বিষয়বস্তুতে চলুন

চীনে ইসলাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
২০১০ সালের এক সমীক্ষা অনুসারে চীনের বিভিন্ন প্রদেশে ইসলামের বিস্তৃতি; চীনে প্রায় ২ কোটি ৩ লক্ষ লোক, অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার প্রায় ১.৭% ইসলাম ধর্মাবলম্বী।[]
চীনের লিনশিয়া শহরের মা লাইচিতে অবস্থিত সুফি দরগা (কুংপেই নামক ইসলামী স্থাপত্যকৌশলে নির্মিত)

প্রায় ১৪০০ বছর ধরে চীনা সমাজে ইসলাম ধর্ম পালিত হয়ে আসছে।[] বর্তমানে মুসলিমরা চীনের একটি অন্যতম সংখ্যালঘু গোষ্ঠী। চীনের মোট জনসংখ্যার ১ থেকে ৩% ইসলাম ধর্মাবলম্বী।[] হুয়েই মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও[] শিনচিয়াং প্রদেশে রাষ্ট্রের দমন ও নিপীড়নমূলক কার্যক্রমের শিকার উইগুর জনগোষ্ঠী মুসলিম জনসংখ্যার গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে। সংখ্যায় তুলনামূলকভাবে কম হলেও নিংশিয়া, কানসুছিংহাই প্রদেশে উল্লেখযোগ্য মুসলমান বাস করে।[] চীনের সরকারিভাবে স্বীকৃত ৫৫টি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর মধ্যে দশটি গোষ্ঠীই প্রধানত সুন্নি মুসলিম[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
জি'য়ানের মসজিত, চীনের প্রাচীনতম মসজিদগুলোর একটি

চীনা মুসলিমরা গত ১৪০০ বছর ধরে চীনা সমাজের সহাবস্থানে চীনে থেকে আসছে।[] "৭ম থেকে ১০ম শতক পর্যন্ত যুদ্ধ, বাণিজ্য ও কুটনৈতিক বিনিময়ের মাধ্যমে উপকূলবর্তী এলাকা ও স্থলপথের মধ্যে রেশম পথে ধীরে ধীরে ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে।"[]

থাং রাজবংশ

[সম্পাদনা]
নবী মুহাম্মদ (সা.) এর সাহাবি সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাসকে হুয়াইশেং মসজিদ নির্মাণ করার কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

চীনা মুসলিমদের ঐতিহ্যগত কিংবদন্তি অনুসারে, ৬১৬-১৮ খ্রিষ্টাব্দে নবী মুহাম্মদ(সা.)এর সাহাবা (সাথীগণ) সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, সাঈদ, ওয়াহাব ইবনে কাবছা এবং আরও একজন সাহাবা চীনকে ইসলাম ধর্মের সাথে পরিচিত করে তোলেন।[] ওয়াহাব ইবনে আবু কাবছাকে (ওয়াহব আবি কাবছা) অনেকে আল-হারিস ইবনে আব্দিল উজ্জার (আবু কাবশা নামেও পরিচিত) সন্তান বলে মত দিয়ে থাকেন।[] ওয়াহাব আবু কাবছা ৬২৯ খ্রিষ্টাব্দে সাগরপথে ক্যান্টনে পৌঁছান বলে অনেকে মত প্রকাশ করে থাকেন।[]

সুহায়লা আবুয়ারজা, উয়াইস করনিহাসসান ইবনে সাবিত এই তিন সাহাবাকে সঙ্গে নিয়ে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দে ইউনান-মনীপুর-চট্টগ্রাম পথে আরব থেকে চীনে যান এবং সাগরপথে আরবে ফেরত আসেন।[১০] কিছু সূত্রমতে চীনের সাথে ইসলামের পরিচয় ঘটে ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সাদ ইবনে ওয়াক্কাস সম্রাট গাওজংয়ের নিকট খলিফা উসমানের দূত হিসেবে চীনে তৃতীয়বারের মত অবস্থানকালে।,[১১][১২]

ঝেং হেইর ৭ম নৌভ্রমণ
জুলিয়েন-লিওপোল্ড বোইল্লির অঙ্কনে ১৮ শতকের চীনা মুসলিম

চীনা প্রজাতন্ত্র

[সম্পাদনা]
১৯৩৯ সালে উত্তর-পশ্চিম চীনের চীনা মুসলিম যোদ্ধারা জাপানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে[১৩][১৪]
চীনা মুসলিম পরিবারের সদস্যদের মৃতদেহ যাদেরকে জাপানিরা নানচিংয়ে হত্যা ও ধর্ষণ করে।

কিং সাম্রাজ্যের পতনের পর গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠাতা সান ইয়াত-সেন ঘোষণা করেন যে হান, মান (মানচু), মেং (মঙ্গোল), হুয়েই (মুসলিম) জাতি সমানভাবে চীনের দাবিদার।[n ১]

কুওমিনতাং দলের শাসনামলে দলটি মা ক্লিক নামক পরিবারের মুসলিম সেনাপতিদের কিংহাই, গানসু এবং নিনজিয়া প্রদেশের সামরিক প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত করে। ঐ আমলে বাই চংজি একজন মুসলিম জেনারেল ও চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন।

দ্বিতীয় চীন-জাপান যুদ্ধ চলাকালে জাপানিরা ২২০টি মসজিদ ধ্বংস করে এবং ১৯৪১ সালের এপ্রিলের মধ্যে অগণিত হুয়েই জনগোষ্ঠীর মানুষকে হত্যা করে।[১৫] হুয়েই মুসলিমদের প্রদেশ দাচাং জাপানিদের হত্যাকাণ্ডের লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়ায়।[১৬] নানকিংয়ের ধর্ষণের সময় নানজিংয়ের মসজিদগুলো জাপানি হত্যাকাণ্ডের পর লাশে ভেসে যায়। [১৭]

গণপ্রজাতন্ত্রী চীন

[সম্পাদনা]
একটি হুয়েই পরিবার নিংশিয়াতে ঈদুল ফিতর পালন করছে।

সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময় মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মের বহু উপাসনালয় বন্ধ ও ধ্বংস করা হয় এবং কুরআনের অনুলিপি নষ্ট করা হয়। লাল সেনারা বহু মন্দির, গির্জা, বৌদ্ধ ও তাওবাদী মন্দির এবং কবরস্থান ধ্বংস করে।[১৮][পৃষ্ঠা নম্বর প্রয়োজন] ১৯৭৫ সালে হুয়েই মুসলিমদের মধ্যে বিদ্রোহের সৃষ্টি হয়, যা ছিল সাংস্কৃতিক বিপ্লবের বিরুদ্ধে সংঘটিত একমাত্র শক্তিশালী জাতিগত বিদ্রোহ। [১৯] এ বিদ্রোহ দমন করতে পিএলএ বিভিন্ন গ্রামে মিগ ফাইটার বিমান ব্যবহার করে রকেট বর্ষণ করে ১৬০০ হুয়েইকে হত্যা করে।[১৯] "গ্যাং অব ফোর" এর পতনের পর এসব আক্রমণের জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। [২০] এসময় সরকার মুসলিমদের ও অন্যান্য ধর্মীয় গোষ্ঠীদেরকে কুসংস্কারাচ্ছন বিশ্বাস ও সমাজতন্ত্র বিরোধী চেতনার জন্য দায়ী করে।[২১] ১৯৭৮ সালে, সরকার মুসলমানদের প্রতি তার নীতি শিথিল করতে শুরু করে।[২২]

সাংহাইয়ের চিয়াংওয়ান মসজিদে ঈদুল আজহা

ধর্মীয় স্বাধীনতায় চীনা সরকারের বাধা প্রদেশভেদে ভিন্ন হতে পারে। ১৯৮৯ সালে চীন "চিং ফেংসু" নামক একটি ইসলামের কটূক্তিকারী বইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। লানচৌ ও বেইজিংয়ে হুয়েই মুসলিমদের বিক্ষোভের পর বইটির লেখককে গ্রেফতার করা হয়। এসময় চীনা পুলিশ হুয়েই মুসলিম বিক্ষোভকারীদের নিরাপত্তা প্রদান করে এবং চীনা সরকার প্রকাশ্যে বইটি পোড়ানোর ব্যবস্থা করে।[২৩]

প্রতিনিধিত্বমূলক সংস্থা

[সম্পাদনা]

চীনের ইসলামিক সংস্থা

[সম্পাদনা]
বেইজিংয়ে চীনের ইসলামিক সংস্থার সদর দপ্তর

সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়ে চীনের ইসলামিক সংস্থা পুরো জাতির নিকট চীনা মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব করার দাবি করে। ১৯৫৩ সালের ১১মে সংস্থাটির উদ্বোধনী সভায় গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ১০টি ভিন্ন জাতীয়তার অধিকারী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সংস্থাটি ১৬জন ধর্মীয় নেতা দ্বারা পরিচালিত হওয়ার কথা ছিল যারা ইসলামিক ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুশাসনের সঠিক ও কর্তৃত্বমূলক ব্যাখ্যা করবে। অনুপ্রেরণামূলক রচনা ও বক্তব্য প্রচার, ইমামদের উন্নতিসাধনে সাহায্য করা এবং দেশটিতে ইমামদের প্রদানকৃত বক্তৃতা যাচাই করাই সংস্থাটির উদ্দেশ্য।

মুসলিমদের দেওয়া সরকারের কিছু সুযোগ-সুবিধার উদাহরণ নিম্নরূপ:

  • মুসলিম সম্প্রদায় আলাদা কবরস্থান বানাতে পারবে
  • মুসলিম দম্পত্তি ইমামের মধ্যস্থতায় বিয়ে করতে পারবে
  • মুসলিম শ্রমিকরা তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিন ছুটি পাবে
  • চীনে মুসলিমরা হজ করতে মক্কায় যেতে পারবে, গত কয়েক বছরে ৪৫,০০০ এর চেয়েও বেশি চীনা মুসলিম পবিত্র হজব্রত পালন করেছে।[২৪]

সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য

[সম্পাদনা]
বেইজিংয়ে অবস্থিত নিউচিয়ে মসজিদ

চীনের হালাল খাবার

[সম্পাদনা]
সাংহাইয়ে হুশি মসজিদের একটি হালাল কসাইখানা।

চীনে হালাল খাবারের একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। থাং ও সুং সাম্রাজ্যের শাসনামলে আরব ও পারসিক ব্যবসায়ীদের আবির্ভাবের মাধ্যমে চীনে মুসলিম খাদ্যাভাসের পরিচয় ঘটে। চীনা মুসলিম রন্ধনপ্রণালীতে ভেড়ার মাংস অন্যতম প্রধান খাবার। চীনার মুসলিম রন্ধনপ্রণালী অল্প আঁচে রান্না, ভাপে রান্না, সিদ্ধ করা ও ভাজার মত চীনা রন্ধনশৈলীর অনেক পদ্ধতি গ্রহণ করায় মুসলিম রন্ধনপ্রণালী বেশ উন্নত ও বৈচিত্র্যপূর্ণ। চীনের বহুসাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রদেশভেদে মুসলিম রন্ধনপ্রণালীর নিজস্ব রূপ রয়েছে।[২৫]

শিক্ষা

[সম্পাদনা]

নারী-পুরুষসহ অনেক চীনা শিক্ষার্থী ইসলামিক জ্ঞানার্জনের জন্য ইসলামাবাদের আন্তর্জাতিক ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। হুয়েই, সংখ্যালঘু সালারসহ চীনের বেশ কয়েকটি মুসলিম গোষ্ঠী সহশিক্ষাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে না। তবে উইঘুর মুসলিমদের মধ্যে সহশিক্ষার ধারণা প্রচলিত।[২৬]

ইসলাম ধর্মে নারীদের ইমামতি করা নিষিদ্ধ, এবং এটা চীনেও মেনে চলা হয়॥[২৭]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

পাদটীকা

[সম্পাদনা]
  1. বর্তমানে "হুয়েই" শব্দটি ইসলাম ধর্মাবলম্বী ও জাতিগত হুয়েই চীনা উভয়কে বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও পূর্বে "হুয়েই" শব্দটি হুয়েই ও উইঘুর সহকারে সকল চীনা মুসলিমদের বোঝাতে ব্যবহৃত হত।
  1. Min Junqing. The Present Situation and Characteristics of Contemporary Islam in China. JISMOR, 8. 2010 Islam by province, page 29 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৭ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে. Data from: Yang Zongde, Study on Current Muslim Population in China, Jinan Muslim, 2, 2010.
  2. 1 2 Gladney, Dru C. (২০০৩)। "The China Quarterly - Islam in China: Accommodation or Separatism? - Cambridge Journals Online"Cambridge.org১৭৪ডিওআই:10.1017/S0009443903000275। ২৪ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১০
  3. "The World Factbook"cia.gov। ১৩ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০০৭
  4. "China halts mosque demolition due to protest"। ১১ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৮
  5. 1 2 Armijo 2006
  6. Dru C. Gladney wrote আইএসবিএন ১৮৫০৬৫৩২৪০
  7. Dru C. Gladney, Muslim Tombs & Ethnic Folklore-Hui Identity, in The Journal of Asian Studies, California, vol.16, No.3, Aug. 1987, p. 498, p. 498 nt.8.
  8. Safi-ur Rahman Al-Mubarakpuri, 2009, Ar-Raheeq al-Makhtum: The Sealed Nectar: Biography of the Noble Prophet, Madinah: Islamic University of Al-Madinah al-Munawwarah, page 72: The Prophet was entrusted to Halimah...Her husband was Al-Harith bin Abdul Uzza called Abi Kabshah, from the same tribe
  9. Claude Philibert Dabry de Thiersant (১৮৭৮)। Le mahométisme en Chine et dans le Turkestan oriental (ফরাসি ভাষায়)। Leroux।
  10. Maazars in China-www.aulia-e-hind.com/dargah/Intl/Chin
  11. BBC 2002, Origins
  12. Abul-Fazl Ezzati, 1994, The Spread of Islam, Tehran: Ahlul Bayt World Assembly Publications, pp. 300,303, 333.
  13. Lin, Hsiao-ting (১৩ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "4 War and new frontier designs"Modern China's Ethnic Frontiers: A Journey to the West। Routledge Studies in the Modern History of Asia। Routledge। পৃ. ৬৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৬-৯২৩৯৩-৭
  14. Lin, Hsiao-ting (১৩ সেপ্টেম্বর ২০১০)। "4 War and new frontier designs"Modern China's Ethnic Frontiers: A Journey to the West। Routledge Studies in the Modern History of Asia। Routledge। পৃ. ১৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৬-৯২৩৯২-০
  15. LEI, Wan (ফেব্রুয়ারি ২০১০)। "The Chinese Islamic "Goodwill Mission to the Middle East" During the Anti-Japanese War"Dîvân DİSİPLİNLERARASI ÇALIŞMALAR DERGİSİ১৫ (29): ১৩৯–১৪১। ১৮ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুন ২০১৪
  16. "China's Islamic Communities Generate Local Histories | China Heritage Quarterly"। ১৬ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৬
  17. LEI, Wan (২০১০)। "The Chinese Islamic "Goodwill Mission to the Middle East" During the Anti-Japanese War"Dîvân Disiplinlerarasi Çalişmalar Dergisi। cilt ১৫ (sayı 29): ১৩৯–১৪১। ১৮ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুন ২০১৪
  18. Goldman 1986
  19. 1 2 Antidrug crusades in twentieth century China। Lanham: Rowman and Littlefield। ১৯৯৯। পৃ. ১৩৭, ১৬২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৪৭৬-৯৫৯৮-০
  20. Muslim Chinese। Cambridge: Harvard East Asian Monographs। ১৯৯৬। পৃ. ১৪০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৭৪-৫৯৪৯৭-৫
  21. Israeli (2002), pg. 253
  22. "ALLÈS & CHÉRIF-CHEBBI & HALFON 2003" (PDF)islamichina.com। পৃ. ১২। ২৯ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুলাই ২০১৪
  23. Beijing Review, Volume 32 1989, p. 13.
  24. BBC 2002, China Islamic Association
  25. "Halal Food in China"Muslim2china.com। ২৩ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  26. Ruth Hayhoe (১৯৯৬)। China's universities, 1895-1995: a century of cultural conflict। Taylor & Francis। পৃ. ২০২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৫৩-১৮৫৯-০। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১০
  27. Sherwood, Harriet। "Women lead Friday prayers at Denmark's first female-run mosque"The Guardian। Copenhagen। ১৭ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]


বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]