থারিন্ডু কৌশল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
থারিন্ডু কৌশল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামপস্কুয়াল হান্দি থারিন্ডু কৌশল
জন্ম (1993-03-05) ৫ মার্চ ১৯৯৩ (বয়স ২৬)
গালে, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক১৮ মার্চ ২০১৫ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০১২–নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৩১
রানের সংখ্যা ১৮ ৭৩১
ব্যাটিং গড় ৯.০০ ২৪.৩৬
১০০/৫০ ০/০ ০/৫
সর্বোচ্চ রান ১২ ৮০
বল করেছে ২১০ ৩৬ ৬১০৫
উইকেট ১৮২
বোলিং গড় ১০৩.৫০ ২২.০৪
ইনিংসে ৫ উইকেট ১৯
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ২/৪৮ ৭/৬৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/০
উৎস: ক্রিকইনফো, ১৮ মার্চ ২০১৫

পস্কুয়াল হান্দি থারিন্ডু কৌশল (সিংহলি: තරිඳු කෞෂාල්; জন্ম: ৫ মার্চ, ১৯৯৩) গালে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কার বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য থারিন্ডু কৌশল ঘরোয়া ক্রিকেটে নন্দেস্ক্রিপ্টস ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে খেলছেন।[১] ডানহাতি অফ ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত তিনি।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

ডিসেম্বর, ২০১২ সালে লিস্ট এ ক্রিকেটে কোল্টস ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে অভিষেক ঘটে তার।[২] ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৪ তারিখে নিউজিল্যান্ড সফরে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে।[৩] প্রথম ইনিংসে দিমুথ করুণারত্নের সাহায্যে কট আউটের মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককুলামের উইকেট পান। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে তিনি ৬ বলে ৬ রান সংগ্রহ করেন যাতে একটি চারের মার ছিল।

ক্রিকেট বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

১৮ মার্চ, ২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথমবারের মতো একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বের সেমি-ফাইনালের ন্যায় গুরুত্বপূর্ণ খেলায় ডব্লিউ লার্কিন্সের একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেকের পর থারিন্ডু কৌশল দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ওডিআইয়ে অভিষিক্ত হন। আঘাতপ্রাপ্ত রঙ্গনা হেরাথের পরিবর্তে দলে তার অন্তর্ভুক্তি হয়।[৪] দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত খেলায় থারিন্ডুর অভিষেক পর্বটি সুখকর হয়নি। বিশ্বকাপে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে জেপি ডুমিনি’র হ্যাট্রিকের তৃতীয় শিকারে পরিণত হন।[৫] খেলায় তিনি শূন্য রান সংগ্রহ করেন ও ৬ ওভার বোলিং করে ২৫ রান দিয়ে কোন উইকেট পাননি। শ্রীলঙ্কা দল ৯ উইকেটের ব্যবধানে শোচনীয়ভাবে পরাভূত হয় ও প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়। অন্যদিকে খেলার ফলাফলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা দল।[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Player Profile: Tharindu Kaushal" (ইংরেজি ভাষায়)। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  2. "Premier Limited Over Tournament, Nondescripts Cricket Club v Colts Cricket Club at Colombo, Dec 9, 2012" (ইংরেজি ভাষায়)। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  3. "Sri Lanka tour of Australia and New Zealand, 1st Test: New Zealand v Sri Lanka at Christchurch, Dec 26-30, 2014"ESPN Cricinfo (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  4. "Uncapped offspinner Tharindu Kaushal replaces Herath, could play SA"ESPNcricinfo (ইংরেজি ভাষায়)। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৫ 
  5. "JP Duminy Becomes First South African to Claim World Cup Hat-Trick" (ইংরেজি ভাষায়)। NDTV। ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৫ 
  6. "South Africa beat Sri Lanka for their first-ever World Cup knockout win" (ইংরেজি ভাষায়)। NDTV। ১৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ মার্চ ২০১৫ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]