আলাপ:লালন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

নিবন্ধের শিরোনাম[সম্পাদনা]

লালন হিন্দু না মুসলমান তা নিয়ে সন্দেহ আছে। হিন্দু সমাজে তিনি সাঁই নামে পরিচিত হলেও মুসলিম সমাজে শাহ নামে পরিচিত। সুতরাং সাঁই না দিয়ে তার নাম শুধু লালন দিলে ভাল হয়। NPOV - মুহাম্মদ ১৮:১৮, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ (UTC)

রিডাইরেক্ট করে দেওয়া যায়। তবে সাঁই ই বেশি ব্যবহৃত হয়।--বেলায়েত ১৮:৩০, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ (UTC)
লালন ফকীর নামই বেশী শুনেছি। --সপ্তর্ষি71.197.106.245 ০১:৪৪, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ (UTC)
লালন শাহ ব্যবহার না করাই ঊত্তম।কারন হিতকরী তে প্রকাশিত নিবন্ধে তার নাম সাঞ উল্লেখ করা হয়েছে।পরবর্তিতে লালনের মৃতুর পর মুলসিমরা তাকে মুসলমান হিসেবে প্রচারের জন্য শাহ শব্দটি প্রচলন করে।হিতকরীর মুল নিবন্ধটি এই ব্লগে পাবেন। স্ক্রিনশট পাবেন এখানে যাচাই করার অনুরোধ রইল।রাহাত (আলাপ) ১৭:৪৭, ২৫ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)
এই নিবন্ধের শিরোনাম শুদ্ধু লালন শ্রুতিকটূ। সিদ্ধাচার্য ফকির লালন শাহকে শুদ্ধু "লালন" বলে অভিহিত করা আদবের বরখেলাপ প্রতীয়মান হয়। বহু গানে লালন স্বয়ং নিজেকে ফকির লালন বলে উল্লেখ করেছেন। হতে পারে শিষ্যরা অনেকে সচরাচর "সাঁই-জি" বলে উল্লেখ করতেন; সম্ভবত তারই ভিত্তিতে হিতকরী-তে প্রকাশিত নিবন্ধে সাঞ (সাঁই) উল্লেখ করা হয়েছে। এই নিবন্ধটি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত। তারও অনেক আগে - ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে কাঙাল হরিনাথ সম্পাদিত গ্রামবার্তা প্রকাশিকা পত্রিকায় ফকির লালন শাহকে "লালন শা" বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সুতরাং একথা দাবী করার যুক্তি নেই তার মৃত্যুর পর সাম্প্রদায়িক কোন কোন মুসলমানরা ব্যক্তি "শাহ" পদবীটি প্রচলন করে। আমার ধারণা, প্রথমত 'সাঁই' বা "সাঞ" শব্দটি সম্বোধনমূলক আশ্রমিক শব্দ; যেমন কি-না রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শান্তি নিকেতনে 'গুরু' বলা হতো। তবে 'সাঁই' শব্দটি 'শাহ' শব্দের অপভ্রংশ হতে পারে; হতে পারে "শাহ" শব্দটি "সাঞ" শব্দটিরই এর ঘৃষ্ট রূপ। প্রকৃত বিষয়টি গবেষণা সাপেক্ষ। সে যাই হোক, নিবন্ধের শিরোনাম ফকির লালন শাহ হতে বাধা নাই; বিকল্পে ফকির লালন সাঁই-ও রাখা যেতে পারে। তবে তাঁর পালক পিতার নাম মলম শাহ, তার অনেক বিখ্যাত শিষ্যের নামের শেষাংশ "শাহ" (যেমন ভোলা শাহ, পাঁচু শাহ) -- এই বিবেচনায় ফকির লালন শাহ অধিকতর যুক্তিযুক্ত, গ্রহণযোগ্য। -Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৯:২১, ২৫ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)
উপরে লক্ষ্য করবেন, লালন নিবন্ধের শিরোনাম সম্পর্কে আলোচনার মাধ্যমে শুধু লালন শিরোনামটি নির্ধারণ করা হয়েছিল, উইকিপিডিয়ার রীতি অনুযায়ী ব্যক্তির নামের সাথে কোন উপাধী থাকলে তা বাদ দিয়ে শিরোনাম দিতে হবে। এছাড়া যে নামটি সর্বাধিক প্রচলিত সেটাই শিরোনাম হিসেবে প্রধান্য পাবে। আমাদের বিবেচনায় "ফকির" উপাধী হিসেবে বাদ পরে এবং সাই, শাই, সাঞ, শাহ এর মধ্যে অনেকটা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গী জড়িত তাই এদেরও বাদ দেওয়া হয়। তাছাড়া বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে কি নাম ব্যবহার করা হয় বা কি নামে পরিচিত এ নিয়েও একটি দ্বন্ধ্ব রয়েছে। তাই নামটি দেখতে এবং পড়তে কটূ বা আদাবেব বরখেলাপ মনে হলেও সম্ভাব্য দ্বন্ধ্ব এড়াতে শুধু "লালন নামটি" এখানে শিরোনাম হিসেবে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য অন্যান্য নাম বা উপাধী রিডাইরেক্ট হিসেবে রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এমনকি নিবন্ধের সূচনাংশে নামের বিভিন্ন ভেরিয়েশনগুলো উল্লেখ করে দেওয়া যেতে পারে।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৭:০৪, ২৭ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

ভিন্ন প্রসঙ্গ[সম্পাদনা]

লালনের মাজার শিরোনামের নীচে যে লাইনটি আছে অসামাজিক কার্যকলাপ বিষয়ক, তা অপ্রাসঙ্গিক বলে মনে হয়।

লালনকে তার শিষ্যরা "সাঞ" বলে ডাকতো। এটিরকে "সাঁই" লেখা হল। "শাহ" ব্যবহার না করাই যৌক্তিক।[১]Ctg4Rahat (আলাপ) ২০:৪৭, ২২ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

প্রিয় রাহাত, আপনার ১৪টি বিশাল সম্পাদনা রোলব্যাক করা হলো, কারণ এর তথ্যগুলো ব্লগ থেকে ধার করা। ব্লগের তথ্যসূত্র প্রামাণ্য এবং নির্ভরযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয় না। (দেখুন: বিস্তারিত)  —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৯:৩১, ২৩ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

প্রিয় মঈনুল ইসলাম, ব্লগে প্রকাশিত হলেও এই লেখার মূল উৎস হল - ১৫ কার্তিক ১২৯৭ সালে মীর মশাররফ হোসেন পরিচালিত পাক্ষিক হিতকরী (১২ ভাগ ১৩শ সংখ্যাঃ পৃ.১০০-০১) পত্রিকার উপ-সম্পাদকীয়-স্তম্ভে প্রকাশিত নিবন্ধ। লালন সম্পর্কে সর্বপ্রথম বিস্তৃত বিবরণ পাওয়া যায় এতে। মূল নিবন্ধের উল্লেক্ষ করে তত্থ্যগুলো কি পুনরায় যোগ করতে পারি? রাহাত (আলাপ) ০৮:১৩, ২৪ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

অবশ্যই, মূল নিবন্ধের উল্লেখ থাকলে এই রিভার্শনের কোনো দরকার ছিল না। অনুগ্রহ করে মূল নিবন্ধের অনুপূঙ্খ উৎসোল্লেখ করুন। আপনাকে ধন্যবাদ। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৪:০৯, ২৪ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

ধন্যবাদরাহাত (আলাপ) ১৫:২৩, ২৪ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

যদি সম্পাদনাক্রমেnmgrtflbfjzmc সংযোজিত তথ্যাবলী ১০০% সঠিক হয় তবে সহসাই রোলব্যাক করা অনুচিৎ। লালন সাঁই সম্পর্কে এত প্রামাণিক তথ্য সহজ লভ্য যে তা ব্লগের আশ্রয় ব্যতিরেকেই যাচাই করা যায়। ভুল উৎস কখনোই সঠিক তথ্যসম্বলিত সম্পাদনা বাতিলের প্রধান কারণ হতে পারে না। উপস্থিত ক্ষেত্র আলাপ পাতায় রোলব্যাকের প্রস্তাব রাখা সমীচীন হতো। -Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৭:২৭, ২৪ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

ধন্যবাদ ফয়েজদা, মাথায় থাকবে।  —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৭:৩১, ২৫ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

নিবন্ধের ভাষা[সম্পাদনা]

নিবন্ধের ভাষার স্বচ্ছতা প্রয়োজন। যেমন: 'সহজ ভাবনার ভাববাদী মানুষেরা এই সাধককে অনুস্মরণীয় করতে তাঁর আখড়া বাড়িতে আসেন দোল পূর্ণিমা উৎসব এবং মৃত্যুবার্ষিকীর (স্মরণ) উৎসবে' --এই বাক্য আদৌ অর্থনির্মল নয়। বাক্যে পদ সংস্থাপনার ক্রমও (syntax) প্রশ্নযোগ্য। এরকম আরেকটি বাক্য: 'দেশ-বিদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অসংখ্য মানুষ এই আধ্যাত্মিক সাধকের দর্শন অনুস্মরণ করতে প্রতি বছর এখানে এসে থাকেন।' এই সমস্যাগুলো সারিয়ে তোলা দরকার। -Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ০৭:২৪, ২৬ নভেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

ভালো নিবন্ধের প্রতিশ্রুতি[সম্পাদনা]

মনে হচ্ছে এ নিবন্ধটি অচিরেই একটি ভালো এবং পরিপূর্ণ নিবন্ধে উন্নীত হবে। যারা নিরলসভাবে কাজ করছেন তারা প্রশংসার্হ। সমাসন্ন ১লা জানুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করা যায় কি? যারা নিয়মিত সম্পাদক এবং লেখক তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করি, পরামর্শ এবং অবদানের জন্য। যারা লিখছেন তাদের প্রতি : অনুগ্রহ করে কাঠামো চূড়ান্ত করুন (মানে অনুচ্ছদ এবং উপানুচ্ছেদ সমূহ)। -Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৭:২৪, ৮ ডিসেম্বর ২০১২ (ইউটিসি)

ভালো নিবন্ধের পর্যালোচনা[সম্পাদনা]

''এই পর্যালোচনা আলাপ:লালন/ভাল নিবন্ধ১থেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদের সম্পাদনা লিঙ্ক পর্যালোচনায় মন্তব্য যোগ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

পর্যালোচক[সম্পাদনা]

Bodhisattwa (আলাপ · অবদান) ০৭:০৩, ২৭ এপ্রিল ২০১৪ (ইউটিসি)

পরিবর্তন প্রয়োজন[সম্পাদনা]

গ্যালারির চিত্রগুলির বর্ণনা প্রয়োজন। এই টুকু ঠিক হলেই ভালো নিবন্ধ হতে কোন বাঁধা নেই। -- বোধিসত্ত্ব (আলাপ) ০৭:০৩, ২৭ এপ্রিল ২০১৪ (ইউটিসি)

fixed and replaced by commonscat. -- বোধিসত্ত্ব (আলাপ) ০৯:৪৬, ২৭ এপ্রিল ২০১৪ (ইউটিসি)

পর্যালোচনা[সম্পাদনা]

ভালো নিবন্ধ পর্যালোচনা (কোনগুলো ভালো নিবন্ধের গুণাবলী এবং কোনগুলো গুণাবলী বিবেচিত হয়না সেগুলো সম্পর্কে জানুন)

  1. সুলিখিত
    ক) গদ্য:
    খ) রচনাশৈলী সহ বিন্যাস, তালিকা ইত্যাদি:
    উত্তীর্ণ
  2. তথ্যগতভাবে নির্ভুল এবং যাচাইযোগ্য
    ক) তথ্যসূত্র:
    খ)নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে উদ্ধৃতি করা হয়েছে:
    গ) মৌলিক গবেষণা:
    উত্তীর্ণ
  3. নিবন্ধের ব্যাপকতা বা ব্যপ্তি রয়েছে
    ক) প্রধান বিষয়:
    খ) মূল বিষয়েই নিবন্ধ আছে কিনা:
    উত্তীর্ণ
  4. নিরপেক্ষভাবে লিখিত
    পক্ষপাত ব্যতীত তুল্যমূল্য উপস্থাপনা:
    উত্তীর্ণ
  5. স্থিতিশীল
    কোনো সম্পাদনা যুদ্ধ বা পরিবর্তনশীল হচ্ছে কিনা:
    উত্তীর্ণ
  6. যথাযথ স্থানে বর্ণনাসহ চিত্র ব্যবহৃত হয়েছে।
    ক) সকল মুক্ত ছবি আছে কিনা বা কোনো সৌজন্যমূলক ছবি থাকলে তা ঠিক বর্ননা করা আছে কিনা:
    খ) ছবিতে ছবির উপযোগি বর্ণনা আছে কিনা:
    উত্তীর্ণ
  1. সিদ্ধান্ত:
    উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ:
    উত্তীর্ণ

প্রধান পাতার জন্য সূচনাংশ[সম্পাদনা]

লালনের জীবদ্দশায় তৈরি করা একমাত্র চিত্র, ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে এঁকেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর

লালন (জন্ম ১৭৭৪- মৃত্যু অক্টোবর ১৭, ১৮৯০) বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালী যিনি ফকির লালন, লালন সাঁই, লালন শাহ, মহাত্মা লালন ইত্যাদি নামেও পরিচিত। তিনি একাধারে একজন আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক, অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। লালনকে বাউল গানের একজন অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার গানের মাধ্যমেই ঊনিশ শতকে বাউল গান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। তাকে ‘বাউল সম্রাট’ হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। লালন ছিলেন একজন মানবতাবাদী যিনি ধর্ম, বর্ন, গোত্রসহ সকল প্রকার জাতিগত বিভেদ থেকে সরে এসে মানবতাকে সর্বোচ্চ স্থান দিয়েছিলেন। অসাম্প্রদায়িক এই মনোভাব থেকেই তিনি তার গানসমূহ রচনা করেন। তার গান ও দর্শন যুগে যুগে প্রভাবিত করেছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুলের মত বহু খ্যাতনামা কবি, সাহিত্যিক, দার্শনিক, বুদ্ধিজীবিসহ অসংখ্য মানুষকে। তার গানগুলো মূলত বাউল গান হলেও বাউল সম্প্রদায় ছাড়াও যুগে যুগে বহু সঙ্গীতশিল্পীর কন্ঠে লালনের এই গানসমূহ উচ্চারিত হয়েছে। গান্ধীরও ২৫ বছর আগে, ভারত উপমহাদেশে সর্বপ্রথম, তাকে ‘মহাত্মা’ উপাধি দেয়া হয়েছিল। (বাকি অংশ পড়ুন...) ~ মহীন (আলাপ) ১৩:৫৯, ৩০ নভেম্বর ২০১৫ (ইউটিসি)