কেয়ার মেডিকেল কলেজ

স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৫′৪৩″ উত্তর ৯০°২২′১৭″ পূর্ব / ২৩.৭৬১৯° উত্তর ৯০.৩৭১৫° পূর্ব / 23.7619; 90.3715
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কেয়ার মেডিকেল কলেজ
ধরনবেসরকারি মেডিকেল কলেজ
স্থাপিত২০১৪ (2014)
চেয়ারম্যানপ্রফেসর ডাঃ পারভীন ফাতেমা[১]
অধ্যক্ষপদ খালি [১]
শিক্ষার্থী২৫০
অবস্থান,
২৩°৪৫′৪৩″ উত্তর ৯০°২২′১৭″ পূর্ব / ২৩.৭৬১৯° উত্তর ৯০.৩৭১৫° পূর্ব / 23.7619; 90.3715
শিক্ষাঙ্গন২/১-এ, ইকবাল রোড (আসাদ গেট), মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭
ওয়েবসাইটcaremc.edu.bd
কলেজ ও হাসপাতাল ভবন

কেয়ার মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ। এটি ঢাকার আসাদগেটে অবস্থিত। কলেজটি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, পরে কলেজের সাথে হাসপাতালযুক্ত করা হয়। কেয়ার নামটি পূর্ণরূপ হল সেন্টার ফর এসিস্টেড রিপ্রোডাকশন বা সহায়ক প্রজনন কেন্দ্র।

২০২২ অনুসারে কেয়ার কর্তৃক প্রদত্ত ডিগ্রীটি বাংলাদেশ মেডিকেল ডেন্টাল কাউন্সিল দ্বারা স্বীকৃত নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সার্টিফিকেট দেয়া হলেও অনুমোদন না থাকায় চিকিৎসক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয় না। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কর্তৃক কলেজটিকে কালোতালিকা ভুক্ত করা হয় এবং ভর্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।[২][৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

কেয়ার মেডিকেল কলেজ ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ ছিলেন অধ্যাপক ডঃ এম মোয়াজ্জাম হোসেন। কেয়ার বিশেষায়িত হাসপাতাল নামে যাত্রা করা এই হাসপাতালকে পরে কেয়ার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নামে নামকরণ করা হয়।

কেয়ার আইভিএফ ১৯৯৯ সালের নভেম্বরে শ্যামলীতে সহায়তাকারী প্রজনন কেন্দ্র হিসাবে যাত্রা শুরু করে। রোগীদের প্রথম ব্যাচে ২৬ জন দম্পতি ছিল। ৩০ মে ২০০১ সালে ১১ জন গর্ভধারণ করে। হীরা, মনি এবং মুক্তা বাংলাদেশের প্রথম আইভিএফ শিশু ছিল। ২০০২ সালের ২০ শে জুন বাংলাদেশের প্রথম ইন্ট্র্যাসিটপ্লাজমিক স্পার্ম ইনজেকশন শিশুর জন্ম হয়। ১০০ তম আইসিএসআই শিশুটি ৯ জুন ২০০৪ সালে জন্মগ্রহণ করে। ২০০৮ সালে কেয়ার আইভিএফ সাফল্যের সাথে ৫০০ এরও বেশি শিশুর প্রসবকাজ সম্পন্ন করেছিল।

বেসরকারি মেডিকেল কলেজ পরিচালনা নীতিমালা অনুযায়ী শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ২০১৭-১৮ সেশন থেকে কেয়ার মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে স্থগিত আদেশ দেওয়া হয়।[৩]

পরিষেবা[সম্পাদনা]

কেয়ার আইভিএফ, কেয়ার মেডিকেল কলেজ ভবনের তৃতীয় তলায় কাজ করে।

কেয়ার আইভিএফ বন্ধ্যাত্বের জন্য আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্যের দিক নির্দেশিকা অনুসারে চিকিৎসা প্রদান করে থাকে। এটি প্রসূতি এবং শিশু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বিস্তৃত কাজ করেছে। এই পরিষেবাগুলির মধ্যে রয়েছে মাতৃস্বাস্থ্যের চেকআপ, পরামর্শ, শিশুর টিকা এবং অন্যান্য রোগ সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Governing Body"CARe Medical College। আগস্ট ১৩, ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১৩, ২০১৯ 
  2. "কৌশলে 'অনুমতি' নিয়ে মানহীন কলেজে ভর্তি"যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০২২ 
  3. "নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২ মেডিকেলে শিক্ষার্থী ভর্তি"যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০২২