র‌্যাডক্লিফ লাইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

র‍্যাডক্লিফ লাইন বা র‍্যাডক্লিফ রেখা (ইংরেজি: Radcliffe Line) ১৭ আগস্ট ১৯৪৭-এর ভারতবর্ষের বিভাজনের পশ্চাৎ ভারত-পাকিস্তানের মাঝের সীমানা হয়ে যায়। স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফের অধ্যক্ষতায় পরিসীমা কমিশন দ্বারা এই রেখার মূল্যায়ন করা হয়, এই রেখার নাম দেওয়া হয় র‍্যাডক্লিফ লাইন[১]

ভারতবর্ষের বিভাজন(১৯৪৭)

পটভূমি[সম্পাদনা]

জুলাই ১৫,১৯৪৭ তারিখে, ব্রিটিশ সংসদের ভারতীয় স্বাধীনতা অধিনিয়ম ১৯৪৭ নির্ধারিত করল যে ভারতে ব্রিটিশ রাজ কেবল এক মাসের পর ১৫ অগাস্ট, ১৯৪৭ এ সমাপ্ত হবে। এই অধিনিয়মে পরিভাষিত করা হয় যে ব্রিটিশ ভারত দুটি নতুন সার্বভৌম রাষ্ট্রে বিভাজিত হবেঃ ভারত অধিরাজ্য এবং পাকিস্তান রাজত্ব।

প্রক্রিয়া এবং মুখ্য ব্যাক্তিগণ[সম্পাদনা]

এই প্রক্রিয়ার সমস্যাগুলি[সম্পাদনা]

সীমা রচন প্রক্রিয়া[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব[সম্পাদনা]

স্থানীয় জ্ঞান[সম্পাদনা]

ত্বরা এবং ঔদাসীন্য[সম্পাদনা]

গোপনীয়তা[সম্পাদনা]

রূপায়ণ[সম্পাদনা]

র‍্যাডক্লিফ লাইন নিয়ে বিবাদ[সম্পাদনা]

র‍্যাডক্লিফ লাইন নিয়ে দুইটি প্রমুখ বিবাদ ছিল, বাংলার পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর জেলা। এ ছাড়া বাংলার মালদা, খুলনা এবং মুর্শিদাবাদ জেলার অংশে ও আসামের করিমগঞ্জে সামান্য বিবাদ হয়েছিল।

পার্বত্য চট্টগ্রাম[সম্পাদনা]

গুরুদাসপুর জেলা[সম্পাদনা]

ফিরোজপুর জেলা[সম্পাদনা]

মালদা[সম্পাদনা]

খুলনা এবং মুর্শিদাবাদ জেলা[সম্পাদনা]

সামান্য ৫২% হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে সম্পূর্ণ খুলনা জেলা পূর্ব পাকিস্তানকে দেওয়া হয়ে ছিল এবং এর পরিবর্তে ৭০% মুসলিম সংখ্যাগুরু ক্ষুদ্রতর মুর্শিদাবাদ জেলা ভারতে শামিল হয়। ২০০১এর ভারতীয় জনগণনা হিসেবে মুরশিদাবাদের জনতার সাক্ষরতার হার ৬৬%, সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে মুর্শিদাবাদ এর সাক্ষরতার হার বেশি।

করিমগঞ্জ[সম্পাদনা]

আসামের সিলেট জেলা একটি গণভোটের মাধ্যমে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়. কিন্তু, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উপ-বিভাগ করিমগঞ্জ সিলেট থেকে বণ্টন করে ভারত কে দেওয়া হয়. ২০০১এর ভারতীয় জনগণনা হিসেবে করিমগঞ্জের ধার্মিক জনপরিসংখ্যান ইসলাম(৫২.৩%) এবং হিন্দু(৪৭%). আসামের করিমগঞ্জ জেলার অধিকাংশ জনতা বাঙালী এবং এখানকার অধিকারিক ভাশা বাংলা, উল্লেখযোগ্য বিশয় যে এই জেলার গড়পড়তা সাক্ষরতার হার ৮৩% যেটি ভারতবর্ষের গড়পড়তা হারের থেকে বেশী।

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. Read, p. 482

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]