ব্রুস ফ্রান্সিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ব্রুস ফ্রান্সিস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামব্রুস কলিন ফ্রান্সিস
জন্ম (1948-02-18) ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ (বয়স ৭১)
মোসম্যান, নিউ সাউথ ওয়েলস, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২৫৮)
৮ জুন ১৯৭২ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৩ জুলাই ১৯৭২ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৬৮/৬৯ - ১৯৭৪/৭৫নিউ সাউথ ওয়েলস
১৯৭১, ১৯৭৩এসেক্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১০৯ ৫০
রানের সংখ্যা ৫২ ৬১৮৩ ১৩২৬
ব্যাটিং গড় ১০.৪০ ৩৩.৯৭ ৩০.১৩
১০০/৫০ -/- ১৩/৩১ ২/৬
সর্বোচ্চ রান ২৭ ২১০ ১০৭
বল করেছে - ১৭ -
উইকেট - -
বোলিং গড় - ১৫.০০ -
ইনিংসে ৫ উইকেট - - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - - -
সেরা বোলিং - ১/১০ -
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/- ৪২/- ১১/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৬ জুলাই ২০১৯

ব্রুস কলিন ফ্রান্সিস (ইংরেজি: Bruce Francis; জন্ম: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮) নিউ সাউথ ওয়েলসের মোসম্যান এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।[১] অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৭২ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলস ও ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে এসেক্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতি মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন ব্রুস ফ্রান্সিস

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৮-৬৯ মৌসুম থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ব্রুস ফ্রান্সিসের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ব্রুস ফ্রান্সিস আক্রমণধর্মী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ছিলেন। ফাস্ট বোলারদের বলকে তাদের মাথার উপর দিয়ে পাঠিয়ে রান সংগ্রহের জন্যে সবিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করেন। টেস্ট ক্রিকেটে রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বনে দূর্বলতা ছিল তার।

১৯৬৮-৬৯ মৌসুম থেকে ১৯৭২-৭৩ মৌসুম পর্যন্ত নিউ সাউথ ওয়েলস, ১৯৭১ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত এসেক্স দলের পক্ষে খেলেছেন। ১৯৭৩-৭৪ ও ১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে ডি.এইচ. রবিন্স একাদশের সদস্যরূপে দক্ষিণ আফ্রিকা গমন করেছিলেন।

১৯৭১-৭২ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়ার সদস্যরূপে বহিঃবিশ্ব একাদশের বিপক্ষে তিন টেস্টে অংশ নেন। বৃদ্ধাঙ্গুলিতে আঘাতের পূর্বে খুব কমই সফলতা পান। পরবর্তীকালে ঐ খেলাগুলো থেকে টেস্ট মর্যাদা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছিল। ১৯৭২ সালে ইংল্যান্ড সফরে অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য করা হলে এসেক্স ক্লাবের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ ঘটে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন ব্রুস ফ্রান্সিস। ৮ জুন, ১৯৭২ তারিখে ম্যানচেস্টারে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৩ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে নটিংহামে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

অবসর[সম্পাদনা]

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর ক্যারি প্যাকারের ব্যবস্থাপনায় বিশ্ব সিরিজ ক্রিকেট আয়োজনে সহায়তা করেন। জেমস প্যাকারের ব্যক্তিগত ক্রিকেট কোচের দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীকালে ১৯৮৫-৮৬ ও ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে অস্ট্রেলীয় বিদ্রোহী দলের দক্ষিণ আফ্রিকা গমনে সহায়তা করেন তিনি।[২]

ওয়ার্ল্ড এন্টি-ডোপিং এজেন্সি কর্তৃক এএফএল ক্লাব এসেনডনের ৩৪জন সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড় চিহ্নিতকরণে সহায়তা করেন।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


আরও দেখুন[সম্পাদনা]