স্টিভ স্মিথ (ক্রিকেটার, জন্ম ১৯৬১)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
স্টিভ স্মিথ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামস্টিভেন ব্যারি স্মিথ
জন্ম (1961-10-08) ৮ অক্টোবর ১৯৬১ (বয়স ৫৭)
সিডনি, নিউ সাউথ ওয়েলস, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরন-
ভূমিকাব্যাটসম্যান, কোচ
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৩২৩)
২ মার্চ ১৯৮৪ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টেস্ট২৮ এপ্রিল ১৯৮৪ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৭৫)
৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮১ - ১৯৮৯নিউ সাউথ ওয়েলস
১৯৮৯ - ১৯৯১ট্রান্সভাল
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২৮ ৯০ ৮৯
রানের সংখ্যা ৪১ ৮৬১ ৫,২৪৮ ২,৮১৬
ব্যাটিং গড় ৮.১৯ ৩৯.১৩ ৩৫.৯৪ ৩৮.৫৭
১০০/৫০ -/- ২/৮ ১২/২৬ ৩/২৫
সর্বোচ্চ রান ১২ ১১৭ ২৬৩ ১১৭
বল করেছে - ১১৫ ২৭৭
উইকেট - -
বোলিং গড় - - ৭৭.০০ ২৯.২৮
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - - -
সেরা বোলিং - - ১/৩৫ ২/১৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/- ৮/- ৬৬/- ২০/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৯ জুলাই ২০১৯

স্টিভেন ব্যারি স্মিথ (ইংরেজি: Steve Smith; জন্ম: ১৮ অক্টোবর, ১৯৬১) নিউ সাউথ ওয়েলসের সিডনিতে জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ সময়কালে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন স্টিভ স্মিথ। ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে শ্রীলঙ্কা, ১৯৮৩-৮৪ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে ভারত গমন করেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলস ও দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গটেং দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। ১৯৮৫-৮৬ ও ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে তৎকালীন নিষিদ্ধঘোষিত দক্ষিণ আফ্রিকায় অস্ট্রেলীয় বিদ্রোহী দলের সদস্যরূপে গমন করেন। ৫২.৮৬ গড়ে ১১৬৩ রান তুলেন। দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননায় ভূষিত হন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৭ বছর বয়সে ব্যাংকসটাউনের পক্ষে স্তরভিত্তিক ক্রিকেটে স্টিভ স্মিথের অভিষেক ঘটে। বিখ্যাত টেস্ট ক্রিকেটার নর্ম ও’নীল তার মাতৃসম্পর্কীয় আত্মীয় ছিলেন। তবে, গ্রেড ক্রিকেটার পিতার উদ্দীপনায় তাকে ক্রিকেটের দিকে ধাবিত করেছে বলে জানান। ২০ বছর বয়সে ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে সমর্থ হন ও উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের অবস্থানে চলে আসেন।[১]

১৯৮১-৮২ মৌসুম থেকে ১৯৯০-৯১ মৌসুম পর্যন্ত স্টিভ স্মিথের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৯৮১-৮২ মৌসুমের শুরুতে ১৬২ ও ২১৫ রানের ইনিংস খেলেন। ফলশ্রুতিতে ঐ গ্রীষ্মে নিউ সাউথ ওয়েলসের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলার জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন। উদ্বোধনী খেলায় ৩৫ রান তুলেন তিনি।[২] ৪০ গড়ে ২৪৫ রান তুলেছিলেন তিনি। পরের মৌসুমেও তার সুন্দর ক্রীড়াশৈলী অব্যাহত থাকে। শেফিল্ড শিল্ডে সর্বোচ্চ ২৬৩ রান তুলেন। এছাড়াও ঐ মৌসুমে ১১৭ রানের আর একটি ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।[৩]

একদিনের আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

ঘরোয়া ক্রিকেটে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ অস্ট্রেলিয়ার একদিনের দলের সদস্যরূপে তাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় খেলায় ১৩০ বলে ১১৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস উপহার দেন।[৪][৫] ১৯৮২-৮৩ মৌসুমে শ্রীলঙ্কা গমনের উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য করা হয়।

১৯৮৩-৮৪ মৌসুমের ঘরোয়া ক্রিকেটে ক্রমাগত রান করে গেছেন। ৪৩.৬৩ গড়ে ৪৮০টি প্রথম-শ্রেণীর রান পেয়েছেন। একদিনের আন্তর্জাতিকের উপযোগী চমৎকার ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০৬ রান করেন।[৬][৭] ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুইটি অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেন। ১৯৮৪ সালের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমনে তাকে দলে রাখা হয়। একদিনের চূড়ান্ত খেলায় কাঁধের আঘাত নিয়ে তার খেলা সন্দেহের পর্যায়ে উপনীত হয়েছিল।[৮] কিন্তু, নির্দিষ্ট সময়ে তিনি আরোগ্য অনুভব করেন।[৯]

টেস্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন স্টিভ স্মিথ। ২ মার্চ, ১৯৮৪ তারিখে জর্জটাউনে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৮ এপ্রিল, ১৯৮৪ তারিখে কিংস্টনে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দূর্দান্তভাবে যাত্রা শুরু করেন স্টিভ স্মিথ। গায়ানার বিপক্ষে ড্র হওয়া প্রথম খেলার উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন তিনি। ঐ দেশে দশ বছরের মধ্যে এটিই প্রথম এ ধরনের কৃতিত্ব ছিল।[১০][১১][১২] প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিকে ৬০ রান তুলে খেলায় তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।[১৩] ব্যাট হাতে স্মিথের চমৎকার ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি রজার ওলি’র স্ট্যাম্পের পিছনে দূর্বলতা লক্ষ্য করা যায়। ফলশ্রুতিতে, দল নির্বাচকমণ্ডলী স্টিভ স্মিথকে ব্যাটিং উদ্বোধনের জন্যে নির্বাচিত করা হয় এবং ওয়েন বি ফিলিপসকে ব্যাটিংয়ের স্থান পরিবর্তন করা হয় ও উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়।

প্রথম টেস্টটি স্টিভ স্মিথের জন্যে সুখকর ছিল না। ৩ ও ১২ রান তুলে উভয় ইনিংসে জোয়েল গার্নারের শিকারে পরিণত হন।[১৪] তবে, তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে কার্যকরী ২৭ রান তুলে দ্বিতীয় ওডিআইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিজয়ে কিছুটা ভূমিকা রাখেন।[১৫] দ্বিতীয় টেস্টের জন্যেও তাকে দলে রাখা হয়। কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ মুহুর্তে ডিন জোন্সকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়।

সফরের পরবর্তী খেলায় নির্ধারিত সময়ে বার্বাডোসের বিপক্ষে খেলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৬ রান তুলেন।[১৬] তৃতীয় টেস্টে অংশ নিলেও ব্যর্থ হন। এবার উভয় ইনিংসে ম্যালকম মার্শাল তাকে আউট করেন।[১৭] চতুর্থ টেস্টে দলের বাইরে অবস্থান করেন। উইনওয়ার্ড আইল্যান্ডসের বিপক্ষে জ্বলে উঠেন। সেঞ্চুরি করেন তিনি।[১৮] জ্যামাইকার বিপক্ষে করেন ৮৪ রান।[১৯] একদিনের আন্তর্জাতিকে করেন ৫০ রান।[২০][২১] সিরিজের চূড়ান্ত টেস্টে তাকে আবারও খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রথম ইনিংসে ৯ রান তুলেন। আঘাতের কারণে দ্বিতীয় ইনিংসে মাঠেই নামতে পারেননি স্টিভ স্মিথ।[২২]

১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে দলের সাথে ভারত গমন করেন। অর্ধ-শতরানের ইনিংস খেলেন ও সুন্দর ফিল্ডিং করে সুনীল গাভাস্কারকে বিমোহিত করেন। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে বেশ কয়েকটি একদিনের খেলায় অংশ নেন ও তিনটি অর্ধ-শতরান করেন। কেবলমাত্র আঘাতের কারণেই তাকে মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়েছিল।[২৩] কিন্তু, টেস্ট দলে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়নি। পুরো গ্রীষ্মকালে কোন প্রথম-শ্রেণীর সেঞ্চুরির সন্ধান পাননি তিনি।[২৪]

দক্ষিণ আফ্রিকা গমন[সম্পাদনা]

ভারত গমনকালে গ্রাহাম ইয়ালপের কাছ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে অস্ট্রেলিয়া একাদশের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমনের প্রস্তাবনা পান। ১৯৮৫ সালের শুরুতে শারজাহ কিংবা ইংল্যান্ডে অস্ট্রেলিয়া দলে তার অন্তর্ভূক্তি ঘটেনি। ফলশ্রুতিতে, দক্ষিণ আফ্রিকা গমনে মনঃস্থির করেন। ১৯৮৫-৮৬ ও ১৯৮৬-৮৭ - এ দুই মৌসুমের জন্যে চুক্তিবদ্ধ হন।

এ সফর আয়োজনের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে দলীয় ব্যবস্থাপক ব্রুস ফ্রান্সিস উল্লেখ করেন যে, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট থেকে ডার্ক ওয়েলহাম, ওয়েন বি. ফিলিপস ও গ্রেইম উডের সাথে তিনিও ক্যারি প্যাকারের সাথে চুক্তিতে উপনীত হয়েছিলেন। তবে, প্যাকার তিনজনকে দক্ষিণ আফ্রিকা গমনের অনুমতি দিলেও তাকে দেননি।[২৫] ফ্রান্সিস মন্তব্য করেন যে, তিনি ভেবেছিলেন যে স্মিথ হয়তোবা এ সফরে আংশিকভাবে কর মওকুফ অবস্থায় $২০০০০০ ডলার লাভের উদ্দেশ্যে যাবেন। এ সফরে তিনি যে কেবলমাত্র একদিনের উপযোগী খেলোয়াড় এ ধারনা ভেঙ্গে ফলার সুযোগ ছিল তার।[২৬]

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম সফরে আঘাতের কারণে কেবলমাত্র একটি টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন স্টিভ স্মিথ। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।[২৭] এছাড়াও, একদিনের আন্তর্জাতিকে দুই অর্ধ-শতরান করেন। দ্বিতীয় সফরের তৃতীয়[২৮] ও চতুর্থ অনানুষ্ঠানিক টেস্টে সেঞ্চুরি করেন।[২৯] অন্য যে-কোন অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যানের তুলনায় এ সফরে সর্বাধিক প্রথম-শ্রেণীর রান তুলেন।[৩০]

অবসর[সম্পাদনা]

দুই মৌসুম পর অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে আসেন। কিন্তু, পূর্বেকার সুন্দর ক্রীড়াশৈলী আর ধরে রাখতে পারেননি। দুই গ্রীষ্মে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ৮৪ রান তুলেছিলেন। ফলে, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় ফিরে যান ও দুই মৌসুম ট্রান্সভালের পক্ষে খেলেন। এরপর প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটকে বিদায় জানান স্টিভ স্মিথ।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ইনডোর ক্রিকেট সেন্টার পরিচালনা করতে থাকেন। ব্যাংকসটাউনের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিউ সাউথ ওয়েলসের দল নির্বাচকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Dorothy, Goodwin (৬ ডিসেম্বর ১৯৮১)। "Steve's Running Hot"The Sydney Morning Herald। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১২ – Google Newspaper Archive-এর মাধ্যমে। 
  2. "It's just a question of tactics now for NSW."The Canberra Times। ২১ ডিসেম্বর ১৯৮১। পৃষ্ঠা 24। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৬National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  3. "CRICKET Opener rips Victoria."The Canberra Times। ২৯ জানুয়ারি ১৯৮৩। পৃষ্ঠা 40। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৬ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  4. "2nd Final: Australia v New Zealand at Melbourne"ESPNcricinfo। ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩। 
  5. 'Steve Smith's Century', The Age, 2 February 2007 accessed 22 July 2012
  6. "Smith's crisp 106 crushes Pakistan."The Canberra Times। ২৬ জানুয়ারি ১৯৮৪। পৃষ্ঠা 22। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৬ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  7. "10th Match: Australia v Pakistan at Sydney"Cricinfo। ২৫ জানুয়ারি ১৯৮৪। 
  8. Mossop, Brian (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪)। "Tour Pair in Doubt"The Sydney Morning Herald। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০১২ – Google Newspaper Archive-এর মাধ্যমে। 
  9. "WEST INDIES CRICKET TOUR Smith and Ritchie cleared to go."The Canberra Times। ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪। পৃষ্ঠা 20। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৬ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  10. McFarline, Peter (২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪)। "Lawson troubled by sore back"The Sydney Morning Herald। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০১২ – Google Newspaper Archive-এর মাধ্যমে। 
  11. "Guyana v Australians, Australia in West Indies 1983/84, Venue Bourda, Georgetown on 24th, 25th, 26th, 27th February 1984 (4-day match)"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  12. "Australia 301 ahead Smith hits 116 in hint to selectors."The Canberra Times। ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪। পৃষ্ঠা 22। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৬ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  13. "West Indies v Australia, Australia in West Indies 1983/84 (1st ODI), Venue Albion Sports Complex"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive। ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৪। 
  14. "West Indies v Australia, Australia in West Indies 1983/84 (1st Test) Venue Bourda, Georgetown on 2nd, 3rd, 4th, 6th, 7th March 1984"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১২ 
  15. "West Indies v Australia, Australia in West Indies 1983/84 (2nd ODI), Venue Queen's Park Oval, Port of Spain on 14th March 1984 (50-over match)"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  16. "Barbados v Australians, Australia in West Indies 1983/84, Venue Kensington Oval, Bridgetown on 24th, 25th, 26th, 27th March 1984"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  17. "West Indies v Australia, Australia in West Indies 1983/84 (3rd Test), Venue Kensington Oval, Bridgetown on 30th, 31st March, 1st, 3rd, 4th April 1984"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  18. "Windward Islands v Australians, Australia in West Indies 1983/84, Venue Mindoo Phillip Park, Castries on 14th, 15th, 16th, 17th April 1984"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  19. "Jamaica v Australians, Australia in West Indies 1983/84 Venue Jarrett Park, Montego Bay on 23rd April 1984"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  20. "West Indies v Australia, Australia in West Indies 1983/84 (4th ODI) Venue Sabina Park, Kingston on 26th April 1984"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  21. "CRICKET Smith and Matthews make Test claims."The Canberra Times। ১৬ এপ্রিল ১৯৮৪। পৃষ্ঠা 21। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৬ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  22. "West Indies v Australia Australia in West Indies 1983/84 (5th Test) Venue Sabina Park, Kingston on 28th, 29th, 30th April, 2nd May 1984"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  23. "Smith to miss tomorrow's cricket final."The Canberra Times। ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫। পৃষ্ঠা 1। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৬ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  24. "Smith reminds the selectors."The Canberra Times। ১৭ মার্চ ১৯৮৫। পৃষ্ঠা 6 Section: SPORT। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৬ – National Library of Australia-এর মাধ্যমে। 
  25. Francis p150
  26. Francis p133
  27. "South Africa v Australian XI, Australian XI in South Africa 1985/86 Venue New Wanderers Stadium, Johannesburg on 16th, 17th, 18th, 20th, 21st January 1986 (5-day match)"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  28. "South Africa v Australian XI, Australian XI in South Africa 1986/87, Venue Kingsmead, Durban on 17th, 19th, 20th, 21st, 22nd January 1987"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  29. "South Africa v Australian XI Australian XI in South Africa 1986/87 Venue St George's Park, Port Elizabeth on 30th, 31st January, 2nd, 3rd, 4th February 1987"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 
  30. "First-class batting and fieldiong for Australian XI, Australian XI in South Africa 1986/87"অর্থের বিনিময়ে সদস্যতা প্রয়োজনCricketArchive 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]