জামিল উদ্দিন আহমেদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জামিল উদ্দিন আহমেদ
জন্ম১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬
ভারত ব্রিটিশ ভারত (এখন বাংলাদেশ)
মৃত্যুআগস্ট ১৫, ১৯৭৫(1975-08-15) (বয়স ৩৯)
আনুগত্য পাকিস্তান সেনাবাহিনী (?-১৯৭১)
 বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (১৯৭১-১৯৭৫)
পদমর্যাদাব্রিগেডিয়ার জেনারেল
যুদ্ধ/সংগ্রামবাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
পুরস্কারবীর উত্তম

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল উদ্দিন আহমেদ যিনি কর্ণেল জামিল নামেই বেশী পরিচিত। (জন্ম: ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬- মৃত্যু: ১৫ আগস্ট ১৯৭৫) ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা। তিনি ১৯৭৫ সালে রাষ্ট্রপতির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের তৎকালিন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমানের দেহরক্ষী হিসেবে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত হন।[১]

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

কর্ণেল জামিল ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ সালে গোপালগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

স্বীকৃতি[সম্পাদনা]

কর্ণেল জামিলের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে ২০০৯ সালে তাকে বীর-উত্তম খেতাবে ভূষিত করে সরকার। সেনাবাহিনীও তাদের এই বীর সেনাকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদমর্যাদা দিয়ে সম্মানিত করে। ১৯৯৭ সালে পরিবারের উদ্যোগে গঠন হয় কর্নেল জামিল ফাউন্ডেশন। [২]

পারিবারিক জীবন[সম্পাদনা]

কর্নেল জামিল আহমেদের স্ত্রী আঞ্জুমান আরা জামিল সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ১৯৯৬ সালে। ২৯ নভেম্বর ২০১২ সালে তিনি মারা যান। চার মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে তাহমিনা এনায়েত তনু ঢাকায় থাকেন। মেজ মেয়ে আফরোজা জামিল পেশায় চিত্রশিল্পী। সেজ মেয়ে ফাহমিদা আহমেদ শ্বেতা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী। আর সবার ছোট কারিশমা জামিল মেকআপ আর্টিস্ট।[৩]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

কর্ণেল জামিল ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের তৎকালিন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমানের দেহরক্ষী হিসেবে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত হন।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিলকে মরণোত্তর বীর উত্তম পদক প্রদান"দৈনিক প্রথম আলো। ১৬ এপ্রিল ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৮ 
  2. "বাবার লাশ দেখার শর্ত ছিল, কাঁদা যাবে না | কালের কণ্ঠ"Kalerkantho। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-০৬ 
  3. "কর্নেল জামিল: অন্ধকারে অবিচল আত্মদান"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-০৬