আলাপ:মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
P vip.svgএই নিবন্ধটি উইকিপ্রকল্প জীবনীর অংশ, যা উইকিপিডিয়ায় জীবনী সম্পর্কিত বিষয়ের উন্নতির একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা। আপনি যদি প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে চান, তাহলে প্রকল্প পৃষ্ঠায় যান, যেখানে আপনি প্রকল্পের আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং করনীয় কাজসমূহের একটি তালিকা দেখতে পাবেন।
Symbol question.svg ভাল  এই নিবন্ধটি প্রকল্পের মানের মাপনী অনুযায়ী ভাল-শ্রেণী হিসাবে মূল্যায়িত হয়েছে।
 সর্বোচ্চ  এই নিবন্ধটি গুরুত্বের মাপনী অনুযায়ী সর্বোচ্চ-গুরুত্ব হিসাবে মূল্যায়িত হয়েছে।

অন্যদের সাহায্য চাই[সম্পাদনা]

তারিফ নিবন্ধের বেশ খানিক টা বাংলায় অনুবাদ করে পোষ্ট করেছে। আমিও চেষ্টা করছি একটু একটু করে অনুবাদ যোগ করতে। অন্যদের অনুরোধ করছি দয়াকরে আপনারা বানান, বাক্যগঠন, ইংরেজী নিবন্ধ দেখে তথ্যসূত্র যোগ কাজ গুলোতে সাহায্য করবেন। সাবাস তারিফ চালিয়ে যাও।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৩:০২, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (UTC)

ভেজিটেরিয়ানিজম এর অর্থ[সম্পাদনা]

ভেজিটেরিয়ান হল নিরামিষভোজী, ভেজিটেরিয়ানিজম এর জন্য্থ নিরামিষভোজন ব্যবহার করা যেতে পারে।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৩:৪৬, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (UTC)

Excellent[সম্পাদনা]

চমৎকার কাজ হয়েছে। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৯:২৭, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (UTC)

এই কাজটা আমরা উইকি আড্ডাতে শুরু করেছি, বেলায়েত ভাই আর আমি।--তারিফ এজাজ ০৮:২৯, ৩ অক্টোবর ২০০৭ (UTC)

নির্বাচিত[সম্পাদনা]

কী করলে এই নিবন্ধটি নির্বাচিত নিবন্ধ হবে, প্রথম পাতার জন্য? Munirhasan ১৭:৪৫, ২৭ মার্চ ২০০৮ (UTC)

এখনও বেশ কিছু অনুচ্ছেদ এবং কিছু অনুচ্ছেদের আংশিক অনুবাদ বাকি আছে। যা করা গেলে নিবন্ধটি সম্পূর্ণ হয়। যেহেতু নিবন্ধটি ইংরেজী উইকিপিডিয়ার অনুবাদ তাই সম্পূর্ণ ইংরেজী নিবন্ধকে অনুবাদ করা গেলে তারপর খুব সহজেই নিবন্ধটিকে নির্বাচিত নিবন্ধ করা যাবে। প্রথমেই যা করতে হবে বাকী অনুবাদ গুলো করার কাজে হাত দিতে হবে। পড়ে দেখতে হবে কোন অনুচ্ছেদ বা অনুচ্ছেদের অংশ অনুবাদ করা বাকী এবং তা অনুবাদ শেষ করতে হবে।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৮:১২, ২৭ মার্চ ২০০৮ (UTC)
তারিফ আর আপনি কি এই কাজটা অব্যাহত রেখেছেন? না হলে আমি যোগ দিতে পারি। Munirhasan ০৩:১০, ২৮ মার্চ ২০০৮ (UTC)

মোহনদাস কর্মচন্দ গাঁধী[সম্পাদনা]

আমার অভিমত এই নিবন্ধের শিরোনামটি পরিবর্তিত করে "মোহনদাস কর্মচন্দ গাঁধী" করা হোক। যেহেতু "মহাত্মা" গাঁধীজির প্রকৃত নাম নয়, রবীন্দ্রনাথ কর্তৃক প্রদত্ত উপাধি, সেহেতু নিবন্ধের শিরোনামটি ওনার মূল নামানুসারেই থাকুক। আর যেহেতু ওনার নামের কোন সুনির্দিষ্ট বানানবিধি বাংলায় নেই তাই আমার মনে হয় "আনন্দবাজার পত্রিকা"-র ব্যবহৃত বানানটিই প্রয়োগ করা উচিত। --সুমঙ্গল ভার্গব ০৯:৩৮, ২৫ মার্চ ২০০৯ (UTC)


বহুল প্রচলিত নাম এবং বানানই উইকিপিডিয়াতে ব্যবহার করা উচিত। নির্দিষ্ট কোন মাধ্যমে তা কি রূপে ব্যবহৃত হয়েছে তা উইকিপিডিয়ার জন্য মূখ্য নয়।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৯:৫৪, ২৫ মার্চ ২০০৯ (UTC)
আনন্দবাজার পত্রিকার বানানরীতি নিয়ে বিশেষ সন্দেহ প্রকাশ করছি। বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ক্ষেত্রে অপ্রচলিত বানানরীতিকে তুলে ধরাটা বাংলাদেশের যায়যায়দিন পত্রিকার মতো আনন্দবাজারও করছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। বিভিন্ন প্রচলিত বাংলা বই, এবং ভারত সরকারের প্রকাশনাতে কী বানান ব্যবহার করা হয় তা জানতে আগ্রহী। কেবল একটি পত্রিকাতে ব্যবহার করা হয়, এর ভিত্তিতে কোনো বানান গ্রহন করে নেয়াটা ঠিক হবে না। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৯:৫৮, ২৫ মার্চ ২০০৯ (UTC)
আনন্দবাজার পত্রিকার বানানরীতি বেশ সন্দেহজক তা আগে অনেকবার আলোচনা হয়েছে। তাই কোন ভাবেই আনন্দবাজার পত্রিকার বানানরীতি গ্রহন ক্রা উচিত নয়। একান্ত প্রচলিত কোন বানান না পাওয়া গেলে আমরা এদের বানানরীতি ব্যবহার করতে পারি। আর গাঁধী বানানটি তো বেশ সন্দেহজক। তাই বহুল প্রচলিত নাম এবং বানানই উইকিপিডিয়াতে ব্যবহার হয়ে আসছে তাই হোক।ধন্যবাদ সহ--জয়ন্ত (আলাপ | অবদান) ১০:৩৬, ২৫ মার্চ ২০০৯ (UTC)

গাঁধী, গান্ধী[সম্পাদনা]

ভারতে বাংলা ভাষা এবং বানানের ক্ষেত্রে যে পত্রিকাটি তার সূচনালগ্ন থেকে উৎকর্ষের ধারা অব্যাহত রেখেছে সেটি হল আনন্দবাজার পত্রিকা। এই পত্রিকায় ব্যবহৃত বানানের বিশুদ্ধতা নিয়ে কোন সংশয়ের অবকাশ নেই। অধিকাংশ শব্দের ক্ষেত্রেই উক্ত পত্রিকাটি পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি কর্তৃক প্রবর্তিত বানানবিধিটি গ্রহণ করেছে। কেবল বহির্বঙ্গের কোন স্থাননাম অথবা কোন অবাঙালি ব্যক্তিত্বের নামের ক্ষেত্রে আনন্দবাজার সেই বিশেষ স্থানটিতে প্রচলিত ভাষা বা সেই ব্যক্তিত্বের মাতৃভাষায় ব্যবহৃত বানানটি গ্রহণ করেছে। সেই বানান উদ্ধার করা নিতান্ত অসম্ভব হলে আনন্দবাজার সর্বভারতীয় ভাষা হিন্দিতে প্রচলিত বানানটি ব্যবহার করেছে। গাঁধী শব্দের গুজরাতি ভাষার (গাঁধীজির মাতৃভাষা) বানানটি আমি অবগত নই কিন্তু হিন্দিতে সর্বত্র (হিন্দি সংবাদপত্রসহ বিভিন্ন পুস্তক এবং দূরদর্শনে) আমি যে বানানটি দেখেছি সেটি হল गाँधी (গাঁধী)। একমাত্র ব্যতিক্রম উইকিপিডিয়া এবং ভারতীয় মুদ্রার নোট। উইকিপিডিয়ায় গাঁধীজি সম্বন্ধীয় হিন্দি নিবন্ধটিতে দু’টি বানান ব্যবহৃত হয়েছে। মূল শিরোনামে লিখিত হয়েছে गांधी, আবার পাশে প্রদত্ত তথ্যছকটিতে লেখা হয়েছে गाँधी। ভারতীয় নোটেও লিখিত হয়েছে गांधी। সুতরাং যেখানে একই শব্দের বিবিধ বানান প্রচলিত এবং কোন সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই সেখানে আমার অভিমত বিভিন্ন স্থানে ব্যবহৃত বানানগুলি পরিহার করে (সেগুলি যতই বহুল প্রচলিত হোক) সুদীর্ঘকাল ধরে উৎকৃষ্ট বানান পরিবেশনের জন্য খ্যাত আনন্দবাজার পত্রিকা কর্তৃক ব্যবহৃত বানানটিই গৃহীত হোক। --সুমঙ্গল ভার্গব ০৫:৫৮, ২৬ মার্চ ২০০৯ (UTC)

আচ্ছা, আপনাকেই প্রশ্ন করছি, উচ্চারণগত ভাবে "গান্ধী" (G-A-N-D-H-I) এমন উচ্চারণ হয়, নাকি অনুনাসিক স্বরে উচ্চারিত হয়? ভারতে আমার যাতায়াত একবারই অল্প সময়ের জন্য হয়েছে, কিন্তু ভারতীয় বিভিন্ন সিনেমাতে যা শুনি তা হলো গান্ধী ... গাঁধী নয়। ভারতীয় রূপীর নোটে বাংলাতে কীভাবে উনার নাম লেখা আছে? পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকাশনাতে কীভাবে লেখা হয়? --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৭:১৯, ২৬ মার্চ ২০০৯ (UTC)

গান্ধীই হবে, গাঁধী নয়। গুজরাতিতে বানানটা এরকম ગાંધી, মানে গ-এর উপর ফুটকি, চন্দ্রবিন্দু নয়। চন্দ্রবিন্দু থাকলে গাঁধী উচ্চারিত হতো, অর্থাৎ আ-টাকে নাকী স্বরে উচ্চারণ করতে হত। কিন্তু ফুটকি যেহেতু আছে, সেহেতু উচ্চারণ হবে ধ বর্ণটা যে বর্গের (ত, থ, দ, ধ) সেই বর্গের অনুনাসিক বর্ণ, অর্থাৎ দন্ত্য ন-এর মত। ইংরেজি উইকিপিডিয়াতে Ambuj.Saxena নামক একজন ভারতীয় ব্যবহারকারী গান্ধীর নামের উচ্চারণের অডিও ফাইল আপলোড করেছেন। তিনি মধ্য ভারতের (মধ্য প্রদেশের) লোক এবং হিন্দি মাতৃভাষী। অডিও শুনে সুস্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে হিন্দিতে বা পশ্চিম ভারতে গাঁধী নয়, গান্ধী (গান্‌ধি) এভাবেই নামটা উচ্চারিত হয়।

আনন্দবাজার এক্ষেত্রে যেটা করছে, সেটা হল উচ্চারণের দিকে খেয়াল না করে দেবনাগরী বর্ণের অন্ধ অনুকরণ। কিন্তু বাংলার নিজস্ব লিপি আছে যার উচ্চারণপদ্ধতি দেবনাগরীর সাথে অনেক জায়গায় খাপ খায় না, এবং এর ফলে কেবল confusion-ই বাড়বে। উদ্ভট সব নতুন বানানের সৃষ্টি হচ্ছে, এবং মূল ভাষাতে সঠিক উচ্চারণটাও বাংলা লিপিতে ঠিকমত প্রকাশ পাচ্ছে না। বাংলায় যখন আমরা চন্দ্রবিন্দু দেখি, তখন স্বাভাবিকভাবেই উচ্চারণ করব গাঁধি, কিন্তু মূল উচ্চারণটা এরকম নয়, ওটা গান্‌ধি উচ্চারিত হয়। --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ১১:০২, ২৬ মার্চ ২০০৯ (UTC)

আরও একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলাম। হিন্দি উইকিতেও গান্‌ধি না গাঁধি এ নিয়ে বেশ তর্ক হয়েছে দেখা যাচ্ছে। ওদের আলোচনা দেখে মনে হচ্ছে ওরাও বেশ confused। আসল ব্যাপারটা হল হিন্দিতে চন্দ্রবিন্দু দিয়ে অনুনাসিকতা আর ফুটকি (এটাকে হিন্দিতে অনুস্বর বলে) দিয়ে অন্য এক ধরনের অনুনাসিকতা (পরবর্তী ব্যঞ্জনের উপর নির্ভরশীল) বোঝায়। সমস্যা হল হিন্দি ভাষার মিডিয়াতে গান্ধী নামটা চন্দ্রবিন্দু (गाँधी) ও অনুস্বার বা ফুটকি (गांधी) দুটো দিয়েই বহুল প্রচলিত, যদিও এ দুটো অন্যান্য ক্ষেত্রে দুই ধরনের উচ্চারণ নির্দেশ করে। হিন্দি উইকির ব্যবহারকারীদের কথা পড়ে মনে হচ্ছে, হিন্দিভাষীরা দুটো বানানের জন্যই উচ্চারণের সময় গাঁধি-ই উচ্চারণ করে গান্‌ধি নয় (অর্থাৎ উপরে Ambuj.Saxena-র দেওয়া অডিওটা সন্দেহের মধ্যে পড়ে গেল); অর্থাৎ হিন্দিতে একই গাঁধি উচ্চারণের জন্য দুটো ভিন্ন বানান প্রচলিত, একটা বিশৃঙ্খলা। মহাত্মা গান্ধী নিজের নাম লেখার সময় অনুস্বর বা ফুটকি দিয়ে गांधी লিখতেন (যদিও সেটা আসলে দেবনাগরীতে ওনার নামের সঠিক উচ্চারণটা নির্দেশ করে না)। এটাও হিন্দিতে এই বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টিতে রসদ যুগিয়েছে।

বাংলাতে "গাঁধী" বানানটা মনে হয় সাম্প্রতিক আনন্দবাজার প্রকাশনার আগে কেউ ব্যবহার করেনি। সবাই মনে হয় একটাই বানান লিখত: গান্ধী। কিন্তু আনন্দবাজারের এই নতুন "গাঁধী" বানানের ফলে লাভের বদলে ক্ষতিই বেশি হল মনে হয়। হিন্দির মত বাংলাতেও confusion-এর পরিমাণ বেড়ে গেল। গান্ধী না গাঁধী বিতর্কের রসদ তৈরি হয়ে গেল।

আমার ব্যক্তিগত মতে "গান্ধী" ব্যবহার করাই ভাল। এটা বহুদিন, বহু যুগ ধরে প্রচলিত বানান। আনন্দবাজার প্রকাশনার পুরানো পত্রিকা (দেশ, ইত্যাদি) ঘাঁটলেও মনে হয় গান্ধী বানানটাই পাওয়া যাবে। --অর্ণব (আলাপ | অবদান) ২০:৪৬, ২৬ মার্চ ২০০৯ (UTC)

এই আলোচনা চলাকালীন আমি অনুপস্থিত ছিলাম; তাই দেরিতে হলেও কটি কথা বলার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছি।

আনন্দবাজার পত্রিকা ১৯৯১ সালে তাদের বানান সংস্কারের পদক্ষেপ হিসেবে একটি বই প্রকাশ করেছিলেন। বইটির নাম বাংলা: কী লিখবেন কেন লিখবেন। বইটির সম্পাদক ছিলেন বর্তমানে বাংলা আকাদেমির সভাপতি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী মহাশয়। এই বইয়ের ১০৮ পাতায় লেখা হয়, “বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে-সব ভারতীয় অল্পবিস্তর বিখ্যাত, তাঁরা নিজ-নিজ নাম (ও পদবি) যে-পদ্ধতিতে ও যে-বানানে লিখে থাকেন, আনন্দবাজার পত্রিকাতেও তাঁদের বেলায় সেই পদ্ধতি ও সেই বানানই গ্রাহ্য।” উক্ত গ্রন্থের ৬৩ পাতায় লেখা হয়েছে ‘লিখুন গান্ধীজি, লিখবেন না গান্ধীজী’। যদিও বাস্তবক্ষেত্রে আনন্দবাজার পত্রিকা ও তার যাবতীয় ম্যাগাজিনে গাঁধী লেখার চল হয়েছে। এটি শুধু মহাত্মাজির ক্ষেত্রেই নয়, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, সনিয়া গান্ধী ইত্যাদি গান্ধী পদবিধারী সকলের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়।

মজার কথা হল, মহাত্মাজি বাংলা জানতেন এবং সামান্য লিখতেও পারতেন। কলকাতায় ও কলকাতার আশেপাশে বিভিন্ন অঞ্চলে গান্ধী সংগ্রহশালা ও স্মারক আছে। তাদের কোনো কোনোটিতে গান্ধীজির বাংলা হস্তাক্ষরও রক্ষিত আছে। এছাড়াও তাঁর বইয়ের বাংলা অনুবাদে তাঁর নামটি রবীন্দ্রনাথের মতোই তাঁর হস্তাক্ষরে ছাপা হত। এই সব জায়গায় আমি তাঁর নিজের হাতে লেখা নামের বাংলা বানান দেখেছি গান্ধী। আরও মজার কথা, যে আনন্দবাজারে গাঁধী লেখার চল, সেই আনন্দবাজারের দেশ পত্রিকাতেই গান্ধীজির নাতি আমাদের বর্তমান রাজ্যপালের গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর একটি বাংলা ভাষণ (আনন্দ পুরস্কার অভিভাষণ) প্রকাশিত হয়, সেখানেও তাঁর বাংলা হস্তাক্ষর ছাপা হয়েছিল এবং তাতে গান্ধী বানানটিই লেখা ছিল।

জাহিন বলেছেন, উত্তর ও পশ্চিমভারতীয় ব্যক্তি ও স্থাননামের ক্ষেত্রে আনন্দবাজার দেবনাগরীর অন্ধ অনুকরণ করেন। এটা ঠিক নয়। কিন্তু আনন্দবাজার ঠিক কী করে তা বোধহয় তারা নিজেরাও জানে না। গোয়ালিয়রকে তারা নাগরীর অনুকরণে লেখে গ্বালিয়র, অথচ নাগরী দিল্লী বা হিন্দীর বঙ্গায়ণ করে দিল্লি বা হিন্দি। তাই আনন্দবাজার বা বাংলা আকাদেমির বিধান যাই হোক না কেন, গান্ধী বানানটি গান্ধী লেখাই বাঞ্ছনীয়। পরে সময় করে গান্ধীজির একটা বাংলা সই উইকিপিডিয়ায় তুলে দেবো।

এই প্রসঙ্গে জাহিন ভাইয়ের ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনাটিও বেশ মূল্যবান। --অর্ণব দত্ত ০৬:০১, ১২ জুন ২০০৯ (UTC)

গাঁধী[সম্পাদনা]

আনন্দবাজার প্রকাশনার সর্বাধিক প্রাচীন পত্রিকা আনন্দবাজার পত্রিকা, দেশ নয়। কিন্তু দেশ সহ এবিপি প্রাইভেট লিমিটেড-এর সমস্ত প্রকাশনাতেই মুদ্রিত হয় গাঁধী। আনন্দবাজার এবং স্টার টিভির যৌথ প্রযোজনা স্টার আনন্দেও গাঁধী বানানটিই ব্যবহৃত হয়। এমনকী আনন্দ পাবলিশার্স-এর বিজ্ঞাপনেও (এই প্রকাশনা সংস্থার একটি শাখা কলকাতার মহাত্মা গাঁধী রোডে অবস্থিত) গাঁধী-ই লিখিত হয়, গান্ধী নয়।--ভার্গব চৌধুরী ০৭:০৬, ১৭ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)

এ মন্তব্যের জবাব আগের সেকশনেই রয়েছে। ধন্যবাদ। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৭:১৮, ১৭ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী[সম্পাদনা]

ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় দেখলাম মহাত্মা গান্ধী বিষয়ক নিবন্ধটির শিরোনাম ওনার প্রকৃত নামানুসারেই দেওয়া রয়েছে অর্থাৎ " Mohandas Karamchand Gandhi "। আমার অভিমত বাংলাতেও শিরোনামটি পরিবর্তিত করে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী করে দেওয়া হোক। --ভার্গব চৌধুরি, ০৬:৪৪, ৩০ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)

এখন আমারও তাই মনে হচ্ছে। মূল নামেই সব জীবনী নিবন্ধ স্থানান্তর করা দরকার। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৬:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০০৯ (UTC)

নাম পরিবর্তন প্রসংগে[সম্পাদনা]

মহাত্মা গান্ধীর নামের বানান নিয়ে বাংলা উইকিপিডিয়ায় অনেক আলোচনা হয়েছে। মত দ্বিমতে আলোচনা অনেকদূর গড়িয়েছে। সম্প্রতি আলাপ:মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে কোন আলোচনা ছাড়াই আলাপ:মোহনদাস করমচন্দ গান্ধী করা আমার কাছে অবিবেচনাপ্রসূত বলে মনে হয়। আমরা অবশ্যই জানতে আগ্রহী কোন যুক্তির ভিত্তিতে করমচাঁদ এর স্থলে করমচন্দ লিখতে হবে? এ ধরণের সিদ্ধান্তগুলো একক সিদ্ধান্তে না নিয়ে সম্মিলিতভাবে নেওয়ার অনুরোধ রইলো।ফেরদৌস • ১২:১০, ৬ জুন ২০১৭ (ইউটিসি)

আসলে Karamchand = করমচাঁদ; করমচানদ্ বা করমচান্দ বা করমচনদ্ বা করমচন্দ নয়। পূর্বোক্ত নামে ফিরিয়ে নেয়া যেতেই পারে! আর, অভিজ্ঞদের প্রতি অনুরোধ: যে-কোন নিবন্ধের নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রেই দয়া করে আলাপ পাতা ব্যবহার করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। আলাপ পাতা ব্যবহার না করে, মনগড়াভাবে নিবন্ধ স্থানান্তর বা নামান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন না...! - Suvray (আলাপ) ১২:৪৩, ৬ জুন ২০১৭ (ইউটিসি)
Gnome-edit-redo.svgJonoikobangali: --আফতাব (আলাপ) ১৫:৫০, ৬ জুন ২০১৭ (ইউটিসি)
হিন্দি বানানটি হল "मोहनदास करमचन्द गांधी"। অর্থাৎ "চাঁদ" নয়। মহাত্মাজীর মাতৃভাষা গুজরাতিতে বানানটি হল "મોહનદાસ કરમચંદ ગાંધી"। এখানেও "চাঁদ" দেখছি না। সুতরাং "করমচন্দ"-ই লেখা উচিত বলে মনে করছি। উল্লেখ্য হিন্দি বা গুজরাতিতে শব্দের মাথার উপর বিন্দুটি বাংলায় ং বা ঁ দুইই হতে পারে। চ-এ আকার না থাকায় এটি "চন্দ" হওয়াই স্বাভাবিক। অন্য মত থাকলে স্বাগত। ধন্যবাদান্তে --Jonoikobangali (আলাপ) ২০:১৬, ৬ জুন ২০১৭ (ইউটিসি)
অত্র নিবন্ধটি বাংলায় লিখিত ও বাংলাভাষীদের জন্য প্রযোজ্য। এ কথা ভুলে গেলে চলবে না! গুজরাতি উইকিতে নিবন্ধটির শিরোনাম কিন্তু মহাত্মা গান্ধী। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ নিবন্ধটি ২০০৬ সালের দিকে রচিত হয়। এরপর থেকেই অনেক ব্যবহারকারী এ নিবন্ধে অংশ নিয়েছেন। তন্মধ্যে, প্রায় সকল প্রশাসকেরও ছোঁয়া রয়েছে এতে। এমনকি সপ্তর্ষীদা, বোধিদা-ও উইকিসংকলনে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী সম্পর্কে নিবন্ধ লিখেছেন। লক্ষ্য করে দেখুন - ঠিক উপরের অনুচ্ছেদেই কিন্তু রয়েছে মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী

তর্কের খাতিরে তর্ক নয়; বরঞ্চ বাস্তবতা অনুধাবন করলে লক্ষ্য করবেন - গুগল অনুসন্ধানে করমচাঁদ ও করমচন্দের মধ্যকার ফলাফল কতটুকু পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। এছাড়াও, নিবন্ধের শিরোনাম চয়ন অংশটি সুগভীরভাবে ও মনোযোগ সহকারে পড়ে নেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। মুন্সি প্রেমচাঁদ প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বানানগুলোও লক্ষ্যণীয়!

যে-কোন ব্যবহারকারীকেই গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধসমূহ স্থানান্তরে আলাপ পাতার ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত বলে মনে করছি। প্রয়োজনে রজার ফেদেরার নিবন্ধের আলাপ পাতাও ব্যবহার করা যেতে পারে। আর নিবন্ধ স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় শুধু নাম পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়; পাশাপাশি টেমপ্লেট, বিষয়শ্রেণী, বিষয়বস্তু, ইনফো, পুণঃনির্দেশনা-সহ সংযোগকারী পৃষ্ঠাসমূহ লিঙ্ক দেখে অন্যান্য নিবন্ধের নামও পরিবর্তন করতে হয়; যা নিশ্চয়ই বিজ্ঞ ও দীর্ঘদিনের ব্যবহারকারীদের অজানা নয়! অডিও ফাইলটি ২০১২ সালে তৈরী; প্রণেতাও হিন্দী ভাষাকে উপজীব্য করে উচ্চারণ করেছেন। হিন্দীতে chand-কে চাঁদ বলে না, চান্দ বলে। তাহলে কি উনার নামকে মোহনদাস করমচান্দ গান্ধী বলবো। আমারও তো মনে হতে পারে যে, উনার নাম মোহনদাস কর্মচাঁদ গান্ধী। তাহলে কি হঠকারিতামূলক সিদ্ধান্ত হিসেবে মোহনদাস কর্মচাঁদ গান্ধী-তে স্থানান্তর করবো! হঠাৎ কি এমন হলো যে, সম্পাদনা সারাংশে ’সঠিক বানান’ লিখে নিবন্ধের নামটি পরিবর্তন করতে হলো? আর, ভারতীয় নামগুলোর ক্ষেত্রে আলাদা একটি পাতা খোলা যায় কি-না, তা-ও ভাবা উচিত! কেননা, বাংলাদেশীদের অনেকেই ভারতের ব্যক্তিত্ব, এলাকার সঠিক নাম জানেন না!

মেনে নিলাম যে, গুজরাতি ভাষায় যদি উনাকে মোহনদাস করমচন্দ গান্ধী বলা হয় তাহলে তো পাদটীকায় লেখা যেতে পারে [এই নামের ক্ষেত্রে গুজরাতি নামকরণের রীতিনীতি ব্যবহার করা হয়েছে]; তবে কোনক্রমেই নিবন্ধের শিরোনাম মোহনদাস করমচন্দ গান্ধী হতে পারে না; হবে - শুরুতে ব্যবহার করা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী নামকরণটি। কেননা, সাধারণ ব্যবহারকারীদের সকলেরই তো জানা যে - গান্ধীজি বা মহাত্মা গান্ধী’র পুরো নাম মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। এ বিষয়ে সপ্তর্ষীদা, বোধিদা ও জয়ন্তদা-সহ প্রশাসকদের মূল্যবান বক্তব্য আশা করছি। - Suvray (আলাপ) ১৪:০৮, ৭ জুন ২০১৭ (ইউটিসি)

আমার মত হল, বাংলায় যে বানানটি বেশী প্রচলিত তা ব্যবহার করুন, এখানে বাংলায় প্রচলিত বানান বাদ দিয়ে গুজরাতি/হিন্দি ভাষায় তাঁর নামের বানান কি তা আমাদের দেখার বিষয় নয়। আরও বিস্তারিত দেখুন উইকিপিডিয়া:নিবন্ধ শিরোনাম#বিদেশী নাম বনাম দেশী সংস্করণ --আফতাব (আলাপ) ১৪:৫৭, ৭ জুন ২০১৭ (ইউটিসি)
I agree with Firdous, Suvray & Aftab. This was a old debate and Aftab has appropriately mentioned one of the policies we tried to come up with after a lot of long debates with Zaheen etc. Another example is উইকিপিডিয়া:আলোচনাসভা/সংগ্রহশালা/২০০৬/৫-৮#নামের_বানান_সংক্রান্ত_আলোচনা_সূত্র At least in West Bengal all text books (at least 20-30 years back) commonly mentioned him as "মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী".. So I guess we can continue to use the same as the heading.. and in the text we can always mention his local pronounciation.. If he was somebody unknown to Bengalis and we were introducing his name only then we should strictly follow the original pronounciation in local language. -- সপ্তর্ষি(আলাপ | অবদান) ০৯:২৬, ২৭ জুন ২০১৮ (ইউটিসি)