সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতি
অবয়ব
| সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতি | ||
|---|---|---|
| মুদ্রা | সুইস ফ্রাঁ (CHF) | |
| অর্থবছর | পঞ্জিকা বৎসর | |
| বাণিজ্য সংস্থা | OECD, WTO, EFTA, JEC | |
| পরিসংখ্যান | ||
| জিডিপি র্যাঙ্কিং () | 36th [১] | |
| জিডিপি (২০০৭) | ৫১২.১ সুইস ফ্রাঁ, ৪২৬.৭৫ মার্কিন ডলার current, পারচেজিং পাওয়ার প্যারেটি ৩০৯.৮ মার্কিন ডলার
বিলিয়ন [২] | |
| জিডিপি বৃদ্ধির হার (২০০৭) | ৫.২% nominal, ৩.৩% প্রকৃত | |
| মাথাপিছু জিডিপি (২০০৭) | ৬৭,৮২৩ সুইস ফ্রাঁ, ৫৬,৫১৯ মার্কিন ডলার, পারচেজিং পাওয়ার প্যারেটি ৪১,০২৪ মার্কিন ডলার | |
| খাতওয়ারী জিডিপি (২০০৭) | কৃষি(১.১%), শিল্প (২২.৫%), নির্মাণ (৫.৫%), সেবা-পরিষেবা (৭০.৯%) | |
| জিডিপি কাঠামো (২০০৭) | বেসাকারী ব্যয় - ৫৭.৮%, সরকারী ব্যয় ১০.৮%, বিনিয়োগ ২২.২%, রপ্তানী ৫৫.৯%, আমদানী ৪৬.৭%। | |
| মুদ্রাস্ফীতি হার | ২০০৭ 0.৭%, জুলাই ২০০৮ ৩.১% | |
| দারিদ্যসীমার নিচে জনসংখ্যা (২০০৫) | ৩.৩%[৩] | |
| শ্রমশক্তি (২০০৪) | 3.8mio [৪] | |
| পেশাওয়ারী শ্রমশক্তি (২০০২) | কৃষি-৪.৬%, শিল্প-২৬.৩%, সেবা-পরিষেবা-৬৯.১%। | |
| বেকারত্বের হার | ২০০৭ ২.৫%, জুলাই ২০০৮ ২.৩% | |
| প্রধান শিল্প | ভারী যন্ত্রপাতী, রাসায়নিক, ঘড়ি, বস্ত্র, precision instruments | |
| বাণিজ্য পার্টনার | ||
| মোট রপ্তানি | 2007 $ ২৩৮।৫ বিলিয়ন(55.9% of GDP) | |
| প্রধান অংশীদার (২০০৭) | জার্মানি ২০.৮%, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৯.৩%, ইতালী ৮.৯%, ফ্রান্স ৮.৪%, যুক্তরাজ্ ৪.৮% | |
| মোট আমদানি | ২০০৭ ১৯৯.২ বিলিয়ন ডলার (জিডিপি-এর ৪৬.৭%) | |
| প্রধান অংশীদার (২০০৭) | Germany 33.9%, Italy 11.2%, France 9,71%, US 5.1%, Netherlands 4.8%, Austria 4.4%, UK 3.9%, | |
| Current account balance | $57.0 billion (13.3% of GDP) [৫] | |
| Public Finances | ||
| Public Debt (2007) | 43.7% of GDP [৬] | |
| External Debt (2005 est) | $NA | |
| রাজস্ব (২০০৭) | 37.6% of GDP [৬] | |
| Expenses (2007) | 35.5% of GDP [৬] | |
| অর্থনৈতিক সহায়তা (দাপ্তরিক উন্নয়ন সহায়তা) (১৯৯৭) | ১.১ বিলিয়ন ডলার | |
সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতি পৃথিবীর অন্যতম স্থিতিশীল অর্থনীতি। দীর্ঘমেয়াদি মুদ্রা নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দেশটির অর্থনৈতিক নীতির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা সুইজারল্যান্ডকে বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে একটী আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে বিনিয়োগকারীদের পরিচিত করে তুলেছে। বৈদেশিক বিনিয়োগের উপর সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতির নির্ভরতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। শিল্প ও বাণিজ্য সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। বিশ্বের সর্বোচ্চ মাথা-পিছু আয়ের দেশগুলোর মধ্যে সুইজারল্যান্ড অন্যতম। সুইজারল্যান্ডে বেকারত্বের হার কম। এছাড়া দেশটির সেবা খাত ক্রমেই অর্থনীতির একটি বড় অংশ হিসেবে আবির্ভুত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "CIA GDP ranking"। ৪ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০০৮।
- ↑ "Gross domestic product - estimates"। State Secretariat for Economic Affairs SECO। ৩ জুলাই ২০০৮। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০০৮।
- ↑ see poverty in Switzerland
- ↑ "CIA Factbook Swiss Economy"। ১২ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০০৮।
- ↑ "Monthly Statistical Bulletin July 2008"। Swiss National Bank। জুন ২০০৮। ১৪ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০০৮।
- 1 2 3 "Monthly Statistical Bulletin July 2008"। Swiss National Bank। জুলাই ২০০৮। ২৪ জুন ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০০৮।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]উইকিমিডিয়া কমন্সে সুইজারল্যান্ডের অর্থনীতি সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে।