বিল ক্লিনটন
বিল ক্লিনটন | |
|---|---|
Bill Clinton | |
| ৪২ তম যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি | |
| কাজের মেয়াদ ২০ জানুয়ারি ১৯৯৩ – ২০ জানুয়ারি ২০০১ | |
| উপরাষ্ট্রপতি | আল গোর |
| পূর্বসূরী | জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ |
| উত্তরসূরী | জর্জ ডব্লিউ বুশ |
| ৪০ তম এবং ৪২ তম আরকানাসের গভর্নর | |
| কাজের মেয়াদ ১১ জানুয়ারি ১৯৮৩ – ১২ ডিসেম্বর ১৯৯২ | |
| লেফটেন্যান্ট | উইনস্টন ব্রায়ান্ট জিম টেকার |
| পূর্বসূরী | ফ্রাঙ্ক হোয়াইট |
| উত্তরসূরী | জিম টেকার |
| কাজের মেয়াদ ৯ জানুয়ারি ১৯৭৯ – ১৯ জানুয়ারি ১৯৮১ | |
| লেফটেন্যান্ট | জো পার্সেল |
| পূর্বসূরী | জো পার্সেল (ভারপ্রাপ্ত গভর্নর হিসাবে) |
| উত্তরসূরী | ফ্রাঙ্ক হোয়াইট |
| ৫০ তম আরকানাসের অ্যাটার্নি জেনারেল | |
| কাজের মেয়াদ ৩ জানুয়ারি ১৯৭৭ – ৯ জানুয়ারি ১৯৭৯ | |
| গভর্নর | ডেভিড প্যারিওর জো পার্সেল (ভারপ্রাপ্ত) |
| পূর্বসূরী | জিম টেকার |
| উত্তরসূরী | স্টিভ ক্লার্ক |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | উইলিয়াম জেফারসন ক্লিনটন আগস্ট ১৯, ১৯৪৬ হোপ, আরকানাস, যুক্তরাষ্ট্র |
| রাজনৈতিক দল | ডেমোক্রেটিক |
| দাম্পত্য সঙ্গী | হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন (১৯৭৫ - বর্তমান) |
| সন্তান | চেলসি ক্লিনটন (জন্মঃ ১৯৮০) |
| প্রাক্তন শিক্ষার্থী | জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি কলেজ, অক্সফোর্ড ইয়েল ল স্কুলl |
| জীবিকা | আইনজীবী |
| ধর্ম | খ্রিষ্টান |
| স্বাক্ষর | |
| ওয়েবসাইট | Clinton Presidential Library |
উইলিয়াম জেফারসন ক্লিনটন (জন্ম: ১৯ আগস্ট, ১৯৪৬) একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী। তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম রাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ডেমোক্র্যাটিক দলের সদস্য ক্লিনটন এর আগে ১৯৭৭ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত আর্কানসাস অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল (মহা-আইনজীবী) এবং ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১, তারপর আবার ১৯৮৩ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত আর্কানসাসের গভর্নর (রাজ্যপাল) ছিলেন। কেন্দ্র-ঘেঁষা "তৃতীয় পথ" নামক রাজনৈতিক দর্শনে বিশ্বাসী ক্লিনটন "নিউ ডেমোক্র্যাট" হিসাবে পরিচিতি পান।
ক্লিনটনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা আর্কানসাসে। তিনি ১৯৬৮ সালে জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। পরে ইয়েল ল স্কুল থেকে আইনে ডিগ্রি নেন; সেখানেই তিনি তার ভবিষ্যত স্ত্রী হিলারি রডহ্যামের সাথে পরিচিত হন। আইন স্কুল শেষে তিনি আর্কানসাসে ফিরে আসেন এবং প্রথমে অ্যাটর্নি জেনারেল, পরে টানা দু'দফায় (কিন্তু একটানা নয়) রাজ্যপাল নির্বাচিত হন। রাজ্যপাল থাকাকালীন তিনি আর্কানসাসের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় রকমের সংস্কার আনেন এবং ন্যাশনাল গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
ক্লিনটন ১৯৯২ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান রাষ্ট্রপতি জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রস পেরটকে হারিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তিনি "বেবি বুমার" প্রজন্মে (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী শিশুসমৃদ্ধ যুগ) জন্ম নেওয়া প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং দুই মেয়াদ পূর্ণ করা সর্বকনিষ্ঠ রাষ্ট্রপতি। তার শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র শান্তিকালের ইতিহাসে দ্বিতীয় দীর্ঘতম অর্থনৈতিক উন্নতি দেখে। তিনি উত্তর আমেরিকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (নাফটা) এবং সহিংস অপরাধ নিয়ন্ত্রণ আইন স্বাক্ষর করেন, কিন্তু জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার পরিকল্পনা পাস করাতে ব্যর্থ হন। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে তার নীতিতে রক্ষণশীলতার ছাপ পড়তে শুরু করে। তিনি ব্যক্তিগত দায়িত্ব ও কর্মসংস্থান আইন, শিশু স্বাস্থ্য বীমা কর্মসূচি এবং আর্থিক নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণের পক্ষে ওকালতি করেন ও সেগুলোতে স্বাক্ষর করেন। তিনি রুথ বেডার গিন্সবার্গ ও স্টিফেন ব্রেয়ারকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ দেন। বৈদেশিক নীতিতে, বসনিয়া ও কসোভো যুদ্ধে মার্কিন সেনা পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং শেষপর্যন্ত ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। তিনি পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণেরও আহ্বান জানান; তার শাসনামলে ওয়ারশ চুক্তিভুক্ত অনেক দেশ ন্যাটোতে যোগ দেয়। মধ্যপ্রাচ্যে তিনি ইরাক লিবারেশন অ্যাক্ট স্বাক্ষর করেন, যা সাদ্দাম হুসেইনের বিরোধীদের সাহায্য দেয়। এছাড়াও তিনি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির জন্য ওসলো-১ চুক্তি ও ক্যাম্প ডেভিড শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড শান্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেন।
ক্লিনটন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী বব ডোল ও রিফর্ম পার্টির রস পেরটকে হারিয়ে পুনর্নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি স্থায়ী স্বাভাবিক বাণিজ্য সম্পর্কের প্রচলন করেন। কিন্তু তার দ্বিতীয় মেয়াদের সাফল্যগুলো ক্লিনটন-লেউইনস্কি কেলেঙ্কারির আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। ১৯৯৮ সালের শুরুতে জানা যায়, তিনি প্রায় আঠারো মাস ধরে হোয়াইট হাউসের ইন্টার্ন মনিকা লেউইনস্কির সাথে যৌন সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। এই কেলেঙ্কারি বছরের শেষ দিকে তীব্র আকার ধারণ করে এবং ডিসেম্বরে ক্লিনটন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস দ্বারা অভিশংসিত (Impeached) হন। এনড্রু জনসনের পর তিনিই হলেন অভিশংসনের সম্মুখীন হওয়া প্রথম মার্কিন রাষ্ট্রপতি। হাউস যে দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে অভিশংসন করে তা হল মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া (পেরজুরি) এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ব্যবহার করে বিচার প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়া (অবস্ট্রাকশন অব জাস্টিস)। জানুয়ারি ১৯৯৯-এ সিনেটে তার অভিশংসন বিচার শুরু হয় এবং দুই মাস পরে উভয় অভিযোগ থেকে তিনি খালাস পান। ক্লিনটনের রাষ্ট্রপতিত্বের শেষ তিন বছরে কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস বাজেট উদ্বৃত্তের (সারপ্লাস) খবর দেয়— যা ছিল ১৯৬৯ সালের পর প্রথম ও একমাত্র বাজেট উদ্বৃত্ত।
ক্লিনটন ২০০১ সালে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব ছাড়েন; তখন তার জনপ্রিয়তার হার ছিল যেকোনো মার্কিন রাষ্ট্রপতির মধ্যে সর্বোচ্চ যৌথ স্থানে। ইতিহাসবিদদের র্যাঙ্কিংয়ে তার রাষ্ট্রপতিত্ব মাঝারি থেকে উঁচু স্তরের মধ্যে স্থান পায়। তবে তার ব্যক্তিগত আচরণ ও কেলেঙ্কারির অভিযোগ তাকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ফেলে। রাষ্ট্রপতিত্ব ছাড়ার পর তিনি জনবক্তৃতা ও মানবিক কাজে জড়িত হন। তিনি এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধ ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধের মতো আন্তর্জাতিক বিষয় মোকাবিলায় 'ক্লিনটন ফাউন্ডেশন' প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৯ সালে তাকে হাইতির জন্য জাতিসংঘের বিশেষ দূত নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১০ সালে হাইতির ভূমিকম্পের পর তিনি জর্জ ডব্লিউ. বুশ ও বারাক ওবামার সাথে মিলে 'ক্লিনটন বুশ হাইতি ফান্ড' গড়ে তোলেন। তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেছেন, তার স্ত্রীর ২০০৮ ও ২০১৬ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নেন। ডিসেম্বর ২০২৪ সালে জিমি কার্টারের মৃত্যুর পর, তিনি এখন সবচেয়ে আগে দায়িত্ব পালন করা জীবিত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রপতি এবং ২০শ শতকে দায়িত্ব পালন করা একমাত্র জীবিত সাবেক রাষ্ট্রপতি।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]তৃতীয় ক্লিনটন উইলিয়াম জেফারসন ব্লিথ জন্মগ্রহণ করেন ১৯ আগস্ট, ১৯৪৬ তারিখে, হোপ, আরকানসাসের জুলিয়া চেস্টার হাসপাতালে।[১] তিনি উইলিয়াম জেফারসন ব্লিথ জুনিয়র এবং ভার্জিনিয়া ডেল ক্যাসিডি (পরে ভার্জিনিয়া কেলি) এর পুত্র।[২] ক্লিনটনের বাবা একজন ভ্রমণ বিক্রয়কর্মী ছিলেন, যিনি তার জন্মের তিন মাস আগে একটি অটোমোবাইল দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলেন। তার বাবা-মা ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৩-এ বিয়ে করেছিলেন, কিন্তু এই ইউনিয়নটি পরবর্তীতে বহুবিবাহ হিসাবে প্রমাণিত হয়েছিল, কারণ ব্লিথ তখনও তার তৃতীয় স্ত্রীর সাথে বিবাহিত ছিলেন।[৩] বিলের জন্মের পরপরই ভার্জিনিয়া নার্সিং অধ্যয়নের জন্য নিউ অরলিন্সে চলে আসেন, বিলকে তার বাবা-মা এল্ড্রিজ এবং এডিথ ক্যাসিডির (বিলের নানা-নানীর) কাছে হোপে রেখে যান, যারা একটি ছোট মুদি দোকানের মালিক ছিলেন এবং দোকানটি চালাতেন।[৪] এটা ছিল সেই সময় যখন দক্ষিণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিগতভাবে বিচ্ছিন্ন ছিল, ক্লিনটনের নানা-নানী সমস্ত বর্ণের লোকদের কাছে বাকীতে পণ্য বিক্রি করতেন।[৪][৫][৬][৭][৮] ১৯৫০ সালে, বিলের মা নার্সিং স্কুল থেকে ফিরে আসেন এবং রজার ক্লিনটন সিনিয়রকে বিয়ে করেন, যিনি তার ভাই এবং আর্ল টি. রিক্সের সাথে হট স্প্রিংস, আরকানসাসে একটি অটোমোবাইল ডিলারশিপের সহ-মালিক ছিলেন।[৪] পরিবারটি ১৯৫০ সালেই হট স্প্রিংসে চলে আসে।[৯]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Directory of Irish Genealogy: American Presidents with Irish Ancestors"। Homepage.eircom.net। ২৩ মার্চ ২০০৪। ৯ ডিসেম্বর ২০০০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০১১।
- ↑ "Biography of William J. Clinton"। whitehouse.gov। সংগ্রহের তারিখ ৩০ আগস্ট ২০১১ – National Archives এর মাধ্যমে।
- ↑ Andrews, Edmund L. (২১ জুন ১৯৯৩)। "Clinton Reported to Have A Brother He Never Met"। The New York Times।
- 1 2 3 Clinton, Bill (২০০৪)। My Life। Random House। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০০০-৩০০৩-৩।
- ↑ Chafe, William H. (২০১২)। Bill and Hillary: The Politics of the Personal। Farrar, Straus and Giroux। পৃ. ১১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০৯০-৯৪৬৫-৩।
- ↑ Bill Clinton: The Inside Story। S.P.I. Books। ১৯৯২। পৃ. ৫–৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৬১৭-১১৭৭-২।
- ↑ Takiff, Michael (২০১০)। A Complicated Man: The Life of Bill Clinton as Told by Those who Know Him। Yale University Press। পৃ. ৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩০০১-২১৩০-৮।
- ↑ । John N. Johnson। ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৭ https://books.google.com/books?id=3j8DAAAAMBAJ&pg=PA10।
{{ম্যাগাজিন উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য); উদ্ধৃতি magazine এর জন্য|magazine=প্রয়োজন (সাহায্য) - ↑ Gormley, Ken (২০১০)। The Death of American Virtue: Clinton vs. Starr। Crown Publishers। পৃ. ১৬–১৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৩০৭-৪০৯৪৪-৭।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- অফিসিয়াল
- White House biography
- Clinton Presidential Materials Project Press releases and speech transcripts from the administration.
- Clinton School of Public Service
- সংস্থা
- William J. Clinton Foundation official website
- বই ও চলচ্চিত্র
- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে Bill Clinton (ইংরেজি)
- ওপেন লাইব্রেরিতে বিল ক্লিনটন-এর সৃষ্টিকর্ম
- গুটেনবের্গ প্রকল্পে Bill Clinton-এর সাহিত্যকর্ম ও রচনাবলী (ইংরেজি)
- সাক্ষাৎকার ও বিবৃতি
- Issue positions and quotes at On the Issues
- Appearances on C-SPAN programs
- Appearances on Charlie Rose
- Collected news and commentary at The New York Times
- Collected news and commentary at The Guardian
- বিল ক্লিনটন at TED
- Oral History Interview with Bill Clinton from Oral Histories of the American South
- Full audio of a number of Clinton speeches via the Miller Center of Public Affairs (UVa)
- The Wanderer Profile in The New Yorker, September 2006, the most extensive interview post-presidency
- মিডিয়া
- আল জাজিরা ইংরেজিতে বিল ক্লিনটন সংগৃহীত সংবাদ ও মন্তব্য।
- বিল ক্লিনটন দ্যা গার্ডিয়ান-এর সংবাদ ও ধারাভাষ্যের সংগ্রহশালা।
- "বিল ক্লিনটন সংগৃহীত খবর এবং ভাষ্য"। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)।
- বিল ক্লিনটন দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর সংবাদ ও ধারাভাষ্যের সংগ্রহশালা।
- বিল ক্লিনটন দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট-এর সংবাদ ও ধারাভাষ্যের সংগ্রহশালা।
- অ্যন্যান্য
- Extensive essays on Bill Clinton and shorter essays on each member of his cabinet and First Lady from the Miller Center of Public Affairs
- Armigerous American Presidents Series article from the American Heraldry Society.
- Bill Clinton ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৩ জুলাই ২০১৫ তারিখে at C-SPAN's American Presidents: Life Portraits
- Clinton ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৩ মার্চ ২০১৭ তারিখে — An American Experience Documentary
| পূর্বসূরী: জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ |
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জানুয়ারি ২০, ১৯৯৩ - জানুয়ারি ২০, ২০০১ |
উত্তরসূরী: জর্জ ডব্লিউ বুশ |
- উদ্ধৃতি শৈলী ত্রুটি: শিরোনাম অনুপস্থিত
- রাজনীতির উপর লেখা অসম্পূর্ণ নিবন্ধ
- বিল ক্লিনটন
- ১৯৪৬-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি
- জাতিসংঘের শুভেচ্ছাদূত
- মার্কিন আত্মজীবনীকার
- ইংরেজ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- আইরিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- স্কটিশ-আইরিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- স্কটিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন ব্যক্তি
- প্রেসিডেন্ট কলেজ, চেন্নাইয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের বিশিষ্ট সভ্য
- ২১শ শতাব্দীর মার্কিন রাজনীতিবিদ
- নিউ ইয়র্কের (অঙ্গরাজ্য) ডেমোক্র্যাট
- ইয়েল ল স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২০শ শতাব্দীর রাষ্ট্রপতি
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২১শ শতাব্দীর রাষ্ট্রপতি
- ১৯৯২ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী
- ১৯৯৬ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী
- আর্কানসাস ডেমোক্র্যাট
- ক্লিনটন পরিবার
- রডহ্যাম পরিবার
- প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম প্রাপক
- আর্কানসাসের ব্যক্তি
- ইউনিভার্সিটি কলেজ, অক্সফোর্ডের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ওয়ালশ স্কুল অফ ফরেন সার্ভিসের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- গ্র্যামি পুরস্কার বিজয়ী
- জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি