ডোডা নদী
অবয়ব
| ডোডা নদী | |
| স্টোড নদী | |
| নদী | |
ডোডা নদী | |
| দেশ | ভারত |
|---|---|
| রাজ্য | জম্মু ও কাশ্মীর |
| অঞ্চল | লাদাখ |
| জেলা | কার্গিল |
| উপনদী | |
| - ডানদিকে | সারাপ নদী |
| উৎস | ৩৩°৪৭′৪০″ উত্তর ৭৬°২০′২২″ পূর্ব / ৩৩.৭৯৪৫৭৮° উত্তর ৭৬.৩৩৯৩৪১° পূর্ব |
| - অবস্থান | দ্রাং-দ্রুং হিমবাহ |
| - উচ্চতা | ৪,৫৬০ মিটার (১৪,৯৬১ ফিট) |
| মোহনা | ৩৩°৩০′৫৭″ উত্তর ৭৬°৫৬′০২″ পূর্ব / ৩৩.৫১৫৮৫৫° উত্তর ৭৬.৯৩৩৮০৫° পূর্ব |
| - অবস্থান | পাদুমে সারাপ নদীর সাথে মিশে জাংস্কার নদী তৈরী করে |
| - উচ্চতা | ৩,৪৮৫ মিটার (১১,৪৩৪ ফিট) |
| দৈর্ঘ্য | ৭৯ কিলোমিটার (৪৯ মাইল) |
| প্রবাহ | |
| - গড় | ২০৬ m³/s (৭,২৭৫ ft³/s) |
ডোডা নদী বা স্টোড নদী [১] ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যে অবস্থিত একটি নদী।
ভূগোল
[সম্পাদনা]ডোডা নদী পেনসি গিরিবর্ত্মের নিকটে জাংস্কার পর্বতশ্রেণীতে অবস্থিত দ্রাং-দ্রুং হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। [২][৩] এই হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করে ডোডা নদী দক্ষিণ পশ্চিম দিকে কার্গিল-জাংস্কার সড়কের সমান্তরালে আকশু, আব্রান, কুশোল ও ফে শহরের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে। পাদুমে পৌঁছে নদীটি সারাপ নদীর সাথে মিশে সিন্ধু নদের উপনদী জাংস্কার নদী তৈরী করেছে। [৪]
উপত্যকা
[সম্পাদনা]ডোডা বা স্টোড নদী দ্বারা সৃষ্ট উপত্যকা স্টোড নদী উপত্যকা নামে পরিচিত। এই উপত্যকায় ডোডা নদীর জল ব্যবহার করে গম, বার্লি, মটর চাষ করা হয়ে থাকে। [৫] শীতকালে পেনসি গিরিবর্ত্ম এলাকায় প্রচন্ড তুষারপাতের ফলে ডোডা নদীর জল জমে যায় এবং স্টোড নদী উপত্যকা রাজ্যের অন্য অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। [৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Hashmat Singh, Pallav Das, Jai Kumar Sharma (২০০২)। Trekking in the Himalayas। Roli Books, 2002। পৃ. -১৪০। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৭৪৩৬১০৬৬। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১২।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|লেখকগণ=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Janet Rizvi (১৯৯৬)। Ladakh: crossroads of high Asia। Oxford University Press, 1996। পৃ. ৩০–। আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৫৬৪০১৬৮। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১২।
- ↑ Kim Gutschow (২০০৪)। Being a Buddhist Nun: The Struggle for Enlightenment in the Himalayas। Harvard University Press, 2004। পৃ. -৪০। আইএসবিএন ৯৭৮০৬৭৪০১২৮৭৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১২।
- ↑ "Stod a tributory of Zanskar river"। tourisminjammukashmir। ২৪ জুলাই ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১২।
- ↑ Henry Osmaston, Nawang Tsering (১৯৯৭)। Recent Research on Ladakh 6: Proceedings of the Sixth International Colloquium on Ladakh, Leh 1993। Motilal Banarsidass Publ., 1997। পৃ. -১০৬। আইএসবিএন ৯৭৮৮১২০৮১৪৩২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১২।
{{বই উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার|লেখকগণ=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ Jasbir Singh (২০০৪)। The economy of Jammu & Kashmir। Radha Krishan Anand & Co., 2004। পৃ. ২২৩-। আইএসবিএন ৯৭৮৮১৮৮২৫৬০৯৯। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১২।
