রিচার্ড এলিসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রিচার্ড এলিসন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরিচার্ড মার্ক এলিসন
জন্ম (1959-09-21) ২১ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯ (বয়স ৬১)
উইলেসবোরা, কেন্ট, ইংল্যান্ড
ডাকনামএলি[১]
উচ্চতা৬ ফুট ৩ ইঞ্চি (১.৯১ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট
সম্পর্কহেনরি এলিসন (দাদা)
চার্লস এলিসন (ভ্রাতা)
চার্লি এলিসন (পুত্র)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৫০৯)
৯ আগস্ট ১৯৮৪ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টেস্ট১০ জুন ১৯৮৬ বনাম ভারত
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৭৫)
৫ ডিসেম্বর ১৯৮৪ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই১৬ জুলাই ১৯৮৬ বনাম নিউজিল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮১–১৯৯৩কেন্ট
১৯৮৬–১৯৮৭তাসমানিয়া
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১১ ১৪ ২০৭ ১৭৫
রানের সংখ্যা ২০২ ৮৬ ৫,০৪৬ ১,৯৬৭
ব্যাটিং গড় ১৩.৪৬ ১০.৭৫ ২৩.৮০ ২৪.৫৮
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ১/২১ ০/৪
সর্বোচ্চ রান ৪১ ২৪ ১০৮ ৮৪
বল করেছে ২,২৬৪ ৬৯৬ ৩০,০৪৬ ৭,৯২০
উইকেট ৩৫ ১২ ৪৭৫ ১৮৮
বোলিং গড় ২৯.৯৪ ৪২.৫০ ২৮.৯৯ ২৮.২৯
ইনিংসে ৫ উইকেট ১৮
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৬/৭৭ ৩/৪২ ৭/৩৩ ৪/১৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/– ২/– ৮৬/– ২৭/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ২০ জুলাই ২০১৮

রিচার্ড মার্ক এলিসন (ইংরেজি: Richard Ellison; জন্ম: ২১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৯) কেন্টের উইলসবোরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ও বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৬ সময়কালে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে কেন্টের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিং করতেন ‘এলি’ ডাকনামে পরিচিত রিচার্ড এলিসন

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

এলিসনের মাতার তথ্যমাফিক জানা যায়, উনবিংশ শতকে গ্রেস ভাইদের বিপক্ষে তার প্রপিতামহ খেলেছিলেন ও ৬০ বছর বয়সে তার দাদু ডার্বিশায়ার দ্বিতীয় একাদশের অধিনায়কত্ব করেছিলেন।[২] এলিসনের পিতা পিটার তিন বছর বয়সে তাকে ক্রিকেট খেলায় হাতেখড়ি দেন। সাত বছর বয়সে কেন্টের অ্যাশফোর্ডে অবস্থিত ফ্রায়ার্স প্রিপারেটরি স্কুলে অধ্যয়নকালে মাত্র তিন রান খরচায় আট উইকেট পেয়েছিলেন।

এলিসন তার খেলোয়াড়ী জীবনে সুইং বোলার হিসেবে উত্তরণে টনব্রিজ স্কুলের কোচ অ্যালান ডিক্সনকে ধন্যবাদ জানান। পরবর্তীকালে ডিক্সনের সহযোগিতায় তরুণ এই অল-রাউন্ডারকে নিজ সাবেক কাউন্টি দল কেন্টে অন্তর্ভূক্তিতে সবিশেষ সহায়তা করেন। তবে, নিজগুণে প্রথম বছরেই টনব্রিজের প্রথম একাদশে খেলার জন্য মনোনীত হন তিনি।[২]

বিদ্যালয়ে থাকাকালীন তিনি মূলতঃ বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিস্টোফার কাউড্রের সাথে খেলতেন। পরবর্তীতে পেশাদার ক্রিকেটে কাউড্রে কাউন্টি ক্রিকেটে তার অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।[২]

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

পুরো খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র ইংরেজ কাউন্টি দলের পক্ষে খেলেছেন রিচার্ড এলিসন। তিনি কেন্টের ১৬৪তম ক্যাপধারী ছিলেন ও ১৯৮১ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত খেলেছেন।[৩]

মোটাসোটা, কোঁকড়ানো চুলের অধিকারী রিচার্ড এলিসন ডানহাতি মিডিয়াম ফাস্ট সুইং বোলার ছিলেন। ১৯৮১ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে কেন্টের পক্ষে এলিসনের অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়।[৪] তখন তার বয়স ২২ বছরের চেয়ে সামান্য কম ছিল। ৯ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে অপরাজিত ৫৫ ও অপরাজিত ১১ রান সংগ্রহ করেন। হ্যাম্পশায়ারের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় তিনি বল হাতে পাঁচ ওভার বোলিং করে ১৩ রান খরচায় জন সাউদার্নের উইকেট লাভ করেন।[৫]

১৯৮৬ সালে বেনসন এন্ড হেজেস কাপের চূড়ান্ত খেলায় অংশ নেন তিনি।[৬] মিডলসেক্সের বিপক্ষে ৩/২৭ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে ১৯৯/৭-এ বেঁধে ফেলতে সহায়তা করেন।[৬] ব্যাট হাতে ২৯ রান তুললেও মিডলসেক্স নাটকীয়ভাবে দুই রানের জয় তুলে নেয়।[৬]

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে একটি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি। ২০৭টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ৪৭৫ উইকেট পেয়েছেন। তন্মধ্যে, ৩০ রানেরও কম খরচে ৩৫ উইকেট দখল করেছেন রিচার্ড এলিসন।

টেস্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ১১ টেস্ট ও ১৪টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন রিচার্ড এলিসন। তন্মধ্যে, ১৯৮৫ সালের অ্যাশেজ সিরিজ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।

১৯৮৪ সালে শক্তিধর ও সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক ঘটে তার। অভিষেক টেস্টেই পাঁচ উইকেট লাভের কীর্তিগাঁথা রচনা করেন তিনি। ব্যতিক্রমধর্মী চুলের ধরনের পাশাপাশি ১৯৮৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম টেস্টে অবদানের জন্যে স্মরণীয় হয়ে আছেন। জাতীয় দলে ফিরে আসার পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র এক রান দিয়ে চার উইকেট লাভ করেন। পাশাপাশি খেলায় দশ উইকেট তুলে নেন তিনি। ষষ্ঠ টেস্টে তিনি আরও সাত উইকেট লাভ করে ইংল্যান্ডের সিরিজ জয়ে প্রভূতঃ ভূমিকা রাখেন। ফলশ্রুতিতে ১৯৮৬ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটারের মর্যাদায় ভূষিত হন।

অ্যাশেজ সিরিজ[সম্পাদনা]

১৯৮৪-৮৫ মৌসুমে ডেভিড গাওয়ারের নেতৃত্ব ইংরেজ দল ভারত সফরে যায়। এ সফরে বেশ ভালো বোলিংশৈলী প্রদর্শন করেন রিচার্ড এলিসন। কিন্তু, ১৯৮৫ মৌসুমের শুরুর দিকে আঘাতের কবলে পড়েন তিনি। সুস্থ হয়ে ওঠার পর অ্যাশেজ দলে অন্তর্ভূক্তিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়।[৭]

প্রথম তিন টেস্টে খেলার সুযোগ ঘটেনি তার। তবে, ইংল্যান্ড দলপতি ডেভিড গাওয়ারের কাছ থেকে সুযোগ আদায় করে নেন। এলিসনের ভাষায়, কেন্ট আমার কাউন্টি দল। জুলাইয়ে লিচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে খেলাকালীন ইংরেজ অধিনায়কের দায়িত্বে থাকা ডেভিড গাওয়ারকে বলেছিলাম যে, আমাকে দলে নেবার জন্য প্রস্তুত হও। এরপর থেকেই আমি উইকেট লাভ করার দিকে ঝুঁকতে থাকি। ফলশ্রুতিতে ম্যানচেস্টারের চতুর্থ টেস্টে আমাকে নেয়া হয়।

প্রথমশ্রেণীর খেলায় একমাত্র ইনিংসে গাওয়ারের উইকেটসহ ৩/৫৮ পান।[৮] এলিসনকে দলে নেয়া হলেও মূল একাদশের বাইরে রাখা হয়। এটি তার জন্য শাপে বরের মতো ঘটনা ছিল। কেননা, ওল্ড ট্রাফোর্ডে খেলতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন না। এ মাঠটি স্পিনারদের স্বর্গরাজ্য ছিল। খেলায় কেবলমাত্র ২৪ উইকেটের পতন ঘটে। ফাস্ট বোলিংয়ে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জোনাথন অ্যাগ্নিউপল অ্যালট উইকেট শূন্য ছিলেন।[৯] এরফলে উভয়েই পরবর্তী টেস্টের একাদশের বাইরে ছিলেন ও এলিসনকে পঞ্চম টেস্টে খেলার জন্য রাখা হয়।[১০] এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এজবাস্টনে খেলার সুযোগ লাভ করায় ইংল্যান্ডের শৈল্যচিকিৎসক বার্নার্ড টমাস তাকে অত্যন্ত সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হবার ফলে খেলতে মানা করেন। তবে, তিনি তা অগ্রাহ্য করেন ও সুযোগটি কাজে লাগান।[১১]

ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন[সম্পাদনা]

অ্যাশেজ সিরিজের পর ইংল্যান্ড অধিনায়ক ডেভিড গাওয়ার প্রচার মাধ্যমে মন্তব্য করেন যে, ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে তাদের আগমনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কাঁপবে।[১২] কিন্তু, এক দশক পূর্বেকার টনি গ্রেগ কিছুটা বাঁধার প্রাচীর গড়ে তুললেও গাওয়ার খুব কমই সফলতা পেয়েছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল একেবার সম্মুখে বধ করে তাদেরকে।[১২] এ সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫-০ ব্যবধানে ব্ল্যাকওয়াশ করে।

উইলিয়াম বাকল্যান্ডের মতে,

ইয়ান বোথাম, রিচার্ড এলিসন, গ্রেগ টমাসনিল ফস্টার ৪২ গড়ে উইকেট পেলেও ব্যাটসম্যানেরা ২০ গড়ে রান তুলেছেন। [১৩]

এলিসন ৪২.০০ গড়ে ৭ উইকেট লাভে সক্ষম হন।[১৪]

ভারত গমন[সম্পাদনা]

১৯৮৬ সালে ইংল্যান্ড দলের সাথে ভারতে সফরে যান। সিরিজের প্রথম টেস্টেই তার অংশগ্রহণ ছিল। ৮০ রান খরচায় একটিমাত্র উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।[১৫]

১৯৯০ সালে তৎকালীন বর্ণবৈষম্যবাদের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গন থেকে দূরে রাখা দক্ষিণ আফ্রিকায় বিদ্রোহী দলের সাথে গমন করেন।[১৬] তবে, ব্যাপকমাত্রায় বর্ণবাদ বিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশের কারণে নয়টি খেলার পর বাদ দিতে হয়।

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

টেস্ট পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

  ব্যাটিং[১৭] Bowling[১৮]
প্রতিপক্ষ খেলা রান গড় সর্বোচ্চ ১০০ / ৫০ রান উইকেট গড় সেরা
অস্ট্রেলিয়া ৩.০০ ০ / ০ ১৮৫ ১৭ ১০.৮৮ ৬/৭৭
ভারত ৪৩ ৭.১৬ ১৯ ০ / ০ ৩৬৯ ৭৩.৮০ ৪/৬৬
শ্রীলঙ্কা ৪১ ৪১.০০ ৪১ ০ / ০ ১০৬ ১০৬ ১/৭০
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১১৫ ১৬.৪২ ৩৬ ০ / ০ ৩৮৮ ১২ ৩২.৩৩ ৫/৭৮
সর্বমোট ১১ ২০২ ১৩.৪৬ ৪১ ০ / ০ ১০৪৮ ৩৫ ২৯.৯৪ ৬/৭৭

ওডিআই পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

  ব্যাটিং[১৯] Bowling[২০]
প্রতিপক্ষ খেলা রান গড় সর্বোচ্চ ১০০ / ৫০ রান উইকেট গড় সেরা
অস্ট্রেলিয়া ২৬ ২৬.০০ ২৪ ০ / ০ ৬২ ২০.৬৬ ২/২৮
ভারত ৩৪ ১১.৩৩ ১৪* ০ / ০ ২৫৮ ৮৬.০০ ১/৪৫
নিউজিল্যান্ড ১২ ১২.০০ ১২ ০ / ০ ৪৩ ১৪.৩৩ ৩/৪৩
পাকিস্তান ১৫ ৪.৫০ ০ / ০ ৬০ ২০.০০ ৩/৪২
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫.০০ ০ / ০ ৮৭
সর্বমোট ১৪ ৮৬ ১০.৭৫ ২৪ ০ / ০ ৫১০ ১২ ৪২.৫০ ৩/৪২

অবসর[সম্পাদনা]

ইংরেজ পরিবেশে সুইং করানোয় সক্ষমতা দেখালেও ওয়েস্ট ইন্ডিজে তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। এছাড়াও পিঠের ব্যথায় জর্জরিত হওয়ায় ১৯৮৭ মৌসুমে খেলার মাঠে অনুপস্থিত ছিলেন। ১৯৮৮ সালে কেন্টের পক্ষে ৭১ উইকেট লাভ করলেও ইংল্যান্ড দলে উপেক্ষিত ছিলেন। ৩৩ বছর বয়সে ক্রিকেট থেকে অবসরগ্রহণ করেন রিচার্ড এলিসন। নিচেরসারিতে ব্যাট হাতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতেন। উইজডেন বর্ষসেরা ক্রিকেটার হবার দুইমাস পর ও ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ তারকা হবার নয়দিন পর ২৬ বছর বয়সে টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবন থেকে বিদায় নেন তিনি।[২১]

ক্রিকইনফো এলিসনের সম্পর্কে মন্তব্য করে যে, সামরিক মাঝারিমানের পেস ও নমনীয়তায়পূর্ণ দেরীতে সুইং করানোর অধিকারী এলিসন ইংরেজ মাটিতে চূড়ান্ত সফলতা পেলেও এরপর নিজদেশে তিনি আর মাত্র একটি টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন।

শিক্ষকতা[সম্পাদনা]

এক্সটার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষকতা করার যোগ্যতা লাভ করেন। ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর নেয়ার পর শিক্ষকতা পেশায় চলে আসেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি জানতাম না আমাকে কি করতে হবে। আমি কখনো ভাবিনি যে আমি এতে যুক্ত হবো। এমনকি গত ১৬ বছর ধরেও শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের কোন চিন্তা করিনি। আমি রয়্যাল মেরিনসে যোগ দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমার পিঠের ব্যথার সমস্যায় তা হয়ে উঠেনি। অবসর নেয়ার পর ফোনকলে শিক্ষকতা পেশায় চলে আসি। বর্তমানে আমি প্রধানশিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছি।

মিলফিল্ড স্কুলে ক্রিকেটের প্রধান দায়িত্বে ছিলেন রিচার্ড এলিসন।[২২] ২০০১ সালে এলিসন বিদ্যালয় ক্রিকেট শীত মৌসুমের প্রথমার্ধ্বে আয়োজনের বিষয়ে নিজ মতামত পেশ করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি উত্তরোত্তর পরীক্ষার প্রভাব বিশেষতঃ শেষদিকে এএস লেভেল আয়োজনের বিরূপ প্রভাব জানান।[২৩] এছাড়াও, তিনি শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে পড়াতেন ও বোর্ডারদের হাউজমাস্টারের দায়িত্ব পালন করেন। [১]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

২০০৭ সালে এলিসনের সন্তান হ্যারি মিলফিল্ডের পক্ষে শার্বোর্নের বিপক্ষে ৭-৫-৭-৫ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান।[২৪] বর্তমানে সে কেমব্রিজ এমসিসিইউ দলের পক্ষে প্রথমশ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করছে।[২৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Where are they now? Richard Ellison"The Observer। ১৫ জুন ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১০ 
  2. "Cricketer of the Year – 1986 Richard Ellison"Wisden Cricketers' Almanack। John Wisden & Co.। ১৯৮৬। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  3. "Richard Mark Ellison"। Kent County Cricket Club। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১০ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. "First-Class Matches played by Richard Ellison"। Cricket Archive। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১০ 
  5. "Kent v Hampshire in 1981"। Cricket Archive। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১০ 
  6. "Five great finals"। BBC Sport। ২০ জুন ২০০২। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  7. "Ashes one-hit wonders"The Guardian। ৫ জুন ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১০ 
  8. "Leicestershire v Kent in 1985"। Cricket Archive। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১০ 
  9. "The Ashes – 4th Test (England v Australia)"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১০ 
  10. "The Ashes – 5th Test (England v Australia)"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১০ 
  11. Hoult, Nick। "England's last hurrah"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  12. Williamson, Martin (১৬ মে ২০০৬)। "One-way traffic"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১০ 
  13. William Buckland। Pommies: England Cricket Through an Australian Lens। Matador। পৃষ্ঠা 94। আইএসবিএন 1-906510-32-6 
  14. "England in West Indies 1985–86 : Test Averages"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০১০ 
  15. "India in England 1986 Test Averages"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৪ মার্চ ২০১০ 
  16. "'Rebels' to sue South Africa board"। BBC Sport। ৩ জানুয়ারি ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  17. "Statsguru – RM Ellison – Test Batting – Career summary"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১০ 
  18. "Statsguru – RM Ellison – Test Bowling – Career summary"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১০ 
  19. "Statsguru – RM Ellison – One-Day Batting – Career summary"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১০ 
  20. "Statsguru – RM Ellison – One-Day Bowling – Career summary"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১০ 
  21. "The one and only Curtly"। Cricinfo। ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  22. Davies, Gareth (৬ আগস্ট ২০০৯)। "School Sport: push for sports facilities in holiday time"Daily Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  23. Davies, Gareth (১০ জুলাই ২০০১)। "Talking Sport: Schools cricket facing testing times"Daily Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০ 
  24. Davies, Gareth (৩০ মে ২০০৭)। "Glut of draws rile Moody"Daily Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১০ 
  25. http://www.espncricinfo.com/england/content/player/635997.html

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]