সাইমন ডৌল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Simon Doull থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সাইমন ডৌল
SimonDoull2008.jpg
২০০৮ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে সাইমন ডৌল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামসাইমন ব্লেয়ার ডৌল
জন্ম (1969-08-06) ৬ আগস্ট ১৯৬৯ (বয়স ৫০)
পুককোহে, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম পেস
ভূমিকাবোলার
সম্পর্কলিঙ্কন ডৌল (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৭৮)
১ নভেম্বর ১৯৯২ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ টেস্ট২৪ মার্চ ২০০০ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৭৮)
৩১ অক্টোবর ১৯৯২ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই৩ মার্চ ২০০০ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮৯ - ২০০২নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি ‌এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৩২ ৪২ ৯৯ ১২৬
রানের সংখ্যা ৫৭০ ১৭২ ১,৯৩৮ ৯১৯
ব্যাটিং গড় ১৪.৬১ ১২.২৮ ১৯.৫৭ ১২.৪১
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ১/৪ ০/৩
সর্বোচ্চ রান ৪৬ ২২ ১০৮ ৮০
বল করেছে ৬,০৫৩ ১,৭৪৫ ১৫,৩৩২ ৫,১২৩
উইকেট ৯৮ ৩৬ ২৫০ ১০৭
বোলিং গড় ২৯.৩০ ৪০.৫২ ২৮.৯৩ ৩৫.১৪
ইনিংসে ৫ উইকেট ১২
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৭/৬৫ ৪/২৫ ৭/৬৫ ৪/১৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৬/– ১০/– ২৮/– ৪০/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২ অক্টোবর ২০১৯

সাইমন ব্লেয়ার ডৌল (ইংরেজি: Simon Doull; জন্ম: ৬ আগস্ট, ১৯৬৯) পুককোহে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯২ থেকে ২০০০ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি মিডিয়াম পেস বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন সাইমন ডৌল

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯০-এর দশকে ওয়েলিংটনের পক্ষে খেলা লিঙ্কন ডৌলের কনিষ্ঠ ভ্রাতা তিনি। ১৯৮৯-৯০ মৌসুম থেকে ২০০১-০২ মৌসুম পর্যন্ত সাইমন ডৌলের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল।

ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের ক্ষেত্রে উভয় প্রান্ত থেকে সুইং বোলিংয়ে সক্ষমতা দেখিয়েছেন। ক্রমাগত আঘাতপ্রাপ্তির কারণে খেলোয়াড়ী জীবন সংক্ষিপ্তরূপ ধারন করে। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে আঘাত তার নিত্যসঙ্গী ছিল। তন্মধ্যে পিঠের সমস্যা অন্যতম ছিল।[১]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ৩২ টেস্ট ও ৪২টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন সাইমন ডৌল। ১ নভেম্বর, ১৯৯২ তারিখে বুলাওয়েতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৪ মার্চ, ২০০০ তারিখে ওয়েলিংটনে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৯৮ সালে ওয়েলিংটন টেস্টে স্বর্ণালী সময় অতিবাহিত করেন। ব্যাসিন রিজার্ভে বক্সিং ডেতে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে ৭/৬৫ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। এ পরিসংখ্যানটি যে-কোন নিউজিল্যান্ডীয় বোলারের মধ্যে চতুর্থ সেরা। প্রথম পাঁচ ভারতীয় ব্যাটসম্যান তার শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। ঐ টেস্টে স্বাগতিক দল জয়ী হয়েছিল। এরফলে, ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে প্রকাশিত আইসিসি র‍্যাঙ্কিয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ৬ নম্বর অবস্থানে পৌঁছেন।[২]

১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। তবে, প্রথম একাদশে খেলতে পারেননি। ঐ প্রতিযোগিতায় তার দল সেমি-ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৯ উইকেটে পরাজিত হয়ে বিদায় নেয়। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে হাঁটুর আঘাতের কারণে স্বাভাবিক ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করতে পারেননি তিনি।[৩] জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনে পড়ে তার।

অবসর[সম্পাদনা]

সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরে আসার পর ঐ গ্রীষ্মে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুইটি ওডিআই ও দুইটি টেস্টে অংশ নেন। মার্চ, ২০০০ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। দূর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যানদের উপরে ছড়ি ঘোরাতে পারেননি। ফলশ্রুতিতে, চূড়ান্ত টেস্টে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের দলীয় সঙ্গী ড্যারিল টাফি’র কাছে স্থানচ্যুতি ঘটে তার।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ধারাভাষ্য ও সম্প্রচার কর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েন। বর্তমানে নিউজিল্যান্ডভিত্তিক স্কাই স্পোর্টসে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করছেন। দ্য রক নামীয় বেতার কেন্দ্রে মর্নিং রাম্বল দলের সাথে জড়িত রয়েছেন। এক পর্যায়ে ২০০২-০৩ মৌসুমে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে নেদারল্যান্ডসের পক্ষে খেলেন। ২০০৮ সালে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের সূচনালগ্ন থেকে ধারাভাষ্যকারের দায়িত্বে রয়েছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bidwell, Peter (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯)। "Sports – Doull aiming for long summer"। The Dominion 
  2. "Simon Doull Bowling Test Ranking Statistics"। LG ICC Player Rankings। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-১১-০৭ 
  3. "Doull, Allott suffer contrasting fates"। New Zealand Press Association। ১৮ জানুয়ারি ২০০০। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]