খেলেন।[৪৭] প্রথম দিন শেষে সম্মিলিত একাদশ ২৭২ রানে আউট হন। হিলের পরিসংখ্যান ছিল ০/২৭। অস্ট্রেলিয়া একাদশ বিনা উইকেটে ৯৩ রান তুলে।[৪৮] দ্বিতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়া একাদশ ৪৬৯ রান তুলে। হিল করেন ২০ রান। সম্মিলিত একাদশ ১৯/২ করে। দ্বিতীয় দিনে জ্যাক হিল বোলিং করেননি।[৪৯] শেষদিন সম্মিলিত একাদশ ২৪৫ রান তুলে। হিল করেন ৩/৫৮। কোন উইকেট না হারিয়ে ৪১ রান সংগ্রহের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া একাদশ খেলায় জয় পায়।[৫০]

১৯৫৩ সালের অ্যাশেজ সিরিজ খেলার উদ্দেশ্যে দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। ১৯৫৩ সালে ইংল্যান্ডে পুরো সফরে সর্বমোট ৩৪টি খেলা অনুষ্ঠিত হয়। তন্মধ্যে, পাঁচটি টেস্ট খেলাসহ আরও ২৯টি খেলা টেস্টের পূর্বে ও মাঝখানে আয়োজন করা হয়েছিল। পাঁচ টেস্টের মধ্যে অ্যাশেজ সিরিজের দুইটিতে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে খেলেন।[৫১] তার অংশগ্রহণকৃত প্রথম টেস্টটি বৃষ্টিবিঘ্নিত হয়। ১১-১৬ জুন, ১৯৫৩ তারিখে ট্রেন্ট ব্রিজে অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম টেস্টে তার সাথে অ্যালান ডেভিডসনেরও একযোগে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। ড্র হওয়া ঐ খেলায় তিনি শূন্য ও চার রান তুলেন। বল হাতে নিয়ে ৩/৩৫ ও ১/২৬ পান।

৯ - ১৪ জুলাই, ১৯৫৩ তারিখে ওল্ড ট্রাফোর্ডে অনুষ্ঠিত সিরিজের তৃতীয় টেস্টে নিজস্ব দ্বিতীয় টেস্ট খেলেন। ড্র হওয়া ঐ খেলায় অপরাজিত ৮ ও ০ রান তুলেন এবং ইংল্যান্ডের একমাত্র ইনিংসে ৩/৯৭ পান। হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে তাকে দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়।[৫২][৫৩] সিরিজের প্রথম চার টেস্ট ড্র হয়। শেষ খেলায় তিনি অংশ নেননি ও এমসিসি দল আট উইকেটে বিজয়ী হয়। এ সফরে অতিরিক্ত আরও ২৯টি খেলায় সফরকারীরা অংশ নেয়। তন্মধ্যে, তিনি ২০টি খেলার সুযোগ পান।

  • ২৯ এপ্রিল - ১ মে: ওরচেস্টারের নিউ রোডে ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ড্র হওয়া খেলায় তিনি ব্যাটিং করার সুযোগ পাননি। তবে, ৩৩ ওভারে ১৯ মেইডেন সহযোগে ৩/৫৭ পান।
  • ২ - ৪ মে: গ্রেস রোডে লিচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে অস্ট্রেলীয় একাদশ ইনিংস ও ১৫৪ রানে জয় পায়। ১/৮ ও ৪/৪৬ পান।
  • ৬ - ৮ মে: পার্ক অ্যাভিনিউতে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে অস্ট্রেলীয় একাদশ ইনিংস ও ১৫৪ রানে জয়ী হয়। তিনি ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাননি। বল হাতে ০/৪০ ও ৪/৬১ পান।
  • ১২ - ১৪ মে: ফেনার্সে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলীয় একাদশ ইনিংস ও ১০৬ রানে জয় তুলে নেয়। তিনি ১৫ রান তুলেন ও প্রথম ইনিংসে ১/৫ লাভ করেন। তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি বোলিং করেননি।
  • ১৬ - ১৯ মে: লর্ডসে মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) বিপক্ষে ড্র হওয়া খেলায় ২ রানে অপরাজিত ছিলেন ও দ্বিতীয় ইনিংসে ০/৩৩ পান।
  • ২০ - ২১ মে: অক্সফোর্ডের ক্রাইস্ট চার্চ গ্রাউন্ডে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দল ইনিংস ও ৮৬ রানে জয় পায়। তিনি ৩ রান করেন এবং ৩/১১ ও ০/১৮ পান।
  • ৩০ মে - ১ জুন: ট্রেন্ট ব্রিজে নটিংহ্যামশায়ারের বিপক্ষে ড্র হওয়া খেলায় তিনি ব্যাটিং করেননি। বল হাতে ৫/৬২ পান।[৫৪]
  • ৩ - ৫ জুন: হোভে সাসেক্সের বিপক্ষে ড্র হওয়া খেলায় ২৫ রান তুলেন। বল হাতে ৪/৪০ ও ৪/৩৮ পান।
  • ৬ - ৮ জুন: সাউদাম্পটনের কাউন্টি গ্রাউন্ডে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া একাদশ ১৫৮ রানে জয়ী হয়। ব্যাট হাতে অপরাজিত ২২ রান করেন। বল হাতে ২/২৭ ও ০/২৮ পান।
  • ২০ - ২৩ জুন: ব্রামল লেনে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে ড্র হওয়া খেলায় ৩১ রান তুলেন। প্রথম ইনিংসে ১/৬৫ পান।
  • ১ - ৩ জুলাই: ব্রিস্টলের অ্যাশলে ডাউনে গ্লুচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দল ৯ উইকেটে বিজয়ী হয়। ব্যাট করেননি। তবে, বল হাতে ২/২২ ও ০/৪৪ পান।
  • ৪ - ৬ জুলাই: নর্দাম্পটনের কাউন্টি গ্রাউন্ডে নর্দাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দল ইনিংস ও ৬২ রানে বিজয়ী হয়। অপরাজিত ৮ রানের পাশাপাশি ০/৯ ও ১/১১ পান।
  • ২৯ - ৩১ জুলাই: ওভালে সারের বিপক্ষে ড্র হওয়া খেলায় শূন্য রান করেন। বল হাতে ১/৪২ পান।
  • ১ - ৪ আগস্ট: সোয়ানসী’র সেন্ট হেলেন্সে ড্র হওয়া খেলায় গ্ল্যামারগনের বিপক্ষে ৫ রান তুলেন। বল হাতে ০/৪৩ ও ০/৩২ পান।
  • ৮ - ১১ আগস্ট: ওল্ড ট্রাফোর্ডে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দল ৭ উইকেটে বিজয়ী হয়। অপরাজিত ৭ রান তুলেন। বল হাতে ১/২৭ ও ২/৬৩ পান।
  • ২২ - ২৫ আগস্ট: টানটনের কাউন্টি গ্রাউন্ডে সমারসেটের বিপক্ষে ড্র হওয়া খেলায় ৭ রান তুলেন। প্রথম ইনিংসে ০/৯ পান।
  • ২৯ আগস্ট - ১ সেপ্টেম্বর: সেন্ট লরেন্স গ্রাউন্ডে কেন্টের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দল ইনিংস ও ১৭৬ রান তুলেন। অপরাজিত ৫১ রানের পাশাপাশি প্রথম ইনিংসে ০/২১ পান।
  • ২ - ৪ সেপ্টেম্বর: হ্যাস্টিংসে সেন্ট্রাল রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডে সাউথ জেন্টলম্যানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দল ইনিংস ও ১৬৩ রানে জয়ী হয়। খেলায় তিনি ৫ রান তুলেন। বল হাতে ০/২২ ও ৪/৭৬ পান।[৫৫]
  • ৫ - ৭ সেপ্টেম্বর: কিংস্টন আপোন টেমসের হকার্স স্পোর্টস গ্রাউন্ডে কম্বাইন্ড সার্ভিসেসের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দল ইনিংস ও ২৬১ রানে জয় পায়। তিনি ব্যাটিং করেননি। তবে, ০/১১ ও ৬/৩৪ পেয়েছিলেন।
  • ৯ - ১১ সেপ্টেম্বর: নর্থ ম্যারিন রোডে টি. এন. পিয়ার্স একাদশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া ২ উইকেটে জয় পায়। ১৮ ও ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। বল হাতে ৪/৬৫ ও ৩/৯৪ পান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন[সম্পাদনা]

১৯৫৫ সালে পুরো অস্ট্রেলিয়া দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমনে আসে। সব মিলিয়ে ১২টি খেলায় দলটি অংশ নেয়। পাঁচটি টেস্টের পাশাপাশি অতিরিক্ত আরও সাতটি খেলায় টেস্টের আগেপিছে আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়াও, ৬ ও ৭ জুন, ১৯৫৫ তারিখে মন্টেগো বে’র জারেট পার্কে দুইদিনের খেলা ছিল। অস্ট্রেলীয় একাদশ বনাম জি. এ. হ্যাডলি একাদশের মধ্যকার ঐ খেলায় বিখ্যাত ক্রিকেটার জি. এ. হ্যাডলি দল গঠন করেছিলেন।[৫৬] তবে, উভয়দিনেই প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়।[৫৭][৫৮]

১৪ থেকে ২০ মে, ১৯৫৫ তারিখে ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে একমাত্র খেলায় অংশ নেন। ড্র হওয়া ঐ খেলায় তিনি অপরাজিত ৮ রান ও ১ রান তুলেন। এছাড়াও, বল হাতে নিয়ে ০/৭১ ও ১/৪৪ পান।

ছয়টি অতিরিক্ত খেলার মধ্যে তিনি পাঁচটিতে খেলেন।

২০ - ২২ এপ্রিল: গায়ানার বোর্দায় ব্রিটিশ গায়ানার বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া একাদশ ইনিংস ও ১৩৪ রানে জয় পায়।[৫৯] তবে, তাকে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে হয়নি। এ খেলার প্রথম ইনিংসে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ৫/৫০[৬০] ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫/১৫ লাভ করেন।[৬১] তিনি দুইবার করে রোহন কানহাই, প্যাট্রিক কারমাইকেল লিগল, ইভান মাদ্রে এবং একবার করে উইলফ্রেড এডান, ক্লিফ ম্যাকওয়াট, চার্লস ও’নীল পল ও নরম্যান ডেলিসলে উইটকে আউট করেন।[৬২]

  • ৭ - ১১ মে: ব্রিজটাউনের কেনসিংটন ওভালে বার্বাডোসের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া দল ৩ উইকেটে জয় পায়। তিন এক রান করেন। বল হাতে নিয়ে ৩/৫৩ ও ৩/৮১ পান।
  • ২৬ - ২৮ মে: গ্রেনাডার কুইন্স পার্কে উইন্ডওয়ার্ড আইল্যান্ডসের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়। তিনি অপরাজিত ৫ রান করেন এবং ৩/৫৭ ও ২/১৩ লাভ করেন।
  • ১ - ৩ জুন: সেন্ট জোন্সের অ্যান্টিগুয়া রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ডে লিওয়ার্ড আইল্যান্ডসের বিপক্ষে খেলায় সফরকারী দল ইনিংস ও ২১৯ রানে জয় তুলে নেয়। তিনি ১২ রান করেন। প্রথম ইনিংসে বল না করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৫/৪২ পান।

দলে প্রত্যাখ্যান[সম্পাদনা]

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর শেষে আর তাকে টেস্ট দলে নেয়ার জন্যে বিবেচিত করা হয়নি। সাধারণ দৃষ্টিকোণে তিনি টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।[৬৩]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে অংশগ্রহণকৃত তিন টেস্টে আট উইকেট পান। ট্রেভর বেইলিডন কেনিয়নকে দুইবার করে এবং পিটার মে, টম গ্রেভেনি, বিল এডরিচ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন হল্টকে আউট করেন।[৬৪][৬৫] পাশাপাশি দুইট ক্যাচ তালুবন্দী করেন ও ২১ রান তুলতে পেরেছিলেন।

১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ভিক্টোরিয়ার রাজ্য দলে খেলেন।[৬৬] লিন্ডসে হ্যাসেটের সাথে থেকে ক্রিকেট কোচিং স্কুল লিন্ডসে হ্যাসেট স্কুল অব ক্রিকেট পরিচালনা করেন। ডগ রিং, আর্নি ম্যাককরমিক, জন এডওয়ার্ডসকে কোচিংয়ে অভিজ্ঞ হিসেবে সাবেক ফিটজরয় অফ-স্পিনার জো প্লান্টের তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত করেন।[৬৭]

ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৫৮ সালে সেন্ট কিল্ডা দলের সদস্যরূপে প্রতিপক্ষকে সর্বনিম্ন রানে গুটিয়ে ফেলার খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ১৫ নভেম্বর, ১৯৫৮ তারিখে সেন্ট কিল্ডা ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত খেলায় নর্থকোটকে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৩৩ রানে গুটিয়ে ফেলে তার দল। মাত্র দুইজন ফাস্ট বোলার জন এডওয়ার্ডস ও পিটার হসকিং বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলায় বোলিং করেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ৫/২১ পান। তন্মধ্যে, বিল লরিকে ১৪ রানে এলবিডব্লিউতে বিদেয় করেন।[৬৮][৬৯][৭০][৭১]

নভেম্বর, ১৯৬১ সালে জেলা পর্যায়ের ক্রিকেটে জ্যাক হিল ও জন এডওয়ার্ডস উভয়েই সেন্ট কিল্ডা ক্রিকেট ক্লাবে খেলা অবস্থায় ৫০০ উইকেট লাভের দ্বারপ্রান্তে ছিলেন। এ পর্যায়ে তারা ৪৯৭ ও ৪৯৬ উইকেটধারী হন।[৭২] ৪ নভেম্বর পরবর্তী শনিবারে জ্যাক হিল ৪/৬ পান। কিন্তু, এডওয়ার্ডস কোন উইকেট লাভে সক্ষম হননি।[৭৩][৭৪]

১৯৬৩-৬৪ মৌসুমে ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেটে সেন্ট কিল্ডা ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে সর্বশেষ খেলা অংশগ্রহণ করেন জ্যাক হিল। মার্চ, ১৯৬৪ সালে ঐ প্রতিযোগিতার সেমি-ফাইনালে এসেনডনের মুখোমুখি হন তিনি।[৭৫] সেন্ট কিল্ডা খেলায় পরাজিত হয়। একমাত্র ইনিংসে তিনি ৭ রান তুলেন ও কোন উইকেট লাভে ব্যর্থ হন।[৭৬][৭৭]

১৯৫০ সালে প্রাহরান ক্রিকেট ক্লাবের অধিনায়ক ইভান পোর্টার এক সাক্ষাৎকারে মন্তব্য করেন যে, তিনি তার সুদীর্ঘ খেলোয়াড়ী জীবনে অনেক বোলারের মুখোমুখি হলেও জ্যাক হিলের বোলিং তাকে বিমোহিত করেছিল। তার বল থেকে রান সংগ্রহ করা বেশ কঠিন ব্যাপার ছিল।[৭৮]

২০০৯-১০ মৌসুমের ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট প্রতিযোগিতা শেষে হ্যারি জাচারিয়ার সাথে এক মৌসুমে ৬৮ উইকেট নিয়ে সেন্ট কিল্ডা ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেট লাভকারী ছিলেন।[৭৯] পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড়ী জীবনে ১২.৯৯ গড়ে ৬১২ উইকেট পেয়েছেন তিনি।[৮০]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

বলারাত স্পোর্টস মিউজিয়ামস হল অব ফেমের সদস্য তিনি। ১১ আগস্ট, ১৯৭৪ তারিখে ৫১ বছর বয়সে ভিক্টোরিয়ার কলফিল্ড এলাকায় জ্যাক হিলের দেহাবসান ঘটে।

মৃত্যুকালীন তিনি কমনওয়েলথ ডিপার্টম্যান্ট সোশ্যাল সিকিউরিটির ভিক্টোরিয়া দপ্তরের বয়স ও পঙ্গু ভাতা বিভাগের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরকারি চাকুরীজীবি ছিলেন। এছাড়াও তিনি সেন্ট কিল্ডা ক্রিকেট গ্রাউন্ডের টিকেট বিক্রয়কর্মীদের ব্যবস্থাপনা ও দেখাশোনার দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। পাশাপাশি, ফিটজরয় ফুটবল ক্লাব ও সাউথ মেলবোর্ন ফুটবল ক্লাবের খেলা আয়োজনেও দেখাশোনা করতেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. A photograph of Jack with his father congratulating him on his Australian Test team selection is at Mr. A. Hill, S.M., congratulating his son Jack ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ মার্চ ২০২০ তারিখে, The Age, (13 February 1953), p. 3.
  2. Ballarat News: Gift to Cricketer, The Argus, (15 April 1941), p. 2.
  3. World War II Nominal Roll: John Charles Hill (58585) ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৩ মার্চ ২০২০ তারিখে. ww2roll.gov.au
  4. Taylor, P. (24 December 1949) "Introducing Jack Hill, of St Kilda", The Argus Weekend Magazine, p. 2.
  5. Group Finals: Provincial Group, The Argus, (10 March 1939), p. 20.
  6. Taylor, P. (1 October 1941) "New Men in Pennant Cricket: Teams for First Games: Melbourne", The Argus, p. 10.
  7. Taylor, P. (1 October 1942) "Cricket Teams Chosen", The Argus, p. 6.
  8. Taylor, P. (20 October 1941) "Fine Bowling by Youth", The Argus, p. 8.
  9. Cricket, The Age, (20 October 1941), p. 9.
  10. Hill Shines in Sydney, The Argus, (9 February 1943), p. 9.
  11. Cricket: North Sydney v. Mosman, The Sydney Morning Herald, (8 February 1943), p. 7.
  12. Cricket: The Teams: Mosman, The Sydney Morning Herald, (9 February 1943), p. 7.
  13. Fitzroy C C Will be Strong, The Argus, (21 September 1945), p. 12.
  14. Leg Spinners Succeed, The Argus, (15 October 1945), p. 14.
  15. Taylor, P. (2 April 1943) "Football Keen: Good Young Players", The Argus, p. 9.
  16. Taylor, P. (12 April 1943) "New Players Excel", The Argus, p. 9.
  17. New Players Chosen: Richmond, The Argus, (3 May 1943), p. 9.
  18. League Seconds Teams, The Argus, (7 August 1943), p. 9.
  19. Fanning, 67 Goals, The Argus, (3 September 1945), p. 11.
  20. Richmond Holds Juniors, The Age, (1 May 1946), p. 5.
  21. Gossip from the Training Track, The Argus, (1 May 1946), p. 10.
  22. Football in the Country: Mountain Districts, The Age, (19 September 1949), p. 6.
  23. Taylor, P. (5 October 1949) "St Kilda Captain May Have Fractured Skull", The Argus, p. 26.
  24. Cricket Roundup: St Kilda Captain Has Fractured Skull, The Argus, (10 October 1949), p. 16.
  25. Cricketer has Fractured Skull, The Age, (10 October 1949), p. 12.
  26. Test bowler also holds goals record, The Argus, (7 October 1953), p. 10.
  27. Hill, Ring, and Harvey in Vic. Team, The Argus, (26 February 1946), p. 8.
  28. Taylor, P. (11 March 1946) "Record Cricket Score by Victoria", The Argus, p. 15.
  29. Hill's Wicket Off First Ball, The Argus, (11 March 1946), p. 12.
  30. Record Score at Adelaide, The Age, (11 March 1946), p. 7.
  31. Phillips, S. (9 February 1979) "Happy With One Wicket", The Age, p. 24.
  32. Taylor, P. (27 October 1949) "X-Ray had Mixed Results for Cricketer", The Argus, p. 18
  33. Goodman, T. (17 November 1949) "Talking of Sport", The Sydney Morning Herald, p. 15.
  34. Bradman, D. (21 February 1953) "The Fight for The Ashes", The Times, p. 7.
  35. A Photograph of Jack in his St Kilda Cricket Club blazer, with his wife Marie, and his father Alec, is at Selection Was Surprise, The Sydney Morning Herald, (14 February 1953), p. 10.
  36. "Forgotten Cricketer" is Chosen in Test Side[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ], The Age, (13 February 1953), p. 3.
  37. Goodman, T. (13 February 1953) "17 Players Named", The Sydney Morning Herald, p. 1.
  38. Careers of Players, The Sydney Morning Herald, (13 February 1953), p. 10.
  39. Defence of Ashes Rests in Their Hands (Team Photograph), The Mercury, (10 March 1953), p. 1.
  40. Goodman, T. (13 February 1953) "N.S.W. Given Fair Treatment", The Sydney Morning Herald, p. 10.
  41. O'Reilly, W.J. (13 February 1953) "Selectors Did Excellent Job", The Sydney Morning Herald, p. 10.
  42. This New Test Bowler is "Slightly Different", The Argus, (16 February 1953), p. 8.
  43. Test Men to Play State — Tasmania to Face Powerful Eleven, The Mercury, (7 March 1953), p. 40.
  44. 'Third Man', "Tasmanian Bowling Flayed by Australian XI", The Mercury, (9 March 1953), p. 16.
  45. 'Third Man', "Tasmanian XI Seems Certain of Innings Defeat", The Mercury, (10 March 1953), p. 20.
  46. 'Third Man', "State Team Beaten But Not Disgraced", The Mercury, (11 March 1953), p. 24.
  47. Five Test Men in Combined Side in North, The Mercury, (10 March 1953), p. 20.
  48. 'Mid On', "Ian Craig Enhances Batting Repute", The Mercury', (13 March 1953), p. 20.
  49. 'Mid On', "State Bowlers mainstay of Attack", The Mercury', (14 March 1953), p. 32.
  50. 'Mid On', "Hird, Cowley Save Innings Defeat of Combined XI", The Mercury', (16 March 1953), p. 20.
  51. Nostalgia Corner, The (Sydney) Sun-Herald, (5 May 1985), p. 87. Jack Hill is on the extreme right of the back row in the team photograph.
  52. Mailey, A. (24 July 1953) "Hassett Gambles Against History in Toss Decision", The Argus, p. 15.
  53. Goodman, T. (9 July 1953) "Hill Replaces Ring in Australian Test Team", The Sydney Morning Herald, p. 1.
  54. Goodman, T., "Australians Star in Rival Cricket Teams", The Sydney Morning Herald, (1 June 1953), p. 7.
  55. When Hill took his fourth and last wicket in this match, he had taken 50 first class wickets in the English season.
  56. Australian Team Back in Jamaica, The Age, (7 June 1955), p. 12.
  57. Cricket Washed Out by Rain, The Age, (8 June 1955), p. 15.
  58. Montego Bay Cricket Off, The Age, (9 June 1955), p. 10.
  59. "Aussies Win Easily: Hill's Bowling Stops British Guiana Cricketers", New York Times, (23 April 1955), p. 14.
  60. Beames, P. (22 April 1955) "Australia has chance for batting practice", The Age, p. 12.
  61. Beames, P. (25 April 1955) "Jack Hill 5/16 in Georgetown Game", The Age, p. 13.
  62. Cricket Archive Scorecard: British Guiana v Australians. cricketarchive.com
  63. In the opinion of The Age cricket expert, Percy Beames, who had been in the West Indies for the entire Australian tour, Hill had simply failed to progress — Beames, P. (20 June 1955) "Tour Raises Hopes for Next English Series", The Age, p. 18.
  64. Beames, P. (23 May 1955) "Australia's First Test Rubber in Four Series", The Age, p. 18.
  65. Aussies Capture Cricket Verdict, The Ottawa Citizen, (21 May 1955), p. 24.
  66. Exercising for Summer, The Age, (9 August 1956), p. 10.
  67. Beames, P. (19 September 1956) "Cricket Coaching School to Open in Melbourne", The Age, p. 16.
  68. District Cricket Scores, The Age, (17 November 1958), p. 20.
  69. District Cricket, The Age, (17 November 1958), p. 20.
  70. District Cricket Scores, The Age, (24 November 1958), p. 22.
  71. Six Outright Wins in V.C.A. Games, The Age, (24 November 1958), p. 22.
  72. Bowlers in Race for 500, The Age, (1 November 1961), p. 18.
  73. Hill First to 500 Wickets, The Age, (6 November 1961), p. 18.
  74. District Cricket Scores: Prahran v. St Kilda, The Age, (6 November 1961), p. 18.
  75. Fitzroy Drops Bowler, The Age, (13 March 1964), p. 23
  76. Essendon in Trouble Despite Good Bowling Effort, The Age, (16 March 1964), p. 22.
  77. Underdogs Finish on Top to Make Cricket Final, The Age, (23 March 1964), p. 22.
  78. Taylor, Percy (21 January 1950) "Introducing Ivan Porter, of Prahran", The Argus Week-End Magazine, p. 2.
  79. Skelton, P. (4 May 2009) "Dedicated to teaching and cricket", The Age
  80. "VCA 1st XI Career records 1889–90 to 2014–15, D-H" (PDF)। Cricket Victoria। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]