আমনুরা জংশন রেলওয়ে স্টেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আমনুরা জংশন রেলওয়ে স্টেশন
বাংলাদেশের রেলওয়ে স্টেশন
অবস্থানচাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা, রাজশাহী বিভাগ
 বাংলাদেশ
মালিকানাধীনবাংলাদেশ রেলওয়ে
পরিচালিতবাংলাদেশ রেলওয়ে
লাইনআব্দুলপুর-পুরনো মালদা লাইন
প্ল্যাটফর্মনেই
রেলপথ
ট্রেন পরিচালকপশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে
নির্মাণ
গঠনের ধরনমানক
পার্কিংআছে
সাইকেলের সুবিধাআছে
প্রতিবন্ধী প্রবেশাধিকারআছে
ইতিহাস
চালু১৯০৯
পরিষেবা
চালু
অবস্থান

আমনুরা জংশন রেলওয়ে স্টেশন [১] বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার একটি রেলওয়ে স্টেশন[২][৩]

অবস্থান[সম্পাদনা]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সারাঘাট-সিরাজগঞ্জ লাইন ১৯১৫-১৬ সালের মধ্যে সারা-সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে কোম্পানি দ্বারা দ্বারা নির্মিত হয়। তারপরে ১৯৩০ সালে, আব্দুলপুর-আমনুরা ব্রডগেজ লাইনটি সারাঘাট-সিরাজগঞ্জ লাইনের একটি শাখা হিসাবে খোলা হয়। সেসময় আব্দুলপুর-আমনুরা শাখা লাইনের সর্বশেষ স্টেশন ছিলো আমনুরা রেলওয়ে স্টেশন[৪][৫]

পরিষেবা[সম্পাদনা]

আমনুরা বাইপাস রেলওয়ে স্টেশন চালু হওয়ার ফলে আমনুরা জংশন দিয়ে শুধু রাজশাহী কমিউটার, ১৬ নং মহানন্দা এক্সপ্রেস,[৬] লোকাল ট্রেন ও পন্যবাহী ট্রেন চলাচল করে।

বিলুপ্ত রেলপথ[সম্পাদনা]

আমনুরা জংশন রেলওয়ে স্টেশন থেকে গোদাগাড়ী ঘাট পর্যন্ত একটি ব্রডগেজ রেলপথ ছিলো যা এখন বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এই অংশের রেলওয়ে স্টেশন গুলো হলো:

  • দীগ্রাম
  • গোদাগাড়ী
  • গোদাগাড়ী ঘাট।

বিলুপ্ত রেলপথের ইতিহাস[সম্পাদনা]

আমনুরা জংশন থেকে গোদাগাড়ী ঘাট সেকশন ২৩.৩৩ কিমি সেকশন । প্রথমে এটি মিটারগেজ সেকশন ছিলো । ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত গোদাগাড়ী ঘাট - আমনুরা জংশন - নাচোল - রহনপুর - সিঙ্গাবাদ - মালদা - কাটিহার ছিল মিটার গেজ সেকশন । আবদুলপুর জংশন - রাজশাহী - আমনুরা - চাঁপাইনবাবগঞ্জ ছিল ব্রড গেজ সেকশন ।

১৯০৯ সালে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে গোদাগাড়ী ঘাট - আমনুরা - রহনপুর - সিঙ্গাবাদ - মালদা মিটার গেজ সেকশন চালু করে কাটিহার ব্রাঞ্চ রেলওয়ে আন্ডারে । শিয়ালদা থেকে লালগোলা ঘাট (পদ্মার দক্ষিণ পার) ব্রডগেজ ট্রেনে এসে রেল ফেরি কর ঘাট পার হয়ে, পদ্মার উত্তর পাড়ে গোদাগাড়ী ঘাটে অপেক্ষমান মিটার গেজ ট্রেনে চড়ে মালদা, কাটিহার, শিলিগুরি তথা উত্তর বঙ্গ যেত এই পথের যাত্রীরা ।

১৯৪৭ সালের পর দেশভাগ হলে গোদাগাড়ী ঘাট - আমনুরা - রহনপুর মিটার গেজ সেকশন একটা বিছিন্ন ছোট মিটার গেজ সেকশনে পরিণত হয় । তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার (ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ে) জরুরি ভিত্তিতে আমনুরা - রহনপুর পর্যন্ত মিটার গেজ সেকশন ব্রড গেজে রুপান্তরিত করে । গোদাগাড়ী ঘাট থেকে আমনুরা জংশন পর্যন্ত মিটার গেজ সেকশন যাত্রী পারপার না হওয়ার কারনে অলাভজনক হয়ে পরে । তাই বাধ্য হয়ে এই ২৩.৩৩ কিমি মিটার গেজ সেকশন তুলে ফেলা হয়। ৬০ দশকের শেষের দিকে ভারত সিঙ্গাবাদ পর্যন্ত তাদের মিটার গেজ সেকশন ব্রড গেজে রুপান্তরিত করে ফেলে । ৮০ দশকে বাংলাদেশ রেলওয়ে রহনপুর স্টেশন থেকে বর্ডার হয়ে সিঙ্গাবাদের সাথে যোগাযোগ স্থাপিত করে । বর্তমানে এই করিডর দিয়ে ফ্রেট ট্রেন চলাচল করে থাকে ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Gupta, Sourasish। "Amnura Railway Station Map/Atlas BR/Bangladesh Zone - Railway Enquiry"indiarailinfo.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৮ 
  2. "আমনুরা জংশন, রেস্ট হাউস ও কোয়ার্টার ধ্বংসের পথে || The Daily Janakantha"Daily Janakantha। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৮ 
  3. "ট্রেন থেকে তেল চুরির হিড়িক"কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৮ 
  4. "Brief History"। বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০১১-১২-২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১১ 
  5. "Railways in colonial Bengal"দ্য ডেইলি স্টার। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০১৯ 
  6. "অবশেষে মহানন্দা এক্সপ্রেস ট্রেন চালু"banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৯