স্টিভ হার্মিসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Steve Harmison থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
স্টিভ হার্মিসন
Steve Harmison.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামস্টিফেন জেমস হার্মিসন
জন্ম (1978-10-23) ২৩ অক্টোবর ১৯৭৮ (বয়স ৪০)
অ্যাশিংটন, নর্দাম্বারল্যান্ড, ইংল্যান্ড
ডাকনামহার্মি
উচ্চতা৬ ফুট ৪ ইঞ্চি (১.৯৩ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট
ভূমিকাবোলার
সম্পর্কবি ডব্লিউ হার্মিসন (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬১১)
৮ আগস্ট ২০০২ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট২০ আগস্ট ২০০৯ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৭৩)
১৭ ডিসেম্বর ২০০২ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ ওডিআই৩ এপ্রিল ২০০৯ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই শার্ট নং১০ (পূর্বতন ২৮)
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯৬-২০১৩ডারহাম (দল নং ১০)
২০০৭এমসিসি
২০০৭হাইভেল্ড লায়ন্স
২০১২ইয়র্কশায়ার
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৬৩ ৫৮ ২০৪ ১৪৩
রানের সংখ্যা ৭৪৩ ৯১ ১,৮২৪ ২৬৭
ব্যাটিং গড় ১১.৭৯ ৮.২৭ ৯.৮০ ৮.০৯
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ০/০ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৪৯* ১৮* ৪৯* ২৫*
বল করেছে ১৩,৩৭৫ ২,৮৯৯ ৩৮,৭২৪ ৬,৮৩৮
উইকেট ২২৬ ৭৬ ৭৩০ ১৮৪
বোলিং গড় ৩১.৮২ ৩২.৬৪ ২৭.৮৩ ৩০.৭৫
ইনিংসে ৫ উইকেট ২৭
ম্যাচে ১০ উইকেট n/a n/a
সেরা বোলিং ৭/১২ ৫/৩৩ ৭/১২ ৫/৩৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৭/– ১০/– ২৯/– ২৩/–
উৎস: CricketArchive, ২৮ জানুয়ারি ২০১৫

স্টিফেন জেমস হার্মিসন, এমবিই, ডিএল (জন্ম: ২৩ অক্টোবর, ১৯৭৮) নর্দাম্বারল্যান্ডের অ্যাশিংটন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ইংরেজ ক্রিকেটারইংল্যান্ড ক্রিকেট দলে তিনি মূলতঃ বোলার ছিলেন। এছাড়াও কাউন্টি ক্রিকেটে ডারহাম দলের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন স্টিভ হার্মিসন[১]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

২০০২ সালে ইংল্যান্ডের পক্ষে তার টেস্টএকদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে। খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতেই তিনি সফলতা লাভ করতে শুরু করেন ও ইংল্যান্ডের উদীয়মান ক্রিকেটার হিসেবে দলের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে উঠেন। ২০০৩-০৪ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে নিপুণ বোলিংয়ের স্বাক্ষর রাখেন। সিরিজে তিনি সর্বাধিক উইকেট লাভ করেন। এরপর ২০০৫ সালের অ্যাশেজ সিরিজে ইংল্যান্ডের স্মরণীয় জয়ে ভূমিকা রাখেন। ঐ বছরেই তিনি উইজডেন কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে ভূষিত হন। একই সময়ে তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফাস্ট বোলাররূপে বিবেচিত হন।

১ সেপ্টেম্বর, ২০০৪ তারিখে নটিংহ্যামের ট্রেন্ট ব্রিজে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিকে মোহাম্মদ কাইফ, লক্ষ্মীপতি বালাজীআশিষ নেহরাকে আউট করে হ্যাট্রিক করার গৌরব লাভ করেন।[২]

মূল্যায়ণ[সম্পাদনা]

৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী হার্মিসন যে-কোন ধরনের পিচে অতিরিক্ত বাউন্স করাতে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি নিয়মিতভাবে বলকে সুইং করাতেন ও ঘন্টায় ৯০ মাইলে বোলিংয়ে সক্ষম ছিলেন।[৩] তবে মাঝে-মধ্যে বাজে বোলিংয়েও সকলের কাছে বিরক্তিকর অবস্থায় নিপতিত হন। তন্মধ্যে, ২০০৬ সালের অ্যাশেজ সিরিজে দ্বিতীয় স্লিপ বরাবর বোলিং করেন যা ওয়াইডে পরিণত হয়। এরফলে ধারাভাষ্যকারগণ `ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বাজে বোলিংরূপে' আখ্যায়িত করেন।[৪] তা স্বত্ত্বেও বোলিংয়ে তার দক্ষতার বিষয়ে কোন প্রশ্নবোধক চিহ্ন অঙ্কিত হয়নি। ২০০৭ সালে সাবেক অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার শেন ওয়ার্ন হার্মিসনকে ৫০ সেরা ক্রিকেটারদের একজনরূপে আখ্যায়িত করেন। [৫]

অবসর[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে একদিনের আন্তর্জাতিক থেকে অবসরের ঘোষণা দেন হার্মিসন। শারীরিক যোগ্যতার অভাবে ইংরেজ দলে সুযোগ লাভের সম্ভাবনা অনেকাংশে দায়ী ছিল। ২০০৯ সালে একদিনের আন্তর্জাতিক থেকে অবসর নেন। ২০০৯ সালে দল থেকে বাদ পড়েন। ২০০৯ সালের অ্যাশেজ সিরিজে তিনি তার সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন।[৬] একই বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেন।[৭] অবশেষে অক্টোবর, ২০১৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় জানান নিজেকে।[৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Steve Harmison joins Yorkshire on a month's loan from Durham"BBC। ৭ জুলাই ২০১২। 
  2. "1st Match: England v India at Nottingham, Sep 1, 2004"ক্রিকইনফো। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০০৯ 
  3. "England's unkickable habit"Cricinfo। ৮ অক্টোবর ২০০৯। 
  4. "Steve Harmison: 'If I don't play for England again I've got the memories'"The Independent। London। ৩১ জুলাই ২০১০। 
  5. "Shane Warne's 50 greatest cricketers – Harmison has all the tools for greatness"The Times। London। ২৮ আগস্ট ২০০৭। 
  6. "England v Australia 2009 / Scorecard"Cricinfo। আগস্ট ২০০৯। 
  7. "West Indies v England 2008–09 / Scorecard"Cricinfo। ৩ এপ্রিল ২০০৯। 
  8. Brenkley, Stephen (৬ অক্টোবর ২০১৩)। "Former England bowler Steve Harmison announces retirement from cricket"The Independent। London। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


আরও দেখুন[সম্পাদনা]