বিষয়বস্তুতে চলুন

জিবুতি জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জিবুতি
ডাকনামলোহিত সাগরের তীরবর্তী ব্যক্তি
অ্যাসোসিয়েশনজিবুতীয় ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনক্যাফ (আফ্রিকা)
প্রধান কোচজুলিয়েঁ মেতে
অধিনায়কদাউদ ওয়াইস
সর্বাধিক ম্যাচমুসা হিরির (২৫)
শীর্ষ গোলদাতামাহদি হুসাইন মাহাবিহ (৬)
মাঠআল-হাজ হাসান গুলিদ আবতিদুন স্টেডিয়াম
ফিফা কোডDJI
ওয়েবসাইটwww.fdf.dj
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৯৬ অপরিবর্তিত (২৫ জুলাই ২০২৬)[]
সর্বোচ্চ১৬৯ (ডিসেম্বর ১৯৯৪)
সর্বনিম্ন২০৭ (এপ্রিল–জুলাই ২০১৫, নভেম্বর ২০১৫)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৯৫ হ্রাস ১ (২৫ জুলাই ২০২৬)[]
সর্বোচ্চ৯৪ (১৯৪৭)
সর্বনিম্ন২১৪ (২০১৬)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 ইথিওপিয়া ৫–০ ফরাসি সোমালিল্যান্ড
(ইথিওপিয়া; ৫ ডিসেম্বর ১৯৪৭)
বৃহত্তম জয়
 জিবুতি ৪–১ দক্ষিণ ইয়েমেন 
(জিবুতি সিটি, জিবুতি; ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৮)
বৃহত্তম পরাজয়
 উগান্ডা ১০–১ জিবুতি 
(কিগালি, রুয়ান্ডা; ৯ ডিসেম্বর ২০০১)
 রুয়ান্ডা ৯–০ জিবুতি 
(দারুস সালাম, তানজানিয়া; ১৩ ডিসেম্বর ২০০৭

জিবুতি জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি: Djibouti national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে জিবুতির প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম জিবুতির ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জিবুতীয় ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৯৪ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং একই বছর হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯৪৭ সালের ৫ই ডিসেম্বর তারিখে, জিবুতি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; ইথিওপিয়ায় অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে জিবুতি ইথিওপিয়ার কাছে ৫–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

২০,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট আল-হাজ হাসান গুলিদ আবতিদুন স্টেডিয়ামে লোহিত সাগরের তীরবর্তী ব্যক্তি নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় জিবুতির রাজধানী জিবুতিতে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন জুলিয়েঁ মেতে এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন জিবুতি টেলিকমের রক্ষণভাগের খেলোয়াড় দাউদ ওয়াইস

জিবুতি এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সেও জিবুতি এপর্যন্ত একবারও অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি।

মুহাম্মদ লিবান, সামির কদর, মিয়াদ চার্মারে, আব্দি ইদলাহ হামজা এবং মাহদি হুসাইন মাহাবিহের মতো খেলোয়াড়গণ জিবুতির জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে জিবুতি তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (১৬৯তম) অর্জন করে এবং ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ২০৭তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে জিবুতির সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৯৪তম (যা তারা ১৯৪৭ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ২১৪। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
২৫ জুলাই ২০২৬ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৯৪অপরিবর্তিত  ব্রুনাই৮৫৭.৭৩
১৯৫অপরিবর্তিত  সাঁউ তুমি ও প্রিন্সিপি৮৫৫.৪৪
১৯৬অপরিবর্তিত  জিবুতি৮৫৩.৫৮
১৯৭অপরিবর্তিত  কেইম্যান দ্বীপপুঞ্জ৮৫০.০৬
১৯৮অপরিবর্তিত  পাকিস্তান৮৪০.২৮
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
২৫ জুলাই ২০২৬ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৯৩হ্রাস  গ্রিনল্যান্ড৯৪৫
১৯৪বৃদ্ধি  বাংলাদেশ৯৪২
১৯৫হ্রাস  জিবুতি৯৪০
১৯৬হ্রাস  ডোমিনিকা৯৩৪
১৯৭বৃদ্ধি ১২  পাকিস্তান৯০৯

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপবাছাইপর্ব
সালপর্বঅবস্থানম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগোম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০ফ্রান্সের অংশ ছিলফ্রান্সের অংশ ছিল
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬
মেক্সিকো ১৯৭০
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
স্পেন ১৯৮২
মেক্সিকো ১৯৮৬
ইতালি ১৯৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪
ফ্রান্স ১৯৯৮
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২উত্তীর্ণ হয়নি১০
জার্মানি ২০০৬অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০উত্তীর্ণ হয়নি৩০
ব্রাজিল ২০১৪
রাশিয়া ২০১৮
কাতার ২০২২অনির্ধারিতঅনির্ধারিত
মোট০/২১১৩১২৫৬

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ২৫ জুলাই ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৬
  2. 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ২৫ জুলাই ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৬

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]