মানুষ
|
|
উইকিপিডিয়ার জন্য মানসম্মত অবস্থায় আনতে এই নিবন্ধ বা অনুচ্ছেদের উইকিফাই প্রয়োজন। অনুগ্রহ করে সম্পর্কিত আন্তঃসংযোগ প্রয়োগের মাধ্যমে নিবন্ধের উন্নয়নে সহায়তা করুন। |
| Human[১] Temporal range: 0.2–0 Ma Pleistocene - Recent |
|
|---|---|
| Human male | |
| সংরক্ষণ অবস্থা | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ/রাজ্য: | Animalia |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| শ্রেণী: | স্তন্যপায়ী |
| বর্গ: | Primates |
| পরিবার: | Hominidae |
| উপপরিবার: | Homininae |
| গোত্র: | Hominini |
| গণ: | Homo |
| প্রজাতি: | H. sapiens |
| Trinomial name | |
| Homo sapiens sapiens Linnaeus, 1758 |
|
মানুষ
পরিচ্ছেদসমূহ |
"মানুষ" শব্দের বিভিন্ন অর্থ [সম্পাদনা]
বিশেষ্য [সম্পাদনা]
- মানব জাতি
- একজন অনুভূতিশীল ব্যক্তি
- পরিণত বা প্রাপ্তবয়স্ক
ক্রিয়াপদ [সম্পাদনা]
- মানুষ করা = লালন-পালন (উপযুক্ত শিক্ষাদানও এরই অঙ্গ)টAঈওডোপFযFযূহূঈণEWহEFবWঊঈযণূঈণWড়
- মানুষ হওয়া =
-
- পরিণত-মনষ্ক হওয়া
- স্বাবলম্বী (উপার্জন-ক্ষম) হওয়া
নামের ব্যুত্পত্তি [সম্পাদনা]
মানুষ শব্দটি এসেছে "মনুষ্য" বা "মানব" শব্দের অপভ্রংশ হিসাবে। মনু+ ষ্ণ্য (অপত্যার্থে)= মানব বা মনুষ্য । অর্থাৎ পৌরানিক "মানব"রা ঋষি মনুর সন্তান (যেমন দানবরা দনুর সন্তান)। কিন্তু অন্যান্য ভাষার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে ইংরেজি Man, জার্মান Mann ও Mensch, আবেস্তান Manu-, প্রোটো-জার্মান manwaz সবই একই ইন্দোইউরোপীয় উত্স সম্ভূত।
সমার্থক শব্দ [সম্পাদনা]
মানব, মনুজ, মনুষ্য, মনিষ্যি, নর।
বিপরীত অর্থ [সম্পাদনা]
যখন মানুষ = অনুভুতিশীল, বিপরীত: অমানুষ, (বিশেষণ: অমানবিক= অমানুষিক )
যখন মানুষ = মানব জাতি, বিপরীত: না-মানুষ, মানষ্যেতর (ইতর=ভিন্ন)
যখন মানুষ = পরিণত বা প্রপ্তবয়স্ক, বিপরীত: ছেলেমানুষ (অপরিণত, শিশু)
যখন মানুষ = পুরুষ, স্ত্রীলিঙ্গ: মানুষী, মেয়েমানুষ (মানবী, নারী) (কদাচিত্ ব্যবহৃত, হলে মানুষ-মানুষী যুগ্ম ভাবে )
মানব জাতি [সম্পাদনা]
প্রাণীবিদ্যা অনুসারে মানুষ (অর্থাৎ আমরা) শিম্পাঞ্জীদের নিকটাত্মীয় একরকম দ্বিপদ স্তন্যপায়ী প্রাণী। মানব জাতি সম্পর্কিত গবেষণা এক বিশেষ বিষয় যার নাম নৃতত্ত্ব.
প্রাণীবিদ্যা বিভাগীয় অবস্থান [সম্পাদনা]
| রাজ্য Kingdom |
পর্ব Phylum |
শ্রেণী Class |
বর্গ Order |
পরিবার Family |
গোত্র Tribe |
গণ Genus |
প্রজাতি Species |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| প্রাণী Animalia |
কর্ডাটা কর্ডাটা |
স্তন্যপায়ী Mammalia |
প্রাইমেট Primate |
হোমিনিডে Hominidae |
হোমিনিনি Hominini |
হোমো homo |
সেপিয়েন্স sapiens |
| বৈজ্ঞানিক নাম: | হোমো সেপিয়েন্স Homo sapiens |
|---|
উত্পত্তি [সম্পাদনা]
মানুষের বিবর্তন সম্পর্কে নানা নৃতাত্বিক মতবাদ আছে। খুব সম্ভবত আজকের সব মানুষ একই উৎস থেকে উদ্ভুত (monophyletic) হয়ে পরে ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। মানুষের খুব নিকটাত্মীয় কিন্তু ভিন্ন উৎসজাত অন্যান্য শাখাগুলি অতীতে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ায় আজ শিম্পাঞ্জী মানুষের নিকটতম আত্মীয়।
সামাজিক বিবর্তন [সম্পাদনা]
অন্যন্য বাঁদর জাতীয় স্তন্যপায়ীর মত মানুষও সাধারণতঃ দলবদ্ধ-ভাবে থাকে। কিন্তু মানুষের স্থায়ী বসতি প্রতিষ্ঠা অপেক্ষাকৃত নতুন (<১৫ হাজার বছর)।
ভাষার আবির্ভাব [সম্পাদনা]
মানুষের বুদ্ধির উন্নতি মানুষের জটিল ভাষা ব্যবহার করার ক্ষমতার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত।
শারীরিক গঠন ও প্রক্রিয়া বিবর্তন [সম্পাদনা]
চার পায়ের বদলে দুই পায়ে চলতে আরম্ভ করার সাথে সাথে মানব শরীর-গঠন ও শরীর-প্রক্রিয়ায় ধীরে ধীরে নানা পরিবর্তন দেখা দিতে আরম্ভ করে। যেমন পেটের আভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলিকে নীচে পড়ে যাওয়ার থেকে রক্ষা করার জন্য শ্রোণীচক্রের (Pelvic girdle) ব্যাস (diameter) ছোট হয়। বাচ্চার জন্মের পথ সরু হয়ে যাওয়াতে গর্ভে মস্তিষ্ক বৃদ্ধি সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই বাচ্চাকে ভূমিষ্ঠ হতে হয়। তার ফল সদ্যজাত মানবশিশু শারীরিক ও মানসিকভাবে পরনির্ভরশীল। তাকে বহুদিন মা-বাবা ও অন্যান্যদের অভিভাবকত্বে বড় হতে হয়। এখানে ভাষার অবদান গুরত্বপূর্ণ। মুখ ও গলার গঠনে পরিবর্তন হওয়ার কারণে মানুষ অনেক জটিল মনোভাব আদানপ্রদানে সক্ষম হয়। মানুষের উদ্বর্তনের সবথেকে মূল্যবান উপহার মস্তিষ্কের উন্নতি। মানুষের মস্তিষ্ক প্রাণীরাজ্যে বৃহত্তম না হলেও আপেক্ষিকভাবে বৃহত্তরদের অন্যতম। মানুষ জন্মাবার বহুবছর অবধি স্নায়ুতণ্ত্রের বিকাশ অব্যহত থাকে। অন্যান্য মানুষদের সঙ্গে ভাষা ও ভঙ্গীর সাহায্যে ভাব বিনিময় করতে করতে বহু আচার-ব্যবহার অধীকৃত হয়, যা জন্মগত ভাবে (জীনের মাধ্যমে) সহজে বর্তায়না। দলবদ্ধ সমাজব্যবস্থাও এতে উপকৃত হয়। কিছু বিশেষজ্ঞের মতে বয়স্কা মহিলদের মাসিকবন্ধ হয় তথা রজোনিবৃত্তি ঘটে বলে তাদের ভুমিকা মায়ের বদলে দিদিমায় উপনীত হয়[১], ফলে তাদের দুই প্রজন্ম পরের মানবশিশুদেরও সুরক্ষা বর্ধিত হয়, শিক্ষা ত্বরান্বিত হয়। মানুষই একমাত্র প্রাণী যাদের বয়ঃসন্ধি ও রজোনিবৃত্তি আছে।
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ Groves, C. (2005). Wilson, D. E., & Reeder, D. M.. ed. Mammal Species of the World (3rd ed.). Johns Hopkins University Press. ISBN 0-801-88221-4. http://www.bucknell.edu/msw3/browse.asp?id=12100795.
- ↑ Global Mammal Assessment Team (2008). Homo sapiens. In: IUCN 2009. IUCN Red List of Threatened Species. Version 2009.2. <www.iucnredlist.org>. Downloaded on 03 March 2010.