ব্রিক্‌স

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

ব্রিক্‌স হলো পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা, আদ্যক্ষরের সমন্বয়ে নামকরণকৃত উদীয়মান জাতীয় অর্থনীতির একটি সঙ্ঘ।[৪] মূলত ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা অর্ন্তভূক্ত হবার পূর্বে এই সঙ্ঘটি "ব্রিক" নামে পরিচিত ছিল। ব্রিক্‌সে অন্তর্ভুক্ত সকল রাষ্ট্র উন্নয়নশীল অথবা সদ্য শিল্পোন্নত, কিন্তু তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলীর উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব। পাঁচটি রাষ্ট্রই জি-২০-এর সদস্য।[৫] ২০১০ সাল থেকে, ব্রিক্‌স রাষ্ট্রসমূহ প্রতিবছর আনুষ্ঠানিক সম্মেলনে মিলিত হয়। বর্তমানে রাশিয়া ব্রিক্‌সের প্রধান হিসেবে কাজ করছে। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে ব্রিকসের অষ্টম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৪ সালের হিসেবে, ব্রিক্‌সের পাঁচ সদস্য রাষ্ট্র প্রায় ৩ বিলিয়ন মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ। পাঁচটি রাষ্ট্রের সম্মিলিত নামিক জিডিপি ইউএস$১৬.০৩৯ ট্রিলিয়ন, যা মোট বিশ্ব পণ্যের প্রায় ২০ শতাংশের সমতূল্য এবং মার্কিন মিলিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের আনুমানিক ইউএস$৪ ট্রিলিয়ন।[২][৬] ব্রিক্‌স বিভিন্ন মন্তব্যকারী কর্তৃক প্রশংসিত এবং সমালোচিত হয়েছে।[৭][৮][৯]

সমালোচনা[সম্পাদনা]

২০১২ সালে, চীনের বর্তমান রাষ্ট্রপতি হু জিনতাও, ব্রিক্‌স রাষ্ট্রসমূহকে উন্নয়নশীল দেশের প্রবর্তক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য একটি শক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন।[৭] কিছু বিশ্লেষক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অস্থায়িত্ব,[১০][১১][১২][১৩] জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের মাধ্যমে সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ, এবং ভারত ও স্থানিক বিষয়ে চীনের বিরোধ প্রসঙ্গে[৮] সঙ্ঘটির সম্ভাব্য ভাঙ্গন এবং দুর্বলতার দিকসমূহ তুলে ধরেছেন।

বর্তমান ব্রিক্‌স নেতৃবৃন্দ[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Report for Selected Countries and Subjects"imf.org। World Economic Outlook Database, October 2014। অক্টোবর ২০১৪। সংগৃহীত মে ০২, ২০১৫ 
  2. "Report for Selected Countries and Subjects"World Economic Outlook। IMF। এপ্রিল ২০১৩। সংগৃহীত মে ০২, ২০১৫ 
  3. "Country Comparison: Area"The World FactbookCIA। সংগৃহীত মে ০২, ২০১৫ 
  4. "New era as South Africa joins BRICS"। SouthAfrica.info। এপ্রিল ১১, ২০১১। সংগৃহীত মে ০২, ২০১৫ 
  5. "China, Brazil, India and Russia are all deemed to be growth-leading countries by the BBVA"BBVA Research। BBVA EAGLEs Annual Report (PPT)। ২০১২। সংগৃহীত মে ০২, ২০১৫ 
  6. Robert Marquand (অক্টোবর ১৮, ২০১৩)। "Amid BRICS' rise and 'Arab Spring', a new global order forms"csmonitor.comChristian Science Monitor। সংগৃহীত মে ০২, ২০১৫ 
  7. Hopewell Radebe (আগস্ট ৪, ২০১২)। "Brics a force for world peace, says China"Business Day। বিজনেস ডে। সংগৃহীত মে ০১, ২০১৫ 
  8. "Brics summit exposes the high wall between India and China". Asia Times. 2 April 2012. Retrieved 10 July 2013.
  9. "BRICS – India is the biggest loser"usinpac.com। USINPAC। এপ্রিল ১৮, ২০১৩। সংগৃহীত মে ০২, ২০১৫ 
  10. "Broken BRICs: Why the Rest Stopped Rising"Foreign Affairs। নভেম্বর/ডিসেম্বর ২০১২ issue। সংগৃহীত ১৯ ডিসেম্বর ২০১২ 
  11. "China Loses Control of Its Frankenstein Economy"। Bloomberg। ২৪ জুন ২০১৩। সংগৃহীত ২৫ জুন ২০১৩ 
  12. "Brazil Stocks In Bear Market As Economy Struggles"। Investors.com। ২৬ জুন ২০১৩। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৩ 
  13. "Emerging economies: The Great Deceleration"The Economist। ২৭ জুলাই ২০১৩। সংগৃহীত ২৭ জুলাই ২০১৩ 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]