আলাপ:কুরআন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

মৌলিক গবেষণা সন্দেহে সম্পাদিত অংশ[সম্পাদনা]

অংশটি নিবন্ধ থেকে সরিয়ে এনে আলোচনার জন্য রাখা হলো। আলোচনায় রাখার ব্যাপারে ঐকমত্য হলে তা আবার নিবন্ধে সরিয়ে দেওয়া যাবে।

==কুরআনের সংজ্ঞা==
কুরআনের সংজ্ঞা নিম্নরূপ,
এটি আল্লাহর কালাম যা তাঁর বান্দা মুহাম্মদ (সা) এর উপর আরবী ভাষায় নাযিল হয়েছে। এটি একটি মু'জিযা এর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সূরার ক্ষেত্রেও। এটি লিপিবদ্ধ আছে এবং আমাদের কাছে এটি মুতাওয়াতির বর্ণনায় এসে পৌছেছে। এর পঠন এর মাধ্যমে আমরা আল্লাহর ইবাদত করি এবং সূরা ফাতেহা দিয়ে এর শুরু এবং সূরা নাস দিয়ে এর সমাপ্তি। (আল-ইহকাম, আল-আমিদি ১/২৮, রওদাতুন নাজির, ইবনে কুদামা আল মাকদিসি ১/১৭৮)
উপরোক্ত সংজ্ঞা থেকে বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। প্রথমত এটি আল্লাহ-র কালাম। এবং সেই কালাম যা হচ্ছে অলৌকিক (এ'জাজ)। কোরআনের এ’জাজ হচ্ছে এর অতি উচ্চমাত্রার বাগ্মীতা বা বাকশৈলিতা। এবং আল্লাহর অন্য কোনো কথা এ কোরআনের অংশ হবে না, উদাহরনসরূপ: হাদিসে কুদসী।
দ্বিতীয়ত সম্পূর্ণ কোরআনই আরবী ভাষায় নাযিলকৃত। এটি সম্পূর্ন আরবী এবং এতে কোনো বিদেশী শব্দ নেই। ইমাম শাফী' তার আর-রিসালাহ গ্রন্থে বলেন: ‌‌‌'‌আল কোরআন এই দিক নির্দেশনা দেয় যে আল্লাহর কিতাবের কোনো অংশই আরবী ভাষার বাইরে নয়...।' যারা এ ধরনের মতামত ব্যক্ত করেন যে কোরআনে অনারব শব্দ বিদ্যমান, তারা হয়তো কিছু শব্দ পেয়েছেন যা কিছু আরবের কাছে অপরিচিত। কিন্তু যেহেতু শব্দগুলো কোরআনে এসেছে, তাই সেসব শব্দ আরবী শব্দ হিসেবেই বিবেচিত হবে। অসংখ্য আয়াত এ নির্দেশনা দেয় যে কোরআন সম্পূর্ন আরবী ভাষায় নাযিলকৃত। যেমন:
نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الأمِينُ ~ عَلَى قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ الْمُنْذِرِينَ ~ بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُبِينٍ
বিশ্বস্ত রুহ একে নিয়ে অবতরন করেছে। আপনার হৃদয়ে, যাতে আপনি ভীতি প্রদর্শনকারীদের অন্তর্ভূক্ত হন। সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়। [সূরা শু'আরা: ১৯৩-১৯৫]
وَكَذَلِكَ أَنْزَلْنَاهُ حُكْمًا عَرَبِيًّا
এমনিভাবে আমি এ কোরআনকে আরবী ভাষায় নির্দেশরুপে নাযিল করেছি। [সূরা রাদ: ৩৭]
وَكَذَلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ قُرْآنًا عَرَبِيًّا
এমনিভাবে আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি। [সূরা শুরা: ৭]
قُرْآنًا عَرَبِيًّا غَيْرَ ذِي عِوَجٍ لَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ
আরবী ভাষায় এ কোরআন বক্রতামুক্ত, যাতে তারা সাবধান হয়ে চলে। [সূরা যুমার: ২৮]
وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّهُمْ يَقُولُونَ إِنَّمَا يُعَلِّمُهُ بَشَرٌ لِسَانُ الَّذِي يُلْحِدُونَ إِلَيْهِ أَعْجَمِيٌّ وَهَذَا لِسَانٌ عَرَبِيٌّ مُبِينٌ
আমরা তো ভালোভাবেই জানি যে, তারা বলে: তাকে জনৈক ব্যাক্তি শিক্ষা দেয়। যার দিকে তারা ইঙ্গিত দেয় তার ভাষাতো আরবী নয়, এবং এ কোরআন পরিষ্কার আরবী ভাষায়। [সূরা নাহল: ১০৩]
কোরআনের অনুবাদও কোরআন বলে গন্য হবে না তা যতই বিশুদ্ধ হোক না কেন। এ কারণেই আমরা অনুবাদ হতে আহকাম আহরন করতে পারি না, অনুবাদ দিয়ে নামাযও পড়া যায়না এবং অনুবাদ পঠনে ইবাদতও হয়না।
তৃতীয়ত, কোরআন আমাদের মাঝে মুতাওয়াতির বর্ণনার মাধ্যমে এছে পৌছেছে যা একে নিশ্চিত বিশুদ্ধতা দান করে। এটি আমাদের কাছে রাসূলুল্লাহ (সা) এর সময় হতে মুখস্থ ও লিখিতরূপে আজকের দিন পর্যন্ত এসে পৌছেছে। [১]

এটি মৌলিক গবেষণা মনে হচ্ছে সে বিষয়ে আমার ধারণা আগেই প্রকাশ করছি। তাছাড়া সূত্র দেওয়া হয়েছে ব্লগসাইটের, যা এমন ব্যাপার লেখার ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য সূত্র নয়। — তানভির আলাপ অবদান ১৬:৩১, ২৯ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

    • Gnome-edit-redo.svgWikitanvir: আপনার সন্দেহ সম্পূর্ণ অমূলক যে উদ্ধৃতাংশ মৌলিক গবেষণা। এখন থেকে হাজার বছর আগেই এ বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করা হয়েছে এবং কুরআর বিষয়ক বইপত্রে এ সবের সূত্র আছে। প্রকৃতঅবস্থা হলো এই যে, আমি যা জানি পৃথিবী তার চেয়ে অনেক বিশাল; আমি যা কল্পনা করতে পারি, বাস্তব তা থেকে অনেক অনেব বেশী ব্যাপক। তাই নিশ্চিত না হয়ে সন্দেহ বা থারণা করা সমীচীন সম্পাদকীয় পন্থা নয়। সূত্র সম্পর্কে বক্তব্য হলো এই যে, ব্লগসাইট থেকে নেয়া হয়েছে এ কথা সত্য। কিন্তু ব্লগসাইটগুলো যে সকল ওয়েবসাইট থেকে উদ্ধারণ করেছে, সেগুলো একটু তালাশ করলেই পাওয়া যায়। বেয়াদবি নিজগুণে প্রমার্জনা করবেন। — EditBangla (আলাপ) ০৭:১৫, ৪ অক্টোবর ২০১৮ (ইউটিসি)

প্রথম প্যারার সংজ্ঞাটির জন্য উপযুক্ত তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

প্রথম প্যারায় অবস্থিত সংজ্ঞাটির জন্য উপযুক্ত তথ্যসূত্র দেয়া হল। আশাকরি এ অংশটি প্রবন্ধে ফেরত নেবার বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

এটি আল্লাহর কালাম যা তাঁর বান্দা মুহাম্মদ (সা) এর উপর আরবী ভাষায় নাযিল হয়েছে। এটি একটি মু'জিযা এর সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সূরার ক্ষেত্রেও। এটি লিপিবদ্ধ আছে এবং আমাদের কাছে এটি মুতাওয়াতির বর্ণনায় এসে পৌছেছে। এর পঠন এর মাধ্যমে আমরা আল্লাহর ইবাদত করি এবং সূরা ফাতেহা দিয়ে এর শুরু এবং সূরা নাস দিয়ে এর সমাপ্তি। (আল-ইহকাম, আল-আমিদি ১/২৮, রওদাতুন নাজির, ইবনে কুদামা আল মাকদিসি ১/১৭৮) আল-ইহকাম, আল-আমিদি

সংজ্ঞা অনুচ্ছেদে যোগ করা হলো। — তানভির আলাপ অবদান ১৪:৩৩, ৫ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)
যেহেতু বাংলায় লিখছি, তাই লেখার ভাষাটা প্রাঞ্জল খাঁটি বাংলায় হতে আশা করি অসুবিধে নেই। আমি "কালাম" শব্দটির পাশে "বা বক্তব্য" কথাটি দ্বারা প্রাঞ্জল করার পক্ষে। "বান্দা" শব্দটির বদলে "দাস" শব্দটি ব্যবহারের পক্ষপাতি। "নাযিল"-এর বদলে "অবতীর্ণ"। "এর পঠন এর" না লিখে "এর পঠনের" লেখা যৌক্তিক মনে করছি। "মু'জিযা" শব্দটির পাশে "বা অলৌকিক নিদর্শন" লেখা প্রাঞ্জল মনে করছি। সরাসরি নিবন্ধে পরিবর্তন করলাম না, যাতে মূল তথ্যসূত্রের সাথে বক্তব্যের ভাবের অমিল না হয়। আপনি আশা করি মূল বক্তব্যের সাথে ভাবের মিল রেখে প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলো বিবেচনা করবেন। ধন্যবাদ।Mayeenul Islam (আলাপ) ১৬:১৮, ১৪ মে ২০১০ (UTC)
Gnome-edit-redo.svgMayeenul Islam: Gnome-edit-redo.svgWikitanvir: অনুগ্রহ করে জানবেন যে, পরিভাষা নামে একটি জিনিস আসে। আভিধানিক শব্দ দিয়ে বিভিন্ন বিদ্যার বিষয়বস্তু পরিষ্কার হয় না বিধায় পারিভাষিক শব্দ আবিষ্কার ও ব্যবহার করা হয়। ইসলামী বিষয়েও তা প্রযোজ্য হবে। এটা না অবৈধ, না অপ্রচলিত। ইসলাম বিষয়ক নিবন্ধে ইসলামী পরিভাষা ব্যবহার না করলে যদি অর্থের এবং তাৎপর্যের ভ্রষ্টতা জন্ম হয় তার জন্য কে দায়ী হবে? আর তাতে উইকিপিডিয়া গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। তাই নয় কি? — EditBangla (আলাপ) ০৭:২৩, ৪ অক্টোবর ২০১৮ (ইউটিসি)

প্রধান শিরোনাম[সম্পাদনা]

প্রধান শিরোনাম "কুরআন" না হয়ে "আল কুরআন" (ক-হ্রস্ব উ-কার) অথবা "আল ক্বুরআন" (ক-ব-হ্রস্ব উ-কার) হওয়া উচিত বলে মনে করছি। যেহেতু মূল আরবি ভাষায় "আল ক্বুরআন" (ক-ব-হ্রস্ব উ-কার) সঠিক।Mayeenul Islam (আলাপ) ১৬:২২, ১৪ মে ২০১০ (UTC)

কতিপয় বানান ও শুদ্ধতা[সম্পাদনা]

কতিপয় বানানের ব্যাপারে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ করছি, যেমন:

  • ঐশী নয় বরং ইসলামের ক্ষেত্রে হবে ঐশ্বিক। কেননা ঐশী শব্দটা স্ত্রীবাচক। সাধারণ অর্থে তাই ঐশ্বিক গ্রহণযোগ্য হবে।
  • আরবী নয়, বরং আরবি গ্রহণযোগ্য।
  • আরবি 'হযরত' মানে হলো 'জনাব'। তাই যেহেতু বাংলা উইকিপিডিয়ায় লিখছি আমরা, তাই বাংলায় জনাব লেখাটাই বেশি যৌক্তিক মনে করছি। ধন্যবাদ।Mayeenul Islam (আলাপ) ০২:২৯, ৬ জুন ২০১০ (UTC)

নিচে লেখুন[সম্পাদনা]

আমি স্বয়ং এ উপদেশগ্রন্থ অবতরণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষক।[৬]
কুরআন নিবন্ধে উপরের লাইনের পরের লেখা টুকু সরিয়ে ফেলুন অথবা নিচে কোথাও লিখুন ৷ উপরের লাইনের নিচের কথাটুকু যে সত্যি নয় তা যদি জানতে যান ৷ তাহলে আপনারা ইউটুবে (জাকির নায়েক এবং উইলিয়াম কেম্বেলের বিতর্ক দেখতে পারেন ৷ ভিডিও দেখতে সার্চ করুন কুরআন এবং বাইবেল আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে 'পরে লিংকটা দেব ৷ DEBATE : THE QUR'AN AND THE BIBLE IN THE LIGHT OF SCIENCE | LECTURE + Q & A | DR ZAKIR NAIK
লিংক দিতে পারলাম দয়া সার্চ করুন ৷