বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাংলাদেশ
শার্ট ব্যাজ/অ্যাসোসিয়েশন ক্রেস্ট
ডাকনাম বেঙ্গল টাইগার
অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশন এএফসি (এশিয়া)
প্রধান কোচ নেদারল্যান্ডস লডউইক ডি ক্রুইফ
সর্বাধিক খেলায় অংশ নেওয়া খেলোয়াড় কাজী সালাউদ্দিন
শীর্ষ গোলদাতা জাহাঙ্গীর হুসেইন
স্বাগতিক স্টেডিয়াম বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম
ফিফা কোড BAN
ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৬১
সর্বোচ্চ ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১১০ (এপ্রিল ১৯৯৬)
সর্বনিম্ন ফিফা র‌্যাঙ্কিং ১৭৬ (এপ্রিল ২০০৭)
এলো রেটিং ১৮০
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
বাংলাদেশ বাংলাদেশ ২ - ২ থাইল্যান্ড 
(মালয়েশিয়া; জুলাই ২৬, ১৯৭৩)
সর্বোচ্চ জয়
বাংলাদেশ বাংলাদেশ ৮ - ০ মালদ্বীপ 
(বাংলাদেশ; ডিসেম্বর ২১, ১৯৮৫)
সর্বোচ্চ পরাজয়
দক্ষিণ কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া ৯ - ০ বাংলাদেশ বাংলাদেশ
(দক্ষিণ কোরিয়া; সেপ্টেম্বর ১৬, ১৯৭৯)
 ইরান ৯ - ০ বাংলাদেশ বাংলাদেশ
(করাচি, পাকিস্তান; ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২)
উপস্থিতি (প্রথম -)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল -
এশিয়ান কাপ
উপস্থিতি ১ (প্রথম ১৯৮০)
শ্রেষ্ঠ ফলাফল রাউন্ড ১, ১৯৮০

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এটি এএফসির সদস্য। দলটি এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের মূল পর্বে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। এশিয়ান কাপে ১৯৮০ সালে তারা মাত্র একবার অংশ নিতে পেরেছে এবং সেখানে তারা প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছে। উপমহাদেশের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও ফুটবল খেলাটি ক্রিকেটের জনপ্রিয়তার কারণে স্তিমিত হয়ে গেছে। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৪ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।

১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে শুভসূচনা করলেও (ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিজয়) তা ধরে রাখতে পারেনি। মহাদেশীয় প্রতিযোগিতা এশিয়ান কাপেও বাংলাদেশের ফলাফল সন্তোষজনক নয়।

তবে ভিশন এশিয়া প্রকল্পের অধীনে বাংলাদেশ ফুটবলের মানোন্নয়নে চেষ্টা করে যাচ্ছে। বর্তমানে ঘরোয়া লীগ ও যুব ফুটবল উন্নয়নে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ফুটবল উন্নয়নের এই সিদ্ধান্ত সঠিক সময়ে হয়েছে বলে সবাই মনে করেন।

ফুটবল বাংলাদেশে এখনও খুব জনপ্রিয়। তার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল ২০০৩ সালের দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন কাপ (সাফ ফুটবল) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ৫০,০০০ সমর্থকের উপস্থিতিতে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে টাইব্রেকারে বাংলাদেশ এ বিজয় অর্জন করেছে। এই ফলাফল বাংলাদেশের কাছে এতদিন অধরাই থেকে যাচ্ছিল। জয়ের ধারায় বাংলাদেশ উপমহাদেশের পরাশক্তি ভারতকে ২-১ গোলে সেমিফাইনালে পরাজিত করে। বাংলাদেশের সবাই আশা করেন এ ধরনের ফলাফল মহাদেশীয় পর্যায়ে তাদেরকে সফলতা অর্জনে নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে।

কাজী সালাউদ্দিন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কিংবদন্তি খেলোয়াড়। তিনি হংকংয়ে পেশাদারী ফুটবল খেলেছেন, যা কোন বাংলাদেশী ফুটবলার হিসেবে প্রথম।

২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, আর্জেন্টিনা এবং নাইজেরিয়ার মধ্যকার খেলা অনুষ্ঠিত হয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। যা ছিল বাংলাদেশ ফুটবলের সাম্প্রতিক স্মরণীয় ঘটনা।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বিংশ শতাব্দী[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালে পাকিস্তানের কাছে থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ এবং ১৯৭২ সালের ১৫ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। ১৯৭৩ সালের ২৬ জুলাই, প্রথম অফিসিয়াল খেলায় থাইল্যান্ডের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। খেলাটি ২–২ সমতায় শেষ হয়। ২৬ জুলাই থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত এশিয়ার বিভিন্ন দলের বিপক্ষে ১৩টি প্রীতি খেলায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ, যার তিনটিতে ড্র এবং দশটিতে পরাজিত হয় তারা। এক বছর পর আরও দুইটি প্রীতি খেলায় তারা অংশগ্রহণ করে এবং দুইটিতেই পরাজিত হয়।

১৯৭৮ সালে ভারত এবং মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দুইটি প্রীতি খেলায় পরাজিত হয় বাংলাদেশ। ১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে তারা ১৯৮০ এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে অংশগ্রহন করে। প্রথম দুই খেলায় কাতার এবং আফগানিস্তানের সাথে ড্র করে তারা। তবে কাতারের বিপক্ষে দ্বিতীয় খেলায় ৪–০ ব্যবধানে পরাজিত হয় তারা। অবশ্য আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় খেলায় ৪–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে এশিয়ান কাপে অংশগ্রহন করার সুযোগ পায় বাংলাদেশ। এটিই ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ইতিহাসের প্রথম জয়। এশিয়ান কাপের প্রস্তুতি হিসেবে চারটি প্রীতি খেলায় অংশ নেয় বাংলাদেশ। এর তিনটিতে পরাজয় এবং একটিতে জয় লাভ করে তারা।

১৯৮০ সালের সেপ্টেম্বরে কুয়েতে এএফসি এশিয়ান কাপ আয়োজিত হয়, গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন ইরান, উত্তর কোরিয়া, সিরিয়া এবং চায়না। কিন্তু বাংলাদেশ উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ৩-২, সিরিয়ার বিপক্ষে ১-০, ইরানের বিপক্ষে ৭-০ এবং চায়নার বিপক্ষে ৬-০ এর বিশাল ব্যাবধানে পরাজিত হয়। এবং পয়েন্ট তালিকার নিম্নে ১৫ গোলের ব্যাবধানে পড়ে থাকে। এটিই ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের একমাত্র কোন বড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন।

প্রায় দেড় বছর কোন ম্যাচ না খেলার পর, ১৯৮২ তে করাচি, পাকিস্তানে ৪-টি ম্যাচ খেলে, যার ৩-টিতে পরাজয় ও একটি ম্যাচ ড্র করে তারা। পরবর্তী ৫ প্রীতি ম্যাচের ২-টিতে জয় ও ৩-টিতে পরাজয়। ১৯৮৪ সালে ১০ বছরের ক্যারিয়ারে তারা মাত্র ৪-টি জয় পায়।

১৯৮৪ এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্ব আগস্টে অনুষ্ঠিত হয়। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ইরান, সিরিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইন। এই আসরে বাংলাদেশ ফিলিপাইনের বিপক্ষে ৩-২ গোলে জয় পেলেও বাকি সব ম্যাচেই পরাজিত হয়।

মাসখানেক পর তারা নেপাল এবং মালদ্বীপের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলে এবং দুইটিতেই ৫-০ গোলে জয়লাভ করে। কিন্তু এর থিক দুইদিন পর, নেপাল এর বিপক্ষে অন্য এক ম্যাচে তারা ৪-২ গোলে পরাজিত হয়।

১৯৮৫ সালে, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল প্রথমবারের মত ফিফা বিশ্বকাপের জন্য বাছাইপর্ব খেলতে যায়। গ্রুপে ছিল ইন্ডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড। ৬ ম্যাচে ৪-টিতে পরাজয় ও ২-টিতে জয় নিয়ে তারা পয়েন্ট তালিকার নিম্নে থাকে।

১৯৮৮ এএফসি এশিয়ান কাপ ও ১৯৯০ ফিফা বিশকাপে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হওয়ার পূর্বে, এপ্রিল ১৯৮৫ থেকে নভেম্বর ১৯৮৭, তারা ১৩-টি ম্যাচ খেলে। যার মধ্যে ৪-টি জয়, ২-টি ড্র এবং ৭-টিতে পরাজয়। পরবর্তী ১১ ম্যাচে ১ টিতে জয়, ১০ টিতে পরাজয়।

পুনরায় এশিয়ান কাপে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হওয়ার পূর্বে, ১৯৮৯ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত তারা ৮-টি ম্যাচ খেলেন। যার ৩-টিতে জয়, ১-টিতে ড্র এবং ৪-টিতে পরাজয়।

২ বছর পরা ১৯৯৪ বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ৮ ম্যাচে তারা মাত্র ২ টিতে জয় পায়।

১৯৯৫ এ বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল দক্ষিণ এশীয় গেমসে সিলভার পদক পায়। ফাইনালে তারা স্বাগতিক ইন্ডিয়ার কাছে হেরে যায়। কিন্তু ১৯৯৮ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তারা পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে। এমন কি তারা চাইনিজ তাইপের কাছেও পরাজয় বরন করে।

দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে তাদের খেলার ভাগ্য উন্নতি পায় ১৯৯৯ সাফ গোল্ড কাপে, যখন তারা পুনরায় ফাইনালে যায়। কিন্তু ইন্ডিয়ার কাছে হেরে যায় এবং সিলভার পদক পায়। কিন্তু একই বছরের দক্ষিণ এশিয় কাপ কাঠমুণ্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়, এবং তারা অবশেষে ফাইনালে জয়ালাভ করে ও স্বর্ণপদক লাভ করে। যদিও তারা তাদের সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত রাখতে ব্যর্থ হয় ২০০০ এশিয়ান কাপে। যাখানে প্রথম ম্যাচেই তারা উজবেকিস্তানের কাছে ৬-০ গোলে পরাজিত হয়।

একবিংশ শতাব্দী[সম্পাদনা]

এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত ঘটে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের জন্য ১২-ই জানুয়ারি, ২০০১, যখন তারা সর্বপ্রথম এশিয়ার বাইরের কোন টিমের সাথে ম্যাচ খেলে বসনিয়ার বিরুদ্ধে।

২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশ এশিয়ান কাপ ও ফিফা বিশ্বকাপে বাছাইপর্বে উত্তীর্ণ হয়নি। কিন্তু একই সময়ের মাঝে বাংলাদেশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০০৩ এর চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিক দেশ হিসেবে। ২০১০ দক্ষিণ এশিয় গেমসে বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় স্বর্ণপদক লাভ করে স্বাগতিক দেশ হিসেবে।

২৯-ই জুন ২০১১, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকায় বাংলাদেশ ২০১৪ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে পাকিস্তানকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল লাহোর স্টেডিয়াম, পাকিস্তানে খেলতে যায় ৩-রা জুলাই ২০১১। সেখানে তারা গোলশূন্য ড্র করে পাকিস্তানের বিপক্ষে। এর সাথে তারা দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ হয় লেবাননের বিপক্ষে। প্রথম ম্যাচতি হয় চামিলে চামৌন স্পোর্টস সিটি স্টেডিয়াম, বৈরুতে ২৩-ই জুলাই ২০১১। সেখানে তারা ৪-০ গোলে পরাজিত হয়। দ্বিতীয় খেলাটি হয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকায়। বাংলাদেশ ২-০ গোলে জয়লাভ করলেও বাংলাদেশ বাদ পড়ে যায় বাছাইপর্ব থেকেই। বাংলাদেশ ২০১১ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে পাকিস্তানের সাথে ড্র এবং নেপাল ও মালদ্বীপের কাছে পরাজিত হওয়ায় সেমি ফাইনালে উঠতে পারেনা। ২০১২ সালে বাংলাদেশ ৩-টি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলেছে। যার মাঝে নেপাল ও মালদ্বীপের সাথে ড্র এবনফ থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৫-০ গোলের বড় ব্যাবধানের পরাজয় রয়েছে।


জার্সির ইতিহাস[সম্পাদনা]

মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল ১৯৭১
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
এএফসি এশিয়ান কাপ ১৯৮০
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
দক্ষিণ এশীয় গেম্‌স ১৯৯৯
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
সাফ কাপ ২০০৩
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
দক্ষিণ এশীয় গেম্‌স ২০১০
মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
মূল দলের জার্সি
অ্যাওয়ে ২০১৪

প্রতিযোগিতার রেকর্ড[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ রেকর্ড[সম্পাদনা]

এএফসি এশিয়ান কাপ রেকর্ড[সম্পাদনা]

  • এশিয়ান কাপ ১৯৫৬ থেকে ১৯৭৬ - অংশগ্রহণ করেনি
  • এশিয়ান কাপ ১৯৮০ – রাউন্ড ১
  • এশিয়ান কাপ ১৯৮৪ থেকে ১৯৯২ - যোগ্যতা অর্জন করেনি
  • এশিয়ান কাপ ১৯৯৬ - প্রত্যাহার
  • এশিয়ান কাপ ২০০০ থেকে ২০১১ - যোগ্যতা অর্জন করেনি

এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ রেকর্ড[সম্পাদনা]

এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপ
বছর রাউন্ড খেলেছে জয় ড্র হার GF GA
বাংলাদেশ ২০০৬
কোয়ার্টার ফাইনাল
ভারত ২০০৮
যোগ্যতা অর্জন করেনি
-
-
-
-
-
-
শ্রীলঙ্কা ২০১০
গ্রুপ পর্ব
নেপাল ২০১২
যোগ্যতা অর্জন করেনি
-
-
-
-
-
-
মালদ্বীপ ২০১৪
যোগ্যতা অর্জন করেনি
-
-
-
-
-
-
মোট
Best: কোয়ার্টার ফাইনাল
১০
১৪

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ[সম্পাদনা]

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
সাল রাউন্ড খেলা জয় ড্র পরাজয় গো. প গো. বি
পাকিস্তান ১৯৯৩
অংশগ্রহণ করেনি
-
-
-
-
-
-
শ্রীলঙ্কা ১৯৯৫
সেমি ফাইনাল
নেপাল ১৯৯৭
গ্রুপ পর্ব
ভারত ১৯৯৯
রানার্স-আপ
বাংলাদেশ ২০০৩
চ্যাম্পিয়ন
পাকিস্তান ২০০৫
রানার্স-আপ
শ্রীলঙ্কা & মালদ্বীপ ২০০৮
গ্রুপ পর্ব
বাংলাদেশ ২০০৯
সেমি ফাইনাল
ভারত ২০১১
গ্রুপ পর্ব
নেপাল ২০১৩
প্রতিযোগিতা চলছে
মোট
সেরা: ২০০৩ চ্যাম্পিয়ন
৩১
১২
১০
৩৫
২৭
পূর্বসূরী
১৯৯৯ ভারত 
দক্ষিণ এশীয় চ্যাম্পিয়নস
২০০৩ (প্রথম শিরোপা)


উত্তরসূরী
২০০৫ ভারত 

দক্ষিণ এশীয় গেম্‌স[সম্পাদনা]

দক্ষিণ এশীয় গেম্‌স
প্রতিযোগিতার বিবরণ পদক
১৯৮৪ কাঠমুন্ডু
রৌপ্য
১৯৮৫ ঢাকা
রৌপ্য
১৯৮৭ কোলকাতা
সেমি ফাইনাল
১৯৮৯ ইসলামাবাদ
রৌপ্য
১৯৯১ কলম্বো
ব্রোঞ্জ
১৯৯৩ ঢাকা
গ্রুপ পর্ব
১৯৯৫ মাদ্রাজ
রৌপ্য
১৯৯৯ কাঠমুন্ডু
স্বর্ণ
২০০৪ ইসলামাবাদ
গ্রুপ পর্ব
২০০৬ কলম্বো
গ্রুপ পর্ব
২০১০ ঢাকা
স্বর্ণ

স্মরণীয় সাবেক খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

কাজী সালাউদ্দিন

নেপাল সফরের জন্য জাতীয় দল, সেপ্টেম্বর, ২০১২

গোলরক্ষক: মাকসুদুর রহমান মোস্তাক

জিয়াউর রহমান জিয়া

তিতুমির চৌধুরী টিটু।

ডিফেন্ডার:

মো. সুজন

ওয়ালী ফয়সাল

নাসির উদ্দিন চৌধুরী

মামুন মিয়া

রেজাউল করিম

আতিকুর রহমান মিশু

মো. লিংকন

রায়হান হাসান।

মিডফিল্ডার:

প্রানতোষ কুমার

মামুনুল ইসলাম

শাকিল আহমেদ

শাহেদুল আলম শাহেদ

আলমগীর কবির রানা

সোহেল রানা

জাহিদ হোসেন।

স্ট্রাইকার: জাহিদ হাসান এমিলি

আব্দুল বাতেন মজুমদার কোমল

শাখওয়াত হোসেন রনি

আনোয়ার হোসেন

মিঠুন চৌধুরী।

বর্তমান দল[সম্পাদনা]

১ আগস্ট, ২০১২ তারিখ পর্যন্ত -

0#0 অব নাম জন্ম (বয়স) ম্যাচ গোল ক্লাব
গো রাসেল মাহমুদ লিটন (১৯৯৪-১১-৩০) নভেম্বর ৩০, ১৯৯৪ (বয়স ২০) বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র
২২ গো সামিউল ইসলাম মাসুদ (১৯৯০-০২-০৩) ফেব্রুয়ারি ৩, ১৯৯০ (বয়স ২৪) বাংলাদেশ রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটি ক্লাব
২৫ গো শহিদুল ইউসুফ সোহেল (১৯৯২-০৫-০১) মে ১, ১৯৯২ (বয়স ২২) বাংলাদেশ আবাহনী ক্রীড়া চক্র
২৩ গো মাজহারুল হক হিমেল (১৯৮৮-০৯-১৬) সেপ্টেম্বর ১৬, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) বাংলাদেশ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব
আশরাফ মাহমুদ লিংকন (১৯৯০-০৬-০৬) জুন ৬, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ১১ বাংলাদেশ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব
মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম (১৯৮৭-১২-২০) ডিসেম্বর ২০, ১৯৮৭ (বয়স ২৬) ১৪ বাংলাদেশ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
মোহাম্মদ মিন্টু শেখ (১৯৮৯-১২-০৩) ডিসেম্বর ৩, ১৯৮৯ (বয়স ২৫) বাংলাদেশ ফেনী সকার ক্লাব
করিম রেজাউল (১৯৮৭-০৭-০১) জুলাই ১, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) বাংলাদেশ ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব
মোহাম্মদ লিংকন (১৯৯০-০৬-০৬) জুন ৬, ১৯৯০ (বয়স ২৪) বাংলাদেশ আবাহনী ক্রীড়া চক্র
১৩ মোহাম্মদ মামুন মিয়া (১৯৮৭-০৯-১১) সেপ্টেম্বর ১১, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) বাংলাদেশ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
১৯ আতিকুর রহমান মিশু (১৯৮৮-০৮-২৬) আগস্ট ২৬, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) বাংলাদেশ ব্রাদার্স ইউনিয়ন
১৯ নাসিরুল ইসলাম (১৯৮৮-১০-০৫) অক্টোবর ৫, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) বাংলাদেশ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
১৯ অরূপ কুমার বৈদ্য (১৯৮৭-০৯-০২) সেপ্টেম্বর ২, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র
মোবারক হোসেন ভূইয়াঁ (১৯৯০-১২-১২) ডিসেম্বর ১২, ১৯৯০ (বয়স ২৩) বাংলাদেশ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র
আব্দুল বাতেন মজুমদার কোমল (১৯৮৭-০৮-০২) আগস্ট ২, ১৯৮৭ (বয়স ২৭) বাংলাদেশ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
১৪ মোহাম্মদ জাহিদ পারভেজ চৌধুরি (১৯৮৭-১২-২৯) ডিসেম্বর ২৯, ১৯৮৭ (বয়স ২৬) বাংলাদেশ চট্টগ্রাম আবাহনী
১৫ তৌহিদুল ইসলাম সিদ্দিক (১৯৯০-০১-২৬) জানুয়ারি ২৬, ১৯৯০ (বয়স ২৪) বাংলাদেশ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
১৫ মামুনুল ইসলাম (ক্যাপ্টেন) (১৯৮৮-১২-১২) ডিসেম্বর ১২, ১৯৮৮ (বয়স ২৫) ভারত অ্যাথলেটিকো ডি কলকাতা
১৫ আহমেদ শাকিল (১৯৮৮-০১-০৭) জানুয়ারি ৭, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) বাংলাদেশ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
১৫ ইমতিয়াজ সুলতান জিতু (১৯৯০-০২-১০) ফেব্রুয়ারি ১০, ১৯৯০ (বয়স ২৪) বাংলাদেশ ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব
১৫ মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (১৯৮৮-০৬-১৫) জুন ১৫, ১৯৮৮ (বয়স ২৬) ১৬ বাংলাদেশ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
১৫ মোহাম্মদ ইউসুফ (১৯৯০-০৭-১৬) জুলাই ১৬, ১৯৯০ (বয়স ২৪) বাংলাদেশ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র
১৫ মনেম খান রাজু (১৯৯০-০৭-০৭) জুলাই ৭, ১৯৯০ (বয়স ২৪) বাংলাদেশ ফেনী সকার ক্লাব
১৫ জামাল ভূইয়াঁ (১৯৯০-০৪-১০) এপ্রিল ১০, ১৯৯০ (বয়স ২৪) ডেনমার্ক হেলরাপ আইকে
জাহিদ হাসান এমিলি (১৯৮৭-১২-২৫) ডিসেম্বর ২৫, ১৯৮৭ (বয়স ২৬) ৩১ বাংলাদেশ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
১০ মোহাম্মদ এনামুল হক (১৯৮৫-১১-০১) নভেম্বর ১, ১৯৮৫ (বয়স ২৯) বাংলাদেশ চট্টগ্রাম আবাহনী
১১ তৌহিদুল আলম সবুজ (১৯৯০-০৯-১৪) সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯৯০ (বয়স ২৪) বাংলাদেশ ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব
১২ মিঠুন চৌধুরি (১৯৮৯-০২-১০) ফেব্রুয়ারি ১০, ১৯৮৯ (বয়স ২৫) বাংলাদেশ চট্টগ্রাম আবাহনী

কোচের তালিকা[সম্পাদনা]

  • বাংলাদেশ কাজী সালাউদ্দিন (১৯৯৩)
  • সুইজারল্যান্ড ওল্ডরিচ ভ্যাব (১৯৯৩)
  • দক্ষিণ কোরিয়া ম্যান ইয়াং ক্যাং (১৯৯৪)
  • জার্মানি ওট্টো ফিস্টার (১৯৯৪–১৯৯৭)
  • ইরাক সামির শাকির (১৯৯৮–১৯৯৯)
  • ইংল্যান্ড মার্ক হ্যারিসন (এপ্রিল ২০০০–অক্টোবর ২০০০)
  • অস্ট্রিয়া হাঙ্গেরি জর্জ কোটান (২০০০–২০০৩)
  • আর্জেন্টিনা আন্দ্রেস ক্রুসিয়ানি (আগস্ট ২০০৫–২০০৭)
  • ভারত সৈয়দ নাঈমুদ্দিন (জুলাই ২০০৭–নভেম্বর ২০০৭)
  • বাংলাদেশ আবু ইউসুফ মোহাম্মদ (মার্চ ২০০৮–জুন ২০০৮)
  • বাংলাদেশ শফিকুল ইসলাম মানিক (আগ ট ২০০৮–নভেম্বর ২০০৮)
  • ব্রাজিল ডিডো (জানুয়ারি ২০০৯–নভেম্বর ২০০৯)
  • বাংলাদেশ শহীদুর রহমান শান্ত (নভেম্বর ২০০৯–ডিসেম্বর ২০০৯)^
  • সার্বিয়া জোরান জর্জেভিচ (জানুয়ারি ২০১০–ফেব্রুয়ারি ২০১০)
  • বাংলাদেশ শফিউল বারী টিটু (ফেব্রুয়ারি ২০১০)
  • ক্রোয়েশিয়া রবার্ট রুবচিচ (সেপ্টেম্বর ২০১০–জুন ২০১১)
  • ম্যাসেডোনিয়া প্রজাতন্ত্র জর্জ ইভানোভস্কি (জুন ২০১১)
  • ম্যাসেডোনিয়া প্রজাতন্ত্র নিকোলা ইলিয়েভস্কি (জুন ২০১১–ডিসেম্বর ২০১১)
  • বাংলাদেশ শফিউল বারী টিটু (সেপ্টেম্বর ২০১২–ডিসেম্বর ২০১২)^
  • নেদারল্যান্ডস লডউইক ডি ক্রুইফ (জানুয়ারি ২০১৩– )

^ অন্তর্বর্তীকালীন

সম্মান ও অর্জন[সম্পাদনা]

চ্যাম্পিয়ন (১): ২০০৩
রানার আপ (২): ১৯৯৯, ২০০৫
স্বর্ণ পদক (২): ১৯৯৯, ২০১০
সিলভার পদক (৪): ১৯৮৪, ১৯৮৫, ১৯৮৯, ১৯৯৫
ব্রোঞ্জ পদক (১): ১৯৯১
রানার আপ (১): ১৯৮৫
৩- য় স্থান(১): ১৯৮৭
চ্যাম্পিয়ন (১): ১৯৯৫

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]