উইলিয়াম সি. ক্যাম্পবেল (বিজ্ঞানী)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
উইলিয়াম ক্যাম্পবেল
জন্ম উইলিয়াম সেসিল ক্যাম্পবেল
(১৯৩০-০৬-২৮) ২৮ জুন ১৯৩০ (বয়স ৮৭)
রামেলটন, আয়ারর‍্যান্ড
নাগরিকত্ব আইরিস এবং আমেরিকান
জাতীয়তা মার্কিন
প্রতিষ্ঠান ড্রিউ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রাক্তন ছাত্র ট্রিনিটি কলেজ, ডাবলিন
ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন, ম্যাডিসন
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার (২০১৫)

উইলিয়াম সেসিল ক্যাম্পবেল (জন্ম ২৮ জুন, ১৯৩০) হলেও একজন আইরিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন জীববিজ্ঞানীপরজীবী সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধের যুগান্তকারী কিছু প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য তিনি ২০১৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।[১] তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রিউ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন।[২][৩]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

ক্যাম্পবেল আয়্যারল্যান্ডের রোমেলটন প্রদেশে ১৯৩০ সালে জন্ম গ্রহণ করন। তিনি তাঁর পিতা আর জে ক্যাম্পবেল এর তৃতীয় সন্তান। তিনি ১৯৫২ সালে ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজ থেকে প্রাণীবিদ্যায় ১ম শ্রেনীতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৫৭ সালে ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসন থেকে স্নাতোকত্তর ডিগ্রি অর্জন করন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৫৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি একটি ঔষধ কোম্পানিতে গবেষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও ১৯৮৪ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত তিনি এস্যা বিজ্ঞান ইনিস্ট্রিটিউটে পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৬২ সালে তিনি আমেরিকার নাগরিকত্ত্ব লাভ করেন।[৪] ২০০২ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বিজ্ঞান অ্যাকাডেমির সদস্য নির্বাচিত হন।[৫] পরজীবী সৃষ্ট রোগ প্রতিরোধের যুগান্তকারী কিছু প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য তিনি ২০১৫ সালে জাপানের সোতোশি ওমুরার সাথে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।[৬][৭] আরেক জন, চীনের ইউইউ তু যিনি ম্যালেরিয়া রোগের এমন কিছু প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছেন, যা অতীতের সব ধারণাকেই পাল্টে দেবে।[৭] ১৯৫১ সালে পদার্থে নোবেল জয়ী আর্নেস্ট ওয়াটসনের পর তিনিই ২য় আইরিশ নোবেল জয়ী।[৮]

উইলিয়াম ক্যাম্পবেলের গবেষনা[সম্পাদনা]

পরজীবী গোলকৃমি থেকে যেসব রোগের সংক্রমণ হয় তা থেকে সুরক্ষা পেতে নতুন প্রতিষেধক উদ্ভাবন করেন উইলিয়াম ক্যাম্পবেল। তিনি এবং জাপানের সোতোশি ওমুরা যৌথ ভাবে এ নিয়ে অনেক দিন ধরে ব্যাপক গবেষণা চালাচ্ছেন। গোলকৃমির সংক্রমণে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মানুষ ফাইলেরিয়া ও রিভার ব্লাইন্ডনেসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এই দুই ধরনের পরজীবীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দীর্ঘদিন সীমিত অগ্রগতির পর আইভারমেকটিন ও আর্টেমিসিনিন নামের দুটি নতুন ওষুধ তৈরির করেন তারা। আর এর মধ্য দিয়ে এসব রোগের চিকিৎসায় রীতিমতো বিপ্লব ঘটে। নোবেল কমিটি বলেছে, এই তিন বিজ্ঞানীর উদ্ভাবন পৃথিবীর লাখ লাখ মানুষের জীবন বদলে দিয়েছে।

পুরস্কার[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "William C Campbell, Satoshi Ōmura and Youyou Tu win Nobel prize in medicine"The Guardian। ৫ অক্টোবর ২০১৫। সংগৃহীত ৫ অক্টোবর ২০১৫ 
  2. Molin, Anna (৫ অক্টোবর ২০১৫)। "Nobel Prize in Physiology or Medicine Awarded to William C. Campbell, Satoshi Omura, Youyou Tu"The Wall Street Journal। সংগৃহীত ৫ অক্টোবর ২০১৫ 
  3. Ramelton Tidy Towns: William C. Campbell
  4. Associated Press (৫ অক্টোবর ২০১৫)। "Prof. William Campbell, of NJ, wins Nobel Prize in medicine"News 12 New Jersey। সংগৃহীত ৬ অক্টোবর ২০১৫ 
  5. "Member Directory | William Campbell"। National Academy of Sciences। সংগৃহীত ৫ অক্টোবর ২০১৫ 
  6. "Irish scientist wins Nobel Prize for Medicine"RTE News (rte.ie)। ৫ অক্টোবর ২০১৫। সংগৃহীত ৫ অক্টোবর ২০১৫ 
  7. "The Nobel Prize in Physiology or Medicine 2015"Nobelprize.org। Nobel Media AB। ৫ অক্টোবর ২০১৫। সংগৃহীত ৬ অক্টোবর ২০১৫ 
  8. Murphy, Darragh (৯ অক্টোবর ২০১৫)। "Meet Ireland’s new Nobel Laureate, William C Campbell"The Irish Times। সংগৃহীত ১৩ অক্টোবর ২০১৫