খনিজ তেল
খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম হচ্ছে প্রকৃতিতে প্রাপ্ত খয়েরি রঙের তৈলাক্ত দাহ্য পদার্থ। এর রাসায়নিক উপাদানের প্রধান উপাদানগুলো হলো কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন। এদের মধ্যে কার্বন ও হাইড্রোজেন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মিথেন ও ন্যাপথেন এবং এ্যারোমেটিক ক্রমের তরল হাইড্রোকার্বনের রাসায়নিক মিশ্রণই হচ্ছে খনিজ তেল।
পরিচ্ছেদসমূহ |
আপেক্ষিক গুরুত্ব[সম্পাদনা]
খনিজ তেলের আপেক্ষিক গুরুত্ব- ০.৮-০.৯
উপাদান[সম্পাদনা]
অপরিশোধিত তেলে যে সকল হাইড্রোকার্বন করেছে তা হলো এ্যালকাইন, সাইকো এ্যালকাইনস এবং বিভিন্ন ধরেনের অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।
| উপাদান | শতাংশ সীমা |
|---|---|
| কার্বন | ৮৩ থেকে ৮৭% |
| হাইড্রোজেন | ১০ থেকে ১৪% |
| নাইট্রোজেন | ০.১ থেকে ২% |
| অক্সিজেন | ০.১ থেকে ১.৫% |
| সালফার | ০.৫ থেকে ৬% |
| ধাতু | ১০০০ পিপিএম এর কম |
অপরিশোধিত তেলে হাইড্রোকার্বনের চার ধরনের অনু পাওয়া যায়। বিভিন্ন অঞ্চলের তেলে এর কিছুটা তারতম্য হয়ে থাকে।
| হাইড্রোকার্বন | গড় | সীমা |
|---|---|---|
| প্যারাফিনসমূহ | ৩০% | ১৫ থেকে ৬০% |
| নাপথেনসমূহ | ৪৯% | ৩০ থেকে ৬০% |
| অ্যারোমেটিকs | 15% | ৩ থেকে ৩০% |
| অ্যাসফ্যাল্টইক সমূহ | ৬% | অবশিষ্ট |
রপ্তানী[সম্পাদনা]
ক্রমানুসারে ২০০৬ সালের মোট রপ্তানীর হাজার বিবিএল/দিন|দি]] এবং হাজার এম৩/দি]]
| # | তেল রপ্তানীকারক দেশ (২০০৬) | (১০৩বিবিএল/দি) | (১০৩এম৩/দি) |
|---|---|---|---|
| ১ | সৌদি আরব (ওপেক) | ৮,৬৫১ | ১,৩৭৬ |
| ২ | রাশিয়া ১ | ৬,৫৬৫ | ১,০০৪ |
| ৩ | নরওয়ে ১ | ২,৫৪২ | ৪০৪ |
| ৪ | ইরান (ওপেক) | ২,৫১৯ | ৪০১ |
| ৫ | সংযুক্ত আরব আমিরাত (ওপেক) | ২,৫১৫ | ৪০০ |
| ৬ | ভেনেজুয়েলা (ওপেক) ১ | ২,২০৩ | ৩৫০ |
| ৭ | কুয়েত (ওপেক) | ২,১৫০ | ৩৪২ |
| ৮ | নাইজেরিয়া (ওপেক) | ২,১৪৬ | ৩৪১ |
| ৯ | আলজেরিয়া (ওপেক) ১ | ১,৮৪৭ | ২৯৭ |
| ১০ | মেক্সিকো ১ | ১,৬৭৬ | ২৬৬ |
| ১১ | লিবিয়া (ওপেক) ১ | ১,৫২৫ | ২৪২ |
| ১২ | ইরাক (ওপেক) | ১,৪৩৮ | ২৯২ |
| ১৩ | এঙ্গোলা (ওপেক) | ১,৩৬৩ | ২১৭ |
| ১৪ | কাজাকিস্তান | ১,১১৪ | ১৭৭ |
| ১৫ | কানাডা ২ | ১,০৭১ | ১৭০ |
উৎস:US Energy Information Administration[১]
- বিবিএল: ব্যারেল ইউনিট, দি: দিন
- এম৩:কিউবিক মিটার
উত্তোলনের ইতিহাস[সম্পাদনা]
১৮৫৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্ণেল ডেক প্রথম যান্ত্রিক পদ্ধতিতে তেল উত্তোলন করেন। পেনসেলভেনিয়ার অন্তর্গত টিটুসভেলিতে প্রথম ২১ মিটার গভীর তেল কূপ খনন করা হয়।
জ্বালানী তেলের বড় উৎস হচ্ছে এ তেল।
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: Petroleum |
- Petroleum - উন্মুক্ত নির্দেশিকা প্রকল্প
- Petroleum Online e-Learning resource from IHRDC
- U.S. Energy Information Administration
- American Petroleum Institute - the trade association of the US oil industry.
- Oil survey - OECD International Energy Agency
- Oil volume-weight and price converter
- Oil and Gas Industry Learning Center - information on oil and gas processes
- U.S. National Library of Medicine: Hazardous Substances Databank – Crude Oil
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |