জগন্নাথ মন্দির, পুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
জগন্নাথ মন্দির (পুরি)
The Jagannath Temple at Puri
জগন্নাথ মন্দির, পুরি
জগন্নাথ মন্দির, পুরি
লুয়া ত্রুটি মডিউল:অবস্থান_মানচিত্ এর 479 নং লাইনে: নির্দিষ্ট অবস্থান মানচিত্রের সংজ্ঞা খুঁজে পাওয়া যায়নি। "মডিউল:অবস্থান মানচিত্র/উপাত্ত/India Orissa" বা "টেমপ্লেট:অবস্থান মানচিত্র India Orissa" দুটির একটিও বিদ্যমান নয়।
নাম
পরিপূর্ণ নাম Shri Mandira (ଶ୍ରୀ ମନ୍ଦିର), Bada Deula (ବଡ଼ ଦେଉଳ)
ভূগোল
স্থানাঙ্ক ১৯°৪৮′১৭″ উত্তর ৮৫°৪৯′৬″ পূর্ব / ১৯.৮০৪৭২° উত্তর ৮৫.৮১৮৩৩° পূর্ব / 19.80472; 85.81833স্থানাঙ্ক: ১৯°৪৮′১৭″ উত্তর ৮৫°৪৯′৬″ পূর্ব / ১৯.৮০৪৭২° উত্তর ৮৫.৮১৮৩৩° পূর্ব / 19.80472; 85.81833
দেশ  India
রাজ্য উড়িষ্যা
জেলা পুরি
অবস্থান গ্র্যান্ড রোড, পুরি
সংস্কৃতি
প্রধান দেবতা জগন্নাথ
গুরুত্বপূর্ণ উৎসব রথ রথযাত্রাচন্দন রথযাত্রাস্নান যাত্রানবকালেভারা
স্থাপত্য
স্থাপত্য শৈলী কলিঙ্গ বৌদ্ধ স্থাপত্য
ইতিহাস ও প্রশাসন
নির্মাণকাল ১১৬১
সৃষ্টিকারী Anantavarman Codaganga
তথ্যক্ষেত্র http://jagannath.nic.in/

পুরীর জগন্নাথ মন্দির (Sanskrit: jagannath mandir; ওড়িয়া: ଶ୍ରୀ ଜଗନ୍ନାଥ ମନ୍ଦିର Sri Jagannāth Mandir) একটি বিখ্যাত হিন্দু মন্দির। এই মন্দিরটি ওড়িশা বা উড়িষ্যার পুরী পূর্ব সমুদ্র সৈকতে অবস্থিত।

পুরীর জগন্নাথ মন্দির

এই মন্দিরটি একটি বিখ্যাত হিন্দু তীর্থক্ষেত্র বিশেষ করে বিষ্ণুকৃষ্ণ উপাসকদের নিকট। এটি চারধামের অন্যতম যেখানে সকল ধার্মিক হিন্দুদের জীবনে অন্তত একবার যেতে চান। [১]

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রথযাত্রা

রত্নভাণ্ডার[সম্পাদনা]

মন্দিরের গোপন কক্ষে সাতটি ঘর আছে। সেই ঘরগুলিই হল রত্নভাণ্ডার। ৩৪ বছর আগে মাত্র তিনটি ঘরের তালা খুলতে সক্ষম হয়েছিলেন কর্মকর্তারা। বাকি ঘরগুলিতে কী আছে, তা আজও রহস্যই রয়ে গিয়েছে। শ্রীজগন্নাথের ‘ব্রহ্মবস্তু’র মতোই রত্নভাণ্ডারের রহস্য অধরাই রয়ে গিয়েছে। যে কক্ষগুলি খোলা সম্ভব হয়েছিল, সেখান থেকে উদ্ধার হয় ১৮০ রকমের মণিমুক্তো খচিত স্বর্ণ অলঙ্কার। যার মধ্যে আছে মুক্তো, প্রবালের মতো অত্যন্ত দামী পাথর। এছাড়া, ১৪৬ রকমের রৌপ্য অলঙ্কার। তবে, এই সবই ‘ভিতর রত্নভাণ্ডার’-এর কথা। ‘বাহার ভাণ্ডার’-এর চিত্র কিছুটা অন্যরকম। পুরী শ্রীজগন্নাথ মন্দির আইন, ১৯৫২ অনুযায়ী রেকর্ড জানার অধিকারে ১৯৭৮ সালে তালিকা তৈরি হয়। সেই তালিকা অনুযায়ী, বাহার ভাণ্ডারে ১৫০ রকমের স্বর্ণ অলঙ্কার আছে। যার মধ্যে তিনটি স্বর্ণহার আছে। যার এক একটির ওজন প্রায় দেড় কেজি। শ্রীজগন্নাথ এবং বলভদ্রের স্বর্ণ শ্রীভুজ ও শ্রীপায়রের ওজন যথাক্রমে সাড়ে ৯ কেজি এবং সাড়ে ৮ কেজি। জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রার স্বর্ণ মুকুটের ওজন ৭ কেজি, ৫ কেজি এবং ৩ কেজি। ১৯৭৮ সালের ১৩ থেকে ২৩ মে’র মধ্যে পুরী মন্দির প্রশাসনের তৈরি হিসেব অনুযায়ী, মণিমুক্তো খচিত ১২০ কেজি ৮৩১ গ্রাম স্বর্ণ অলঙ্কার, ২২০ কেজি ১৫৩ গ্রাম রৌপ্য অলঙ্কার, রুপোর বাসনপত্র সহ বিভিন্ন দামী বস্তু রত্নভাণ্ডারে পাওয়া গিয়েছে। প্রতি বিজয়াদশমী, কার্তিক পূর্ণিমা, পৌষ পূর্ণিমা এবং মাঘী পূর্ণিমার দিন শ্রীক্ষেত্রে ভক্তদের সামনে রাজবেশে দর্শন দেন মহাপ্রভু। তাঁর সেই সজ্জা দেখে ভক্তরা ধন্য ধন্য করেন। যে সব অলঙ্কারে জগন্নাথদেবকে সাজানো হয়, সেগুলি হল, শ্রীচরণে শ্রীপায়র, হাতে শ্রীভুজ, কর্ণে কীরিটি, ওড়না, সূর্যচন্দ্র, কানা, আড়াকানি, ঘাগরা, মালি, কদম্বমালি, তালিকচন্দ্রিকা, অলকাতিলকা, ঘোবা কণ্ঠী, স্বর্ণচন্দ্র, রৌপ্য শঙ্খ, হরিদা, সেবতী মালি। দাদা বলভদ্রের অঙ্গে থাকে শ্রীপায়র, শ্রীভুজ, শ্রীকীরিটি, অধ্যয়নী কুণ্ডর, সূর্যচন্দ্র, আড়াকানি, কদম্বমালি, তিলক চন্দ্রিকা, হল, মুষল, বহড়া মালি। সুভদ্রার অঙ্গে থাকে শ্রীপায়র, শ্রীভুজ, কীরিটি, ওড়না মালি, ঘাগরা মালি, কানা মালি, সূর্যচন্দ্র, আদাকানি, সেবতী মালি তড়াগি ইত্যাদি। [২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]