উসমান ইবন আফ্‌ফান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ʿউসমান ইবন আফ্‌ফান
عثمان بن عفان
দুই নূরের অধিকারী (জিন্নুরাইন) (ذو النورين)
“আল-গনি” (উদার)
আমির আল-মুমিনুন
Rashidun Caliph Uthman ibn Affan - عثمان بن عفان ثالث الخلفاء الراشدين.svg
খুলাফায়ে রাশেদিন এর ৩য় খলিফা
রাজত্ব ৬ নবেম্বর ৬৪৪ – ১৭ জুন ৬৫৬
পূর্বসূরী উমর ইবনুল খাত্তাব
উত্তরসূরী আলী ইবনে আবু তালিব
জন্ম ৫৭৬ খ্রিঃ (৪৭ হিজরি )
তায়েফ, আল আরব
মৃত্যু ১৭ জুন ৬৫৬ খ্রিঃ(১৮ জিল্ -হাজ ৩৫ হিজরি)[১][২][৩] (৭৯ বছর)
মদিনা, আল আরব, খুলাফায়ে রাশেদিন এর রাজত্বকালে
সমাধি জান্নাতুল বাকি, মদিনা
পূর্ণ নাম

উসমান ইবন আফ্‌ফান

আরবি: عثمان بن عفان‎‎
বংশ কুুরাইশ (বনু উমাইয়া)
পিতা আফ্‌ফান ইবন আবি আল-আস্
মাতা আরওরা বিনতু কুরাইজ

উসমান ইবন আফ্‌ফান (عثمان بن عفان) (c. ৫৮০ - জুন ১৭ ৬৫৬) ছিলেন ইসলামের তৃতীয় খলিফা৬৪৪ থেকে ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত খিলাফতে অধিষ্ঠিত ছিলেন। খলিফা হিসেবে তিনি চারজন খুলাফায়ে রাশিদুনের একজন। উসমান আস-সাবিকুনাল আওয়ালুনের (প্রথম পর্বে ইসলাম গ্রহণকারী) অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও তিনি আশারায়ে মুবাশ্‌শারা'র একজন এবং সেই ৬ জন সাহাবীর মধ্যে অন্যতম যাদের উপর মুহাম্মদ (সা.) সন্তুষ্ট ছিলেন।[৪]। তাঁকে সাধারণত হযরত উসমান (রা.) হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

জীবনী[সম্পাদনা]

জন্ম[সম্পাদনা]

উসমানের জন্ম সন ও তারিখ নিয়ে বেশ মতপার্থক্য রয়েছে। অধিকাংশের মতে তার জন্ম ৫৭৬ খ্রিষ্টাব্দে অর্থাৎ হস্তীসনের ছয় বছর পর[৫]। এ হিসেবে তিনি হযরত মুহাম্মদ (সা.) থেকে ছয় বছরের ছোট। অধিকাংশ বর্ণনামতেই তাঁর জন্ম সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে। অবশ্য অনেকের বর্ণনামতে তাঁর জন্ম তায়েফ নগরীতে বলা হয়েছে।[৬] ডেভিড স্যামুয়েল মার্‌গোলিউথ, ২০তম শতাব্দীর একজন অমুসলিম ইসলামী চিন্তাবিদ লিখেছেন :

পরিবার ও বংশ[সম্পাদনা]

উসমানের কুনিয়া আবু আমর, আবু আবদিল্লাহ, আবু লায়লা। তাঁর উপাধি জুন-নুরাইন এবং জুল-হিজরাতাইন। তার পিতা আফ্‌ফান এবং মাতা আরওরা বিনতু কুরাইজ। তিনি কুরাইশ বংশের উমাইয়্যা শাখার সন্তান ছিলেন। তার ঊর্ধ্ব পুরুষ আবদে মান্নাফে গিয়ে মুহাম্মদের (সা.) বংশের সাথে মিলিত হয়েছে। তার নানী বায়দা বিনতু আবদিল মুত্তালিব ছিলেন মুহাম্মদের ফুফু।

ইসলাম গ্রহণের পর মুহাম্মদ (সা.) তাঁর কন্যা রুকাইয়্যার সাথে তাঁর বিয়ে দেন। হিজরি দ্বিতীয় সনে তাবুক যুদ্ধের পরপর মদিনায় রুকাইয়্যা মারা যায়। এরপর নবী তাঁর দ্বিতীয় কন্যা উম্মু কুলসুমের সাথে তাঁর বিয়ে দেন। এ কারণেই তিনি মুসলিমদের কাছে জুন-নুরাইন বা দুই জ্যোতির অধিকারী হিসেবে খ্যাত। তবে এ নিয়ে কিছু মতভেদ রয়েছে। যেমন ইমাম সুয়ুতি মনে করেন ইসলাম গ্রহণের পূর্বেই ওসমানের সাথে রুকাইয়্যার বিয়ে হয়েছিল[৪]। তবে অধিকাংশ ইতিহাসবেত্তা এই ধারণা পরিত্যাগ করেছেন। উসমান এবং রুকাইয়্যা ছিলেন প্রথম হিজরতকারী মুসলিম পরিবার। তারা প্রথম আবিসিনিয়ায় হিজরত করেছিলেন। সেখানে তাদের একটি ছেলে জন্ম নেয় যার নাম রাখা হয় আবদুল্লাহ ইবন উসমান। এরপর উসমানের কুনিয়া হয় ইবী আবদিল্লাহ। হিজরি ৪র্থ সনে আবদুল্লাহ মারা যায়। তাবুক যুদ্ধের পরপর রুকাইয়্যা মারা যান। এরপর উসমানের সাথে উম্মু কুলসুমের বিয়ে হয় যদিও তাদের ঘরে কোনো সন্তান আসে নি। হিজরি নবম সনে উম্মু কুলসুমও মারা যান।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

অন্যান্য অনেক সাহাবীর মতোই ইসলাম গ্রহণের পূর্বে উসমানের জীবন সম্বন্ধে তেমন কিছু জানা যায় নি। উসমান কুরাইশ বংশের অন্যতম বিখ্যাত কোষ্ঠীবিদ্যা বিশারদ ছিলেন। কুরাইশদের প্রাচীন ইতিহাস সম্বন্ধে তার অগাধ জ্ঞান ছিল। ইসলাম গ্রহণের পূর্বেও তার এমন বিশেষ কোনো অভ্যাস ছিল না যা ইসলামী নীতিতে ঘৃণিত। যৌবনকালে তিনি অন্যান্য অভিজাত কুরাইশদের মতো ব্যবসায় শুরু করেন। ব্যবসায়ে তাঁর সাফল্য ছিল উল্লেখযোগ্য। মক্কার সমাজে একজন ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন বলেই তাঁর উপাধি হয়েছিল গনি যার অর্ধ ধনী।

ই.এ. বেলায়েভ, ২০তম শতাব্দীর একজন সুন্নী ইসলামী চিন্তাবিদ লিখেছেন :

মক্কায় থাকাকালীন অবস্থায়[সম্পাদনা]

ইসলাম গ্রহণ[সম্পাদনা]

হিজরতের পর মদীনায় থাকাকালীন অবস্থায়[সম্পাদনা]

মুহাম্মাদ (সা.) এর মৃত্যু[সম্পাদনা]

তিনি কুরআন শরিফ সংকলন করেছিলেন

খিলাফতের দায়িত্ব লাভ ও অবদান[সম্পাদনা]

হযরত ওসমান রাঃ কে কুরঅান তেলওয়াত করা অবস্হায় শহীদ করা হয়।

ইসলামে গুরুত্ব[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

অন্যান্য:

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

মুসলিম ইতিহাসবিদদের দৃষ্টিভঙ্গী :

শিয়া দৃষ্টিভঙ্গী :

পূর্বসূরী:
{{{পূর্বসূরী}}}
খলিফা
৬৪৪৬৫৬
উত্তরসূরী:
{{{উত্তরসূরী}}}

বিষয়শ্রেণি :খুলাফায়ে রাশেদিন বিষয়শ্রেণি :সাহাবা বিষয়শ্রেণি :৫৭৪-এ জন্ম বিষয়শ্রেণি :৬৫৬-এ মৃত্যু বিষয়শ্রেণি :৭ম-শতাব্দীর খলিফা বিষয়শ্রেণি :মক্কার ব্যক্তি বিষয়শ্রেণি :কুরাইশ বিষয়শ্রেণি :আরব ব্যক্তিত্ব বিষয়শ্রেণি :৭ম-শতাব্দীর আরব ব্যক্তিত্ব