আবেদ চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আবেদ চৌধুরী
Dr. Abed Chaudhury.jpg
জন্মফেব্রুয়ারি ১, ১৯৫৬
জাতীয়তাবাংলাদেশী
জাতিসত্তাবাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
পরিচিতির কারণজীনবিজ্ঞানী, বিজ্ঞান লেখক

আবেদ চৌধুরী (জন্ম: ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬) একজন বাঙ্গালী জিনবিজ্ঞানী, বিজ্ঞানলেখক এবং কবি।[১] তিনি বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক এবং ক্যানবেরা শহরে বসবাস করেন। ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে শৈবাল ও অন্তরীক্ষ গ্রন্থটি প্রকাশের মধ্য দিয়ে তার কবি হিসাবে আত্মপ্রকাশ।

জন্ম[সম্পাদনা]

আবেদ চৌধুরী ১৯৫৬ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কানিহাটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মৃত আব্দুল মন্নান চৌধুরী ও তার মাতার নাম হাফিজা খাতুন ।

শিক্ষা ও গবেষণা[সম্পাদনা]

আবেদ চৌধুরী আধুনিক জীববিজ্ঞানের প্রথম সারির গবেষকদের একজন। তিনি পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে[২][৩], যুক্তরাষ্ট্রের অরেগণ স্টেট ইনিস্টিটিউট অফ মলিকুলার বায়লজি এবং ওয়াশিংটন স্টেটের ফ্রেড হাচিনসন ক্যান্সার রিসার্চ ইনিস্টিটিউটে১৯৮৩ সালে পিএইচ.ডি গবেষণাকালে তিনি রেকডি নামক জেনেটিক রিকম্বিনেশনের একটি নতুন জিন আবিষ্কার করেন যা নিয়ে আশির দশকে আমেরিকা ও ইউরোপে ব্যাপক গবেষণা হয়। তিনি অযৌন বীজ উৎপাদন (এফআইএস) সংক্রান্ত তিনটি নতুন জিন আবিষ্কার করেন,যার মাধ্যমে এই জিনবিশিষ্ট মিউটেন্ট নিষেক ছাড়াই আংশিক বীজ উৎপাদনে সক্ষম হয়। তার এই আবিষ্কার এপোমিক্সিস এর সূচনা করেছে যার মাধ্যমে পিতৃবিহীন বীজ উৎপাদন সম্ভব হয়।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনিস্টিটিউট হেলথ, ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি এবং ফ্রান্সের ইকোল নরমাল সুপিরিয়রের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা ও গবেষণা করেছেন। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিজ্ঞান সংস্থায় একদল বিজ্ঞানীর সমন্বয়ে গঠিত গবেষকদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অনেক পেশাদরী জার্নালে তার লেখা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি সহজবোধ্য ভাষায় বাংলা ও ইংরেজিতে অনেক নিবন্ধ লিখেছেন।

বই[সম্পাদনা]

  • মানুষের জিন, জিনের মানুষ
  • অণুভবের নীলনকশা
  • শৈবাল ও অন্তরীক্ষ (কবিতা সংকলন)
  • দুর্বাশিশির ও পর্বতমালা
  • Paradigm Shift (ইংরেজিতে লেখা প্রবন্ধগুচ্ছ)
  • নির্বাচিত কবিতা
  • স্বপ্ন সত্ত্বা নদী ও অন্যান্য কবিতা
  • Anguished Rivers and Other Designs

কলাম[সম্পাদনা]

  • দুর্বাশিশির ও পর্বতমালা

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.thedailystar.net/2006/01/16/d60116070483.htm
  2. http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-07-22/news/275534
  3. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৩০ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]