রাশিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক তালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রাশিয়ার কূটনৈতিক তৎপরতা

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তার কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে কাজ করে। রাশিয়ান ফেডারেশন বিভিন্ন দেশে দূতাবাসের মাধ্যমে এক শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গঠন করেছে। পূর্ব ইউরোপ, নিকটবর্তী পূর্ব বিশেষ করে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাক্তন রাজ্যে রাশিয়ার আগ্রহ ব্যাপক। উন্নয়নশীল দেশগুলোর সঙ্গেও সম্পর্ক মজবুত রয়েছে। কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার থাকায় আফ্রিকা ও এশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কও বেশ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

তাত্বিয় সরকার বিলুপ্ত হওয়ার পর ১৯১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় অভিবাসনের জন্য রাশিয়া বেশ কিছু কনস্যুলেট স্থাপন করে। মার্কিন সরকারের সরকারের অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রের ৭টি ও কানাডার ৩টি শহরে তাত্বিয় নীতি মেনে পরিচালিত হতো। কিন্তু ১৯২০ সালে ইউএস সরকার কনস্যুলেটের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জব্দ করায় কনস্যুলেট তাদের সেবাদান বন্ধ রাখে। এই জব্দের কারণে দীর্ঘ বিতর্ক শুরু হয়। ১৯৪৯ সালে জব্দকৃত নথিগুলো জাতীয় আর্কাইভ এবং নথি প্রশাসনে রাখা হয়। ১৯৮০ সালে কানাডিয়ান কনস্যুলেটের দস্তাবেজগুলি কানাডার লাইব্রেরী এন্ড আর্কাইভকে ধার দেয়। ৩১ জানুয়ারী ১৯৯০ সালে জব্দ দস্তাবেজগুলো সোভিয়েত ইউনিয়নকে ফেরত দেয়। তবে সেগুলোর একটি স্ক্যান কপি তাদের কাছে রেখে দেয়।

১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) এর সঙ্গে পশ্চিম পাকিস্তানের যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষ নেয়। পাকিস্তানকে সহায়তা করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে মার্কিন সপ্তম নৌবহরকে প্রেরণ করে। প্রতিহত করার জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন দুই স্কোয়াড্রন ক্রুজার ও ডেস্ট্রয়ার এবং পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত একটি পারমাণবিক সাবমেরিন প্রেরণ করে। ফলে মার্কিন নৌবহর পাকিস্তানকে সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়।

অর্থনৈতিক কারণে ১৯৯২ সালের পর লেসোথো'র মুসৌরী, নাইজার'র নিয়ামে, বুর্কিনা ফাসো'র উয়াগাদুগু, পাপুয়া নিউগিনি'র পোর্ট মোরেসবির দূতাবাসগুলো বন্ধ করে দেয়। একই কারণে ১৯৯৫ সালে সুরিনামের পারামারিবোতেও কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৮ সালে রাশিয়া ও জর্জিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ভেস্তে গেলে তিবিলিসিসেন সুইস দূতাবাসের মাধ্যমে রাশিয়ান স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজ সম্পাদন হয়।

২০১৫ সালের ২৬ অক্টোবর সিরিয়া ও ইউক্রেন সংকটের জেরে রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত করেছিল ব্রিটেন। ওই বন্ধ হয়ে যায় রাজনৈতিক সংলাপও। আবার ২০১৭ সনে মার্কিন প্রসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা ও ক্রোমিয়া দখলের অভিযোগে মার্কিন সেনেট রাশিয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অনুমোদন করে। এ ঘটনান পর ৭৫৫ জন মার্কিন কূটনৈতিক কর্মীকে বহিষ্কারে নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন৷ এর আগে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা রুশ দূতাবাসের দু'টি গ্রীষ্মকালীন নিবাস বন্ধ ও ৩৫ জন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করে। প্রতিক্রিয়ায় রুশ সরকারও পয়লা আগস্ট থেকে মস্কোয় মার্কিন দূতাবাসের একটি গ্রীষ্মকালীন নিবাস ও শহরে একটি স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি বন্ধ করে দেয়৷

বার্লিনে রাশিয়ান দূতাবাস
কোপেনহেগেনে রাশিয়ান দূতাবাস

আফ্রিকা[সম্পাদনা]

হাভানায় রাশিয়ান দূতাবাস
কাবুলে রাশিয়ান দূতাবাস

আমেরিকা[সম্পাদনা]

ওয়াশিংটন ডিসিতে রাশিয়ান দূতাবাস
নিউ ইয়র্কে রাশিয়ান জেনারেল কনস্যুলেট অফিস
সান ফ্রান্সিস্কোতে রাশিয়ান জেনারেল কনস্যুলেট ভবন
মাদ্রিদে রাশিয়ান দূতাবাস
পেরুতে রাশিয়ান দূতাবাস

এশিয়া[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত রুশ দূতাবাস

ইউরোপ[সম্পাদনা]

ওয়েনিয়া[সম্পাদনা]

বহুপাক্ষিক সংগঠন[সম্পাদনা]

  • ব্যাংকক (জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের স্থায়ী দৌত্য)
  • ব্রাসেল্‌স (ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্থায়ী দৌত্য)
  • জেনেভা (আন্তর্জাতিক সংস্থার স্থায়ী দৌত্য)
  • হেগ (রাসায়নিক অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা জন্য সংস্থার স্থায়ী দৌত্য)
  • মিন্‌স্ক (স্বাধীন রাষ্ট্রের কমনওয়েলথের স্থায়ী দৌত্য)
  • নিউ ইয়র্ক শহর (জাতিসংঘের স্থায়ী দৌত্য)
  • প্যারিস (জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের স্থায়ী দৌত্য)
  • স্টার্সবার্গ (কাউন্সিল অফ ইউরোপের স্থায়ী দৌত্য)
  • ভিয়েনা (আন্তর্জাতিক সংস্থার স্থায়ী দৌত্য)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আইআরআইবি ইউকিপিডিয়া ডিডব্লিউ