কমনওয়েলথ অব নেশনস
কমনওয়েলথ অব নেশন্স |
||
|---|---|---|
| সদর দপ্তর | মার্লবোরো হাউস , লন্ডন | |
| সরকারী ভাষা | ইংরেজি | |
| ধরণ | আন্তঃসরকার সংস্থা | |
| সদস্য দেশগুলি | ৫৩টি সদস্য দেশ হলো:
|
|
| নেতৃবৃন্দ | ||
| • | কমনওয়েলথের প্রধান | দ্বিতীয় এলিজাবেথ ( ২ জুন ১৯৫৩- বর্তমান) |
| • | কমনওয়েলথ সেক্রেটারি জেনারেল | প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড ( ১লা এপ্রিল ২০১৬- বর্তমান) |
| সংস্থাপন | ||
| • | লন্ডন ঘোষণা | ২৮শে এপ্রিল ১৯৪৯ |
কমনওয়েলথ অব নেশন্স বা কমনওয়েলথ এর সদস্য রাষ্ট্র সমূহ (ইংরেজি: Commonwealth of Nations) অতীতে ইংরেজ সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল এমন স্বাধীন জাতিসমূহ নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক সংস্থা। বর্তমানে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা ৫৩। সর্বশেষ সদস্য রুয়ান্ডা। এই সংস্থার সচিবালয় লন্ডনে অবস্থিত। ব্রিটেনই এর নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমনওয়েলথ অব নেশন্স গঠিত হয়।
সচিবালয়[সম্পাদনা]
কমনওয়েলথের প্রধান আন্তঃসরকার সম্বন্ধীয় সংস্থা হিসেবে কমনওয়েলথ সচিবালয় ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সদস্যভূক্ত দেশের সরকার ও দেশের মাঝে পরামর্শ এবং সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এটি গঠিত হয়েছে। সদস্যভূক্ত সরকারের কাছে এটি সামগ্রীকভাবে দায়বদ্ধ। পর্যবেক্ষক হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রতিনিধিত্ব করে থাকে।
মহাসচিব কমনওয়েলথ সম্মেলন, মন্ত্রীদের ঘিরে সভা আয়োজন, পরামর্শমূলক সভা, কারিগরী আলোচনার ব্যবস্থা নেন। সরকারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় কারিগরী সহাযোগিতাসহ কমনওয়েলথের মৌলিক রাজনৈতিক মূল্যের বিষয়েও সহায়তা করে থাকেন।
এর প্রধান হিসেবে রয়েছেন একজন মহাসচিব। চার বছর মেয়াদে তিনি সর্বাধিক দুইবার কমনওয়েলভূক্ত সরকার প্রধানদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন। তাঁকে সহযোগিতা করে দুইজন উপ-মহাসচিব। বর্তমান মহাসচিব হিসেবে রয়েছেন প্যাটিসিয়া স্কটল্যান্ড। প্যাটিসিয়া স্কটল্যান্ড প্রথম নারী মহাসচিব।তিনি ডোমিনিকা ও যুক্তরাজ্যের নাগরিক।
প্রথম মহাসচিব ছিলেন কানাডার আর্নল্ড স্মিথ। এরপর গায়ানার স্যার শ্রীদাথ রামফাল, নাইজেরিয়ার এমেকা আনিয়াকু।
কমনওয়েলথ-এর উদ্দেশ্য[সম্পাদনা]
- আন্তর্জাতিক শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় জাতিসংঘকে সহায়তা করা,
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র ও ব্যক্তি স্বাধীনতা সুরক্ষা করা,
- দারিদ্র, অজ্ঞতা ও রোগ-ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করা,
- সাম্য প্রতিষ্ঠায় অনুসন্ধিৎসু হওয়া,
- বর্ণবৈষম্যের বিরোধিতা করা,
- অবাধ ও মুক্তবাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা,
- লিঙ্গগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করা,
- টেকসই পরিবেশ সংরক্ষণ (১৯৮৯ সালের ঘোষণা),
- মৌলিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবাধিকারের বিকাশ,
- ক্ষুদ্র ও দুর্বল রাষ্ট্রের প্রয়োজনসমূহের স্বীকৃতি,
- সুশীল সমাজের ভূমিকাকে গুরুত্ব প্রদান,
- পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতা বৃদ্ধি।
সদস্যতা[সম্পাদনা]
অর্থনীতি[সম্পাদনা]
| কমনওয়েলথ অফ নেশনস এর অর্থনীতি |
|---|
| Note: Figures are in US dollars. |
কমনওয়েলথ পরিবার[সম্পাদনা]
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
- কমনওয়েলথ অব নেশন্স ওয়েবসাইট
- কমনওয়েলথ সচিবালয়
- কমনওয়েলথ ইন্সটিটিউট, লন্ডন
- কমনওয়েলথ - যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট
- কমনওয়েলথ অব লার্নিং
- রয়্যাল কমনওয়েলথ সোসাইটি
- রয়্যাল কমনওয়েলথ সোসাইটি (কানাডা)
- ইংরেজ সাম্রাজ্য ও কমনওয়েলথ জাদুঘর, ব্রিস্টল, যুক্তরাজ্য
- এসোসিয়াশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি
- ফেডারেল কমনওয়েলথ সোসাইটি
- ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন ইন্সটিটিউট অব কমনওয়েলথ স্টাডিস
- কমনওয়েলথ সাহিত্য ও ভাষা শিক্ষা এসোসিয়েশন
- দ্যা কমনওয়েলথ এস এ পপুলার ক্লাব
- কমনওয়েলথ কি?
- কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশন
- মাল্টা কমনওয়েলথ সম্মেলন, ২০০৫