ম্যাথু বেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ম্যাথু বেল
Matthew Bell Cricketer.png
২০১৯ সালের সংগৃহীত স্থিরচিত্রে ম্যাথু বেল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামম্যাথু ডেভিড বেল
জন্ম (1977-02-25) ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ (বয়স ৪৪)
ডুনেডিন, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাশীর্ষসারির ব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২০৬)
২৬ ডিসেম্বর ১৯৯৮ বনাম ভারত
শেষ টেস্ট২২ মার্চ ২০০৮ বনাম ইংল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১০৭)
২৪ অক্টোবর ১৯৯৮ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই১৭ এপ্রিল ২০০১ বনাম শ্রীলঙ্কা
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯৩–১৯৯৭নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস
১৯৯৭–২০১১ওয়েলিংটন
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১৮ ১৬৬ ১৫৬
রানের সংখ্যা ৭২৯ ১৩৩ ৯,৭৬৮ ৩,৭৩১
ব্যাটিং গড় ২৪.৩০ ১৯.০০ ৩৬.৮৬ ২৭.২৩
১০০/৫০ ২/৩ ০/১ ২৪/৫৩ ৪/২২
সর্বোচ্চ রান ১০৭ ৬৬ ২৬৫ ১২৪
বল করেছে ৩১
উইকেট
বোলিং গড়
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৯/– ১/– ১৩৭/– ৭১/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ম্যাথু ডেভিড বেল (ইংরেজি: Matthew Bell; জন্ম: ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৭) ডুনেডিন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস ও ওয়েলিংটন দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন ম্যাথু বেল

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯৩-৯৪ মৌসুম থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ম্যাথু বেলের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডীয় ঘরোয়া ক্রিকেটে ওয়েলিংটনের পক্ষে খেলেছেন। শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান ম্যাথু বেল নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের সদস্যরূপে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন করেন। ১৯৯৪ সালের ঐ প্রথম-শ্রেণীর খেলায় হিট উইকেটে তিনি বিদেয় হন। নিজস্ব তৃতীয় মৌসুমে শতরানের ইনিংস খেলেন। ১৯৯৮ সালে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলার জন্যে বিবেচিত হন। পেটের পীড়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে ও পুরো গ্রীষ্মে খেলার জগৎ থেকে বিরত ছিলেন।

৯ মার্চ, ১৯৯৪ তারিখে নিউজিল্যান্ড একাডেমির বিপক্ষে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের সদস্যরূপে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ম্যাথু বেলের অভিষেক ঘটে। মাঝারিসারিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৪ ও ১০ রান সংগ্রহ করেন।[১] পরবর্তী খেলায় তার ব্যাটিংয়ের অবস্থান পরিবর্তিত করে উদ্বোধনে নামানো হয়। এ অবস্থানটি তার প্রিয় ছিল। ওয়েলিংটনের বিপক্ষে ৪৩ ও ৬০ রান করেন। এ দলটিতে ১৯৯৭ সালে যোগ দিয়েছিলেন।[২]

তার খেলার ধরনে দল নির্বাচকমণ্ডলীর টনক নড়ে। ১৯৯৬ সালে সফররত জিম্বাবুয়ীয় একাদশের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডীয় একাদশের সদস্যরূপে খেলেন।[৩] এর ছয়দিন পর একই দলের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড একাডেমির প্রতিনিধিত্ব করে ৮৩ রান তুলেন।[৪] একাডেমি দলের সদস্যরূপে ১৯৯৭ সালের গ্রীষ্মে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেন। দক্ষিণ আফ্রিকান একাডেমি দলের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও সর্বশেষ চারদিনের খেলায় অর্ধ-শতক ও অপরাজিত ১০৫ রান তুলেন।[৫]

১৯৯৮ সালে নিউজিল্যান্ড এ দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভুক্ত হন ও জিম্বাবুয়ে দলের মুখোমুখি হন। ৫০ রান তুলে এ-দলের ইনিংস বিজয়ে অবদান রাখেন।[৬] এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে করেন ৯১ রান। [৭] এরফলে, টেস্ট দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণবার্তা লাভ করেন।

শুরুরদিকে একদিনের খেলায় কম সফল হয়েছিলেন। তবে, ১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে খেলায় বৈপ্লবিক উত্তরণ ঘটান। প্রথমে ওয়েলিংটনের পক্ষে ৪৩.৬৪ গড়ে ৬১১ রান তুলেন।[৮]

২০০১ সালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিউজিল্যান্ড দল থেকে বাদ পড়লে ওয়েলিংটনে চলে যান ও সেখানকার ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় নিয়মিত রানের সন্ধান পান। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে ইতোমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেন। ২০০৩-০৪ মৌসুমে ৪৫.৫৮ গড়ে ৭৭৫ রান তুলেন। ২০০৫-০৬ মৌসুমে ৪৬.০৭ গড়ে ৬৪৫ রান সংগ্রহ করেন। ২০০৭-০৮ মৌসুমের শুরুটা ছিল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে খেলোয়াড়ী জীবনের ব্যক্তিগত সেরা ২৬৫ রানের মাধ্যমে।[৯] এরপর ক্যান্টারবারির বিপক্ষে অপরাজিত ১৮৮ রান তুলেন।[১০]

ক্রিকেটের দীর্ঘ সংস্করণে ম্যাথু বেল সর্বদাই দূর্দান্ত খেলেছিলেন। প্রথম-শ্রেণীর রেকর্ডের সাথে লিস্ট এ রেকর্ডও দারুণ ছিল। ২০০৫-০৬ মৌসুমে সেরা সময় অতিবাহিত করেন। ৩৩.৮৪ গড়ে ২০৩ রান তুলেন।[৮] এ সময়ে ওয়েলিংটন ফায়ারবার্ডসের পক্ষে খেলে ২০০০-০১ ও ২০০৩-০৪ মৌসুমের স্টেট চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা জয়ের পাশাপাশি ২০০১-০২ মৌসুমে স্টেট শিল্ড জয় করে তার দল।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে আঠারোটি টেস্ট ও সাতটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন ম্যাথু বেল। ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে ওয়েলিংটনে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২২ মার্চ, ২০০৮ তারিখে ন্যাপিয়ারে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

অক্টোবর, ১৯৯৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের সদস্যরূপে একদিনের আন্তর্জাতিকে ম্যাথু বেলের অভিষেক ঘটে। ২ রান সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন তিনি।[১১] এরপর, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬ রান সংগ্রহ করেন।[১২] ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে নিজ শহর ওয়েলিংটনে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয় তার। ভারতের প্রথম ইনিংসে শচীন তেন্ডুলকরের ক্যাচ তালুবন্দী করেন। এরপর ব্যাট হাতে ৪ ও রান করেন। শীর্ষসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যর্থতার স্বাক্ষর রাখা সত্ত্বেও স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দল চার উইকেটে জয়লাভ করে।[১৩] তৃতীয় টেস্টের জন্যেও তাকে দলে রাখা হয়। প্রথম ইনিংসে দুই বল খেলে শূন্য রানে বিদেয় হন। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে অভিজ্ঞতাপুষ্ট ভারতীয় বোলিং আক্রমণ মোকাবেলা করে ২৫ রান তুলতে সক্ষম হন।[১৪]

দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি[সম্পাদনা]

চার ইনিংসে ৭.২৫ গড়ে মাত্র ২৯ রান তুলেন। তাসত্ত্বেও, ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ সালে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অকল্যান্ড টেস্টে তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকা দল ৬২১/৬ তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। এর জবাবে নিউজিল্যান্ড দল ব্যাটিংয়ে নামে। ৬ রান তুলেন। ফলো-অনের কবলে পড়ে পুনরায় ৬ রান করেন। নিউজিল্যান্ড দল ড্র করতে সক্ষম হয়। তবে, তাকে দলের বাইরে রাখা হয়।[১৫]

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একদিনের খেলায় অংশ নিয়ে ৩৭ রান করেন। এটিই ঐ বছরে দলের পক্ষে তার একমাত্র অংশগ্রহণ ছিল।[১৬] ঐ বছরের শেষদিকে ইংল্যান্ড গমনার্থে নিউজিল্যান্ডের টেস্ট দলে অন্তর্ভুক্ত হন। ওল্ড ট্রাফোর্ডে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে ৮৩ রান তুলেন।[১৭]

১৯৯৯-২০০০ মৌসুমে ভারত গমনে তাকে নিউজিল্যান্ড দলে রাখা হয়। সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে অংশগ্রহণ করলেও উল্লেখযোগ্য রানের সন্ধান পাননি।[১৮] দল থেকে বাদ পড়ার পর পুনরায় দলে ফিরে আসেন। মার্চ, ২০০১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নিয়ে ৭৫ রান সংগ্রহ করেন।[১৯] নিজস্ব প্রথম শতরানের কল্যাণে তৃতীয় টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ড দল জয় পায় ও সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্র হয়।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় টেস্ট খেলার পূর্বে প্রস্তুতিমূলক খেলায় ১০৫ রান তুলে দলকে ইনিংস ব্যবধানে জয়লাভ করতে সহায়তা করেন।[২০] তিন টেস্ট নিয়ে গড়া সিরিজের সবগুলো খেলাই ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল।[২১] কিন্তু, পরবর্তী খেলাগুলোয় তেমন রান তুলতে পারেননি। ফলশ্রুতিতে, আরও একবার দলের বাইরে তাকে অবস্থান করতে হয়।

এপ্রিল, ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আরও চারটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নেন। প্রথম তিনটি খেলায় এক অঙ্কের রান তুলেন। এরপর, চতুর্থ ওডিআইয়ে ৬৬ রান তুলতে সমর্থ হন।[২২] এরপর থেকে আর তাকে একদিনের দলে খেলার জন্য বিবেচনানয় আনা হয়নি।

জাতীয় দলে প্রত্যাবর্তন[সম্পাদনা]

২০০৪-০৫ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে নিউজিল্যান্ড এ-দলের সদস্যরূপে তাকে দলে রাখা হয়। তিনটি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে পাঁচ ইনিংসে মাত্র ৪৩ রান তুলেন। তবে, এ সফরে একদিনের খেলাগুলো বেশ ভালোভাবে উপভোগ করেছিলেন। তিনটি খেলার মধ্যে দুইটিতে অর্ধ-শতক করেন। ৩৫.০০ গড়ে রান পেয়েছিলেন তিনি।[২৩]

জানুয়ারি, ২০০৮ সালে দীর্ঘ ছয় বছর টেস্ট দল থেকে দূরে সড়ে থাকার পর সফরকারী বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলার জন্যে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।[২৪] প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৭ রানের ব্যক্তিগত সেরা সংগ্রহ করেন। দুইটি ক্যাচ তালুবন্দী করাসহ দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ২০ রান তুলে দলকে নয় উইকেটে জয়লাভে ভূমিকা রাখেন। পরবর্তীতে, নিজ দেশে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলার জন্যে মনোনয়ন লাভ করেন। প্রথম টেস্টে ১৯ ও ০ এবং দ্বিতীয় টেস্টে ০ ও ২৯ রান করেন।[২৫]

অবসর[সম্পাদনা]

২০১৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরকে ঘিরে জ্যাকব ওরামের সাথে তাকেও নিউজিল্যান্ড মহিলা ক্রিকেট দলের সহকারী কোচের দায়িত্ব পালনের কথা ঘোষণা করা হয়। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ২০১৫ সালে হোয়াইট ফার্নসের সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।[২৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Cricket Archive
  2. Cricket Archive
  3. Cricket Archive
  4. Cricket Archive
  5. "Cricket Archive"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  6. Cricket Archive
  7. Cricket Archive
  8. "Archive & Stats"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  9. Cricket Archive
  10. Cricket Archive
  11. "Archive & Stats"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  12. "Archive & Stats"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  13. "Archive & Stats"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  14. "Archive & Stats"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  15. "Archive & Stats"। ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  16. "Archive & Stats"। ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  17. "Archive & Stats"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  18. "Cricket Archive"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  19. "Archive & Stats"। ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  20. "Archive & Stats"। ১৪ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  21. "Cricket Archive"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  22. "Archive & Stats"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  23. "Cricket Archive"। ৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 
  24. Cricket World (৩১ ডিসেম্বর ২০০৭)। "Matthew Bell Recalled To New Zealand Test Squad"। Cricket World। ২০০৮-১২-০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০১-০১ 
  25. Cricket World/CricketArchive (২ জানুয়ারি ২০০৭)। "New Zealand v Bangladesh 1st Test Scorecard"। Cricket World/CricketArchive। ৭ জানুয়ারি ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০১-০৫ 
  26. Cricket, New। "Matthew Bell"www.blackcaps.co.nz। ২০১৫-০৭-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৭-০৫ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]