ডন কেনিয়ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ডন কেনিয়ন
ডন কেনিয়ন.jpg
আনুমানিক ১৯৬৪ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে ডন কেনিয়ন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামডোনাল্ড কেনিয়ন
জন্ম(১৯২৪-০৫-১৫)১৫ মে ১৯২৪
ওয়ার্ডস্লি, স্টাফোর্ডশায়ার, ইংল্যান্ড
মৃত্যু১২ নভেম্বর ১৯৯৬(1996-11-12) (বয়স ৭২)
ওরচেস্টার, ইংল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক২ নভেম্বর ১৯৫১ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট৭ জুলাই ১৯৫৫ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৬৪৩
রানের সংখ্যা ১৯২ ৩৭০০২
ব্যাটিং গড় ১২.৮০ ৩৩.৬৩
১০০/৫০ –/১ ৭৪/১৮০
সর্বোচ্চ রান ৮৭ ২৫৯
বল করেছে ২০৬
উইকেট
বোলিং গড় ১৮৭.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৮
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫/– ৩২৬/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩১ আগস্ট ২০১৮

ডোনাল্ড কেনিয়ন (ইংরেজি: Don Kenyon; জন্ম: ১৫ মে, ১৯২৪ - মৃত্যু: ১২ নভেম্বর, ১৯৯৬) স্টাফোর্ডশায়ারের ওয়ার্ডস্লি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ও পেশাদার ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন।[১] ১৯৫১ থেকে ১৯৫৫ সময়কালে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ওরচেস্টারশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন ডন কেনিয়ন

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

স্টাফোর্ডশায়ারের ওয়ার্ডস্লি এলাকায় ডন কেনিয়নের জন্ম।[১] অডনাম সিনিয়র স্কুলে পড়াশোনা করেছেন তিনি। তরুণ বয়সে ঘন চুল ও রক্তাভ বর্ণের অধিকারী ছিলেন। কিশোর অবস্থাতেই ওরচেস্টারশায়ার ক্লাব ও গ্রাউন্ডে খেলেন। এর পাশাপাশি বার্মিংহাম লীগে স্টোরব্রিজের পক্ষে খেলেছেন তিনি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে রয়্যাল এয়ার ফোর্সে ফিটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। যুদ্ধ শেষে মোটরগাড়ীর ব্যবসা শুরু করেন। এরপর স্টিল স্টকহোল্ডিং ব্যবসায় চলে যান। এরফলে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় তার।

কাউন্টি ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৪৬ সালে আরএএফের সদস্যরূপে ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে জোড়া শূন্য লাভ করেন। এরপর কম্বাইন্ড সার্ভিসেসের পক্ষে সেঞ্চুরি করেন। ফলশ্রুতিতে কাউন্টি দলের সদস্য হিসেবে মনোনীত হন। এরপর আর তাকে পিছনের দিকে ফিরে তাকাতে হয়নি। মৌসুমে উনিশবার সহস্রাধিক রান ও সাতবার দুই সহস্রাধিক রান তুলেন। ১৯৫৪ সালে ৫১.৬৮ গড়ে মৌসুমে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২,৬৩৬ রান করেছিলেন তিনি। ঐ বছর গ্রেভসেন্ডে অনুষ্ঠিত খেলায় কেন্টের বিপক্ষে ল্যাডি আউটস্ক্রুনকে সাথে নিয়ে প্রথম উইকেট জুটিতে ২৭৭ রান করেছিলেন।

ওরচেস্টারশায়ারের পক্ষে সমগ্র কাউন্টি ক্রিকেট জীবন দীর্ঘদিন ধরে অতিবাহিত করেন। ক্লাবের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। নিজেকে কাউন্টির দীর্ঘদিনের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা পর্বতসম ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছেন নিঃসন্দেহে বলা যায়। ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৭ সময়কালে ৩৪.১৮ গড়ে ৭০ সেঞ্চুরি সহযোগে রেকর্ডসংখ্যক ৩৪,৪৯০ রান তুলেছিলেন তিনি।

১৯৫৬ সালে সাতটি দ্বি-শতকের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৫৯ রান কিডারমিনস্টারে করেন। এরফলে ইয়র্কশায়ারের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা সর্বোচ্চ রানের তৎকালীন রেকর্ড হয়। পূর্ববর্তী গ্রীষ্মে বোর্নমাউথে হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে সর্বশেষ অপরাজিত ১০৩ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।

অধিনায়কত্ব লাভ[সম্পাদনা]

নিজ কাউন্টি দলের জনপ্রিয় ও সফলতম অধিনায়কের মর্যাদা পান। ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৭ সময়কালে ওরচেস্টারশায়ারের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন ডন কেনিয়ন। এ সময়ে দীর্ঘদিন পর অবশেষে ১৯৬৪ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা লাভে সক্ষমতা দেখায় তার দল। এছাড়াও, ১৯৬৫ সালে এ শিরোপা ধরে রাখার কৃতিত্ব গড়ে ওরচেস্টারশায়ার ক্লাব। ১৯৬০-এর দশকে দুইবার জিলেট কাপের চূড়ান্ত খেলায় অংশ নিয়েছিল দলটি।

১৯৫৯ সালে অধিনায়কের দায়িত্ব লাভের পর তাকে তেমন প্রতিকূল অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়নি। অবশ্য, তখনো শৌখিন খেলোয়াড়দেরকেই প্রাধান্য দেয়া হতো। ক্রিকেটার হিসেবে তিন যে কেবলমাত্র বিচক্ষণতা ও সতর্কতার সাথে অগ্রসর হতেন তা নয়; বরং পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত সতীর্থ খেলোয়াড়দেরকে কখনো ছাড় দিতেন না। কর্তৃত্ববাদী আচরণে যখন যেখানে যাকে দরকার কাজে লাগাতেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, ‘যখনই কিছু বলতাম, তখনই তাঁরা জানতো যে আমি কোন ছাড় দিব না, আদায় করেই ছাড়বো।’

টেস্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

টেস্ট জীবনে বেশ তিক্ত অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে আট টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। ১৯৫১-৫২ মৌসুমে ভারত সফরে তিন টেস্ট, ১৯৫৩ সালে দুই টেস্ট ও ১৯৫৫ সালে আরও তিন টেস্ট খেলেছিলেন। কিন্তু, পরিবেশ তার প্রতিকূলে অবস্থান করে।[১]

১৯৫১-৫২ মৌসুমে নাইজেল হাওয়ার্ডের নেতৃত্বে এমসিসি দলের সাথে ভারত, পাকিস্তান ও সিলন গমন করেন। মূলতঃ মাঝারিসারিতে ব্যাটিং করতে নামতেন তিনি। ২ নভেম্বর, ১৯৫১ তারিখে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে ডন কেনিয়নের। দিল্লি টেস্টে সদাশিব শিন্দে’র গুগলি বলে পরাস্ত হয়ে ৩৫ রান তুলে বিদায় নিয়ে টেস্ট অভিষেক পর্ব সম্পন্ন করেন তিনি। জ্যাক রবার্টসনের সাথে ৭০ রানের জুটি গড়েন। তবে, পরবর্তী পাঁচ ইনিংসে মোটেই সুবিধে করতে পারেননি। কলকাতা টেস্টে ফাদকরের বলে শূন্য রান করলে সিরিজের বাদ-বাকী দুই টেস্টে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রাখা হয়। হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর খেলায় স্বান্তনাসূচক সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।

১৯৫৩ সালে রাণীর সিংহাসন আরোহণের বছরে ইংল্যান্ডের পক্ষে সেরা সুযোগ আসে তার। পুরো গ্রীষ্ম জুড়ে ইংল্যান্ড দল লেন হাটনের নেতৃত্বে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলকে টুটি চেপে ধরে রেখেছিল ও ওভালে অ্যাশেজ জয় করে নেয়। তবে, অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে কেনিয়ন ব্যক্তিগতভাবে সফলতা পাননি। ওরচেস্টারশায়ারের সদস্যরূপে সফরকারীদের বিপক্ষে প্রস্তুতিমূলক খেলায় দৃষ্টিনন্দন ও সময়োপযোগী ১২২ রান তুলেন। লেন হাটনের সাথে জুটি গড়েন। চার ইনিংসের তিনটিতেই রে লিন্ডওয়ালের পেস ও দ্রুতগতির বোলিংয়ের কাছ তিনবার পরাজিত হন।

টেস্ট ক্রিকেটে বেশ দূর্বল ক্রীড়াশৈলীর পরিচয় দিয়েছিলেন ডন কেনিয়ন। ১৫ ইনিংসে মাত্র ১২.৮০ গড়ে ১৯২ রান তুলেছেন। লর্ডসে অংশগ্রহণকৃত চার ইনিংসে মাত্র আট রান তুলেছিলেন। তাস্বত্ত্বেও ১৯৫৫ সালে ট্রেন্ট ব্রিজে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৮৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ইংল্যান্ডের একমাত্র ইনিংসটিতে ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে টম গ্রেভেনির সাথে ৯১ রানের জুটি গড়েন। ১ ও ৬১ রানে দুইবার আউট হওয়া থেকে বেঁচে গিয়ে পরবর্তীতে খেলার সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ছিলেন তিনি।

লর্ডসে অনুষ্ঠিত পরের টেস্টে সবুজ পিচে বেশ দূর্ভাগ্যের শিকার হন তিনি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর সর্বাপেক্ষা দ্রুতগতিসম্পন্ন পিচ ছিল। প্রথম বলেই হেইনের খাঁটো আকৃতির বল কেনিয়নের মাথার উপর দিয়ে চলে যায় যা অনেকাংশেই ১৯৯৫ সালের খ্যাতনামা এজবাস্টন টেস্টে অ্যামব্রোসের উদ্বোধনী বলের ন্যায় ছিল। নিল অ্যাডককের বল ব্যাট স্পর্শ করে স্ট্যাম্পে আঘাত হানলে ১ রানে বিদায় নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে গডার্ডের এলবিডব্লিউতে ২ রানে আউট হন। ওল্ড ট্রাফোর্ড দুইবারই রান তুলতে ব্যর্থ হওয়ায় টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবনের অকাল সমাপ্তি ঘটে তার।

অবসর[সম্পাদনা]

টেস্ট থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে কাউন্টি ক্রিকেটে পুণরায় ফিরে যান ও সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। ১৯৬৪ সালে চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা তুলে নেয় তার দল। তবে, ক্লাবের শিরোপা জয়ে ব্যাট হাতে মাঝারিমানের ভূমিকা রাখেন ডন কেনিয়ন। ১৯৬৭ সালে ওরচেস্টারশায়ারের পক্ষে সর্বশেষ মৌসুম অতিবাহিত করেন। এ মৌসুমে একটিমাত্র সেঞ্চুরি করলেও ৭৪তম এ সেঞ্চুরিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মনোমুগ্ধকর ছিল। খেলা শেষ হবার মাত্র এক মিনিট পূর্বে এসেক্সের বিপক্ষে তার দল রোমাঞ্চকর জয় পায়। শেষ ছয় বলে ২১ রান তুলেছিলেন তিনি।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ১৯৬৫ সালে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের নির্বাচক হিসেবে মনোনীত হন তিনি। ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য প্রথমতঃ ব্যাসিল ডি’অলিভেইরা’কে দলের বাইরে রাখা ও পরবর্তীতে তার অন্তর্ভূক্তি বিষয়ক কেলেঙ্কারীর ন্যায় বিতর্কিত বিষয়ের সাথে জড়িত ছিলেন। ১৯৭২ সালে তিনি এ দায়িত্ব ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। এ সময় ইংল্যান্ড দল ২২ টেস্টে জয় ও আটটি টেস্টে পরাজিত হয়েছিল এবং অ্যাশেজ অক্ষুণ্ন রেখেছিল।

এছাড়াও, ওরচেস্টারশায়ার ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এ পর্যায়ে ১৯৮৮ ও ১৯৮৯ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা জয় করে ক্লাব দলটি।

খেলার ধরন[সম্পাদনা]

খ্যাতনামা ক্রিকেটার বব ওয়াটলেন হাটনের কাছ থেকে পায়ের কারুকাজ দেখে ব্যাটিং করতে শিখেছেন। ঘরোয়া ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সফলতা লাভের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ এলেও সর্বোচ্চ স্তরের ক্রিকেটে ডন কেনিয়ন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ইংল্যান্ডের পক্ষে সর্বমোট পনের ইনিংস খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে, এগারো ইনিংসেই এক অঙ্কের রান সংগ্রহ করেছিলেন তিনি।

নিজের তাগিদে স্ট্রোকসের দিকে ধাবিত হন। তার কভার ড্রাইভগুলো কখনো শক্তি খরচ ও স্থান নিয়ে করতে দেখা যায়নি। তবে, লেগ সাইড দিয়ে বল খেলার ধরন অনেকাংশেই সময়ের মাধুরী দিয়ে মেশানো ছিল।

মূল্যায়ন[সম্পাদনা]

প্রসিদ্ধ ক্রিকেট লেখক কলিন বেটম্যান তার সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, বেশ পরিচ্ছন্ন ব্যাটসম্যান ছিলেন ডন কেনিয়ন। ফাস্ট বোলারদেরকে এক হাত দেখে নিয়েছেন। ওরচেস্টারশায়ারের ইতিহাসে ৩৭,০০০-এর অধিক প্রথম-শ্রেণীর রান নিজের পকেটে পুরেছেন তিনি।[১][২]

১৯৫৭ সালে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের খেলার জন্য মনোনীত হন ও £৩৮৪০ পাউন্ড-স্টার্লিং লাভ করেন তিনি। ১৯৬৪ সালে প্রশংসামূলক খেলায় £৬৩৫১ পাউন্ড-স্টার্লিং পান। ১৯৬৩ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননা লাভ করেন তিনি। এছাড়াও, খেলায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এমবিই উপাধিতে ভূষিত হন ডন কেনিয়ন।

দেহাবসান[সম্পাদনা]

১২ নভেম্বর, ১৯৯৬ তারিখে ওরচেস্টারে ৭২ বছর বয়সে ডন কেনিয়নের দেহাবসান ঘটে। এ সময় তিনি নিউ রোড গ্রাউন্ডের কেনিয়ন রুমে ১৯৬৪ সালে ওরচেস্টারশায়ারের বিশ্বব্যাপী সফর নিয়ে তৈরী প্রামাণ্যচিত্র দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু মাটিতে পড়ে যান। মৃত্যুকালীন স্ত্রী ও দুই কন্যা রেখে যান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bateman, Colin (১৯৯৩)। If The Cap Fits। Tony Williams Publications। পৃষ্ঠা 101। আইএসবিএন 1-869833-21-X 
  2. "Lord of the crease"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০১৭ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


ক্রীড়া অবস্থান
পূর্বসূরী
পিটার রিচার্ডসন
ওরচেস্টারশায়ার ক্রিকেট অধিনায়ক
১৯৫৯-১৯৬৭
উত্তরসূরী
টম গ্রেভেনি