মোয়া (পাখি)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Moa
সময়গত রেঞ্জ: মিওসিন - হলোসিন, ১৭–০Ma
250px
পাহাড়ি মোয়া, Megalapteryx didinus
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
আদর্শ প্রজাতি
Dinornis novaezealandiae
Owen, 1843
উপদল
বৈচিত্র্য
৬টি গণে ৯টি প্রজাতিUNIQb885178310e8c588-nowiki-00000001-QINU১UNIQb885178310e8c588-nowiki-00000002-QINU
প্রতিশব্দ
  • Dinornithes

মোয়া (ইংরেজি: Moa)[২][৩] নিউজিল্যান্ডের স্থানিক একদল বৃহদাকৃতির বিলুপ্ত প্রজাতির পাখি।[৪] প্রায় ৭০০ বছর আগে এরা পৃথিবীতে বিচরণ করত। এখন পর্যন্ত ৬টি গণে মোট ৯ প্রজাতির মোয়ার খোঁজ পাওয়া গেছে।[৫] আকৃতিতে এরা ছিল বিশাল। দুটি অন্যতম বৃহৎ প্রজাতি Dinornis robustusDinornis novaezelandiae-এর উচ্চতা গলা টান অবস্থায় ৩.৬ মিটার (প্রায় ১২ ফুট) এবং ওজন ২৩০ কেজি (৫১০ পাউন্ড) পর্যন্ত হত।[৪] মোয়া কিউই পাখির উড্ডয়নে অক্ষম। ধারনা করা হয় মোয়া আর কিউই একই গণ ভুক্ত।

বর্ণনা[সম্পাদনা]

এদের উচ্চতা ১০-১২ ফুট গলা জিরাফ এর ন্যায় লম্বা। এদের ঠোঁট খাটো ও ৪টি আঙ্গুল যুক্ত ভারি পা ছিল।[৬]

খাদ্যাভ্যাস[সম্পাদনা]

মোয়া পাখি তৃণভোজী। মূলত গাছের পাতা খেয়েই এরা জীবনধারন করত।[৭]

বিলুপ্তি[সম্পাদনা]

মোয়ার বিলুপ্তি প্রধান কারণ হাস্ট ঈগলমাওরি আদিবাসীদের বিশেষ আচার-অনুষ্ঠান। মাউরিরা উৎসব-অনুষ্ঠানে মোয়ার হাড় ব্যবহার করত। তাছাড়া মোয়ার ডিমের খোলসে মৃতদেহ কবর দিত। ১৪০০ সালের দিকে মোয়ারা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায়।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Brent Stephenson। "New Zealand Recognised Bird Names (NZRBN) database"। Ornithological Society of New Zealand। সংগৃহীত 2009-04-10 
  2. মাওরি ভাষায় মোয়া শব্দটি একই সাথে একবচন ও বহুবচন। অনেকে ইংরেজিতেও এ নিয়মটি মেনে চলেন। তবে ইংরেজিতে অনেকসময় বহুবচনে Moas ব্যবহার করা হয়।
  3. কিছু কিছু পলিনেশীয় ভাষায়, যেমন (তাহিতিয়ান, কুক দ্বীপ, সামোয়ান প্রভৃতি ভাষায় "মোয়া" বলতে মুরগী বা মুরগীজাতীয় পাখি বোঝায়।(Dictionary of the Tahitian Academy {fr/ty}; Jasper Buse, Raututi Taringa, "Cook islands Maori Dictionary" (1995); Samoan lexicon)
  4. ৪.০ ৪.১ Davies, S.J.J.F. (2003). "Moas". In Hutchins, Michael. Grzimek's Animal Life Encyclopedia. 8 Birds I Tinamous and Ratites to Hoatzins (2 ed.). Farmington Hills, MI: Gale Group. pp. 95–98.
  5. OSNZ (2009)
  6. Worthy, T.H.; Holdaway, R.N. (1996). "Quaternary fossil faunas, overlapping taphonomies, and paleofaunal reconstructions in North Canterbury, South Island, New Zealand". Journal of the Royal Society of New Zealand 26 (3): 275–361.
  7. ৭.০ ৭.১ Wood, JR. (2007). "Moa gizzard content analyses: further information on the diet of Dinornis robustus and Emeus crassus, and the first evidence for the diet of Pachyornis elephantopus (Aves: Dinornithiformes)". Records of the Canterbury Museum 21: 27–39.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]