আবুল কালাম আজাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(মৌলানা আবুল কালাম আজাদ থেকে ঘুরে এসেছে)
মৌলানা আবুল কালাম আজাদ
শিক্ষামন্ত্রী
কার্যালয়ে
১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ – ১৯৫৮
প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৮৮৮-১১-১১)১১ নভেম্বর ১৮৮৮
মক্কা
মৃত্যু ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮(১৯৫৮-০২-২২) (৬৯ বছর)
দিল্লি, ভারত

আবুল কালাম মহিউদ্দিন আহমেদ (উর্দু: مولانا ابوالکلام محی الدین احمد آزاد) (১১ নভেম্বর ১৮৮৮ - ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামীস্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী। তিনি মৌলানা আবুল কালাম আজাদ (তাঁর ছদ্মনাম ছিল আজাদ) নামেই অধিক পরিচিত। মৌলানা আজাদ ইসলামি ধর্মশাস্ত্রে সুপণ্ডিত ছিলেন। তরুণ বয়সে তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির প্রবক্তা ছিলেন এবং দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত বিভাগের বিরোধিতা করেছিলেন। এমনকি নবগঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রে সামরিক শাসন ও পাকিস্তান ভাগ সম্পর্কেও তিনি ভবিষ্যবাণী করে গিয়েছিলেন।[১] ১৯৯২ সালে তাঁকে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান ভারতরত্নে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হয়।[২] স্বাধীন ভারতে শিক্ষাবিস্তারে তাঁর উজ্জ্বল ভূমিকার কথা স্মরণে রেখে তাঁর জন্মদিনটি সারা দেশে "জাতীয় শিক্ষা দিবস" হিসেবে পালন করা হয়।[৩]

তরুণ বয়স থেকে মৌলানা আজাদ উর্দু ভাষায় কবিতা এবং ধর্ম ও দর্শন-সংক্রান্ত নিবন্ধ রচনা করতে শুরু করেন। তিনি সাংবাদিকতার পেশা গ্রহণ করে ব্রিটিশ শাসনের সমালোচনা করেন এবং ভারতীয় জাতীয়তাবাদকে সমর্থন জানান। পরে আজাদ খিলাফৎ আন্দোলনের নেতৃত্ব দান করেন। সেই সময় তিনি মহাত্মা গান্ধীর সংস্পর্শে আসেন। আজাদ ১৯১৯ সালের রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে গান্ধীজির অহিংস অসহযোগের ধারণায় অনুপ্রেরিত হয়ে অসহযোগ আন্দোলন সংগঠনে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ১৯২৩ সালে তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনিই ছিলেন কংগ্রেসের সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি।

১৯৩১ সালে মৌলানা আজাদ ধারাসন সত্যাগ্রহ শুরু করেন। এই সময় তিনি দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক নেতা হয়ে ওঠেন। তিনি ভারতে ধর্মনিরপেক্ষতাসমাজতান্ত্রিক ধ্যানধারণা এবং হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির কথা প্রচার করেন।[৪] ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় পাঁচ বছর (১৯৪০-৪৫) তিনি কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় তিন বছর তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন। যে সকল ভারতীয় মুসলমান মুসলমানদের জন্য পৃথক পাকিস্তান রাষ্ট্রের দাবির বিরোধিতা করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব ছিলেন মৌলানা আজাদ। তিনি ভারতের অন্তর্বর্তী সরকারেও মন্ত্রীত্ব করেন। দেশভাগের অব্যবহিত আগে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় তিনি হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির প্রচেষ্টা চালান। স্বাধীন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তিনি বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষার জন্য আধুনিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি চালু করেন। তিনিই ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিবিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন স্থাপন করেন।[৪]

শৈশব জীবন[সম্পাদনা]

মৌলানা আবুল কালাম ১৮৮৮ সালের ১১ই নভেম্বর সৌদি আরবের মক্কায় জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পূর্বপুরুষেরা হেরাত, আফগানিস্থান থেকে ভারতবর্ষে এসেছিলেন।

বিপ্লব ও সাংবাদিকতা[সম্পাদনা]

অসহযোগ[সম্পাদনা]

কংগ্রস নেতা[সম্পাদনা]

ভারত ছাড়-আন্দোলন[সম্পাদনা]

ভারত বিভাগ[সম্পাদনা]

আজাদ, প্যাটেল ও গান্ধী

সূত্র[সম্পাদনা]

  1. Maulana Abul Kalam Azad: The Man Who Knew The Future Of Pakistan Before Its Creation (New Age Islam)
  2. "Padma Awards Directory (1954-2007)"। [[Ministry of Home Affairs (India)|]]। সংগৃহীত 7 December 2010 
  3. মৌলানা আজাদের জন্মদিনটি "জাতীয় শিক্ষা দিবস", "শিক্ষক দিবস" নয়। "শিক্ষক দিবস" সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জন্মদিন।
  4. ৪.০ ৪.১ Chapter 3 Page 14 Abul Kalam - Freedom fighters of India: (in four volumes) By Lion M. G. Agrawal

বাল্যকাল

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]