পাখি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Aves থেকে ঘুরে এসেছে)
পাখি
সময়গত রেঞ্জ: অন্ত্য-জুরাসিক পর্যায়–বর্তমান, 150–0Ma
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Animalia
পর্ব: Chordata
উপ-পর্ব: Vertebrata
শ্রেণী: Aves
Linnaeus, 1758[১]
উপশ্রেণী

আরও তথ্যের জন্য নিবন্ধ দেখুন

পাখি (ইংরেজি: Bird) পালক ও পাখাবিশিষ্ট দ্বিপদী প্রাণী। কিছু পতঙ্গ এবং বাদুড়ের পাখা থাকলেও কেবল পাখিদেরই পালক আছে। পৃথিবীতে পাখির প্রজাতি রয়েছে প্রায় ১০০০০ টি। এমনিতে সব জীবিত পাখিই নিওর্নিথিস উপশ্রেণীর অন্তর্গত। পাখির শ্রেণীকে (Aves) মোট ২৩টি বর্গ, ১৪২টি গোত্র, ২০৫৭টি গণ এবং ৯৭০২টি প্রজাতিতে বিন্যাস্ত করা হয়েছে।[২] তবে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্রজাতি আবিষ্কৃত হচ্ছে এবং পুরোন কিছু প্রজাতিকে বিভাজন করে নতুন প্রজাতির গোড়াপত্তন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত জীবাশ্ম নির্দেশ করে যে পাখিদের আবির্ভাব হয়েছিল জুরাসিক যুগে, প্রায় ১৬০ মিলিয়ন বছর আগে। জীবাশ্মবিজ্ঞানীদের মতে, ৬৫.৫ মিলিয়ন বছর আগের ক্রিটেশাস-প্যালিওজিন বিলুপ্তির পর পাখিরাই চার উপাঙ্গবিশিষ্ট ডাইনোসরের একমাত্র বংশধর। জীবিত পাখিদের মধ্যে মৌ হামিংবার্ড সবচেয়ে ছোট (মাত্র ৫ সেন্টিমিটার বা ২ ইঞ্চি) আর উটপাখি সবচেয়ে বড় (২.৭৫ মিটার বা ৯ ফুট)।

মাছ, উভচর, সরীসৃপ এবং স্তন্যপায়ীদের মত পাখিরাও মেরুদণ্ডী প্রাণী। আধুনিক যুগের পাখিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- পালক, দন্তবিহীন চঞ্চু, শক্ত খোলকবিশিষ্ট ডিম যার সাহায্যে এরা এদের বংশধর রেখে যায়, চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড, উচ্চ কোষীয় জৈব-রাসায়নিক হার, হালকা কিন্তু মজবুত হাড় ইত্যাদি। সব পাখিরই ডানা আছে, একমাত্র ব্যাতিক্রম অধুনালুপ্ত নিউজিল্যান্ডের মোয়া। সামনের উপাঙ্গ বিবর্তিত হয়ে আসলে ডানার রূপ লাভ করেছে। প্রায় সব পাখি উড়তে পারে এবং উড্ডয়নে অক্ষম পাখিগুলিও (যেমন উটপাখি, পেঙ্গুইন) উড়তে সক্ষম পূর্বপুরুষের বিবর্তনের ফসল। উড়তে অক্ষম পাখিদের বেশিরভাগই কতিপয় দ্বীপের স্থানিক বাসিন্দা। পাখিদের পরিপাকরেচন প্রক্রিয়া তাদের সহজভাবে ওড়ার জন্য অনুকূল এবং অন্যসব প্রাণীদের থেকে একেবারেই আলাদা। পাখিদের মধ্যে কয়েকটি প্রজাতি, বিশেষত কাকটিয়ার কয়েকটি প্রজাতি, প্রাণিজগতে সর্বাপেক্ষা বুদ্ধিমান প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। কয়েক প্রজাতির পাখি ছোটখাটো হাতিয়ার বানানো ও তা ব্যবহারের কৌশল রপ্ত করেছে। কিছু কিছু সামাজিক পাখির মধ্যে প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাদের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান সঞ্চালন করে যেতে দেখা যায়।

পাখিদের মধ্যে অনেকেই পরিযায়ী। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে এরা বিশাল দূরত্ব অতিক্রম করে একস্থান থেকে অন্য স্থানে যায়। এ ধরণের স্থানান্তর থেকে বেশি দেখা যায় স্বল্পদৈর্ঘ্যের অনিয়মিত গতিবিধি। বেশিরভাগ পাখিই সামাজিক জীব। এরা দৃষ্টিগ্রাহ্য সংকেত এবং ডাক বা শিষের মাধ্যমে একজন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করে। বিভিন্ন সামাজিক কার্যকলাপেও এরা অংশ নেয়, যেমন- একই ঋতুতে প্রজননে অংশ নেয়া, একসাথে কলোনি করে বাসা করা, ঝাঁক বেঁধে উড়ে বেড়ানো, দলবদ্ধ ভাবে খাবার খোঁজা এমনকি দল বেঁধে শত্রুকে তাড়িয়ে দেয়া। অধিকাংশ পাখিই কেবলমাত্র একটি প্রজনন ঋতুর বা সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য একগামী, সারা জীবনের জন্য জুটি বাঁধার ব্যাপারটি কমই দেখা যায়। বহুপতি বা বহুপত্নী প্রথাও পাখিদের মধ্যে দেখা যায়। পাখিরা সাধারণত তাদের প্রস্তুতকৃত বাসাতেই ডিম পাড়ে এবং বাবা-মা তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায়। বেশিরভাগ পাখি বাচ্চা ফুটে বের হওয়ার পরও বেশ কিছুদিন সময় পর্যন্ত বাচ্চার প্রতিপালন করে।

পাখির অর্থনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি। খাদ্য হিসেবে এদের গুরুত্ব অপরিসীম। মাংসের জন্য এদের বহু প্রজাতিকে শিকার করা হয় আর কিছু প্রজাতিকে বাণিজ্যিকভাবে পালন করা হয়। ঘরের পোষা পাখি হিসেবে টিয়া, ময়না, তোতা, চন্দনা, বহু প্রজাতির গানের পাখি আর বাহারি পাখির বেশ কদর রয়েছে। পাখির বিষ্ঠা থেকে উৎপন্ন গুয়ানো সার হিসেবে উৎকৃষ্ট ও এর বাণিজ্যিক গুরুত্ব রয়েছে। সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এমনকি সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাখি এক বিশাল জায়গা জুড়ে রয়েছে। ১৭শ শতক থেকে আজ পর্যন্ত মানুষের বিভিন্ন কার্যকলাপে ১২০ থেকে ১৩০টি পাখি প্রজাতি দুনিয়া থেকে চিরতরে হারিয়ে গিয়েছে। তারও আগে আরও একশ'টির মত প্রজাতি একই ভাগ্য বরণ করেছে। মানুষের নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে বর্তমানে প্রায় বারোশ'র মত প্রজাতি বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি প্রজাতি সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

পরিচ্ছেদসমূহ

বিবর্তন ও শ্রেণীবিন্যাস[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: পাখির বিবর্তন



কুমির



পাখি




গিরগিটি (সাপসহ)




কচ্ছপ


বিভিন্ন সরীসৃপদের সাথে পাখির সম্পর্ক
 Slab of stone with fossil bones and feather impressions
আর্কিওপ্টেরিক্স (Archaeopteryx lithographica), এখন পর্যন্ত সবচেয়ে প্রাচীন পাখি প্রজাতি

পাখিদের শ্রেণীবিন্যাসকরণ প্রথম ঘটে ফ্রান্সিস উইলোবিজন রে'র হাত ধরে।[৩] ১৬৭৬ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত তাদের গ্রন্থ অর্নিথোলজিতে (Ornithologiae) তারা পাখির শ্রেণীবিন্যাস সম্পর্কে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। ১৭৫৮ সালে শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার জনক ক্যারোলাস লিনিয়াস শ্রেণীবিন্যাসবিদ্যার উন্নয়ন ঘটান এবং দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তন করেন যা এখন পর্যন্ত বহাল রয়েছে।[৪] লিনিয়াসের নিয়মে পৃথিবীর সকল পাখি প্রজাতিকে অ্যাভিস (Aves) শ্রেণীর আওতাভুক্ত করা হয়েছে। জাতিজনি শ্রেনীবিন্যাসে অ্যাভিসকে ডাইনোসরের শাখা থেরোপোডার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।[৫] সরীসৃপ আর্কোসারিয়া ক্লেডের জীবিত বংশধর হচ্ছে অ্যাভিস এবং তাদের সহযোগী গোষ্ঠী ক্রোকোডিলিয়া। ১৯৯০-এর শেষের দিকে অ্যাভিস শ্রেণীকে আধুনিক সকল পাখি প্রজাতি এবং আর্কিওপ্টেরিক্সের উৎস হিসেবে বিবৃত করা হয়।[৬] পরবর্তীতে জ্যাক গোথিয়ে প্রদত্ত আরও পূর্বের একটি প্রস্তাবনা একুশ শতকে গুরুত্ব পেতে শুরু করে। গোথিয়ে অ্যাভিস শ্রেণীতে কেবলমাত্র আধুনিক পাখিদের অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষপাতি ছিলেন, যাকে তিনি নামকরণ করেন ক্রাউন গ্রুপ হিসেবে। তিনি জীবাশ্ম থেকে পাওয়া দল ও প্রজাতিসমূহের জন্য আলাদা আরেকটি দল অ্যাভিলি-এর প্রস্তাব করেন।[৭] মূলত চার উপাঙ্গবিশিষ্ট (থেরোপড) ডাইনোসরদের সাথে আর্কিওপ্টেরিক্সের সম্পর্ক নিয়ে যে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনের জন্যই তার এ প্রস্তাবনা।

সব আধুনিক পাখিই ক্রাউন গ্রুপ নিওর্নিথিস-এর অন্তর্ভুক্ত। এটি আবার দুটি বড় ভাগে বিভক্ত। একটি ভাগ হল প্যালিওগন্যাথি; বেশিরভাগ উড্ডয়নে অক্ষম পাখিরা এ দলের অন্তর্ভুক্ত। আরেকটি ভাগের নাম নিওগন্যাথি; যাতে আর বাকি সব পাখিরা অন্তর্ভূক্ত।[৫] ফলে এই উপবিভাগটি অত্যন্ত বৈচিত্র্যপূর্ণ। অনেকসময় এই দুটি বড় দলকে মহাবর্গ নামে শ্রেণীবিন্যাসগত ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[৮] শ্রেণীবিন্যাসগত দিক থেকে পৃথিবীতে বর্তমানে জীবিত পাখি প্রজাতির সংখ্যা ৯,৮০০[৯] থেকে ১০,০৫০টি[১০]

আধুনিক পক্ষীবর্গসমূহের শ্রেণীবিন্যাস[সম্পাদনা]

সকল আধুনিক পাখিকে নিওর্নিথিস উপশ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত বিবেচনা করা হয়। বর্তমান তালিকাটিতে পুরোন শ্রেণীবিন্যাসের (তথাকথিত ক্লিমেন্টস অর্ডার) পরিশীলিত রূপ ব্যবহার করা হয়েছে। এ পরিশীলিত রূপটি দিয়েছে সিবলি-মনরোর শ্রেণীবিন্যাস।

বিভিন্ন ফাইলোজেনেটিক অধ্যয়ন থেকে প্রাপ্ত পক্ষীবর্গের (নিওঅ্যাভিস) সর্বশেষ শ্রেণীবিন্যাস, ২০১২।[১১]

উপশ্রেণী নিওর্নিথিস
উপশ্রেণী নিওর্নিথিস দুটি মহাবর্গে বিভক্তs – মহাবর্গ প্যালিওগন্যাথি:

মহাবর্গ নিওগন্যাথি:

বিস্তৃতি[সম্পাদনা]

মানুষের সাথে সাথে পৃথিবীজুড়ে সমানতালে পাতি চড়ুইয়ের বিস্তৃতি বেড়েছে।[১২]

পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই পাখিরা বিস্তৃত, অর্থাৎ সাতটি মহাদেশের সবখানেই পাখি দেখা যায়। বেশিরভাগ পাখির বায়বীয় অভিযোজন ঘটেছে বলে এদের অবাধ গমন সম্ভব হয়েছে। উড়বার জন্য দেহ হালকা হয়েছে এবং দেহের আকৃতি মাকুর মত হয়েছে। বায়ু অভিযোজন হলেও খাদ্য গ্রহণ, আত্মরক্ষা, প্রজনন ইত্যাদি কারণে অরণ্য সমভূমি, পর্বত-গাত্র, লোকালয়, নদ-নদী, খালবিল, সাগর সর্বত্রই পাখিদের বিস্তৃতি ঘটেছে। এমন কয়েক গোত্রের পাখি রয়েছে যাদের পানিতে বিশেষভাবে অভিযোজন ঘটেছে। কিছু সামুদ্রিক পাখি তাদের জীবনের সিংহভাগ কাটায় সমুদ্রে, কেবল ডিম পাড়ারজন্য ডাঙায় আসে।[১৩] কয়েক প্রজাতির পেঙ্গুইন সমুদ্রের ৩০০ মিটার (প্রায় ৯৮০ ফুট) গভীর পর্যন্ত ডুব দিতে পারে।[১৪] পৃথিবীর সর্বদক্ষিণে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের ৪৪০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে তুষার পেট্রেলের প্রজনন কলোনির সন্ধান পাওয়া গেছে।[১৫] গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলে পাখিদের আনাগোনা সবচেয়ে বেশি। পূর্বে ধারণা ছিল যে এসব অঞ্চলে পাখিদের প্রজাত্যায়নের হার বেশি বলে প্রজাতির সংখ্যাও বেশি। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে গ্রীষ্মকালীন অঞ্চলের তুলনায় অন্যসব অঞ্চলে বিভিন্ন কারণে পাখিদের বিলুপ্তির হার ছিল বেশি।[১৬] সে কারণে সেসব অঞ্চলে তাদের বৈচিত্র্য কম।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Brands, Sheila (14 Aug 2008)। "Systema Naturae 2000 / Classification, Class Aves"Project: The Taxonomicon। সংগৃহীত 4 February 2009 
  2. রেজা খান, বাংলাদেশের পাখি (ঢাকা: বাংলা একাডেমী, ২০০৮), পৃ. ৩। ISBN 984-07-4690-7
  3. del Hoyo, Josep; Andy Elliott and Jordi Sargatal (1992). Handbook of Birds of the World, Volume 1: Ostrich to Ducks. Barcelona: Lynx Edicions. আইএসবিএন 84-87334-10-5.
  4. Linnaeus, Carolus (1758). Systema naturae per regna tria naturae, secundum classes, ordines, genera, species, cum characteribus, differentiis, synonymis, locis. Tomus I. Editio decima, reformata. Holmiae. (Laurentii Salvii). পৃ: 824.
  5. ৫.০ ৫.১ Livezey BC, Zusi RL (January 2007)। "Higher-order phylogeny of modern birds (Theropoda, Aves: Neornithes) based on comparative anatomy. II. Analysis and discussion"Zoological Journal of the Linnean Society 149 (1): 1-95। ডিওআই:10.1111/j.1096-3642.2006.00293.xhttp://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/18784798
  6. Padian, Kevin; L.M. Chiappe Chiappe LM (1997). "Bird Origins". In Philip J. Currie and Kevin Padian (eds.). Encyclopedia of Dinosaurs. San Diego: Academic Press. পৃ: 41–96. আইএসবিএন 0-12-226810-5.
  7. Gauthier, Jacques (1986). "Saurischian Monophyly and the origin of birds". In Kevin Padian. The Origin of Birds and the Evolution of Flight. Memoirs of the California Academy of Science 8. San Francisco, CA: Published by California Academy of Sciences. পৃ: 1–55. আইএসবিএন 0-940228-14-9.
  8. Ritchison, Gary। "Bird biogeography"Avian Biology। Eastern Kentucky University। সংগৃহীত 10 April 2008 
  9. Clements, James F. (2007). The Clements Checklist of Birds of the World (6th ed.). Ithaca: Cornell University Press. আইএসবিএন 978-0-8014-4501-9.
  10. Gill, Frank (2006). Birds of the World: Recommended English Names. Princeton: Princeton University Press. আইএসবিএন 978-0-691-12827-6.
  11. Mindell, David P.; Brown, Joseph W.; Harshman, John (June 2008)। "Neoaves"Tree of Life Project। tolweb.org। সংগৃহীত 11 June 2012 
  12. Newton, Ian (2003). The Speciation and Biogeography of Birds. Amsterdam: Academic Press. পৃ: 463. আইএসবিএন 0-12-517375-X.
  13. Schreiber, Elizabeth Anne; Joanna Burger (2001). Biology of Marine Birds. Boca Raton: CRC Press. আইএসবিএন 0-8493-9882-7.
  14. Sato, Katsufumi; N; K; N; W; C; B; H et al. (1 May 2002)। "Buoyancy and maximal diving depth in penguins: do they control inhaling air volume?"Journal of Experimental Biology 205 (9): 1189–1197। ISSN 0022-0949PMID 11948196http://jeb.biologists.org/cgi/content/full/205/9/1189
  15. Brooke, Michael (2004). Albatrosses And Petrels Across The World. Oxford: Oxford University Press. আইএসবিএন 0-19-850125-0.
  16. Weir, Jason T.; Schluter, D (March 2007)। "The Latitudinal Gradient in Recent Speciation and Extinction Rates of Birds and Mammals"। Science 315 (5818): 1574–76। ডিওআই:10.1126/science.1135590ISSN 0036-8075PMID 17363673