বিষয়বস্তুতে চলুন

ধামরাই জগন্নাথ রথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
A The newly constructed Rath of Dhamrai.
ধামরাইয়ের রথযাত্রার জন্য নতুন বানানো রথ

ধামরাই যশ মাধব দেবের রথ বাংলাদেশের ঢাকা জেলার , ধামরাই উপজেলায় অবস্থিত হিন্দু দেবতা যশ মাধব দেবের (বিষ্ণু রূপ) প্রতি উৎসর্গিকৃত একটি মন্দির। প্রতি বছর রথযাত্রার দিন একটি সুবিশাল ছয়তলা রথে যশ মাধব দেব, কানাই বলাইআদ্যা দেবি মূর্তি আরূঢ় করে শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয় এখানে। রথটি হিন্দু দেবদেবীর নানা ছবিতে সজ্জিত থেকে। এই রথযাত্রাটিই বাংলাদেশ ভূখণ্ডের সর্বাধিক প্রাচীন ও দেশের বৃহত্তম রথযাত্রা। সারা দেশ থেকে পূণ্যার্থীরা এই রথযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে আসেন।

প্রথমে রাম জীবন রায় মৌলিক উনি প্রজাদের নিয়ে তার রাজ্য (ধামরাই) যশ মাধব দেবের রথ তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়। বিংশ শতাব্দীতে জমিদারেরা বার্ষিক রথযাত্রার সময় ৬০ ফুট দীর্ঘ রথ নির্মাণ করিয়েছিলেন। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী এই রথটি পুড়িয়ে দিলে । দানবীর রনদা প্রসাদ সাহার(R.P SAHA) কুমুদিনি ট্রাষ্ট থেকে একটি নতুন রথ তৈরি করে।পরবর্তী তে ভারতীয় হাই কমিশনের সাহায্যে বর্তমান এই রথটি নির্মিত করা হয়।[] প্রথম থেকেই দায়িত্বভার বহন করে আসছিল যশ মাধব দেবের সেবাইত রায় মৌলিক পড়িবার। বর্তমান যশোমাধব পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে পরিচালনা করছেন ধামরাই রথযাত্রা।

রথ উৎসব

[সম্পাদনা]

রথ উৎসব, রথ মেলা এক মাস দীর্ঘ একটি মেলা, এবং এটি বাংলা পঞ্জিকার সাথে সংযুক্ত। সাধারণত আষাঢ় মাসে এটি অনুষ্ঠিত হয়। শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে প্রতিবছর রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। ৯ দিন পর উল্টো রথ। সাধারণত জুনের সময়, তবে মাঝে মাঝে এটি জুলাইতেও অনুষ্ঠিত হয়। উৎসব ধামরাইয়ের প্রধান সড়কের পাশে অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিক্রির জন্য বিভিন্ন স্টল স্থাপনের পাশাপাশি দেশবিখ্যাত সার্কাস দল, নাগরদোলা, পুতুল নাচ, চুড়ি নিয়ে হাজির হয় বেদেনীরা, মৃত্যুকূপে মোটরসাইকেল কাঠের বৃত্তের মধ্যে ঘোরানো হয়, শিশুদের জন্য কাঠের, বাঁশের, মাটির খেলনা, কুটির শিল্প, তৈজসপত্র, ফার্নিচার ও খাদ্যদ্রব্য যেমন খই, মুড়ি-মুড়কিসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্যের পসরা বসে মেলায়।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. বাংলাপিডিয়া ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৭ মার্চ ২০১২ তারিখে, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]