কিউই
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
এদের বাস নিউজিল্যান্ডের গুটিকতক দ্বীপে। এরা দিবাচর নয়, সূর্যাস্তের পর খাবারের সন্ধানে বের হয়। ধূসর বাদামি রংয়ের এই পাখিদের আকৃতি অনেকটা মুরগির মতো। পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যাওয়া পাখি মোয়াদের গোত্রের সঙ্গে এদের যোগাযোগ আছে। অনেক অর্থেই কিউইরা আসলে ব্যতিক্রমী। আগের বড় পাখার যতটুকু এ যুগে টিকে আছে (মাত্র দুই ইঞ্চি) তাও ঢাকা পড়ে থাকে তাদের পালকের নিচে। একদম গোড়ার দিকে থাকার বদলে ওদের নাসারন্ধ্র থাকে লম্বা নমনীয় ঠোঁটের অগ্রভাগে। আর সব পাখির পালকের মতো এদের পালকের গোড়ার দিকে লম্বা হাতলের মতো থাকে না এবং সেগুলো অনেক নরম ও চুলের মতো। পাগুলো বেশ মোটা, মজবুত ও পেশিবহুল। প্রত্যেক পায়ের চার আঙ্গুলে একটি করে বড় নখর আছে। ছোট ছোট চোখগুলো দিনের আলোতে খুব বেশি সুবিধা করতে পারে না। কানের বাইরের দিকটা বেশ বড় ও উন্নত। ঠোঁটের গোড়ার দিকটায় ছোট ছোট লোমের মতো থাকে।
এদের বসবাস বনে। দিনে গর্ত বা কুঠুরির মধ্যে ঢুকে ঘুমিয়ে থাকে। আর পোকামাকড়, কীটপতঙ্গ, শুয়োপোকা ইত্যাদি খাবারের খোঁজে বের হয় রাতে। প্রয়োজনে কিউইরা বেশ দ্রুত দৌড়াতে পারে। আর ফাঁদে পড়লে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে ওদের থাবা। গর্তের মধ্যে একটি বা দুটি ডিম পাড়ে কিউই। ডিমের রং সাদা। ৮০ দিন ধরে ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটায় সাধারণত পুরুষ কিউই পাখি। পর্যাপ্ত না থাকায় এদের প্রজাতি অনেকটাই হুমকির মুখে। নিউজিল্যান্ডে এদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জোর চেষ্টা চলছে।
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: কিউই |
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |