তিরুপল্লিয়েলুচি
| তিরুপল্লিয়েলুচি | |
|---|---|
| তথ্য | |
| ধর্ম | হিন্দুধর্ম |
| রচয়িতা | তোন্ডারাড়িপ্পোড়ি আলবর |
| ভাষা | তামিল |
| যুগ | ৯ম-১০ম শতাব্দী(খ্রিষ্টীয়) |
| শ্লোক | ১০ |
| বৈষ্ণব ধর্ম |
|---|
| নিবন্ধসমূহ |
|
|
তিরুপল্লিয়েলুচি (তামিল: திருப்பள்ளியெழுச்சி) [১] বা তিরুপল্লি এলুচি [২] হলো তামিল হিন্দু সাহিত্যকর্ম। এর রচয়িতা থণ্ডারাদিপ্পোদি আলবর। [৩]। এই গ্রন্থের শিরোনামের নাম সুপ্রভাতম যা শ্রীবৈষ্ণব সম্প্রদায়ে অনুসরণ করা হয়। [৪] রচনাটি আল্বরগণের স্তোত্রসংকলন নালায়রা দিব্য প্রবন্ধমে স্থান পেয়েছে। [৫]
তিরুপল্লিয়েউচি স্তবগানটি প্রথা হিসাবে দক্ষিণ ভারত এর বিষ্ণু মন্দিরগুলিতে মার্গাহি মাসজুড়ে বিশেষভাবে গাওয়া হয়। [৬]
স্তোত্রগীত
[সম্পাদনা]এই স্তবগানের প্রথম স্তোত্রটি নিম্নোক্তভাবে শুরু হয়:[৭]
উষাকালের আগমনে অন্ধকার দূর হয়ে গেছে এবং পূর্ব শিখরে সূর্যের উদয় হয়েছে। সর্বত্র প্রচুর প্রসূন প্রস্ফুটিত হয়ে আছে। আপনমার্গে তেজ বর্ধনশীল রাজা এবং দেবগণ আপনার দ্বারদেশে এসে গেছে। তাদের হাতি এবং নাকাড়ার(ডঙ্কা) শব্দ সমুদ্রতরঙ্গের গর্জনশব্দের মতোই শোনা যাচ্ছে। অরঙ্গমনাথ! প্রার্থনা করি, জেগে উঠুন। !
— তিরুপল্লিয়েলুচি, স্তোত্র ১
চতুর্থ স্তোত্রে রাম ও কৃষ্ণ অবতারের উল্লেখ আছে:[৮][৯]
গোপালের বাঁশরির আওয়াজ এবং গাভীগণের গলসংলগ্ন ঘন্টার শব্দ একত্রিত হয়ে সর্বদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। ক্ষেত্রসমূহে ভ্রমর গুঞ্জন করছে। হে দেবনাথ! আপনি দেবগণের নাথ! বংশ সমেত লঙ্কা বিনাশকারী, ঋষিদের যজ্ঞরক্ষক, অযোধ্যার রাজ্যাভিষেক নাথ! অরঙ্গম(শ্রীরঙ্গম)নাথ! আমার স্বামী! প্রার্থনা করি, জেগে উঠুন।
— তিরুপল্লিয়েলুচি, স্তোত্র ৪
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Ramaswamy, Sumathi (২০ নভেম্বর ১৯৯৭)। Passions of the Tongue: Language Devotion in Tamil India, 1891–1970 (ইংরেজি ভাষায়)। University of California Press। পৃ. ৯৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২০-৯১৮৭৯-৫।
- ↑ Rengarajan, T. (১৯৯৯)। Glossary of Hinduism (ইংরেজি ভাষায়)। Oxford & IBH Publishing Company। পৃ. ২০। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২০৪-১৩৪৮-১।
- ↑ Jones, Constance; Ryan, James D. (২০০৬)। Encyclopedia of Hinduism (ইংরেজি ভাষায়)। Infobase Publishing। পৃ. ২৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৬০-৭৫৬৪-৫।
- ↑ Nayar, Nancy Ann (১৯৯২)। Poetry as Theology: The Śrīvaiṣṇava Stotra in the Age of Rāmānuja (ইংরেজি ভাষায়)। Otto Harrassowitz Verlag। পৃ. ১৪৩। আইএসবিএন ৯৭৮-৩-৪৪৭-০৩২৫৫-১।
- ↑ "Mudalayiram" - K. R. KrishnaSwami [4000 Divya Prabandham Series, Vol. 4, 1st edition, July 2009, A & K Prakashana]।
- ↑ Good, Anthony (২০০১)। "Multiple meanings in South Indian temple worship"। Culture and Religion। ২ (2): ২৩৯–২৬০। ডিওআই:10.1080/01438300108567177। এস২সিআইডি 144095192।
- ↑ "Mudalayiram" - K. R. KrishnaSwami [4000 Divya Prabandham Series, Vol. 4, 1st edition, July 2009, A & K Prakashana]। পৃ. ৫৩–৫৪।
- ↑ Makarand Joshi। The Sacred Book Of Four Thousand 01 Nalayira Divya Prabandham Sri Rama Bharati 2000। পৃ. ১৮৪।
- ↑ Rao, Ajay K. (৩ অক্টোবর ২০১৪)। Re-figuring the Ramayana as Theology: A History of Reception in Premodern India (ইংরেজি ভাষায়)। Routledge। পৃ. ১০৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৪-০৭৭৩৫-৯।