জোনাথন অ্যাগ্নিউ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জোনাথন অ্যাগ্নিউ
MBE DL
A smiling middle-aged white man with short hair, wearing a pink shirt and red pullover, looking to his left with the tip of his tongue between his lips
২০০৬ সালে অ্যাডিলেড ওভালে জোনাথন অ্যাগ্নিউ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজোনাথন ফিলিপ অ্যাগ্নিউ
জন্ম (1960-04-04) ৪ এপ্রিল ১৯৬০ (বয়স ৫৯)
ম্যাকলসফিল্ড, চেশায়ার, ইংল্যান্ড
ডাকনামঅ্যাগার্স, স্পাইরো
উচ্চতা৬ ফুট ৪ ইঞ্চি (১.৯৩ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট
ভূমিকা
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৫০৮)
৯ আগস্ট ১৯৮৪ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টেস্ট৬ আগস্ট ১৯৮৫ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৭৭)
২৩ জানুয়ারি ১৯৮৫ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৯–১৯৯২লিচেস্টারশায়ার
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২১৮ ১৪৭
রানের সংখ্যা ১০ ২১০৮ ৩৩৫
ব্যাটিং গড় ১০.০০ ১১.৫১ ৯.৩০
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ০/২ ০/০
সর্বোচ্চ রান * ৯০ ২৬
বল করেছে ৫৫২ ১২৬ ৩৫৩৮৮ ৬৮১৩
উইকেট ৬৬৬ ১৫৮
বোলিং গড় ৯৩.২৫ ৪০.০০ ২৯.২৫ ২৯.২৬
ইনিংসে ৫ উইকেট ৩৭
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ২/৫১ ৩/৩৮ ৯/৭০ ৫/৩০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/– ১/– ৩৯/– ১৯/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭

জোনাথন ফিলিপ অ্যাগ্নিউ, এমবিই (ইংরেজি: Jonathan Agnew; জন্ম: ৪ এপ্রিল, ১৯৬০) চেশায়ারের ম্যাকলসফিল্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা সাবেক পেশাদার ও বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। বর্তমানে তিনি ধারাভাষ্যকর্মের সাথে জড়িত রয়েছেন। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ১৯৭৯ থেকে ১৯৯২ সময়কালে লিচেস্টারশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট বোলারের দায়িত্ব পালন করতেন। এছাড়াও ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে নামতেন 'অ্যাগার্স', 'স্পাইরো' ডাকনামে পরিচিত জোনাথন অ্যাগ্নিউ

আপিংহাম স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। ডেবরেটস ক্রিকেটার্স হুজ হুতে স্পাইরো ডাকনামের জন্য সাবেক মার্কিন উপ-রাষ্ট্রপতি স্পাইরো অ্যাগ্নিউ’র নামকে অনুসরণ করা হয়েছিল।[১]

১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ফাস্ট বোলার হিসেবে লিচেস্টারশায়ারের পক্ষে সফলতার সাথে খেলেছিলেন। তবে, ১৯৯২ সালে সংক্ষিপ্তকালের জন্য খেলার জগতে ফিরে এসেছিলেন তিনি। ২৯.২৫ গড়ে ৬৬৬টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট পেয়েছেন। কাউন্টি ক্রিকেটের সফলতম মৌসুম অতিবাহিত করেন খেলোয়াড়ী জীবনের শেষ দিকে। সুইং বল শেখার পর শেষ আন্তর্জাতিক খেলায় এ সফলতার দেখা পান। ১৯৮৭ ও ১৯৮৮ সালে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী ছিলেন। তন্মধ্যে, ১৯৮৭ সালে শতাধিক উইকেট পেয়েছিলেন জোনাথন অ্যাগ্নিউ। এ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ উইজডেন কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটার মনোনীত হন।

খেলোয়াড় হিসেবে অংশগ্রহণকালেই তিনি সাংবাদিকতা ও ধারাভাষ্যকর্মের সাথে যুক্ত ছিলেন। খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর নেয়ার পর বেতারে শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পান। বিবিসি রেডিওর ক্রিকেট সংবাদদাতা ও টেস্ট ম্যাচ স্পেশালের ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেন তিনি। এছাড়াও, অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের গ্র্যান্ডস্ট্যান্ড দলের অস্ট্রেলীয় সম্প্রচারকারীরূপে সদস্য হন।

টেস্ট ম্যাচ স্পেশালে অ্যাগ্নিউ’র লেগ ওভার মন্তব্যটি শব্দতরঙ্গে প্রচারের বিষয়টি সতীর্থ ধারাভাষ্যকার ব্রায়ান জনস্টন ১৯৯১ সালে পুণরাবৃত্তি ঘটিয়ে ইংল্যান্ডে ব্যাপক প্রভাববিস্তার ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এ ঘটনাটি বিবিসি’র ভোটে সেরা ক্রীড়া ধারাভাষ্যরূপে স্বীকৃতি পায়।[২] অ্যাগ্নিউ’র সহকর্মী ও প্রতিদ্বন্দ্বী মাইকেল হেন্ডারসন তাঁকে সম্প্রচারকারীদের নেতা ও বিবিসিতে অবস্থান করে ক্রীড়া সংবাদদাতার সর্বোচ্চ চূড়ায় আসীনরূপে উল্লেখ করেন।[৩]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

চেশায়ারের ম্যাকলসফিল্ডের ওয়েস্ট পার্ক হাসপাতালে ৪ এপ্রিল, ১৯৬০ তারিখে ফিলিপ ও মার্গারেট অ্যাগ্নিউ দম্পতির সন্তানরূপে ভূমিষ্ঠ হন।[৪][৫] ১৯৫৭ সালে দ্য টাইমসে এ দম্পতির আগাম বিবাহের খবর প্রকাশ করা হয়েছিল।

পারিবারিক খামারে জমি চাষাবাদে অগ্রসর হন। আট কিংবা নয় বছর বয়সে ক্রিকেট সম্পর্কে প্রথম আগ্রহ জন্মায় তাঁর। বাবা চাষাবাদকালে বেতন বহন করে নিয়ে যেতেন ও খুব মনোযোগ সহকারে টেস্ট ম্যাচ স্পেশাল শুনতেন। তাঁর ভাষায়, এ অনুষ্ঠানটি আমাকে আগ্রহান্বিত করে তোলে। একইভাবে হাজার হাজার শিশুর মাঝে পরবর্তী বছরগুলোয় প্রবাহিত হয় ও আমার জীবনে ঢুকে পড়ে।[৬]

ক্রিকেট জগতে প্রবেশের পূর্বে এ খেলাকে মনে-প্রাণে ভালোবেসে ফেলেন তিনি। ঐ সময়ে তিনি টেলিভিশনে ক্রিকেট খেলা দেখতেন, রেডিওতে ধারাভাষ্য শুনতেন। এরপর বাগানে ঘন্টার পর ঘন্টা দেখা খেলার ন্যায় বোলিং অনুশীলনী করতেন।[৭] অ্যাগ্নিউ’র বাবা পেশাদার ক্রিকেটার ছিলেন। তিনি এ ক্রীড়ায় ব্যবহৃত অফস্পিন ভঙ্গীমাসহ নানাবিধ খুটিনাটি বিষয়াদি তুলে ধরতেন ও সন্তানকে তাঁর ন্যায় বোলার হিসেবে গড় তুলতে চেয়েছিলেন। ১৯৪৮ থেকে ১৯৬৩ সময়কালে মহিলাদের টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম তারকা মেরি ডাগান সম্পর্কে তাঁর কাকাতো বোন ছিলেন।[৮]

আট বছর বয়সে নরউইচের কাছাকাছি টাভেরহাম হল স্কুলে আবাসিক ছাত্র ছিলেন তিনি।[৯] এলিন রাইডার তাঁর প্রথম ক্রিকেট কোচের দায়িত্ব পালন করেন। তবে, অ্যাগ্নিউ মন্তব্য করেন যে, কয়েক বছর পর বিদ্যালয়ে ইয়র্কশায়ারের পেশাদার ও ১৯৫০-এর দশক থেকে ১৯৬০-এর দশকের শুরুতে ইংল্যান্ডের পক্ষে ৩ টেস্টে অংশগ্রহণকারী সাবেক ক্রিকেটার কেন টেলর যোগ দিয়েছিলেন।[১০]

মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণের উদ্দেশ্যে আপিংহাম স্কুলে ভর্তি হন তিনি। জার্মান ও ইংরেজি ভাষায় ১৯৭৮ সালে নয়টি ও-লেভেল ও দুইটি এ-লেভেল ডিগ্রি নিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন জোনাথন অ্যাগ্নিউ। ১৬ বছর বয়সে ডানহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে নিজের বোলিং শৈলীর উত্তরণ ঘটান। এ সময়ে তিনি সারেভিত্তিক আল্ফ গোভারের ক্রিকেট স্কুলে অধ্যয়ন করতেন।[১১] ঐ গ্রীষ্মে ১৯৭৬ সালের ওভাল টেস্টে বিখ্যাত ফাস্ট বোলার মাইকেল হোল্ডিংয়ের ১৪ উইকেট লাভের দৃশ্য দেখার সুযোগ হয় তাঁর যা ক্রিকেট লেখক নরম্যান প্রেস্টনের মতে পেস বোলিংয়ের দূর্দান্ত কৌশল ও বিধ্বংসী উপস্থাপনার বহিঃপ্রকাশ ছিল।[১২] হোল্ডিংয়ের বোলিংয়ে বেশ উজ্জ্বীবিত হন তিনি।[১৩] ৩০ বছর পর বিদ্যালয়জীবনে থাকাকালে তাঁর বোলিং সম্পর্কে লিখেছিলেন।

কাউন্টি ক্রিকেটে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

১৯৭৭ সালে সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের দ্বিতীয় একাদশের পক্ষে খেলতে শুরু করেন।[১৪] তবে, সারে দল খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়নি। লিচেস্টারশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব স্থানীয় ক্লাব ক্রিকেটে অ্যাগ্নিউর সুন্দর ক্রীড়াশৈলীর দিকে নজর রাখছিল। আপিংহাম স্কুলের পক্ষে ১৯৭৭ সালে মাত্র ৮ গড়ে ৩৭ উইকেট তুলে নেন তিনি। বিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালেই ১৯৭৮ মৌসুমের জন্য তাঁরা চুক্তিবদ্ধ হয়।

আগস্ট, ১৯৭৮ সালে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক হয় তাঁর।[১৫] ১৮ বছর বয়সী অ্যাগ্নিউ ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় ও নয় টেস্টের ক্যাপ পরিধানকারী ডেভিড লয়েডকে আউট করেন।[১৬] খেলার প্রত্যেক ইনিংসেই তিনি একটি করে উইকেট পান। ব্যাট করার সুযোগ হয়নি তাঁর। খেলায় লিচেস্টারশায়ার ইনিংস ব্যবধানে জয় পায়।[১৭]

অভিষেক মৌসুম শেষে অ্যাগ্নিউ হুইটব্রেড ব্রিউয়েরি পুরস্কার লাভ করেন। নিজ কাউন্টি অধিনায়ক রে ইলিংওয়ার্থকে এ অর্জনটুকু উৎসর্গ করেন তিনি।[১৮] ৩৫ গড়ে তিনি মাত্র ছয়টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট পেয়েছিলেন।[১৯] ইলিংওয়ার্থ দ্য টাইমসকে বলেন যে, ১৯৭৮ সালে অ্যাগ্নিউ ইংল্যান্ডের দ্রুততম বোলার বব উইলিসের পরেই অবস্থান করছেন।[২০] এ পুরস্কার প্রাপ্তির ফলে শীতকালে অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ আসে। বিজয়ী অন্যান্য সতীর্থ - মাইক গ্যাটিং, ওয়েন লার্কিন্সক্রিস টাভারেকে তাঁর সহযোগী করা হয়[২১] এবং সাবেক ইংরেজ ফাস্ট বোলার ফ্রাঙ্ক টাইসনকে কোচের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। চারজনই টেস্ট ক্রিকেট খেলতে যান।[note ১] অস্ট্রেলিয়া সফরে তিনি কেবলমাত্র একটি যুবদের টেস্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে, সফরকারী ইংল্যান্ড দলের অনুশীলনীতে বোলিং করে সংবাদপত্রে চলে আসেন।

১৯৭৯ মৌসুমটি আঘাতের কারণে বিঘ্ন ঘটায় তাঁর। উইজডেন সম্পাদক মন্তব্য করেন যে, ইংল্যান্ডের প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ খেলোয়াড় নিজেকে পুরো শীতে ভূপাতিত করেছেন।[২৩] অ্যাগ্নিউর ভাষ্য মতে, ১৯৭৯-৮০ মৌসুমে তাঁর জীবনের বাজে শীতকাল অতিক্রম হয়। তবে, এ সময়ে তিনি লরি চালক হিসেবে কাজ করেছেন।[২৪] তাস্বত্ত্বেও ১৯৭৯ সালে লিস্ট এ সীমিত ওভারের খেলায় অভিষেক হয় তাঁর। সফরকারী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটিমাত্র খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। তবে, ১৯৮০ সালে প্রতিযোগীতাধর্মী লিস্ট এ খেলায় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বেনসন এন্ড হেজেস কাপে অংশ নেন।[২৫] তিন ওভারে পাঁচ রান দেন ও ব্যাটিংয়ে নামেননি তিনি।[২৬]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিন টেস্টে ইংল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট ক্যাপ পরিধান করেন। তবে, তাঁর এ খেলোয়াড়ী জীবন এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। ৯ আগস্ট, ১৯৮৪ তারিখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয় তাঁর। ২৩ জানুয়ারি, ১৯৮৫ তারিখে ভারতের বিপক্ষে ওডিআই অভিষেক ঘটে জোনাথন অ্যাগ্নিউ’র।

জুনে সারের বিপক্ষে দশ উইকেট প্রাপ্তি[২৭] ও কেন্টের বিপক্ষে ইনিংসে পাঁচ উইকেট লাভের প্রেক্ষিতে সিরিজের পঞ্চম টেস্টে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাঁকে খেলার জন্য মনোনীত করা হয়।[২৮] ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তাঁর সাথে একযোগে রিচার্ড এলিসনেরও অভিষেক হয়েছিল।[২৯] তবে তাদের ব্যর্থ চেষ্টার ফসলস্বরূপ ব্ল্যাকওয়াশ রুখতে পারেনি।[৩০]

উইজডেন প্রথম ইনিংসে তাঁর বোলিং সম্পর্কে মূল্যায়ণ করে যে, অভিষিক্ত হওয়ায় স্নায়ুবিক চাপে বলের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে পারেননি তিনি।[৩১] তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে ২/৫১ লাভ করেন। ইয়ান বোথাম তাঁকে সর্বাত্মক সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন। স্লিপে গর্ডন গ্রীনিজকে কট ও বোথামের প্রিয় বন্ধু ভিভ রিচার্ডসকে আউটের বিষয়ে পরামর্শ দেন।

তাঁর বল মোকাবেলায় ব্যর্থ হওয়ায় আম্পায়ার ডেভিড কনস্ট্যান্ট ১৫ রানে রিচার্ডসকে এলবিডব্লিউ ঘোষণা করেন।[৩২] আউট হবার বিষয়ে উইজডেনের মতে, উভয় ব্যাটসম্যানকে আউট করা তাঁর বর্ণাঢ্যময় টেস্ট ক্রিকেটের দূর্দান্ত সূচনালগ্ন।

নিজ দেশে ইংল্যান্ডের পরবর্তী খেলা ছিল সফরকারী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। অ্যাগ্নিউকে ইংল্যান্ড দলে রাখা হয়। এ সময়ে শ্রীলঙ্কাকে বিশ্ব ক্রিকেট অঙ্গনে দূর্বলতম দল হিসেবে পরিগণিত করা হতো।[৩৩] লর্ডসে দলটি তাদের মাত্র দ্বাদশ টেস্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়।[৩৪] তবে দলটি একাধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হয়। প্রথম ইনিংসে ১২১ রানে এগিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা দল ও দুইবার ইনিংস ঘোষণা করে।[৩৫] ব্যাটসম্যানের উপযোগী পিচে শ্রীলঙ্কা ১৪ উইকেট হারিয়ে সর্বমোট ৭৮৫ রান তুলে। অ্যাগ্নিউর বোলিং ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। তাঁর বোলিং মূলতঃ অকার্যকর ছিল। খেলায় ৪৩ ওভার বোলিং করে ২/১৭৭ পান। দূর্বল ক্রীড়াশৈলীর উপস্থাপনা ও পেশিতে টান পড়ায় শেষদিনে তিনি কোন বোলিং করতে পারেননি।

ভারত সফর[সম্পাদনা]

ঐ শীত মৌসুমে ইংল্যান্ড দল ভারত ও শ্রীলঙ্কা সফরে আসে।[৩৬] সফরকারী দলের সদস্যরূপে অ্যাগ্নিউ দলের অন্যতম সদস্য হন। তবে, কোন টস্টে খেলার সৌভাগ্য হয়নি তাঁর। প্রত্যেক টেস্টেই প্যাট পোককফিল এডমন্ডস - এ দুই স্পিনারকে মাঠে নামায় ইংল্যান্ড দল। ফলশ্রুতিতে অ্যাগ্নিউ’র সুযোগ সীমিত হয়ে আসে।[৩৭] কেবলমাত্র একটি প্রথম-শ্রেণীর অংশ নেন।[৩৮] ২৯ গড়ে সাত উইকেট দখল করেন তিনি।[৩৯] তবে, তিনটি একদিনের খেলায় অংশ নিতে পেরেছিলেন। ভারতের বিপক্ষে দুইটি ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে একটি খেলায় অংশ নেন।[৪০] অভিষেক ওডিআইয়ে প্রতিশ্রুতিশীলতার স্বাক্ষর রাখেন। ৩/৩৮ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করালেও দল পরাজিত হয়েছিল।[৪১] বাদ-বাকী দুই খেলায় বেশ রান দিয়ে ফেলেন, কোন উইকেট পেতে ব্যর্থ হন ও ওভারপ্রতি সাত রানের বেশী দেন।[৪২][৪৩]

অর্জনসমূহ[সম্পাদনা]

১৯৮৭ সালে অ্যাগ্নিউ নিজ কাউন্টি দলের পক্ষে শতাধিক উইকেট লাভ করেন। ১৯৬৮ সালে জ্যাক বার্কেনশয়ের পর তিনিই প্রথম লিচেস্টারশায়ারের ক্রিকেটার হিসেবে এ মাইলফলক স্পর্শ করতে পেরেছেন। এ সময় তিনি স্থানীয় রেডিওতে কাজ করছিলেন। অতিরিক্ত আয় ও কর্মজীবনের জন্য তাঁর ক্রীড়াশৈলীতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।[৪৪] এ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ উইজডেনের পাঁচ বর্ষসেরা ক্রিকেটারের একজন হন তিনি।

১৯৮৭ সালেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখেন।[৪৫] কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে দ্বিতীয় সর্বাধিক বোলার হবার পর ১৯৮৮ সালে তৃতীয় সর্বাধিক উইকেট শিকারীতে পরিণত হন।[৪৬] পূর্ববর্তী দুই বছরে সেরা সময় পার করলেও ১৯৮৯ সালে তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। ১৯৮৯ সালের অ্যাশেজ সিরিজে তাঁর দল ৪-০ ব্যবধানে পরাভূত হয়।[note ২]

অবসর[সম্পাদনা]

পেশাদারী ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯০ সালে অবসর গ্রহণ করেন।[৪৭] ৩০ বছর বয়সে[৪৮] লিচেস্টারশায়ারের পক্ষে সর্বশেষ খেলায় অংশ নিয়ে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ১/৪২ পান ও একবার ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ৬ রান তুলেন। অবসর নেয়ার দুই বছর পর ১৯৯২ সালে তিনি পুণরায় মাঠে নামেন। লিচেস্টারশায়ারের বোলারদের আঘাতপ্রাপ্তির কারণে শূন্যতা পূরণে তাঁকে আবারো মাঠে নামতে হয়েছিল। ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির সেমি-ফাইনালে এসেক্সের বিপক্ষে ১২-২-৩১-১ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান। লিচেস্টারশায়ার খেলায় জয়লাভ করে ও চূড়ান্ত খেলায় অংশ নেয়। তবে, অ্যাগ্নিউ আর খেলেননি।[৪৯]

খেলার ধরন[সম্পাদনা]

অ্যাগ্নিউ প্রথম-শ্রেণীর খেলায় তাঁর সেরা বোলিং পরিসংখ্যান করেছিলেন ৯/৭০। ২১৮ খেলায় অংশ নিয়ে তিনি ছয়বার খেলায় দশ উইকেট পেয়েছেন। ১৯৮৮ সালে উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটারের মর্যাদা লাভ সম্পর্কে উইজডেন জানায়, তিনি দীর্ঘ দূরত্ব নিয়ে দৌঁড়ে বোলিং করতেন যা বেশ দর্শনীয় ছিল। তবে, খেলোয়াড়ী জীবনের শেষদিকে দৌঁড়ানোর বিষয়টিতে প্রাধান্য দিয়ে কমিয়ে আনেন ও পেস বোলিং করে বেশ সফলতা পান।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান করেছেন ৯০। ১৯৮৭ সালে স্কারবোরার নর্থ মেরিন রোড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় প্রতিপক্ষ ছিল ইয়র্কশায়ার ও তিনি নাইটওয়াচম্যান হিসেবে ছিলেন। উইজডেন মন্তব্য করে যে, অ্যাগ্নিউ দর্শনীয় ভঙ্গীমায় খেলে মাত্র ৬৮ বলে ৯০ রানের ব্যক্তিগত সেরা ইনিংস উপহার দিয়েছেন। তাঁর এ ইনিংসে ছয় ছক্কা ও আটটি চারের মার ছিল। এছাড়াও, বল হাতে শুরুর দিকের প্রথম পাঁচ ইয়র্কশায়ার ব্যাটসম্যানকে আউট করেছিলেন।[৫০] উইজডেন আরও মন্তব্য করে যে, অ্যাগ্নিউ সহজাত অল-রাউন্ডার ছিলেন না। তবে, নিজের দিনে স্ট্যাম্পের চতুর্দিকে বিধ্বংসী ব্যাটিং করতেন। তাঁর খেলার ধরনের বিষয়ে এ মন্তব্যও আসে যে, তিনি বেশ ভালো খেললেও খেলতেন মূলতঃ মজা করার উদ্দেশ্য নিয়ে।

ইংল্যান্ডের পক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটার মাত্র বারো মাসের মধ্যে তিনি তাঁর শেষ টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। তন্মধ্যে, একমাসেরও কম সময়ে প্রথম ও শেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন জোনাথন অ্যাগ্নিউ। ১৯৮৮ সালে উইজডেন কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটার মনোনীত হন তিনি।

সম্প্রচারকর্মে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

লেখা ও সম্প্রচারকর্মের পাশাপাশি অ্যাগ্নিউর ধারাভাষ্যকর্ম বেশকিছু কম্পিউটার গেমসে অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। তন্মধ্যে, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট ক্যাপ্টেন ও ব্রায়ান লারা ক্রিকেট সিরিজ অন্যতম।[৫১][৫২] ডিসেম্বর, ২০১০ সালে দি উইজডেন ক্রিকেটার সাময়িকী কর্তৃক পরিচালিত প্রতিষ্ঠান টেস্টম্যাচএক্সট্রা.কম লিমিটেডের অংশীদার মনোনীত হন।[৫৩][৫৪]

অ্যাগ্নিউ তাঁর সম্প্রচারকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ অনেকগুলো পুরস্কারে ভূষিত হন। তন্মধ্যে, ১৯৯২ ও ১৯৯৪ সালে বর্ষসেরা সনি প্রতিবেদক পুরস্কার এবং ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থা কর্তৃক ২০১০ সালে বর্ষসেরা রেডিও ধারাভাষ্যকার অন্যতম। নভেম্বর, ২০০৮ সালে লিচেস্টারের ডি মন্টফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টর অব আর্টস লাভ করেন।[৫৫] এছাড়াও জুন, ২০১১ সালে লাফবোরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্মানসূচক ডক্টর অব লেটার্স লাভ করেছেন।[৫৬]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

১৯৮৩ সালে বেভার্লি নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। তবে, বিবিসির ক্রিকেট সংবাদদাতা হবার এক বছর পর ১৯৯২ সালে তাঁদের এ সম্পর্ক বিবাহ-বিচ্ছেদে রূপান্তরিত হয়।[৫৭] এ দায়িত্ব পালনে তাঁদের সম্পর্ক ভেঙ্গে পড়ে যা ইংরেজ ব্যাটসম্যান গ্রাহাম থর্পের জীবনেও ঘটেছে। এছাড়াও, সন্তানদের সাথেও তাঁর সম্পর্ক ভঙ্গুরের দিকে চলে যায়।

পরবর্তীতে বিবিসি ইস্ট মিডল্যান্ডস টুডের সম্পাদক এমা অ্যাগ্নিউকে বিয়ে করেন।[৫৮] বিবিসি রেডিও লিচেস্টারশায়ারে থাকাকালে তাঁদের মধ্যকার সম্পর্ক গড়ে উঠে।[৫৯] শারীরিক অসুস্থতার কারণে আটবার চিকিৎসা করতে হয়।

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

অ্যাগ্নিউ চারটি পুস্তক রচনা করেছেন।

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. Agnew played three times for England. The others played 79, 13 and 31 Tests respectively.[২২]
  2. In Thanks, Johnners, Agnew erroneously calls this "the following year" to 1987.[৪৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Sproat, Iain (সম্পাদক)। Debrett's Cricketers' Who's Who (1980 সংস্করণ)। Debrett's Peerage Ltd। পৃষ্ঠা 10। আইএসবিএন 0-905649-26-5 
  2. Culf, Andrew (২০ আগস্ট ২০০৫)। "The incident which led to the greatest sporting commentary of all time (according to 5 Live listeners): 'He just couldn't get his leg over'"The Guardian। London। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১১ 
  3. Henderson, Michael (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "Aggers puts Radio Halfwit in its place"The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০১১ 
  4. "Births"। The Times (54739)। London। ৬ এপ্রিল ১৯৬০। পৃষ্ঠা 1। 
  5. "Jonathan Agnew"ESPNcricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  6. Agnew. Thanks, Johnners. p. 7
  7. Agnew. Thanks, Johnners. p. 8
  8. Sproat, Iain (সম্পাদক)। The Cricketers' Who's Who (1991 সংস্করণ)। Collins Willow। পৃষ্ঠা 11। আইএসবিএন 0-00-218396-X 
  9. Agnew. Thanks, Johnners. p. 10
  10. Agnew. Thanks, Johnners. p. 11
  11. "Cricketer of the Year, 1988 : Jonathan Agnew"Wisden Cricketers' Almanack। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  12. Preston, Norman। "England v West Indies"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০১১ 
  13. Buckland, William (১৪ এপ্রিল ২০০৮)। Pommies: England Cricket Through an Australian Lens। Matador। পৃষ্ঠা 273। আইএসবিএন 978-1-906510-32-9 
  14. "Second Eleven Championship Matches played by Jonathan Agnew"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  15. "First Class matches played by Jonathan Agnew"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  16. "David Lloyd"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০১১ 
  17. "Leicestershire v Lancashire in 1979"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  18. Agnew. Thanks, Johnners, p. 38
  19. "First-class Bowling in each season by Jon Agnew"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১১ 
  20. "Young fast bowler to be coached by Tyson"। The Times (60416)। London। ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮। পৃষ্ঠা 13। 
  21. Preston, Norman। "Curbing the bouncer, and more 1979 – Notes by the Editor"Wisden Cricketers' Almanack। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  22. "Records / England / Test matches / Batting averages"ESPNcricinfo। ESPN। ৫ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১১ 
  23. Preston, Norman। "Recodification of the laws and more, 1980 – Notes by the Editor"Wisden Cricketers' Almanack। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  24. "Jonathan Agnew: My Life In Media"The Independent। London। ২৫ জুলাই ২০০৫। ২০০৯-০৩-২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১১ 
  25. "List A Matches played by Jon Agnew"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১১ 
  26. "Scotland v Leicestershire – Benson and Hedges Cup 1980 (Group A)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০১১ 
  27. "Surrey v Leicestershire in 1984"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১২ 
  28. "Kent v Leicestershire in 1984"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১২ 
  29. "The Wisden Trophy – 5th Test"ESPNcricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১১ 
  30. "31 years of hurt"। BBC Sport। ৪ সেপ্টেম্বর ২০০০। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০১২ 
  31. "England v West Indies, 1984"ESPNcricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১১ 
  32. Agnew. Thanks, Johnners. p. 41
  33. Thuraisingam, Ragavan (৩ জানুয়ারি ২০০১)। "CricInfo talks to Ravi Ratnayeke"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১১ 
  34. "England v Sri Lanka 1984"Wisden Cricketers' Almanack। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১১ 
  35. "England v Sri Lanka in 1984"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১১ 
  36. "England in India and Sri Lanka, 1984–85"Wisden Cricketers' Almanack। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১১ 
  37. "Test batting and fielding for England – England in India 1984/85"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১১ 
  38. "First-class batting and fielding for England – England in India 1984/85"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১১ 
  39. "First-class bowling for England – England in India 1984/85"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১১ 
  40. "Statistics / Statsguru / JP Agnew / One-Day Internationals"ESPNcricinfo। ১৯ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১১ 
  41. "India v England – Charminar Challenge Cup 1984/85 (4th ODI)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১১ 
  42. "India v England – Charminar Challenge Cup 1984/85 (5th ODI)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১১ 
  43. "Australia v England – Benson and Hedges World Championship of Cricket 1984/85 (Group A)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৪ নভেম্বর ২০১১ 
  44. Agnew. Thanks, Johnners. p. 55
  45. "Bowling in the Brtiannic Assurance County Championship 1987 (ordered by wickets)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১১ 
  46. "Bowling in Britannic Assurance County Championship 1988 (ordered by wickets)"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১০ নভেম্বর ২০১১ 
  47. "Britannic Assurance County Championship 1990"। CricketArchive। ২০১২-০১-১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১১ 
  48. Williamson, Martin। "Jonathan Agnew"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  49. Pittard, Steve (মে ২০০৬)। "The XI last-minute call-ups"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০১১ 
  50. Frindall, Bill (২০০৯)। Ask Bearders। BBC Books। পৃষ্ঠা 20। আইএসবিএন 978-1-84607-880-4 
  51. "International Cricket Captain"। Gamespy। ২০১২-০৪-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০১১ 
  52. "Brian Lara returns to videogames"VideoGamer.com। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১১ 
  53. Laughlin, Andrew (২৩ ডিসেম্বর ২০১০)। "Sky sells 'Wisden Cricketer' to consortium"Digital Spy। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  54. "Wisden Cricketer magazine sold"ESPNcricinfo। ২৩ ডিসেম্বর ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৩ আগস্ট ২০১১ 
  55. "Honorands 2008"De Montfort University। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১২ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  56. "Lord Robert Winston among those to be honoured by Loughborough University"Loughborough University। ২০ জুলাই ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১১ 
  57. Agnew, Jonathan (১ আগস্ট ২০০২)। "How cricket ruined my own marriage ... just like Thorpe"Evening Standard। London। ২০১২-১০-১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১১ 
  58. "Former Notts County Cricket Club skipper Bicknell signs for Belvoir CC"Melton Times। ১৬ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০১১ 
  59. Agnew. Thanks, Johnners. p. 54

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]