মাইকেল হাউটন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মাইকেল হাউটন
Prof Michael Houghton.jpg
জন্ম১৯৪৯ (বয়স ৭১–৭২)
কর্মক্ষেত্রঅণুজীববিজ্ঞান
ভাইরাসবিজ্ঞান
প্রতিষ্ঠানআলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়
কাইরন কর্পোরেশন
প্রাক্তন ছাত্রইস্ট অ্যাংলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়(বিএস.সি)
কিংস কলেজ লন্ডন (পি.এইচ.ডি)
সন্দর্ভসমূহআরএনএ পলিমারেজ এবং চিকেন ওভিডাক্টে প্রতিলিপি (১৯৭৭)
পরিচিতির কারণহেপাটাইটিস সি
হেপাটাইটিস ডি
উল্লেখযোগ্য
পুরস্কার
কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার স্মারক পুরস্কার (১৯৯২)
রোবের্ট কখ পুরস্কার (১৯৯৩)
উইলিয়াম বোমন্ট পুরস্কার (১৯৯৪)
ল্যাস্কার পুরস্কার (২০০০)
গের্ডনার ফাউন্ডেশন আন্তর্জাতিক পুরস্কার (২০১৩- প্রত্যাখ্যান হয়েছিল)
চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার (২০২০)
ওয়েবসাইট
Official website

মাইকেল হাউটন (জন্ম: ১৯৪১) একজন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে ২০২০ সালে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। কুই-লিম চু, জর্জ কুও এবং ড্যানিয়েল ডব্লিউ ব্র্যাডলির পাশাপাশি তিনি ১৯৮৯ সালে যৌথভাবে হেপাটাইটিস সি-এর আবিষ্কার করেন।[১] তিনি ১৯৮৬ সালে যৌথভাবে হেপাটাইটিস ডি জিনোমের আবিষ্কার করেন।[২] হেপাটাইটিস সি ভাইরাস (এইচসিভি) আবিষ্কারের ফলে রক্ত সরবরাহে এইচসিভি সনাক্ত করার জন্য ডায়াগনস্টিক রিএজেন্টগুলির দ্রুত বিকাশ ঘটে, যার ফলে রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে এইচসিভি অর্জনের ঝুঁকি তিন জনের মধ্যে এক জন থেকে দুই মিলিয়ন ব্যক্তির মধ্যে একজনে নামিয়ে এনেছে।[৩][৪] অনুমান করা হয় যে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা প্রতি বছর কেবলমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ৪০,০০০ টি এবং বিশ্বব্যাপী আরও অনেক নতুন সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।[৫]

হাউটন বর্তমানে ভাইরাসবিজ্ঞানে কানাডা এক্সিলেন্স রিসার্চ চেয়ার এবং আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজির লি কা শিং প্রফেসর, যেখানে তিনি লি কা শিং অ্যাপ্লাইড ভাইরোলজি ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসাবে রয়েছেন।[৬] তিনি হার্ভে জে অল্টারচার্লস এম রাইসের সাথে ২০২০ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।[৭][৮][৯]

প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

হাউটন ১৯৪৯ সালে যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন।[১০] ১৭ বছর বয়সে মাইকেল লুই পাস্তুর সম্পর্কে পড়ে অণুজীব বিজ্ঞানী হওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন।[১১][১২] মাইকেল ১৯৭২ সালে জৈবিক বিজ্ঞানের (বায়োলজিক্যাল সায়েন্স) ডিগ্রি নিয়ে পূর্ব অ্যাঙ্গলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক উপাধি অর্জন করেন এবং পরবর্তীকালে ১৯৭৭ সালে কিংস কলেজ লন্ডন থেকে জৈব রসায়নে পিএইচডি শেষ করেন।[১৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Choo QL, Kuo G, Weiner AJ, Overby LR, Bradley DW, Houghton M (এপ্রিল ১৯৮৯)। "Isolation of a cDNA clone derived from a blood-borne non-A, non-B viral hepatitis genome"। Science244 (4902): 359–62। ডিওআই:10.1126/science.2523562পিএমআইডি 2523562সাইট সিয়ারX 10.1.1.469.3592অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  2. Wang, KS; Choo, QL; Weiner, AJ; Ou, JH; Najarian, RC; Thayer, RM; Mullenbach, GT; Denniston, KJ; Gerin, JL; Houghton, M (৯ অক্টোবর ১৯৮৬)। "Structure, sequence and expression of the hepatitis delta (delta) viral genome"। Nature323 (6088): 508–14। ডিওআই:10.1038/323508a0পিএমআইডি 3762705 
  3. "Opinion: Nobel-worthy discovery right in our backyard"Canadian for Health Research। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  4. "Science world abuzz as virologist turns down Gairdner award"The Globe and Mail। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  5. Thompson, Gilbert (২০১৪)। Pioneers of Medicine Without a Nobel Prize। পৃষ্ঠা 209। আইএসবিএন 978-1-78326-386-8 
  6. "MMI Faculty – Michael Houghton, PhD"। ৬ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৪ 
  7. "Press release: The Nobel Prize in Physiology or Medicine 2020"। Nobel Foundation। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২০ 
  8. Wu, Katherine J.; Victor, Daniel (অক্টোবর ৫, ২০২০)। "Nobel Prize in Medicine Awarded to Scientists Who Discovered Hepatitis C Virus - Harvey J. Alter, Michael Houghton and Charles M. Rice were jointly honored for their decisive contribution to the fight against blood-borne hepatitis, a major global health problem."The New York Times। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৬, ২০২০ 
  9. "লিভার ক্যানসারের জন্য দায়ী নয়া ভাইরাস, আবিষ্কারের স্বীকৃতিতে ৩ বিজ্ঞানীকে নোবেল"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ৬ অক্টোবর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০২০ 
  10. Houghton -Geburtsjahr 1949
  11. "Michael Houghton, PhD"Canadians for Health Research। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৬ 
  12. "Eureka moments in research"Alberta Innovates: Health Solutions। ১৩ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১৬ 
  13. Boyer, J.L; Blum, H.E; Maier, K.P; Sauerbruch, T.; Stalder, G.A (৩১ মার্চ ২০০১)। Liver Cirrhosis and Its Development – Google Booksআইএসবিএন 978-0-7923-8760-2। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]