বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল
| ডাকনাম | বেঙ্গল টাইগার | ||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| অ্যাসোসিয়েশন | বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| কনফেডারেশন | এএফসি (এশিয়া) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| প্রধান কোচ | |||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় | কাজী সালাউদ্দিন | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| শীর্ষ গোলদাতা | জাহাঙ্গীর হুসেইন | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| স্বাগতিক স্টেডিয়াম | বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| ফিফা কোড | BAN | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| ফিফা র্যাংকিং | ১৬১ | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বোচ্চ ফিফা র্যাংকিং | ১১০ (এপ্রিল ১৯৯৬) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বনিম্ন ফিফা র্যাংকিং | ১৭৬ (এপ্রিল ২০০৭) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| এলো রেটিং | ১৮০ | ||||||||||||||||||||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||
| প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা | |||||||||||||||||||||||||||||||||
(মালয়েশিয়া; জুলাই ২৬, ১৯৭৩) |
|||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বোচ্চ জয় | |||||||||||||||||||||||||||||||||
(বাংলাদেশ; ডিসেম্বর ২১, ১৯৮৫) |
|||||||||||||||||||||||||||||||||
| সর্বোচ্চ পরাজয় | |||||||||||||||||||||||||||||||||
(দক্ষিণ কোরিয়া; সেপ্টেম্বর ১৬, ১৯৭৯) (করাচি, পাকিস্তান; ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২) |
|||||||||||||||||||||||||||||||||
| উপস্থিতি | (প্রথম -) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| শ্রেষ্ঠ ফলাফল | - | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| এশিয়ান কাপ | |||||||||||||||||||||||||||||||||
| উপস্থিতি | ১ (প্রথম ১৯৮০) | ||||||||||||||||||||||||||||||||
| শ্রেষ্ঠ ফলাফল | রাউন্ড ১, ১৯৮০ | ||||||||||||||||||||||||||||||||
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এটি এএফসির সদস্য। দলটি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। এশিয়ান কাপে ১৯৮০ সালে তারা মাত্র একবার অংশ নিতে পেরেছে এবং সেখানে তারা প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছে। উপমহাদেশের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ফুটবল খেলাটি ক্রিকেটের জনপ্রিয়তার কারণে স্তিমিত হয়ে গেছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে শুভসূচনা করলেও (ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিজয়) তা ধরে রাখতে পারেনি। মহাদেশীয় প্রতিযোগিতা এশিয়ান কাপেও বাংলাদেশের ফলাফল সন্তোষজনক নয়।
তবে ভিশন এশিয়া প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশ ফুটবলের মানোন্নয়নে চেষ্টা করে যাচ্ছে। বর্তমানে ঘরোয়া লীগ ও যুব ফুটবল উন্নয়নে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ফুটবল উন্নয়নের এই সিদ্ধান্ত সঠিক সময়ে হয়েছে বলে সবাই মনে করেন।
ফুটবল বাংলাদেশে এখনও খুব জনপ্রিয়। তার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ২০০৩ সালের দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন কাপ (সাফ ফুটবল) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ৫০,০০০ সমর্থকের উপস্থিতিতে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে বাংলাদেশ এ বিজয় অর্জন করেছে। এই ফলাফল বাংলাদেশের কাছে এতদিন অধরাই থেকে যাচ্ছিল। জয়ের ধারায় বাংলাদেশ উপমহাদেশের পরাশক্তি ভারতকে ২-১ গোলে সেমিফাইনালে পরাজিত করে। বাংলাদেশের সবাই আশা করেন এ ধরনের ফলাফল মহাদেশীয় পর্যায়ে তাদেরকে সফলতা অর্জনে নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।
কাজী সালাউদ্দিন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কিংবদন্তি খেলোয়াড়। তিনি হংকংয়ে পেশাদারী ফুটবল খেলেছেন, যা কোন বাংলাদেশী ফুটবলার হিসেবে প্রথম।
২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, আর্জেন্টিনা এবং নাইজেরিয়ার মধ্যকার খেলা অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। যা ছিল বাংলাদেশ ফুটবলের সাম্প্রতিক স্মরণীয় ঘটনা।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ইতিহাস [সম্পাদনা]
১৯৭০ এর দশক [সম্পাদনা]
১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছে থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ এবং ১৯৭২ সালের ১৫ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। ১৯৭৩ সালের ২৬ জুলাই, প্রথম অফিসিয়াল খেলায় থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। খেলাটি ২–২ সমতায় শেষ হয়। ২৬ জুলাই থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত এশিয়ার বিভিন্ন দলের বিপক্ষে ১৩টি প্রীতি খেলায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ, যার তিনটিতে ড্র এবং দশটিতে পরাজিত হয় তারা। এক বছর পর আরও দুইটি প্রীতি খেলায় তারা অংশগ্রহণ করে এবং দুইটিতেই পরাজিত হয়।
১৯৭৮ সালে ভারত এবং মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দুইটি প্রীতি খেলায় পরাজিত হয় বাংলাদেশ। ১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে তারা ১৯৮০ এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে অংশগ্রহন করে। প্রথম দুই খেলায় কাতার এবং আফগানিস্তানের সাথে ড্র করে তারা। তবে কাতারের বিপক্ষে দ্বিতীয় খেলায় ৪–০ ব্যবধানে পরাজিত হয় তারা। অবশ্য আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় খেলায় ৪–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে এশিয়ান কাপে অংশগ্রহন করার সুযোগ পায় বাংলাদেশ। এটিই ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ইতিহাসের প্রথম জয়। এশিয়ান কাপের প্রস্তুতি হিসেবে চারটি প্রীতি খেলায় অংশ নেয় বাংলাদেশ। এর তিনটিতে পরাজয় এবং একটিতে জয় লাভ করে তারা।
১৯৮০ এর দশক [সম্পাদনা]
প্রতিযোগিতার রেকর্ড [সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপ রেকর্ড [সম্পাদনা]
- ১৯৩০ থেকে ১৯৮২ - অংশগ্রহণ করেনি; ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের অন্তর্গত ছিল
- ১৯৮৬ থেকে ২০০৬ - যোগ্যতা অর্জন করেনি
এএফসি এশিয়ান কাপ রেকর্ড [সম্পাদনা]
- এশিয়ান কাপ ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৬ - অংশগ্রহণ করেনি
- এশিয়ান কাপ ১৯৮০ – রাউন্ড ১
- এশিয়ান কাপ ১৯৮৪ থেকে ১৯৯২ - যোগ্যতা অর্জন করেনি
- এশিয়ান কাপ ১৯৯৬ - প্রত্যাহার
- এশিয়ান কাপ ২০০০ থেকে ২০১১ - যোগ্যতা অর্জন করেনি
এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ রেকর্ড [সম্পাদনা]
| এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ | |||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| বছর | রাউন্ড | খেলেছে | জয় | ড্র | হার | GF | GA |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ [সম্পাদনা]
| সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ | |||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| বছর | রাউন্ড | খেলেছে | জয় | ড্র | হার | GF | GA |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| পূর্বসূরী ১৯৯৯ ভারত |
দক্ষিণ এশীয় চ্যাম্পিয়নস ২০০৩ (প্রথম শিরোপা) |
উত্তরসূরী ২০০৫ ভারত |
দক্ষিণ এশীয় গেম্স [সম্পাদনা]
| দক্ষিণ এশীয় গেম্স | |||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| প্রতিযোগিতার বিবরণ | পদক | ||||||
| ১৯৮৪ কাঠমুন্ডু |
|
||||||
| ১৯৮৫ ঢাকা |
|
||||||
| ১৯৮৯ ইসলামাবাদ |
|
||||||
| ১৯৯১ কলম্বো |
|
||||||
| ১৯৯৫ মাদ্রাজ |
|
||||||
| ১৯৯৯ কাঠমুন্ডু |
|
||||||
| ২০১০ ঢাকা |
|
||||||
স্মরণীয় সাবেক খেলোয়াড় [সম্পাদনা]
নেপাল সফরের জন্য জাতীয় দল, সেপ্টেম্বর, ২০১২
গোলরক্ষক: মাকসুদুর রহমান মোস্তাক জিয়াউর রহমান জিয়া তিতুমির চৌধুরী টিটু।
ডিফেন্ডার: মো. সুজন ওয়ালী ফয়সাল নাসির উদ্দিন চৌধুরী মামুন মিয়া রেজাউল করিম আতিকুর রহমান মিশু মো. লিংকন রায়হান হাসান।
মিডফিল্ডার: প্রানতোষ কুমার মামুনুল ইসলাম শাকিল আহমেদ শাহেদুল আলম শাহেদ আলমগীর কবির রানা সোহেল রানা জাহিদ হোসেন।
স্ট্রাইকার: জাহিদ হাসান এমিলি আব্দুল বাতেন মজুমদার কোমল শাখওয়াত হোসেন রনি আনোয়ার হোসেন মিঠুন চৌধুরী।
বর্তমান দল [সম্পাদনা]
১ আগস্ট, ২০১২ তারিখ পর্যন্ত -
কোচের তালিকা [সম্পাদনা]
|
|
|
^ অন্তর্বর্তীকালীন
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- Kazi Salahuddin biography & interview
- (ইংরেজি) বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
- (ইংরেজি) বাংলাদেশ ফিফা.কম এ।
|
|||||||||||||||||||||||
|
||||||||
|
|
|||||
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||||||
|
|||||||||||